Product gallery

Winfax125 mg/5 ml

Powder for Suspension

Cefuroxime Axetil

MRP ১৯৮.০০১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৭৮.২০/70 ml bottle
স্টকে নেই
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল (Winfax 125 mg/5 ml) হলো দ্বিতীয় প্রজন্মের একটি সেফালোস্পোরিন (cephalosporin) অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল জীবাণুর কারণে সৃষ্ট মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় নির্দেশিত। এটি বিশেষভাবে বিটা-ল্যাকটামেজ-উৎপাদনকারী (beta-lactamase-producing) স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে কার্যকর, যেগুলো প্রথম প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন ও পেনিসিলিনের প্রতি প্রতিরোধী। সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল নিম্নলিখিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়:

উপরের শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ

ফ্যারিঞ্জাইটিস ও টনসিলাইটিস: স্ট্রেপ্টোকক্কাস পায়োজিনিস (Streptococcus pyogenes) (গ্রুপ A বিটা-হিমোলাইটিক স্ট্রেপ্টোকক্কাস) দ্বারা সৃষ্ট। যেসব রোগী পেনিসিলিন সহ্য করতে পারেন না, তাদের জন্য সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল একটি কার্যকর বিকল্প।

তীব্র ব্যাকটেরিয়াজনিত ম্যাক্সিলারি সাইনোসাইটিস: স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়া (Streptococcus pneumoniae) বা হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা (Haemophilus influenzae) (অ-বিটা-ল্যাকটামেজ-উৎপাদনকারী স্ট্রেইন) দ্বারা সৃষ্ট।

তীব্র ব্যাকটেরিয়াজনিত ওটাইটিস মিডিয়া: স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়া, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, বিটা-ল্যাকটামেজ-উৎপাদনকারী মোরাক্সেলা ক্যাটারালিস (Moraxella catarrhalis) স্ট্রেইন, অথবা স্ট্রেপ্টোকক্কাস পায়োজিনিস দ্বারা সৃষ্ট মধ্যকর্ণের সংক্রমণ।

নিচের শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ

কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া এবং অন্যান্য নিচের শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, যা স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়া, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা (বিটা-ল্যাকটামেজ-উৎপাদনকারী স্ট্রেইনসহ), ক্লেবসিয়েলা (Klebsiella) প্রজাতি, স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস (Staphylococcus aureus) (পেনিসিলিনেজ-উৎপাদনকারী ও অ-উৎপাদনকারী উভয় স্ট্রেইন), স্ট্রেপ্টোকক্কাস পায়োজিনিস, এবং এসচেরিকিয়া কোলাই (Escherichia coli) দ্বারা সৃষ্ট।

স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়া, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা (বিটা-ল্যাকটামেজ-নেগেটিভ স্ট্রেইন), অথবা হিমোফিলাস প্যারাইনফ্লুয়েঞ্জা (Haemophilus parainfluenzae) (বিটা-ল্যাকটামেজ-নেগেটিভ স্ট্রেইন) দ্বারা সৃষ্ট ক্রনিক ব্রংকাইটিসের তীব্র ব্যাকটেরিয়াজনিত অবনতি এবং তীব্র ব্রংকাইটিসের সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ

ত্বক ও ত্বকের গঠন-সংক্রান্ত সংক্রমণ

স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস (বিটা-ল্যাকটামেজ-উৎপাদনকারী স্ট্রেইনসহ) অথবা স্ট্রেপ্টোকক্কাস পায়োজিনিস দ্বারা সৃষ্ট সরল ত্বক ও ত্বকের গঠন-সংক্রান্ত সংক্রমণ, যার মধ্যে রয়েছে ইমপেটিগো, সেলুলাইটিস, এবং ক্ষত সংক্রমণ।

মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI)

এসচেরিকিয়া কোলাই অথবা ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়া (Klebsiella pneumoniae) দ্বারা সৃষ্ট সরল ও জটিল উভয় ধরনের মূত্রনালীর সংক্রমণ।

হাড় ও অস্থিসন্ধির সংক্রমণ

স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস (পেনিসিলিনেজ-উৎপাদনকারী ও অ-উৎপাদনকারী উভয় স্ট্রেইন) দ্বারা সৃষ্ট অস্টিওমায়েলাইটিস ও সেপটিক আর্থ্রাইটিস।

গনোরিয়া

নেইসেরিয়া গনোরিয়া (Neisseria gonorrhoeae)-এর পেনিসিলিনেজ-উৎপাদনকারী ও অ-উৎপাদনকারী স্ট্রেইন দ্বারা সৃষ্ট সরল গনোরিয়া।

লাইম রোগ

বোরেলিয়া বার্গডোরফেরি (Borrelia burgdorferi) দ্বারা সৃষ্ট প্রাথমিক পর্যায়ের লাইম রোগ (এরিথেমা মাইগ্রান্স)। প্রাথমিক পর্যায়ের লাইম রোগের চিকিৎসায় সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল সুপারিশকৃত প্রথম সারির মুখে খাওয়ার ওষুধগুলোর একটি।

মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট (MDR) টাইফয়েড জ্বর

মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট (MDR) টাইফয়েড জ্বর, যেখানে সালমোনেলা টাইফি (Salmonella typhi)-এর স্ট্রেইন অ্যাম্পিসিলিন, ক্লোরাম্ফেনিকল, এবং কো-ট্রাইমক্সাজলের মতো প্রথম সারির ওষুধের প্রতি প্রতিরোধী।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Second generation Cephalosporins

ফার্মাকোলজি

সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল হলো সেফুরোক্সিম (Cefuroxime)-এর মুখে খাওয়ার উপযোগী, জৈব-উপলভ্য (bioavailable) এস্টার প্রোড্রাগ (prodrug) রূপ, যা দ্বিতীয় প্রজন্মের একটি সেফালোস্পোরিন (cephalosporin) অ্যান্টিবায়োটিক। মুখে খাওয়ার পর, শোষণ প্রক্রিয়া চলাকালীন অন্ত্রের এস্টারেজ (esterase) এনজাইমের মাধ্যমে সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল দ্রুত হাইড্রোলাইজড (ভেঙে) হয়ে সক্রিয় ওষুধ সেফুরোক্সিমকে সিস্টেমিক সংবহনতন্ত্রে (systemic circulation) মুক্ত করে।

কার্যপদ্ধতি (মেকানিজম অব অ্যাকশন)

সেফুরোক্সিম ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর সংশ্লেষণে বাধা দিয়ে তার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রভাব প্রদর্শন করে। এটি ব্যাকটেরিয়া কোষপ্রাচীরের ভেতরের পৃষ্ঠে অবস্থিত নির্দিষ্ট পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিনের (PBPs) সাথে যুক্ত হয়ে পেপটিডোগ্লাইক্যান ক্রস-লিংকিংয়ের ট্রান্সপেপ্টিডেশন ধাপকে বাধাগ্রস্ত করে। কোষপ্রাচীরের এই কাঠামোগত ব্যাঘাতের ফলে ব্যাকটেরিয়া কোষ লাইসিস (ফেটে যাওয়া) ও মৃত্যু ঘটে — যার কারণে সেফুরোক্সিমকে ব্যাকটেরিসাইডাল (ব্যাকটেরিয়া-বিনাশকারী) অ্যান্টিবায়োটিক বলা হয়।

কার্যকারিতার পরিধি ও বিটা-ল্যাকটামেজ স্থিতিশীলতা

সেফুরোক্সিমের গ্রাম-পজিটিভ (Gram-positive) ও গ্রাম-নেগেটিভ (Gram-negative) উভয় ধরনের বিস্তৃত পরিসরের সাধারণ জীবাণুর বিরুদ্ধে, এমনকি বিটা-ল্যাকটামেজ-উৎপাদনকারী স্ট্রেইনের বিরুদ্ধেও, ব্যাপক ব্যাকটেরিসাইডাল কার্যকারিতা রয়েছে। প্রথম প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন ও পেনিসিলিনের তুলনায় সেফুরোক্সিমের একটি বড় সুবিধা হলো এর ব্যাকটেরিয়ার বিটা-ল্যাকটামেজের বিরুদ্ধে ভালো স্থিতিশীলতা — এই এনজাইম প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া উৎপাদন করে থাকে, যা অনেক বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিককে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এই কারণে, সেফুরোক্সিম অনেক অ্যাম্পিসিলিন-প্রতিরোধী ও অ্যামোক্সিসিলিন-প্রতিরোধী স্ট্রেইনের বিরুদ্ধেও কার্যকর, ফলে পুরনো অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি প্রতিরোধ ক্ষমতার সন্দেহ থাকলে এটি একটি নির্ভরযোগ্য পছন্দ হয়ে ওঠে।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

  • শোষণ: সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল পাকস্থলী-অন্ত্র থেকে ভালোভাবে শোষিত হয় এবং অন্ত্রের মিউকোসা ও রক্তের এস্টারেজের মাধ্যমে দ্রুত সক্রিয় সেফুরোক্সিমে রূপান্তরিত হয়। খালি পেটে মুখে খাওয়ার জৈব-উপলভ্যতা (bioavailability) প্রায় ৩৭%, যা খাবারের সাথে খেলে বেড়ে প্রায় ৫২% হয় — তাই সর্বোত্তম শোষণের জন্য খাবারের সাথে সেবন করাই বেশি ভালো।
  • বিতরণ: সেফুরোক্সিম শরীরের বিভিন্ন টিস্যু ও তরলে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে রয়েছে ফুসফুস, হাড়, সাইনোভিয়াল ফ্লুইড, চোখের অ্যাকোয়াস হিউমার, পিত্ত, কফ, এবং মধ্যকর্ণের তরল। স্বাভাবিক অবস্থায় এটি সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডে (CSF) পর্যাপ্তভাবে প্রবেশ করতে পারে না; তবে মেনিনজেসে প্রদাহ থাকলে CSF-এ পর্যাপ্ত মাত্রা পাওয়া যেতে পারে।
  • প্রোটিন বাইন্ডিং: প্রায় ৩৩–৫০% প্লাজমা প্রোটিনের সাথে যুক্ত থাকে।
  • হাফ-লাইফ (অর্ধায়ু): মুখে খাওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় ৭০–৮০ মিনিট; শিরাপথে প্রয়োগের (parenteral) ক্ষেত্রে হাফ-লাইফ প্রায় একই রকম, ৬০–৯০ মিনিট।
  • বিপাক: সেফুরোক্সিম শরীরে উল্লেখযোগ্যভাবে বিপাকিত হয় না।
  • নিঃসরণ: মূলত অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে (গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন ও টিউবিউলার সিক্রেশনের মাধ্যমে) নিঃসৃত হয়। মুখে খাওয়া ডোজের প্রায় ৫০% ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রস্রাবে অপরিবর্তিত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রোবেনেসিড (Probenecid) টিউবিউলার সিক্রেশন বাধা দিয়ে সেফুরোক্সিমের প্লাজমা মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিলের ডোজ নির্ধারিত হয় সংক্রমণের ধরন ও তীব্রতা, রোগীর বয়স, ওজন এবং কিডনির কার্যক্ষমতার উপর ভিত্তি করে। সবসময় আপনার নিবন্ধিত চিকিৎসকের নির্ধারিত ডোজ অনুসরণ করুন। নিজে থেকে ওষুধ সেবন করবেন না।

মুখে খাওয়ার ওষুধ — কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক (১৩ বছর ও তার বেশি)

রোগ/সংকেত ডোজ সেবনের মাত্রা মেয়াদ
ফ্যারিঞ্জাইটিস / টনসিলাইটিস ২৫০ মিগ্রা দিনে দুইবার ৫–১০ দিন
তীব্র ব্যাকটেরিয়াজনিত ম্যাক্সিলারি সাইনোসাইটিস ২৫০ মিগ্রা দিনে দুইবার ১০ দিন
ক্রনিক ব্রংকাইটিসের তীব্র ব্যাকটেরিয়াজনিত অবনতি ২৫০–৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার ১০ দিন
তীব্র ব্রংকাইটিসের সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ২৫০–৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার ৫–১০ দিন
কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া ২৫০–৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার ৫–১০ দিন
সরল ত্বক ও ত্বকের গঠন-সংক্রান্ত সংক্রমণ ২৫০–৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার ১০ দিন
সরল মূত্রনালীর সংক্রমণ ২৫০ মিগ্রা দিনে দুইবার ৭–১০ দিন
সরল গনোরিয়া ১০০০ মিগ্রা একবার (একক ডোজ) একক ডোজ
মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট (MDR) টাইফয়েড জ্বর ৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার ১০–১৪ দিন
প্রাথমিক পর্যায়ের লাইম রোগ (এরিথেমা মাইগ্রান্স) ৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার ২০ দিন

মুখে খাওয়ার ওষুধ — শিশু রোগী (৩ মাস থেকে ১২ বছর)

রোগ/সংকেত ডোজ সেবনের মাত্রা মেয়াদ
ফ্যারিঞ্জাইটিস / টনসিলাইটিস ২০ মিগ্রা/কেজি/দিন দিনে দুইবার ৫–১০ দিন
তীব্র ওটাইটিস মিডিয়া ৩০ মিগ্রা/কেজি/দিন দিনে দুইবার ১০ দিন
তীব্র ব্যাকটেরিয়াজনিত ম্যাক্সিলারি সাইনোসাইটিস ৩০ মিগ্রা/কেজি/দিন দিনে দুইবার ১০ দিন
ইমপেটিগো ৩০ মিগ্রা/কেজি/দিন দিনে দুইবার ১০ দিন

দ্রষ্টব্য: শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে মুখে খাওয়ার সর্বোচ্চ দৈনিক ডোজ প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাভাবিক ডোজের চেয়ে বেশি হওয়া উচিত নয়। যেসব ছোট শিশু ট্যাবলেট গিলতে পারে না, তাদের জন্য ট্যাবলেটের বদলে খাওয়ার সাসপেনশন বেশি উপযোগী।

শিরায়/মাংসপেশিতে প্রয়োগ (IM/IV) — প্রাপ্তবয়স্ক

রোগ/সংকেত ডোজ প্রয়োগের পথ সেবনের মাত্রা
সাধারণ সংক্রমণ (মৃদু থেকে মাঝারি) ৭৫০ মিগ্রা মাংসপেশিতে (IM) অথবা শিরায় (IV) দিনে তিনবার
তীব্র বা প্রাণঘাতী সংক্রমণ ১.৫ গ্রাম শিরায় (IV) দিনে তিন থেকে চারবার (মোট ৩–৬ গ্রাম/দিন)
নিউমোনিয়া ২–৩ দিন শিরায় দিনে দুইবার ১.৫ গ্রাম, এরপর মুখে খাওয়ার ৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার শিরায় → মুখে খাওয়া (ধাপে ধাপে পরিবর্তন) মোট ৭–১০ দিন (মুখে খাওয়ার হিসাবে)
ক্রনিক ব্রংকাইটিসের তীব্র অবনতি ২–৩ দিন IM/IV দিনে দুইবার ৭৫০ মিগ্রা, এরপর মুখে খাওয়ার ৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার IM/IV → মুখে খাওয়া (ধাপে ধাপে পরিবর্তন) মোট ৫–১০ দিন (মুখে খাওয়ার হিসাবে)
গনোরিয়া ১.৫ গ্রাম একক IM ডোজ হিসেবে (২ × ৭৫০ মিগ্রা, দুটি ভিন্ন স্থানে ইনজেকশন, যেমন প্রতিটি নিতম্বে) মাংসপেশিতে (IM) একক ডোজ
অস্ত্রোপচার-পূর্ব প্রতিরোধমূলক ব্যবহার অ্যানাস্থেসিয়া শুরুর সময় ১.৫ গ্রাম শিরায়; উচ্চ-ঝুঁকিসম্পন্ন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রতি ৮ ঘণ্টা পরপর আরও সর্বোচ্চ ৩টি ৭৫০ মিগ্রা ডোজ IM/IV শিরায় / মাংসপেশিতে প্রয়োজন অনুযায়ী
হাড় ও অস্থিসন্ধির সংক্রমণ ১.৫ গ্রাম শিরায় শিরায় (IV) দিনে চারবার
মেনিনজাইটিস ৩ গ্রাম শিরায় শিরায় (IV) দিনে তিনবার

শিরায়/মাংসপেশিতে প্রয়োগ (IM/IV) — শিশু রোগী

রোগ/সংকেত ডোজ সেবনের মাত্রা
সাধারণ সংক্রমণ (৩ মাসের বেশি বয়সী শিশু) ৩০–১০০ মিগ্রা/কেজি/দিন; বেশিরভাগ সংক্রমণের জন্য ৬০ মিগ্রা/কেজি/দিন উপযুক্ত ৩ বা ৪টি সমান ভাগে বিভক্ত ডোজ
হাড় ও অস্থিসন্ধির সংক্রমণ (৩ মাসের বেশি বয়সী শিশু) ১৫০ মিগ্রা/কেজি/দিন (প্রাপ্তবয়স্কদের ডোজের বেশি নয়) প্রতি ৮ ঘণ্টা পরপর
মেনিনজাইটিস (৩ মাসের বেশি বয়সী শিশু) ২০০–২৪০ মিগ্রা/কেজি/দিন শিরায়; ৩ দিন পর অথবা ক্লিনিক্যাল উন্নতি দেখা দিলে ১০০ মিগ্রা/কেজি/দিনে কমিয়ে আনতে হবে ৩ বা ৪টি ভাগে বিভক্ত ডোজ

শিরায় প্রয়োগ — নবজাতক

শিরায় ইনজেকশনের মাধ্যমে ৩০–১০০ মিগ্রা/কেজি/দিন, ২ বা ৩টি সমান ভাগে বিভক্ত ডোজে। মেনিনজাইটিসের ক্ষেত্রে: প্রাথমিক ডোজ ১০০ মিগ্রা/কেজি/দিন শিরায়, ক্লিনিক্যালি প্রয়োজন হলে কমিয়ে ৫০ মিগ্রা/কেজি/দিনে আনতে হবে।

কিডনি সমস্যায় ডোজ সমন্বয়

যেহেতু সেফুরোক্সিম মূলত কিডনির মাধ্যমে নিঃসৃত হয়, তাই উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ কমাতে হয়। রোগীর ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্সের (CrCl) উপর ভিত্তি করে ডোজের ব্যবধান বাড়ানো উচিত:

  • CrCl >২০ মিলি/মিনিট: স্বাভাবিক ডোজ
  • CrCl ১০–২০ মিলি/মিনিট: প্রতি ১২ ঘণ্টা পরপর ৭৫০ মিগ্রা (শিরায়/মাংসপেশিতে)
  • CrCl <১০ মিলি/মিনিট: প্রতি ২৪ ঘণ্টা পরপর ৭৫০ মিগ্রা (শিরায়/মাংসপেশিতে)
  • হেমোডায়ালাইসিসে থাকা রোগী: প্রতিটি ডায়ালাইসিস সেশনের পর একটি অতিরিক্ত ডোজ প্রয়োগ করতে হবে

মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট

  • শোষণ বাড়ানোর জন্য সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল ট্যাবলেট খাবারের সাথে খাওয়া উচিত — খালি পেটে জৈব-উপলভ্যতা (bioavailability) প্রায় ৩৭% থেকে খাবারের সাথে খেলে বেড়ে ৫২% হয়।
  • ট্যাবলেট পুরোটা এক গ্লাস পানির সাথে গিলে খান। ফিল্ম-কোটেড ট্যাবলেট গুঁড়ো করা বা চিবিয়ে খাওয়া উচিত নয়, কারণ কোটিং ভেঙে গেলে সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিলের অত্যন্ত তিক্ত এবং দীর্ঘস্থায়ী স্বাদ অনুভূত হয়।
  • উপসর্গ আগেভাগে ভালো হয়ে গেলেও চিকিৎসকের নির্ধারিত পুরো কোর্স সম্পূর্ণ করুন — অসম্পূর্ণ কোর্সের ফলে চিকিৎসা ব্যর্থ হতে পারে এবং ব্যাকটেরিয়ার প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে পারে।

খাওয়ার সাসপেনশন

  • যেসব ছোট শিশু ট্যাবলেট গিলতে পারে না, তাদের জন্য খাওয়ার সাসপেনশন বেশি উপযোগী।
  • ওষুধের সুষম মিশ্রণ নিশ্চিত করতে প্রতিবার ব্যবহারের আগে বোতলটি ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন।
  • সঠিক ডোজ মাপতে সরবরাহকৃত মাপার চামচ বা মুখে খাওয়ার সিরিঞ্জ ব্যবহার করুন — সাধারণ ঘরোয়া চা-চামচ ব্যবহার করবেন না।
  • খাওয়ার সাসপেনশন খাবারের সাথে বা ছাড়াই দেওয়া যেতে পারে, তবে খাবার বা দুধের সাথে খেলে পাকস্থলী-অন্ত্রের অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে।
  • তৈরি করা সাসপেনশন নির্দেশিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করুন (সংরক্ষণের নিয়মাবলী দেখুন)।

শিরায়/মাংসপেশিতে প্রয়োগের জন্য মিশ্রণ তৈরি

সদ্য তৈরি করা দ্রবণ ব্যবহার করার জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে তৈরি করা দ্রবণ ঘরের তাপমাত্রায় অন্তত ২৪ ঘণ্টা অথবা ৫°সে তাপমাত্রায় ফ্রিজে রাখলে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থিতিশীল থাকে।

৭৫০ মিগ্রা মাংসপেশিতে (IM) ইনজেকশন

ভায়ালে ৩ মিলি ইনজেকশনের পানি যোগ করুন এবং পাউডার সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত না হওয়া পর্যন্ত আলতোভাবে ঝাঁকান। বড় মাংসপেশিতে গভীরভাবে ইনজেকশন প্রয়োগ করুন।

৭৫০ মিগ্রা শিরায় (IV) ইনজেকশন

ভায়ালে ৮ মিলি ইনজেকশনের পানি যোগ করুন এবং দ্রবীভূত করতে আলতোভাবে ঝাঁকান। সরাসরি শিরায় অথবা উপযুক্ত IV ইনফিউশনের টিউবিংয়ের মাধ্যমে ৩ থেকে ৫ মিনিট ধরে ধীরে ধীরে শিরায় ইনজেকশন প্রয়োগ করুন।

১.৫ গ্রাম শিরায় (IV) ইনজেকশন

ভায়ালে ১৬ মিলি ইনজেকশনের পানি যোগ করুন এবং দ্রবীভূত করতে আলতোভাবে ঝাঁকান। ৩ থেকে ৫ মিনিট ধরে ধীরে ধীরে শিরায় ইনজেকশন প্রয়োগ করুন।

শিরায় ইনফিউশন

মাঝেমধ্যে করা IV ইনফিউশনের জন্য, তৈরি করা দ্রবণ উপযুক্ত IV তরলে (নরমাল স্যালাইন ০.৯%, ৫% ডেক্সট্রোজ, অথবা রিঙ্গার'স ল্যাকটেট) আরও পাতলা করে ৩০ মিনিট ধরে প্রয়োগ করা যেতে পারে। সেফুরোক্সিমকে একই সিরিঞ্জ বা ইনফিউশন ব্যাগে অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইডের (aminoglycoside) সাথে মেশাবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে কোনো সম্ভাব্য বিপজ্জনক ওষুধ মিথস্ক্রিয়ার (drug interaction) তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে নিম্নলিখিত মিথস্ক্রিয়াগুলো চিকিৎসাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং বিবেচনায় রাখা উচিত:

প্রোবেনেসিড (Probenecid)

সেফুরোক্সিমের সাথে প্রোবেনেসিড একত্রে ব্যবহার করলে সেফুরোক্সিমের রেনাল টিউবিউলার সিক্রেশন কমে যায়, ফলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্লাজমা ঘনত্ব বেশি ও দীর্ঘ সময় ধরে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে এই সংমিশ্রণ ইচ্ছাকৃতভাবেই ব্যবহার করা হতে পারে, তবে রোগীদের ক্ষেত্রে ওষুধের বর্ধিত এক্সপোজার ও সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

শক্তিশালী মূত্রবর্ধক ওষুধ (লুপ ডাই-ইউরেটিক)

যেসব রোগী একই সাথে ফিউরোসেমাইড (furosemide) বা ইথাক্রিনিক অ্যাসিডের (ethacrynic acid) মতো শক্তিশালী মূত্রবর্ধক ওষুধ সেবন করছেন, তাদের ক্ষেত্রে সেফুরোক্সিম সতর্কতার সাথে প্রয়োগ করা উচিত। এই সংমিশ্রণ কিডনির ক্ষতির (nephrotoxicity) ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে, বিশেষত যাদের আগে থেকেই কিডনি সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে। একসাথে ব্যবহারের সময় কিডনির কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি (মুখে খাওয়ার গর্ভনিরোধক)

অন্যান্য ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিকের মতোই, সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল অন্ত্রের স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়া পরিবর্তন করে এবং ইস্ট্রোজেনের এন্টারোহেপাটিক রিসার্কুলেশনে প্রভাব ফেলে সম্ভাব্যভাবে মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসাকালীন রোগীদের অতিরিক্ত গর্ভনিরোধক সতর্কতা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া উচিত।

অ্যান্টাসিড এবং H2 ব্লকার

যেসব ওষুধ পাকস্থলীর pH বাড়িয়ে দেয় — যেমন অ্যান্টাসিড এবং H2-রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট (যেমন র‍্যানিটিডিন, ফ্যামোটিডিন) — এগুলো প্রোড্রাগের দ্রবীভবন ও শোষণ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনে সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিলের মুখে খাওয়ার জৈব-উপলভ্যতা (bioavailability) কমিয়ে দিতে পারে। যেখানে সম্ভব, একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন, অথবা অ্যান্টাসিড ব্যবহারের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল সেবন করুন।

অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড

যদিও ফার্মাকোকাইনেটিক মিথস্ক্রিয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, সেফুরোক্সিম এবং অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড (যেমন জেন্টামাইসিন, অ্যামিকাসিন) একই ইনফিউশন ব্যাগ বা সিরিঞ্জে মেশানো উচিত নয়, কারণ এতে ফিজিক্যাল ইনকমপ্যাটিবিলিটি (উপাদানগত অসামঞ্জস্যতা) ঘটতে পারে। তবে এগুলো একটি সংমিশ্রণ চিকিৎসা পদ্ধতির অংশ হিসেবে আলাদাভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

জীবন্ত ভ্যাকসিন

অন্যান্য সিস্টেমিক অ্যান্টিবায়োটিকের মতোই, সেফুরোক্সিম জীবন্ত ব্যাকটেরিয়া ভ্যাকসিনের (যেমন মুখে খাওয়ার টাইফয়েড ভ্যাকসিন, BCG) কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। সেফুরোক্সিম থেরাপি চলাকালীন এবং তা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই জীবন্ত ব্যাকটেরিয়া ভ্যাকসিন প্রয়োগ এড়িয়ে চলুন।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল ব্যবহার নিষিদ্ধ:

  • সেফুরোক্সিমের প্রতি অতি-সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) বা অন্য কোনো সেফালোস্পোরিন (cephalosporin) জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি অ্যালার্জি থাকলে।
  • পেনিসিলিনসহ যেকোনো বিটা-ল্যাকটাম (beta-lactam) অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি তীব্র তাৎক্ষণিক অতি-সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়ার (যেমন, অ্যানাফাইল্যাক্সিস) ইতিহাস থাকলে, কারণ ক্রস-রিঅ্যাকটিভিটি (cross-reactivity) ঘটার সম্ভাবনা থাকে। যেসব রোগীর পেনিসিলিনে মৃদু অ্যালার্জির ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রে সেফুরোক্সিম সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা যেতে পারে (একেবারে এড়িয়ে চলা আবশ্যক নয়); তবে যাদের পেনিসিলিনে অ্যানাফাইল্যাক্সিসের ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।
  • ফর্মুলেশনের যেকোনো এক্সিপিয়েন্টের (excipient) প্রতি পরিচিত অ্যালার্জি থাকলে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত কম ঘটে, মৃদু মাত্রার হয়, এবং সাময়িক প্রকৃতির হয়ে থাকে। বেশিরভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেরাপি সম্পূর্ণ হওয়ার পর বা ওষুধ বন্ধ করার পর সেরে যায়।

পাকস্থলী-অন্ত্র সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া (সবচেয়ে বেশি দেখা যায়)

  • বমি বমি ভাব ও বমি
  • ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা
  • পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি
  • ডিসপেপসিয়া (হজমে সমস্যা)
  • অস্বস্তিকর বা তিক্ত স্বাদ — বিশেষত ট্যাবলেটের কোটিং ভেঙে গেলে

ত্বক ও অতি-সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া

  • ত্বকে র‍্যাশ, আর্টিকেরিয়া (চুলকানি-ফুসকুড়ি), এবং চুলকানি (প্রুরাইটাস)
  • বিরল ক্ষেত্রে: অ্যানাফাইল্যাক্সিস, অ্যাঞ্জিওএডিমা, এবং অত্যন্ত বিরল ক্ষেত্রে স্টিভেন্স-জনসন সিন্ড্রোম বা টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস (TEN)-সহ গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া। ত্বকে গুরুতর প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে অবিলম্বে ওষুধ বন্ধ করুন।
  • ওষুধজনিত জ্বর

রক্ত সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া

  • ইওসিনোফিলিয়া (ইওসিনোফিলের মাত্রা বৃদ্ধি)
  • দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে সাময়িক নিউট্রোপেনিয়া বা লিউকোপেনিয়া
  • কুম্বস টেস্ট পজিটিভ (হেমোলাইটিক অ্যানিমিয়া, বিরল)
  • থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া (প্লেটলেটের মাত্রা কমে যাওয়া, বিরল)

লিভার সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া

  • লিভার এনজাইমের (SGOT/SGPT/ALT/AST) সাময়িক মাত্রা বৃদ্ধি
  • সিরাম বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি
  • বিরল ক্ষেত্রে, কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস

কিডনি সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া

  • বিশেষত দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে সিরাম ক্রিয়েটিনিন এবং ব্লাড ইউরিয়া নাইট্রোজেনের (BUN) সাময়িক মাত্রা বৃদ্ধি
  • বিরল ক্ষেত্রে, ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস

স্নায়ুতন্ত্র সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া

  • মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা — খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায়

সুপার-ইনফেকশন

অন্যান্য সব ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিকের মতোই, দীর্ঘমেয়াদি সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল ব্যবহারের ফলে ক্যান্ডিডা (Candida) প্রজাতি (মুখে বা যোনিপথে থ্রাশ) এবং ক্লস্ট্রিডিওইডিস ডিফিসাইল (Clostridioides difficile) (অ্যান্টিবায়োটিক-সম্পর্কিত কোলাইটিস)-এর মতো অ-সংবেদনশীল জীবাণুর অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটতে পারে। চিকিৎসা চলাকালীন বা পরে যেসব রোগীর তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া দেখা দেয়, তাদের C. difficile-সম্পর্কিত রোগের জন্য পরীক্ষা করানো উচিত।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা

সেফুরোক্সিমের জন্য মার্কিন FDA-এর গর্ভাবস্থা ক্যাটাগরি হলো ক্যাটাগরি B। প্রাণী-প্রজনন গবেষণায় গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি বা টেরাটোজেনিসিটির (জন্মগত ত্রুটি সৃষ্টিকারী প্রভাব) কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে গর্ভবতী নারীদের ওপর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা এখনো পরিচালিত হয়নি। যেহেতু প্রাণী-প্রজনন গবেষণার ফলাফল সবসময় মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না, তাই গর্ভাবস্থায় সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় হলেই এবং মায়ের জন্য সম্ভাব্য উপকারিতা যদি গর্ভস্থ শিশুর জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকিকে ন্যায্যতা দেয় তবেই ব্যবহার করা উচিত। গর্ভাবস্থায় এই ওষুধ সেবনের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বুকের দুধ খাওয়ানো (স্তন্যদান)

সেফুরোক্সিম অল্প পরিমাণে মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে নিঃসৃত হয় বলে প্রমাণিত হয়েছে। স্তন্যপান করা শিশুর জন্য এর ক্লিনিক্যাল গুরুত্ব স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়, তবে শিশুর পাকস্থলী-অন্ত্রের স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়ার ওপর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাবের (যেমন, ডায়রিয়া, মুখে থ্রাশ) বিষয়টি বিবেচনায় রাখা উচিত। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল প্রয়োগের সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। প্রেসক্রাইব করা চিকিৎসকের উচিত বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যাওয়ার উপকারিতা এবং শিশুর জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি — এই দুটোর মধ্যে ভারসাম্য বিবেচনা করা।

উর্বরতা

সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল মানুষের উর্বরতার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে — এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সতর্কতা

অতি-সংবেদনশীলতা এবং পেনিসিলিনের সাথে ক্রস-রিঅ্যাকটিভিটি

সেফুরোক্সিমসহ সেফালোস্পোরিন (cephalosporin) জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত পেনিসিলিনে অতি-সংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রেও নিরাপদে প্রয়োগ করা যায়, যদিও কিছু ক্রস-রিঅ্যাকশনের (cross-reaction) তথ্য পাওয়া গেছে। সেফালোস্পোরিন ও পেনিসিলিনের মধ্যে সামগ্রিক ক্রস-রিঅ্যাকটিভিটির হার আনুমানিক ১–২%। প্রস্তাবিত ডোজের মাত্রায় সেফুরোক্সিমের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ক্রস-রিঅ্যাকটিভিটি সমস্যা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবুও, যেসব রোগীর পেনিসিলিনে অ্যালার্জির ইতিহাস আছে, তাদের চিকিৎসা শুরুর আগে সতর্কতার সাথে মূল্যায়ন করা উচিত। যেসব রোগীর পেনিসিলিন ব্যবহারের পর আগে অ্যানাফাইল্যাক্সিস, আর্টিকেরিয়া (চুলকানি-ফুসকুড়ি), বা অ্যাঞ্জিওএডিমার অভিজ্ঞতা হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সেফুরোক্সিম অত্যন্ত সতর্কতার সাথে প্রয়োগ করা উচিত — অথবা বিকল্প কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বিবেচনা করা উচিত। বিটা-ল্যাকটামে (beta-lactam) অ্যানাফাইল্যাক্সিসের ইতিহাসযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সেফুরোক্সিম সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

কোলাইটিসের ইতিহাস

যেসব রোগীর কোলাইটিসের ইতিহাস আছে, বিশেষত ক্লস্ট্রিডিওইডিস ডিফিসাইল (Clostridioides difficile)-সম্পর্কিত রোগের ইতিহাস, তাদের ক্ষেত্রে সেফুরোক্সিম সতর্কতার সাথে প্রয়োগ করা উচিত। সেফালোস্পোরিনসহ ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের সাথে অ্যান্টিবায়োটিক-সম্পর্কিত কোলাইটিসের (সিউডোমেমব্রেনাস কোলাইটিসসহ) তথ্য পাওয়া গেছে। চিকিৎসা চলাকালীন উল্লেখযোগ্য ডায়রিয়া দেখা দিলে ওষুধ বন্ধ করে যথাযথ চিকিৎসা শুরু করা উচিত। এই পরিস্থিতিতে অ্যান্টিপেরিস্ট্যালটিক (antiperistaltic) ওষুধ ব্যবহার করবেন না।

শক্তিশালী মূত্রবর্ধক ওষুধের সাথে একত্রে ব্যবহার

যেসব রোগী একই সাথে শক্তিশালী মূত্রবর্ধক ওষুধ (যেমন ফিউরোসেমাইড) সেবন করছেন, তাদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ এই সংমিশ্রণ কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। একসাথে চিকিৎসা চলাকালীন কিডনির কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

কিডনি সমস্যা

যেহেতু সেফুরোক্সিম মূলত কিডনির মাধ্যমে নিঃসৃত হয়, তাই উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ কমানো এবং/অথবা ডোজের ব্যবধান বাড়ানো প্রয়োজন (ডোজ সংক্রান্ত অংশ দেখুন)। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাকালীন কিডনির কার্যক্ষমতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত, বিশেষত বয়স্ক, গুরুতর অসুস্থ, অথবা আগে থেকেই কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে।

ট্যাবলেটের তিক্ত স্বাদ

ফিল্ম কোটিং ভেঙে গেলে সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল ট্যাবলেটের একটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ তিক্ত স্বাদ পাওয়া যায়। ট্যাবলেট অবশ্যই পুরোটা গিলে খেতে হবে এবং গুঁড়ো করা, ভাঙা, বা চিবিয়ে খাওয়া যাবে না। যেসব রোগী (বিশেষত শিশু) ট্যাবলেট গিলতে পারে না, তাদের ক্ষেত্রে খাওয়ার সাসপেনশন ফর্মুলেশন ব্যবহার করা উচিত।

সুপার-ইনফেকশন

অন্যান্য ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিকের মতোই, দীর্ঘমেয়াদি সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল ব্যবহারের ফলে ক্যান্ডিডা (Candida) প্রজাতি বা C. difficile-এর মতো প্রতিরোধী জীবাণুর সংক্রমণ (সুপার-ইনফেকশন) হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাকালীন নতুন সংক্রমণের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করুন।

অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা

সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল কেবলমাত্র সেসব সংক্রমণের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা উচিত, যেগুলো সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট হয়েছে বলে প্রমাণিত বা প্রবলভাবে সন্দেহ করা হয়। ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ ছাড়া প্রেসক্রাইব করলে ওষুধ-প্রতিরোধী জীবাণু তৈরির ঝুঁকি বাড়ে এবং এতে রোগীর কোনো উপকার হয় না।

গাড়ি চালানো ও যন্ত্রপাতি পরিচালনা

সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল থেরাপি চলাকালীন খুব কম ক্ষেত্রে মাথা ঘোরার তথ্য পাওয়া গেছে। গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনার আগে রোগীদের ওষুধের প্রতি নিজের প্রতিক্রিয়া যাচাই করে নেওয়া উচিত।

মাত্রাধিক্যতা

সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনের (overdose) ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক (antidote) নেই। সেফালোস্পোরিন (cephalosporin) জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনের ফলে নিম্নলিখিত প্রভাব দেখা দিতে পারে:

  • বমি বমি ভাব, বমি, এবং ডায়রিয়া
  • পেটে ব্যথা ও অস্বস্তি
  • স্নায়ু-পেশিজনিত অতি-সংবেদনশীলতা এবং অত্যধিক উচ্চ মাত্রায় খিঁচুনি বা কনভালশন — বিশেষত যেসব রোগীর কিডনি সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ওষুধ শরীরে জমা হওয়ার কারণে এটি ঘটতে পারে
  • অত্যধিক উচ্চ মাত্রায় সিরাম ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বৃদ্ধি এবং কিডনির ক্ষতি

চিকিৎসা লক্ষণ অনুযায়ী ও সহায়তামূলক (symptomatic and supportive) হয়ে থাকে। কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে সেফুরোক্সিম অপসারণ করা যেতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনের সন্দেহ হলে, অবিলম্বে বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে (poison control center) যোগাযোগ করুন অথবা জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন

সংরক্ষণ

  • ট্যাবলেট এবং শুকনো পাউডার ৩০°সে-এর নিচে তাপমাত্রায়, সরাসরি আলো ও আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষিত, ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।
  • খাওয়ার সাসপেনশন (তৈরি করার পর): প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী ২°সে থেকে ৮°সে (ফ্রিজে) অথবা ঘরের তাপমাত্রায় (২৫°সে-এর বেশি নয়) সংরক্ষণ করুন। বেশিরভাগ ফর্মুলেশন তৈরি করার ১০ দিনের মধ্যে ব্যবহার করা উচিত। নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের সংরক্ষণ মেয়াদ জানতে লেবেল দেখে নিন।
  • শিরায় প্রয়োগের ভায়াল (মিশ্রিত করার আগে): আলো থেকে সুরক্ষিত রেখে ৩০°সে-এর নিচে তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন।
  • মিশ্রিত করা শিরায় প্রয়োগের দ্রবণ: ঘরের তাপমাত্রায় অন্তত ২৪ ঘণ্টা অথবা ৫°সে তাপমাত্রায় ফ্রিজে রাখলে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থিতিশীল থাকে। যখনই সম্ভব সদ্য তৈরি করা দ্রবণ ব্যবহার করুন।
  • সব ধরনের ফর্মুলেশন শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
  • লেবেল বা প্যাকেজিংয়ে উল্লেখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখের পর কোনো ফর্মুলেশন ব্যবহার করবেন না।
  • খাওয়ার সাসপেনশন, মিশ্রিত করা শিরায় প্রয়োগের দ্রবণ, অথবা অন্য কোনো তরল ফর্মুলেশন হিমায়িত (ফ্রিজে জমাট) করবেন না।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু রোগী

সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল খাওয়ার সাসপেনশন ৩ মাস থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য অনুমোদিত। ডোজ শরীরের ওজনের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় এবং তা অবশ্যই প্রেসক্রাইবিং চিকিৎসকের হিসাব করা উচিত। ট্যাবলেট গুঁড়ো করলে তিক্ত স্বাদের কারণে ছোট শিশুদের জন্য খাওয়ার সাসপেনশনই বেশি উপযোগী। ৩ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সেফুরোক্সিম অ্যাক্সেটিল সুপারিশ করা হয় না, কারণ এই বয়সগোষ্ঠীতে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনো সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। নিবিড় চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে নবজাতক ও খুব ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে শিরায় প্রয়োগযোগ্য সেফুরোক্সিম (সোডিয়াম লবণ হিসেবে) ব্যবহার করা যেতে পারে।

বয়স্ক রোগী

স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই। তবে বয়সের সাথে সাথে কিডনির কার্যক্ষমতা প্রায়ই কমে যায় বলে, চিকিৎসা শুরুর আগে বয়স্ক রোগীদের কিডনির কার্যক্ষমতা যাচাই করে নেওয়া এবং ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যা থাকলে সেই অনুযায়ী ডোজ সমন্বয় করা উচিত।

কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগী

সেফুরোক্সিম মূলত অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে নিঃসৃত হয়। ওষুধ শরীরে জমা হওয়া ও সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রতিরোধ করতে, ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ২০ মিলি/মিনিটের কম হলে রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ সমন্বয় করা প্রয়োজন। হেমোডায়ালাইসিসে থাকা রোগীদের প্রতিটি ডায়ালাইসিস সেশনের পর একটি অতিরিক্ত ডোজ দেওয়া উচিত, কারণ সেফুরোক্সিম ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে অপসারণযোগ্য।

লিভার সমস্যাযুক্ত রোগী

যেহেতু সেফুরোক্সিম লিভারে খুব সামান্যই বিপাকিত হয়, তাই লিভার সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই। তবে গুরুতর লিভার রোগযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়, এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাকালীন লিভারের কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

Disclaimer

The information provided is accurate to our best practices, but it does not replace professional medical advice. We cannot guarantee its completeness or accuracy. The absence of specific information about a drug should not be seen as an endorsement. We are not responsible for any consequences resulting from this information, so consult a healthcare professional for any concerns or questions.

Doctor
Cart
Account