Product gallery

Xamic500 mg


MRP ২২.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২০.৪৬/piece
Section

Medicine overview

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্ত বয়স্ক- সাধারন মাত্রা হিসেবে: ৫০০-১০০০ মিগ্রা দৈনিক ৩ বার। নিবারক হিসেবে: মুখে দৈনিক সর্বনিম্ন, অনুমােদিত মাত্রা হচ্ছে ০.৫-১ গ্রাম; শিরাপথে বা মাংশপেশীতে দৈনিক ৫০০ মিগ্রা। রক্তক্ষরণজনিত চিকিৎসা হিসেবে: মুখে ১-৩ গ্রাম বিভক্ত মাত্রায় দৈনিক প্রয়ােগ করতে হবে। জটিল অবস্থা ও আশু চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক অ্যামপুল (৫০০ মিগ্রা) শিরাপথে ধীরে ধীরে প্রয়ােগ করতে হবে এবং পরবর্তীতে প্রয়ােজনীয় মাত্রায় মুখে প্রয়ােগ করতে হবে। শিশু- নিবারক হিসেবে: দৈনিক বিভক্ত মাত্রায় প্রতি কেজি ওজন হিসেবে ৫-১০ মিগ্রা মুখে প্রয়ােগ করতে হবে। চিকিৎসা হিসেবে: মুখে দ্বিগুন মাত্রা (১০ থেকে ২০ মিগ্রা/কেজি) প্রয়ােগ করতে হবে। শিরাপথে বা মাংসপেশীতে ১০ মিগ্রা/কেজি হিসেবে (০.৫ মিলি প্রতি ৫ কেজিতে) ধীরে ধীরে প্রয়ােগ করতে হবে এবং পরবর্তীতে প্রয়ােজনীয় মাত্রা অনুযায়ী মুখে প্রয়ােগ করতে হবে। সুবিধাজনক ক্ষেত্রে (ছােট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে) সামান্য পরিমাণ চিনি-পানির সাথে পাতলা করে ক্যাপসুল-এর পরিবর্তে মুখে প্রয়ােগ করা যেতে পারে। বয়স্ক রােগী: এক্ষেত্রে মাত্রা কমানাের প্রয়ােজন নেই যদি না রেনাল ফেইলিওর-এর প্রমাণ থাকে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

ট্রানেক্সামিক এসিড একটি সংশ্লেষিত অ্যামাইনাে এসিড যা পেনিসিলিন (যেমন ও বেনজাইল পেনিসিলিন) দ্রবণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ন নয়। স্ট্রেপটোকাইনেজ ও ইউরােকাইনেজ এর মতাে থ্রম্বোলাইটিক ঔষধ ট্রানেক্সামিক এসিড-এর এন্টিফিব্রিনােলাইটিক অ্যাকশনকে বাধা দেয়। ইস্ট্রোজেন আছে এমন ঔষধ যেমন ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ এর সাথে ট্রানেক্সামিক এসিড একত্রে ব্যবহার করলে থ্রম্বাস তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। ট্রান্সফিউশন-এর ক্ষেত্রে রক্তের সাথে সরাসরি ট্রানেক্সামিক এসিড-এর ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিৎ।

নির্দেশনা

মেডিসিনে: রক্তক্ষরণ, পরিপাক-নালী সম্বন্ধীয় রক্তক্ষরণ, লিউকেমিয়াজনিত রক্তক্ষরণ, লিভার সিরােসিস ও হেমােফিলিয়া, থ্রম্বােসাইটোপেনিক পারপুরা, থ্রম্বােলাইটিক চিকিৎসা এবং ট্রান্সফিউশনকালীন সময়ে দূর্ঘটনাজনিত রক্তক্ষরণের নিবারক ও চিকিৎসা হিসেবে।সার্জারিতে: যে কোন ধরনের ... Read moreমেডিসিনে: রক্তক্ষরণ, পরিপাক-নালী সম্বন্ধীয় রক্তক্ষরণ, লিউকেমিয়াজনিত রক্তক্ষরণ, লিভার সিরােসিস ও হেমােফিলিয়া, থ্রম্বােসাইটোপেনিক পারপুরা, থ্রম্বােলাইটিক চিকিৎসা এবং ট্রান্সফিউশনকালীন সময়ে দূর্ঘটনাজনিত রক্তক্ষরণের নিবারক ও চিকিৎসা হিসেবে।সার্জারিতে: যে কোন ধরনের অপারেশনের পূর্বে নিবারক হিসেবে বিশেষ করে ফুসফুস, হার্ট ও রক্তসঞ্চালনতন্ত্র, পেট সংক্রান্ত অপারেশনের পূর্বে নিবারক হিসেবে ও পরে রক্তক্ষরণ বন্ধের চিকিৎসায় অন্যান্য অপারেশনে ও আঘাতজনিত শক-এ।ইউরােলজিতে: প্রস্টেট গ্রন্থি, মূত্রথলি ও কিডনী অপারেশনের পূর্বে নিবারক হিসেবে ও পরে রক্তক্ষরণ বন্ধের চিকিৎসায় এবং হেমাটিউরিয়াতে।স্ত্রীরােগ ও প্রসূতি বিভাগে: পােষ্ট-পারটাম ও পিউয়ারপেরিয়াম এবং জরায়ু থেকে রক্তক্ষরণে; ফাংশনাল মেনমেট্রোরহেজিয়া, ইডিওপ্যাথিক অথবা আইইউডি (ইন্ট্রাইউটেরাইন ডিভাইস)-জনিত মেনরহেজিয়া; এব্রাপশিও প্লাসেন্টাজনিত (অকালে গর্ভফুল বিচ্ছিন্ন হওয়া) অতিমাত্রায় রক্তক্ষরণে এবং সারভাইকাল কোনাইজেশন সমস্যাদির পূর্বে নিবারক হিসেবে ও পরে রক্তক্ষরণ বন্ধের চিকিৎসায়।কান, নাক ও গলা সম্বন্ধীয়: টনসিল কেটে ফেলার ও ঐসব অংশের বিশেষ অপারেশনের আগে নিবারক হিসাবে ও অপারেশনকালীন সময়ে ও পরে রক্তক্ষরণ বন্ধের চিকিৎসা হিসাবে এবং নাক দিয়া রক্ত পড়া বন্ধ করার চিকিৎসা হিসেবে।মুখগহ্বর সম্বন্ধীয়: চোয়াল ও মুখমন্ডলের অপারেশনে ও দাঁত উঠানাের আগে নিবারক হিসেবে ও পরে রক্তক্ষরণ বন্ধের চিকিৎসা হিসেবে।টিউমার সংক্রান্ত রক্তক্ষরণে (সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে): ওভারীর টিউমারের বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্থ করতে ফিব্রিন এর আবরণ দ্বারা ওভারীর টিউমারকে আবৃত করে, যাতে রক্তক্ষরণ বন্ধ থাকে। লিভারের ক্যান্সার হওয়ার ফলে যে পানি জমে তা দমিয়ে রাখে অর্থাৎ ক্যান্সারযুক্ত লিভারের অংশে ফাইব্রিন এর আবরণ দ্বারা আবৃত থাকে। টিউমারজনিত অপারেশনের সময়ে যে রক্তপাত হয় তার পরিমাণকে কমিয়ে রাখে বা বন্ধ করে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

ট্রানেক্সামিক এসিড সাধারণতঃ সুসহনীয়। কদাচিৎ অবসাদ ভাব, চোখে যন্ত্রণা, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, চুলকানী, ত্বক লাল ও ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে।মুখে প্রয়ােগের ফলে বমিভাব, ডায়রিয়া ও পাকস্থলীতে জ্বালা অনুভূত হতে পারে। শুয়ে থাকা অবস্থায় বা বসা হতে হঠাৎ দাঁড়ালে অথবা শরীরের অবস্থান পরিবর্তন করলে চোখে অন্ধকার দেখা ও মাথা ঘােরানাের লক্ষণ কদাচিৎ দেখা দিতে পারে।ট্রানেক্সামিক এসিড-এর ব্যবহারে অতি সংবেদনশীলতা দেখা দিলে তার ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে এবং উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

সতর্কতা

ট্রানেক্সামিক এসিড ঐসব ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা উচিৎ যেখানে ফাইব্রিন অতিমাত্রায় তরলীকৃত হয় (হাইপার ফিব্রিনােলাইসিস)। নিবারক চিকিৎসা হিসেবে অপারেশনের ২৪ ঘন্টা পূর্বে অবশ্যই শুরু করতে হবে এবং অপারেশনের পরে আরো ৩-৪ দিন চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া উচিৎ।রক্তক্ষরণের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাবার পরও (লক্ষণ সমূহ অদৃশ্য হওয়ার পরও) কমপক্ষে আরাে ২৪ ঘন্টা দীর্ঘায়িত করতে হবে।রক্ত মিশ্রিত মূত্রে (হেমাটিউরিয়াতে) বিশেষ করে যখন উক্ত রক্তক্ষরণের সাথে অন্যান্য রক্তক্ষরণের কারণ জড়িত নয় তখন ডােজ কমাতে হবে যাতে মূত্রনালীতে রক্ত জমাট না বাঁধতে পারে।গুরুতর রকমের মূত্রাল্পতা অথবা মূত্রহীন অবস্থায় ট্রানেক্সামিক এসিড কোন অবস্থাতেই ব্যবহারযােগ্য নয় এবং অবশ্যই কেবল সতর্কতার সাথে কম জটিল কিডনীর অকার্যকারিতায় ব্যবহার করতে হবে।হার্ট ও লিভারের অসুখের রােগীর বেলায়ও এই প্রডাক্ট ব্যবহারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

প্রতিনির্দেশনা

সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া হয় এমন জানা রােগীকে, থ্রম্বোএম্বলিক অসুখ, ধমনী ও শিরার রক্তজমাট অবস্থায়, অভ্যন্তরীণ (শরীরের ভেতরে) রক্তক্ষরণে ও জটিল কিডনীর অসুখে দেয়া যাবেনা।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Anti-fibrinolytic drugs, Haemostatic drugs

ফার্মাকোলজি

ইহা ট্রানেক্সামিক এসিড (ট্রান্স-৪-এমাইনােমিথাইল-সাইক্লোহেক্সেন-কার্বক্সিলিক এসিড) দ্বারা তৈরী। ট্রানেক্সামিক এসিড এমন একটি উপাদান যার শক্তিশালী এন্টিফিব্রিনােলাইটিক অ্যাকশন রয়েছে এবং ভিট্রো ও ভিভাে উভয় পরীক্ষাতে প্রমাণিত হয়েছে যে, গতানুগতিক/প্রচলিত রক্তক্ষরণ বন্ধকারী ঔষধের চেয়ে ইহা ১০ গুণ বেশি কার্যকরী। এর রক্তক্ষরণ বন্ধকারী কার্যকারিতা এই জন্য যে, ট্রানেক্সামিক এসিড স্ট্রেপটোকাইনেজ এর মতাে এক্সোজেনাস, ইউরােকাইনেজ এর মতো এন্ডােজেনাস ও প্লাজমিনোজেন সক্রিয়কারী দ্বারা প্লাজমিনােজেন-এর সক্রিয়তাকে বাধা দেয়। চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এজন্য যে, ট্রানেক্সামিক এসিড বিভিন্ন ধরনের রক্তক্ষরণজনিত অবস্থায় এন্টিফিব্রিনােলাইটিক অ্যাকশন দ্বারা রক্তক্ষরণ বন্ধের নিশ্চয়তা দেয়।ট্রানেক্সামিক এসিড ব্যবহারে সাময়িক তীব্র বিষক্রিয়া খুবই কম এবং দীর্ঘকালস্থায়ী বিষক্রিয়া প্রায় অন্তিত্বহীন বলেই লক্ষ্য করা যায়। মুখের মাধ্যমে ট্রানেক্সামিক এসিড গ্রহণ করলে তা খুব ভাল শােষিত হয় এবং গ্রহণের ১৫-৩০ মিনিট পর হতেই এর কার্যকারিতা লক্ষ্য করা যায়। এটি প্রধানত মূত্রের মাধ্যমে নিঃসরিত হয় কিন্তু প্রচলিত রক্তক্ষরণ বন্ধকারী ঔষধের তুলনায় অনেক ধীরে নিঃসরিত হয়। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলি ট্রানেক্সামিক এসিড কে প্রচলিত ঔষধের চেয়ে বেশিক্ষণ ব্যাপী কার্যকরী রাখতে সক্ষম করেছে। ফলে অনেকক্ষণ পরপর এবং উল্লেখযােগ্য পরিমাণ কম একক ডােজ প্রয়ােগ করা যেতে পারে, কারণ এতে এক ডােজ হতে আরেক ডােজের মধ্যবর্তী সময়ে রক্তে ট্রানেক্সামিক এসিড এর মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে না যাতে এর এন্টিফিব্রিনােলাইটিক অ্যাকশন অকার্যকর অবস্থায় নেমে আসে।চিকিৎসা মাত্রায় ট্রানেক্সামিক এসিড রক্তজমাট বাঁধানাের প্রক্রিয়ায় কোন প্রভাব ফেলেনা, এমনকি দীর্ঘদিন ব্যবহারেও রক্তজমাট বাঁধা (থ্রম্বোফিলিয়া)-এর মতাে কোন ঝোঁক পরিলক্ষিত হয়নি।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

যেহেতু ট্রানেক্সামিক এসিড গর্ভফুল ভেদ করে কি-না এবং গর্ভস্থ বাচ্চার উপর কোন বিরূপ প্রভাব ফেলে কি-না তা জানা যায়নি, সেহেতু জানা বা অনুমিত গর্ভাবস্থার ক্ষেত্রে ট্রানেক্সামিক এসিড ব্যবহার করা উচিত নয়। ট্রানেক্সামিক এসিড মায়ের দুধে মায়ের রক্তের তুলনায় প্রায় একশত ভাগের একভাগ ঘনত্বে উপস্থিত থাকে। শিশুর উপর এর এন্টিফিব্রিনােলাইটিক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।

সংরক্ষণ

১৫-৩০° সে. তাপমাত্রায় শুষ্ক স্থানে, আলাে থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
Disclaimer

The information provided is accurate to our best practices, but it does not replace professional medical advice. We cannot guarantee its completeness or accuracy. The absence of specific information about a drug should not be seen as an endorsement. We are not responsible for any consequences resulting from this information, so consult a healthcare professional for any concerns or questions.