Product gallery
MRP ১০০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৯২.০০/10's Strip
স্টকে নেই
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

নাইটাজক্সানাইড একটি ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল ওষুধ, যা প্রধানত নির্দিষ্ট পরজীবী জীবাণুর কারণে সৃষ্ট সংক্রামক ডায়রিয়ার চিকিৎসায় নির্ধারিত হয়। এটি নিম্নলিখিত সংক্রমণের ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যালি নির্দেশিত:

  • ক্রিপ্টোস্পোরিডিয়াম পারভাম – একটি প্রোটোজোয়ান পরজীবী, যা ক্রিপ্টোস্পোরিডিওসিসের জন্য দায়ী, যা বিশেষ করে ইমিউনোকম্প্রোমাইজড রোগী ও অল্পবয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে পানির মতো পাতলা ডায়রিয়া সৃষ্টি করে।
  • জিয়ার্ডিয়া ল্যাম্বলিয়া – জিয়ার্ডিয়াসিসের কারণক জীবাণু, একটি সাধারণ অন্ত্রীয় সংক্রমণ, যা দূষিত খাবার বা পানির সাথে সম্পর্কিত।
  • এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা – অ্যামিবিক ডিসেন্ট্রি ও অন্ত্রীয় অ্যামিবিয়াসিসের জন্য দায়ী।

এই জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে এর কার্যকলাপের কারণে, বাংলাদেশসহ যেসব অঞ্চলে পানি ও খাদ্যবাহিত পরজীবী সংক্রমণ সাধারণ, সেসব অঞ্চলে ডায়রিয়াজনিত রোগ ব্যবস্থাপনার মানসম্মত প্রোটোকলের অংশ হিসেবে নাইটাজক্সানাইড ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

একজন নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ীই সবসময় কঠোরভাবে নাইটাজক্সানাইড সেবন করুন।

ফার্মাকোলজি

নাইটাজক্সানাইড থিয়াজোলাইড শ্রেণির একটি সিন্থেটিক, মুখে সেবনযোগ্য অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল এজেন্ট। এর চিকিৎসাগত কার্যকলাপ সংবেদনশীল পরজীবীর শক্তি বিপাক ব্যাহত করার ওপর কেন্দ্রীভূত।

ক্রিয়া পদ্ধতি (Mechanism of Action)

নাইটাজক্সানাইড পাইরুভেট ফেরিডক্সিন অক্সিডোরিডাক্টেজ (PFOR) এনজাইম-নির্ভর ইলেকট্রন স্থানান্তর প্রতিক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে। প্রোটোজোয়ায় অ্যানারোবিক শক্তি উৎপাদনের জন্য এই বায়োকেমিক্যাল পথটি অপরিহার্য। এই প্রতিক্রিয়া ব্লক করার মাধ্যমে, নাইটাজক্সানাইড কার্যকরভাবে পরজীবীর শক্তি উৎপাদনের ক্ষমতা বন্ধ করে দেয়, যা এর মৃত্যু ঘটায়।

সক্রিয় মেটাবোলাইট

শোষণের পর, নাইটাজক্সানাইড দ্রুত এর সক্রিয় মেটাবোলাইট টিজোক্সানাইডে রূপান্তরিত হয়। মূল যৌগ ও টিজোক্সানাইড উভয়ই নিম্নলিখিতগুলোর বিরুদ্ধে ইন-ভিট্রো কার্যকলাপ প্রদর্শন করে:

  • ক্রিপ্টোস্পোরিডিয়াম পারভাম-এর স্পোরোজয়েট ও ওওসিস্ট
  • জিয়ার্ডিয়া ল্যাম্বলিয়া-এর ট্রফোজয়েট

এই দ্বৈত-কার্যকরী প্রক্রিয়া, পরজীবীজনিত পরিপাকতন্ত্রীয় সংক্রমণের একটি প্রথম-সারির চিকিৎসা বিকল্প হিসেবে নাইটাজক্সানাইডের কার্যকারিতায় অবদান রাখে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

রোগীর বয়সের ওপর ভিত্তি করে নাইটাজক্সানাইডের ডোজ ভিন্ন হয়, এবং এটি সাধারণত ৩-দিনের মুখে সেবনযোগ্য কোর্স হিসেবে প্রয়োগ করা হয়। এটি ট্যাবলেট ও ওরাল সাসপেনশন উভয় হিসেবেই পাওয়া যায়, যা একে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের জন্যই উপযুক্ত করে তোলে।

বয়স গ্রুপ অনুযায়ী প্রস্তাবিত ডোজ

বয়স গ্রুপ ডোজ সেবনের মাত্রা মেয়াদ
১–৩ বছর ১ চা চামচ (৫ মিলি) সাসপেনশন প্রতি ১২ ঘণ্টায় ৩ দিন
৪–১১ বছর ২ চা চামচ (১০ মিলি) সাসপেনশন প্রতি ১২ ঘণ্টায় ৩ দিন
১২ বছর ও তদূর্ধ্ব ৫ চা চামচ (২৫ মিলি) সাসপেনশন অথবা ১টি ট্যাবলেট (৫০০ মিলিগ্রাম) প্রতি ১২ ঘণ্টায় ৩ দিন

সেবনের নির্দেশনা

  • শোষণ বাড়াতে এবং পরিপাকজনিত অস্বস্তি কমাতে নাইটাজক্সানাইড খাবারের সাথে সেবন করা সবচেয়ে ভালো।
  • সঠিক ডোজ নিশ্চিত করতে প্রতিবার ব্যবহারের আগে ওরাল সাসপেনশন ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন।
  • পরজীবী সংক্রমণ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছে তা নিশ্চিত করতে, উপসর্গ আগেভাগে উন্নত হলেও সম্পূর্ণ ৩-দিনের কোর্স শেষ করুন।
  • মিস হওয়া ডোজ মনে পড়ামাত্র সেবন করা উচিত, তবে ডোজ দ্বিগুণ করা উচিত নয়।

নিজে থেকে ওষুধ সেবন করবেন না। একজন নিবন্ধিত চিকিৎসকের নির্ধারিত ডোজ অনুসরণ করুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

নাইটাজক্সানাইড প্লাজমা প্রোটিনের সাথে উচ্চমাত্রায় যুক্ত থাকে, যার অর্থ হলো একই বাইন্ডিং বৈশিষ্ট্যযুক্ত অন্যান্য ওষুধের সাথে এর মিথস্ক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্লাজমা প্রোটিন বাইন্ডিং মিথস্ক্রিয়া

নাইটাজক্সানাইড সংকীর্ণ থেরাপিউটিক ইনডেক্সযুক্ত উচ্চমাত্রায় প্লাজমা প্রোটিন-বাইন্ডেড ওষুধের সাথে একত্রে দেওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এই ধরনের ক্ষেত্রে, প্রোটিন-বাইন্ডিং সাইটের জন্য প্রতিযোগিতা যেকোনো ওষুধের মুক্ত (সক্রিয়) ঘনত্ব পরিবর্তন করতে পারে, যা সম্ভাব্যভাবে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে বা চিকিৎসাগত কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।

অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট, অ্যান্টি-এপিলেপ্টিক, বা অন্যান্য সংকীর্ণ থেরাপিউটিক ইনডেক্সযুক্ত ওষুধ গ্রহণকারী রোগীদের নাইটাজক্সানাইড শুরু করার আগে তাদের চিকিৎসককে জানানো উচিত, যাতে উপযুক্ত পর্যবেক্ষণ বা ডোজ সমন্বয় বিবেচনা করা যায়।

প্রতিনির্দেশনা

নাইটাজক্সানাইড বা এর ফর্মুলেশনে উপস্থিত কোনো এক্সিপিয়েন্টের প্রতি জ্ঞাত অতি-সংবেদনশীলতা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়

থিয়াজোলাইড-শ্রেণির ওষুধের প্রতি অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার পূর্ব ইতিহাস থাকা রোগীদের চিকিৎসা শুরুর আগে তাদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীকে জানানো উচিত। অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণগুলোর মধ্যে ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি, ফোলাভাব, বা শ্বাস নিতে কষ্ট অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, এবং এর জন্য অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শের প্রয়োজন।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

অন্যান্য সকল ওষুধের মতোই, নাইটাজক্সানাইড পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, যদিও বেশিরভাগই মৃদু এবং নিজে থেকেই কমে যায়।

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • পেটে ব্যথা
  • বমি হওয়া
  • মাথাব্যথা

এই প্রভাবগুলো সাধারণত মৃদু ও সাময়িক প্রকৃতির হয়ে থাকে, অর্থাৎ চিকিৎসা বন্ধ না করেই এগুলো সাধারণত কমে যায়।

বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • বমি বমি ভাব
  • ক্ষুধামন্দা (অ্যানোরেক্সিয়া)
  • পেট ফাঁপা
  • ক্ষুধা বৃদ্ধি
  • লালাগ্রন্থি ফুলে যাওয়া
  • ক্রিয়েটিনিন ও SGPT (লিভার এনজাইম) মাত্রা বৃদ্ধি
  • প্রুরিটাস (চুলকানি)
  • রাইনাইটিস
  • অতিরিক্ত ঘাম
  • মাথা ঘোরা
  • প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন

তীব্র বা স্থায়ী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভবকারী রোগীদের দ্রুত তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা

নাইটাজক্সানাইড US FDA প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি B-এর অন্তর্ভুক্ত। এর অর্থ হলো পশুর ওপর পরিচালিত প্রজনন গবেষণায় ভ্রূণের ঝুঁকি প্রমাণিত হয়নি; তবে, গর্ভবতী নারীদের ওপর পরিচালিত পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। যেহেতু পশুর ওপর পরিচালিত গবেষণা সবসময় মানুষের প্রতিক্রিয়া সঠিকভাবে পূর্বাভাস দিতে পারে না, তাই স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় হলে এবং চিকিৎসাগত তত্ত্বাবধানেই কেবল গর্ভাবস্থায় নাইটাজক্সানাইড ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদান

নাইটাজক্সানাইড মানুষের বুকের দুধে নিঃসরিত হয় বলে প্রমাণিত হয়েছে। তাই, স্তন্যদানকারী মায়েদের এই ওষুধ প্রদানের সময় সতর্কতা পরামর্শ দেওয়া হয়। স্তন্যদানকালে নাইটাজক্সানাইড নির্ধারণের আগে একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর উচিত উপকারিতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করা।

সতর্কতা

নিম্নলিখিত রোগী গ্রুপের ক্ষেত্রে নাইটাজক্সানাইড সতর্কতার সাথে প্রয়োগ করা উচিত:

  • লিভার ও পিত্তনালীর রোগ: লিভার বা পিত্তনালীর সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন, কারণ নাইটাজক্সানাইডের বিপাক প্রভাবিত হতে পারে।
  • কিডনির রোগ: কিডনির কার্যকারিতা হ্রাসপ্রাপ্ত রোগীদের চিকিৎসার সময় সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করা উচিত, কারণ ওষুধের নিষ্কাশন পরিবর্তিত হতে পারে।

প্রতিকূল প্রভাবের ঝুঁকি কমাতে, নাইটাজক্সানাইড নির্ধারণের আগে চিকিৎসকদের রোগীর সম্পূর্ণ চিকিৎসাগত ইতিহাস মূল্যায়ন করা উচিত।

সংরক্ষণ

  • সরাসরি আলো ও তাপ থেকে দূরে, শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।
  • ওষুধটি শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
  • প্যাকেজিংয়ের গায়ে মুদ্রিত মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখের পর ব্যবহার করবেন না।
  • ওরাল সাসপেনশনের ক্ষেত্রে, বোতল-নির্দিষ্ট সংরক্ষণের নির্দেশাবলী পরীক্ষা করুন (যেমন, রিকনস্টিটিউট করার পর নির্দিষ্ট সংখ্যক দিন পরে অবশিষ্ট সাসপেনশন ফেলে দিতে হবে)।
Disclaimer

The information provided is accurate to our best practices, but it does not replace professional medical advice. We cannot guarantee its completeness or accuracy. The absence of specific information about a drug should not be seen as an endorsement. We are not responsible for any consequences resulting from this information, so consult a healthcare professional for any concerns or questions.

Doctor
Cart
Account