Product gallery
MRP ২৫.০০১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২২.৫০/piece
Section

Medicine overview

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ১২ বছরের ঊর্দ্ধে:ট্যাবলেট: সাধারন সংক্রমণ: ১টি ৬২৫ মি.গ্রা. ট্যাবলেট প্রতি ১২ ঘন্টা অন্তর অথবা ১ টি ৩৭৫ ট্যাবলেট প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর। তীব্র সংক্রমণ ও শ্বাসনালীর সংক্রমণ: ১ টি ১ গ্রাম ট্যাবলেট প্রতি ১২ ঘন্টা অন্তর অথবা ১ টি ৬২৫ ট্যাবলেট প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর। সাস্‌পেনশন: ৬-১২ বছরের শিশু: ২ চামচ প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর। ১-৬ বছরের শিশু: ১ চামচ প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর। ১ বছরের নীচে শিশু: শিশুর প্রতি কেজি ওজনের জন্য দিনে ২৫ মি.গ্রা. এমোক্সিসিলিন বিদ্যমান এমন পরিমাণ সাস্‌পেনশন সমবিভক্ত মাত্রায় প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর সেব্য। পুনর্বিবেচনা না করে চিকিৎসা ১৪ দিনের বেশি চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়। ফোর্ট সাস্‌পেনশন: মৃদু থেকে মধ্যম সংক্রমণ: শিশুর প্রতি কেজি ওজনের জন্য দিনে ২৫ মি.গ্রা. এমোক্সিসিলিন বিদ্যমান এমন পরিমাণ সাস্‌পেনশন সমবিভক্ত মাত্রায় প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর সেব্য। তীব্র সংক্রমণ: শিশুর প্রতি কেজি ওজনের জন্য দিনে ৪৫ মি.গ্রা. এমোক্সিসিলিন বিদ্যমান এমন পরিমাণ সাস্‌পেনশন সমবিভক্ত মাত্রায় প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর সেব্য। ইঞ্জেকশন:প্রাপ্ত বয়স্ক: সাধারণত ১.২ গ্রাম প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর। তীব্র সংক্রমণের ক্ষেত্রে ১.২ গ্রাম প্রতি ৬ ঘন্টা অন্তর। সার্জারীর ক্ষেত্রে সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য: সাধারণভাবে প্রাথমিক মাত্রা হচ্ছে ১.২ গ্রাম, উচ্চ আশংকাজনক শল্যচিকিৎসার ক্ষেত্রে (কোলোরেকটাল সার্জারি): ১.২ গ্রাম প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর পরবর্তী ২-৩ বার দেওয়া যেতে পারে। শিশু: ০-৩ মাস: শিশুর প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৩০ মি.গ্রা. এমোক্সিসিলিন বিদ্যমান এমন পরিমাণ ইঞ্জেক্‌শন প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর (প্রিন্যাটাল পিরিয়ড এবং প্রিম্যাচিউর শিশুর ক্ষেত্রে প্রতি ১২ ঘন্টা অন্তর)। ৩ মাস-১২ বছর: সাধারণত: শিশুর প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৩০ মি.গ্রা. এমোক্সিসিলিন বিদ্যমান এমন পরিমাণ ইঞ্জেক্শন প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর, তীব্র সংক্রমণের ক্ষেত্রে শিশুর প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৩০ মি.গ্রা. এমোক্সিসিলিন বিদ্যমান এমন পরিমাণ ইঞ্জেকশন প্রতি ৬ ঘন্টা অন্তর।

মাত্রাধিক্যতা

কো-অ্যামোক্সিক্লাভের মাত্রাধিক্যের সমস্যা সাধারণত ঘটে না। কখনও মাত্রাধিক্য ঘটলে উপসর্গ অনুসারে চিকিৎসা করতে হবে। কো-অ্যামোক্সিক্লাভ রক্তপ্রবাহ থেকে হিমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে অপসারণ করা যায়।

নির্দেশনা

ইহা নিম্নলিখিত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসায় নির্দেশিত: শ্বাসনালীর উপরিভাগের সংক্রমণ (নাক, কান, গলাসহ) যেমন-টনসিলের প্রদাহ, সাইনাসের প্রদাহ, মধ্যকর্ণের প্রদাহ ইত্যাদি। শ্বাসনালীর নিম্নভাগের সংক্রমণ যেমন- তীব্র এবং দীর্ঘ মেয়াদী ব্রংকিয়াল প্রদাহ, লোবার এবং ব্রংকোনিউমোনিয়া ইত্যাদি। মূত্র-যৌন নালীর সংক্রমণ যেমন-মূত্রথলির প্রদাহ, মূত্রনালীর প্রদাহ, পায়েলোনেফ্রাইটিস ইত্যাদি। চর্ম ও নরম কলার সংক্রমণ। অস্থি ও অস্থিসন্ধির সংক্রমণ যেমন অস্থি মজ্জার প্রদাহ। অন্যান্য সংক্রমণ যেমন-সংক্রমিত গর্ভপাত, গর্ভপরবর্তী সেপসিস, ইন্ট্রা-অ্যাবডোমিনাল সেপসিস, ইত্যাদি।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

এমোক্সিসিলিন এককভাবে সেবন করলে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়, কো-এমোক্সিক্লাভ সেবনে সাধারণত তা দেখা যায় না এবং দেখা গেলে সেগুলো খুবই মৃদু ধরণের। ডায়রিয়া, সিউডোমেমব্রেনাস কোলাইটিস, অপাচ্যতা, বমি বমি ভাব, বমি এবং ক্যানডিডিয়াল সংক্রমণ দেখা যেতে পারে।

সতর্কতা

যকৃতের তীব্র কার্যক্ষমতা হ্রাস বা রক্ত জমাট বিরোধী চিকিৎসা গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে ইহা সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। ইহা উচ্চ মাত্রায় সেবনকালে প্রচুর পানি পান করা উচিত যাতে প্রচুর মূত্রত্যাগের মাধ্যমে ক্রিস্টালইউরিয়ার সম্ভাব্যতা হ্রাস পায়।

প্রতিনির্দেশনা

যারা পেনিসিলিনের প্রতি অতিসংবেদনশীল এবং যাদের ক্ষেত্রে পেনিসিলিন বা কো-এমোক্সিক্লাভ জনিত কোলিস্ট্যাটিক জন্ডিসের ইতিহাস আছে তাদের জন্য কো-এমোক্সিক্লাভ নির্দেশিত নয়। অন্যান্য বিটা ল্যাকটাম এন্টিবায়োটিকের (যেমন: সেফালোস্পোরিন) সম্ভাব্য আন্তঃসংবেদনশীলতার প্রতি সতর্ক থাকতে হবে।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Broad spectrum penicillins

ফার্মাকোলজি

কো-এমোক্সিক্লাভ এক ধরনের এন্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা এন্টিবায়োটিক এমোক্সিসিলিন এবং বিটা-ল্যাকটামেজ ইন্‌হিবিটর ক্লাভুলানিক এসিডের সমন্বয়ে তৈরী। এমোক্সিসিলিন একটি ব্রড স্পেক্ট্রাম এন্টিবায়োটিক এবং ইহা গ্রাম পজিটিভ এবং গ্রাম নেগেটিভ উভয় ধরণের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেই কার্যকর। বিটা-ল্যাকটামেজ এনজাইম দ্বারা ইহা ভেঙ্গে যায় বলে বিটা-ল্যাকটামেজ এনজাইম নিসৃতকারী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে এমোক্সিসিলিন সংবেদনশীল নয়। ক্লাভুলানিক এসিড পেনিসিলিন এর প্রতি রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া হতে নিসৃত বিটা ল্যাকটামেজ এনজাইমকে অকার্যকর করে। এভাবে ক্লাভুলানিক এসিড এনজাইম দ্বারা এমোক্সিসিলিনের ভেঙ্গে যাওয়া রোধ করে, ফলে বিস্তৃত পরিধির জীবাণুর বিরুদ্ধে এমোক্সিসিলিনের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসী ক্ষমতা কার্যকরভাবে বিস্তৃত হয়। কো-এমাক্সিক্লাভের দুটি উপাদানের ফার্মাকোকাইনেটিক বৈশিষ্ট্য খুবই কাছাকাছি। মুখে সেবনের পর রক্তে ইহাদের সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছাতে ১ ঘন্টা সময় লাগে। রক্তরসে ৭০% ওষুধ মুক্ত অবস্থায় থাকে।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

প্রাণীদের ক্ষেত্রে মুখে এবং প্যারেন্টেরাল কো-অ্যামোক্সিক্লাভ প্রয়োগের পর গর্ভস্থ প্রাণীর অংগ বিকাশের উপর কোন প্রভাব লক্ষ্য করা যায় না। নির্দিষ্ট সংখ্যক রোগীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় এ ওষুধ মুখে প্রয়োগের পর কোনরূপ বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নাই। তথাপি চিকিৎসক কর্তৃক একান্ত অপরিহার্য বিবেচিত না হলে গর্ভাবস্থায় কো-অ্যামোক্সিক্লাভ গ্রহণ করা উচিত নয়। স্তন্যদানকালীন সময়ে খুবই সামান্য পরিমাণ এমোক্সিসিলিন মাতৃদুগ্ধে পাওয়া যায় ।

সংরক্ষণ

শুষ্ক স্থানে, ২৫° সে. তাপমাত্রার নীচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখা উচিত। প্রস্তুতির পর সাপেনশন রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ এবং ৭ দিনের মধ্যে ব্যবহার করা উচিত। তৈরীকৃত ইঞ্জেক্শন দ্রবণ অবশ্যই ২০ মিনিটের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে।
Disclaimer

The information provided is accurate to our best practices, but it does not replace professional medical advice. We cannot guarantee its completeness or accuracy. The absence of specific information about a drug should not be seen as an endorsement. We are not responsible for any consequences resulting from this information, so consult a healthcare professional for any concerns or questions.