Product gallery
MRP ১০.০৭১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৯.০৬/piece
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Atinid একটি অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল (পরজীবীনাশক) ঔষধ, যা নির্দিষ্ট কিছু পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট ডায়রিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • ১ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে Giardia lamblia দ্বারা সৃষ্ট ডায়রিয়া (জিয়ার্ডিয়াসিস) এর চিকিৎসায়।
  • ১ বছর বা তার বেশি বয়সী, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক এমন রোগীদের মধ্যে Cryptosporidium parvum দ্বারা সৃষ্ট ডায়রিয়া (ক্রিপ্টোস্পোরিডিওসিস) এর চিকিৎসায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল (যেমন HIV/AIDS) রোগীদের ক্ষেত্রে কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়।

আঞ্চলিক ব্যবহার

বাংলাদেশসহ কিছু অঞ্চলে Atinid Entamoeba histolytica দ্বারা সৃষ্ট ডায়রিয়া/আমাশয়েও ব্যবহৃত হয়, যা স্থানীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন ও ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত।

এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্দেশনায় অন্যান্য পরজীবী সংক্রমণেও Atinid অফ-লেবেল ব্যবহৃত হতে পারে; এই ব্যবহারের প্রমাণ সীমিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Atinid একটি থায়াজোলাইড শ্রেণির অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল (পরজীবীনাশক) ঔষধ। এটি সনাতন অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল অ্যান্টিবায়োটিক নয়, তবে এটি নির্দিষ্ট প্রোটোজোয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর একটি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট।

ফার্মাকোলজি

Nitazoxanide এবং এর সক্রিয় মেটাবোলাইট টিজোক্সানাইড, সংবেদনশীল প্রোটোজোয়া পরজীবীর অ্যানএরোবিক শক্তি বিপাক প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় pyruvate:ferredoxin oxidoreductase (PFOR) এনজাইম-নির্ভর ইলেকট্রন স্থানান্তর প্রতিক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে কাজ করে।

মুখে সেবনের পর Nitazoxanide দ্রুত টিজোক্সানাইডে রূপান্তরিত হয়, যা রক্তে প্রায় সম্পূর্ণভাবে (৯৯.৯% এর বেশি) প্লাজমা প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ থাকে। খাবারের সাথে সেবন করলে Nitazoxanide এর শোষণ বৃদ্ধি পায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Atinid সাধারণত খাবারের সাথে, ৩ দিনের কোর্স হিসেবে, বয়স অনুযায়ী নিম্নলিখিত মাত্রায় সেবন করতে হয়।

বয়সমাত্রাফর্মমেয়াদ
১–৩ বছর১০০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টায়সাসপেনশন (৫ মি.লি.)৩ দিন
৪–১১ বছর২০০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টায়সাসপেনশন (১০ মি.লি.)৩ দিন
১২ বছর ও তদূর্ধ্ব (প্রাপ্তবয়স্কসহ)৫০০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টায়ট্যাবলেট বা সাসপেনশন (২৫ মি.লি.)৩ দিন

Atinid সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ, বা অন্য কাউকে দেওয়া উচিত নয়, কারণ অসম্পূর্ণ বা অনুপযুক্ত ব্যবহার চিকিৎসার কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।

১ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Atinid এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Atinid এর সক্রিয় মেটাবোলাইট টিজোক্সানাইড রক্তে প্রায় সম্পূর্ণভাবে (৯৯.৯% এর বেশি) প্লাজমা প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ থাকে। তাই যেসব ঔষধ একইভাবে প্লাজমা প্রোটিনের সাথে উচ্চমাত্রায় আবদ্ধ হয়, যেমন ওয়ারফারিন, তার সাথে Atinid একসাথে সেবনে সতর্কতা প্রয়োজন; এক্ষেত্রে রক্ত জমাট বাঁধার মাত্রা (INR) নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

উপলব্ধ তথ্য অনুযায়ী Atinid প্রধান সাইটোক্রোম P450 এনজাইমগুলোর উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে না। Atinid শুরু করার আগে সেবনরত অন্য সব ঔষধ, ওটিসি ঔষধ, এবং সাপ্লিমেন্টের কথা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

যাদের নাইটাজক্সানাইড, টিজোক্সানাইড বা এই ফর্মুলেশনের কোনো উপাদানের প্রতি জানা অতি সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে Nitazoxanide ব্যবহার নিষিদ্ধ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Atinid এর সাথে সম্পর্কিত অধিকাংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মৃদু এবং পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত।

সাধারণ

  • পেটে ব্যথা
  • ডায়রিয়া
  • মাথাব্যথা
  • বমি বমি ভাব
  • বমি (শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়)

কম সাধারণ

  • বদহজম, গ্যাস, ক্ষুধামন্দা
  • মাথা ঘোরা
  • প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন (ক্ষতিকর নয়)

Atinid সেবনকালে অ্যালার্জির লক্ষণ (র‍্যাশ, চুলকানি, ফোলাভাব, তীব্র মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট) অথবা তীব্র বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া, উচ্চ জ্বর, বা পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এগুলো ভিন্ন বা অধিক গুরুতর কোনো সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: প্রাণীদের উপর করা গবেষণায় মানব মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রায় Atinid ব্যবহারে ভ্রূণের ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে গর্ভবতী নারীদের উপর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। গর্ভাবস্থায় Atinid কেবল তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: মায়ের দুধে Atinid বা এর মেটাবোলাইট নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই। স্তন্যদানকালে Atinid ব্যবহারের আগে সতর্কতার সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

  • যকৃত বা কিডনির কার্যক্ষমতা দুর্বল রোগীদের ক্ষেত্রে Atinid সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এসব ক্ষেত্রে এর ফার্মাকোকাইনেটিক্স নিয়ে আনুষ্ঠানিক গবেষণা হয়নি।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল রোগীদের (যেমন HIV/AIDS) ক্ষেত্রে ক্রিপ্টোস্পোরিডিওসিসের চিকিৎসায় Atinid এর কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়; এসব রোগীর ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • ডায়রিয়া আরও খারাপ হলে, রক্তমিশ্রিত হলে, বা উচ্চ জ্বর/পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে Atinid বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • Atinid সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ, বা অন্য কাউকে দেওয়া উচিত নয়।
  • সাসপেনশন ফর্মে চিনি (সুক্রোজ) থাকে বলে ডায়াবেটিস রোগীদের সতর্কতার সাথে Atinid ব্যবহার করা উচিত।

মাত্রাধিক্যতা

Atinid এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবন সংক্রান্ত তথ্য সীমিত; ক্লিনিক্যাল গবেষণায় সুস্থ স্বেচ্ছাসেবকদের একক ৪০০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত মাত্রা দেওয়া হয়েছে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই, তবে এর মানে এই নয় যে সকল রোগীর জন্য উচ্চ মাত্রা নিরাপদ।

Atinid এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সাধারণত উপসর্গ অনুযায়ী সহায়ক হয়ে থাকে; এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই।

সংরক্ষণ

ট্যাবলেট ৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। Atinid পাউডার পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করার পর তা ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন (ফ্রিজে জমাবেন না) এবং ৭ দিনের মধ্যে অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে

Atinid সাসপেনশন ১ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী শিশুদের মধ্যে Giardia lamblia বা Cryptosporidium parvum দ্বারা সৃষ্ট ডায়রিয়ার চিকিৎসায় অনুমোদিত। ট্যাবলেট ১২ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের জন্য অনুমোদিত।

  • ১–৩ বছর: ১০০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টায়, ৩ দিন
  • ৪–১১ বছর: ২০০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টায়, ৩ দিন

১ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Atinid এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে Atinid এর ক্লিনিক্যাল গবেষণায় পর্যাপ্ত সংখ্যক রোগী অন্তর্ভুক্ত ছিল না বলে তরুণ রোগীদের তুলনায় ভিন্ন প্রতিক্রিয়া হয় কিনা তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি; মাত্রা নির্ধারণে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Atinid 500 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Atinid 500 mg Tablet Giardia lamblia এবং Cryptosporidium parvum পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট ডায়রিয়া চিকিৎসায়, এবং কিছু আঞ্চলিক নির্দেশনায় Entamoeba histolytica এর ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। সাধারণত ৩ দিনের কোর্স হিসেবে দেওয়া হয়।

Q: Atinid 500 mg Tablet কীভাবে সেবন করতে হয়?

A: Atinid 500 mg Tablet সাধারণত খাবারের সাথে, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রতি ১২ ঘণ্টায় ৩ দিন সেবন করতে হয়। সাসপেনশন প্রতিবার সেবনের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন এবং উপসর্গ কমে গেলেও পুরো কোর্স সম্পন্ন করুন।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Atinid 500 mg Tablet ব্যবহার করা যায়?

A: গর্ভাবস্থায় মানব নিরাপত্তা তথ্য সীমিত থাকায় Atinid 500 mg Tablet কেবল তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Atinid 500 mg Tablet এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Atinid 500 mg Tablet এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মৃদু পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব এবং মাথাব্যথা। তীব্র বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া, উচ্চ জ্বর, বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

Q: Atinid 500 mg Tablet কি একটি অ্যান্টিবায়োটিক?

A: না, Atinid 500 mg Tablet একটি অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল (পরজীবীনাশক) ঔষধ, ব্যাকটেরিয়ানাশক অ্যান্টিবায়োটিক নয়, যদিও একে বিস্তৃত অর্থে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল হিসেবে ধরা হয়। এটি পরজীবীর শক্তি বিপাক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে কাজ করে।

Q: একটি মাত্রা মিস হলে বা অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে কী করব?

A: Atinid 500 mg Tablet এর কোনো মাত্রা মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিসড মাত্রা বাদ দিন। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; নিজে থেকে কোনো ঘরোয়া চিকিৎসা করবেন না।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor