Product gallery
MRP ৳ ৯০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৮১.০০/10's Strip
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Axofen একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (নন-সিডেটিং) অ্যান্টিহিস্টামিন, যা নিম্নলিখিত অবস্থার লক্ষণ উপশমে ব্যবহৃত হয়:

  • সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ-নাক-গলা চুলকানো ইত্যাদি উপসর্গ উপশমে Axofen ব্যবহৃত হয়। এটি একটি প্রতিষ্ঠিত, FDA-অনুমোদিত ব্যবহার।
  • দীর্ঘস্থায়ী ইডিওপ্যাথিক আর্টিকেরিয়া: শরীরে চুলকানি ও চাকা চাকা দাগ (হাইভস) কমাতে Axofen নির্দেশিত। এটিও একটি প্রতিষ্ঠিত, FDA-অনুমোদিত ব্যবহার।

Axofen শুধু উপসর্গ উপশম করে, অ্যালার্জির মূল প্রবণতা নিরাময় করে না এবং অ্যানাফাইল্যাক্সিস প্রতিরোধ করে না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

দ্বিতীয় প্রজন্মের (নন-সিডেটিং) অ্যান্টিহিস্টামিন; সিলেক্টিভ পেরিফেরাল হিস্টামিন H1-রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট। Axofen এই শ্রেণীভুক্ত একটি ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Fexofenadine Hydrochloride একটি সিলেক্টিভ H1-রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট, যা পেরিফেরাল হিস্টামিন H1-রিসেপ্টরে প্রতিযোগিতামূলকভাবে হিস্টামিনের ক্রিয়া প্রতিরোধ করে, ফলে চুলকানি, হাঁচি ও ভাসোডাইলেশনের মতো হিস্টামিন-প্ররোচিত উপসর্গ কমে।

Fexofenadine Hydrochloride রক্ত-মস্তিষ্ক বাধা সহজে অতিক্রম করে না বলে এটি প্রথম প্রজন্মের অ্যান্টিহিস্টামিনের তুলনায় কম ঘুম-ঘুম ভাব সৃষ্টি করে এবং এর উল্লেখযোগ্য অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব নেই।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: মুখে সেবনের পর Fexofenadine Hydrochloride প্রায় ১-৩ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ রক্তমাত্রায় পৌঁছায়। এটি প্রায় ৬০-৭০% প্লাজমা প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ হয়, সামান্য পরিমাণে (৫% এর কম) যকৃতে বিপাকিত হয়, এবং মূলত অপরিবর্তিত অবস্থায় মল ও প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়। অর্ধ-জীবন প্রায় ১৪ ঘণ্টা।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Axofen-এর মাত্রা বয়স, নির্দেশনা এবং কিডনির কার্যক্ষমতার উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।

নির্দেশনাবয়সপ্রস্তাবিত মাত্রা
অ্যালার্জিক রাইনাইটিসপ্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর৬০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার অথবা ১৮০ মি.গ্রা. দিনে একবার
অ্যালার্জিক রাইনাইটিস৬-১১ বছর৩০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার
অ্যালার্জিক রাইনাইটিস২-৫ বছর৩০ মি.গ্রা. (সাসপেনশন) দিনে দুইবার
দীর্ঘস্থায়ী আর্টিকেরিয়াপ্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর৬০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার অথবা ১৮০ মি.গ্রা. দিনে একবার
দীর্ঘস্থায়ী আর্টিকেরিয়া৬ মাস-১১ বছর১৫-৩০ মি.গ্রা. (সাসপেনশন) দিনে দুইবার, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী

কিডনি সমস্যায়: কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে Axofen-এর মাত্রা কমিয়ে দেওয়া হয় (যেমন প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দিনে একবার ৬০ মি.গ্রা.), কারণ এতে রক্তে ওষুধের ঘনত্ব ও অর্ধ-জীবন বৃদ্ধি পায়।

সেবনবিধি: ট্যাবলেট পানির সাথে পুরোটা গিলে খেতে হবে। সাসপেনশন ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে এবং সঠিক মাপার যন্ত্র দিয়ে মাপতে হবে। Axofen ফলের রসের সাথে না খেয়ে পানির সাথে খাওয়া উচিত।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Axofen-এর সাথে নিম্নলিখিত ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • ফলের রস (আপেল, কমলা, জাম্বুরা): এই রসগুলো অন্ত্রের পরিবহনতন্ত্র (OATP) বাধা দিয়ে Axofen-এর শোষণ ৩০-৪০% পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে, ফলে কার্যকারিতা কমে যায়। তাই এগুলোর সাথে সময়ের ব্যবধান রেখে পানির সাথে সেবন করা উচিত।
  • অ্যান্টাসিড (অ্যালুমিনিয়াম/ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডযুক্ত): একসাথে সেবনে Axofen-এর শোষণ কমে যেতে পারে; কমপক্ষে ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখা উচিত।
  • এরিথ্রোমাইসিন ও কিটোকোনাজল: এগুলোর সাথে একত্রে সেবনে Axofen-এর রক্তমাত্রা প্রায় ২-৩ গুণ বাড়তে পারে; তবে এটি QT দীর্ঘায়ন বা উল্লেখযোগ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত পাওয়া যায়নি।

প্রতিনির্দেশনা

Fexofenadine Hydrochloride বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Axofen সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। এর সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • সাধারণ: মাথাব্যথা, ঝিমুনি (তুলনামূলক কম), মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও বদহজম।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে: কাশি, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, কানের প্রদাহ এবং জ্বর দেখা যেতে পারে।
  • বিরল: অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া (ফুসকুড়ি, চুলকানি), অ্যাঞ্জিওএডিমা, বুকে চাপ অনুভব, শ্বাসকষ্ট, এবং কদাচিৎ হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি।

Axofen সেবনে মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় Axofen ব্যবহারের তথ্য সীমিত। তাই স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি না হলে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

স্তন্যদান: মায়ের দুধে Axofen উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নিঃসৃত হয় কিনা তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই। তাই স্তন্যদানকালে এটি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, সম্ভাব্য উপকার ও ঝুঁকি বিবেচনা করে ব্যবহার করা উচিত।

সতর্কতা

Axofen নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে:

  • কিডনি সমস্যা: কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে Axofen শরীর থেকে নির্গত হতে বেশি সময় লাগে, তাই মাত্রা কমানো প্রয়োজন হতে পারে।
  • বয়স্ক রোগী: সাধারণত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না, তবে কিডনি/যকৃতের কার্যক্ষমতা বিবেচনায় সতর্কতা প্রয়োজন।
  • ফলের রসের সাথে সেবন এড়িয়ে চলা: ফলের রস Axofen-এর শোষণ কমাতে পারে (বিস্তারিত মিথষ্ক্রিয়া অংশে দেখুন)।
  • জরুরি চিকিৎসায় অনুপযুক্ত: অ্যানাফাইল্যাক্সিস বা তীব্র আর্টিকেরিয়া/অ্যাঞ্জিওএডিমার জরুরি চিকিৎসায় Axofen ব্যবহারযোগ্য নয়।

মাত্রাধিক্যতা

Axofen-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে মাথা ঘোরা, ঝিমুনি ও মুখ শুকিয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের আশঙ্কা হলে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত উপসর্গ অনুযায়ী সহায়ক; Axofen-এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই এবং এটি হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে কার্যকরভাবে অপসারণ করা যায় না।

সংরক্ষণ

৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। Axofen ট্যাবলেট বা সাসপেনশন হিমায়িত করবেন না।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে: অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের জন্য ২ বছর ও তার বেশি বয়সী শিশুদের মধ্যে এবং দীর্ঘস্থায়ী আর্টিকেরিয়ার জন্য ৬ মাস ও তার বেশি বয়সী শিশুদের মধ্যে Axofen-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত। এর নিচের বয়সে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: গবেষণায় বয়স্ক ও তরুণ রোগীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়ার উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি, তবে কিছু বয়স্ক রোগী Axofen-এর প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন এবং কিডনির কার্যক্ষমতা বিবেচনা করে মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Axofen 120 mg Tablet কী কাজে ব্যবহার করা হয়?

A: Axofen 120 mg Tablet সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ চুলকানো) এবং দীর্ঘস্থায়ী ইডিওপ্যাথিক আর্টিকেরিয়া (হাইভস/চুলকানি) এর উপসর্গ উপশমে ব্যবহৃত হয়।

Q: Axofen 120 mg Tablet সেবনে কি ঘুম ঘুম ভাব হয়?

A: Axofen 120 mg Tablet একটি নন-সিডেটিং (দ্বিতীয় প্রজন্মের) অ্যান্টিহিস্টামিন, তাই প্রস্তাবিত মাত্রায় সাধারণত সামান্য বা কোনো ঘুম ঘুম ভাব সৃষ্টি করে না। তবে ব্যক্তিভেদে প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে, তাই প্রথমবার সেবনের সময় সতর্ক থাকা উচিত।

Q: Axofen 120 mg Tablet কি ফলের রসের সাথে খাওয়া যাবে?

A: না, আপেল, কমলা বা জাম্বুরার রসের সাথে Axofen 120 mg Tablet খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে এর শোষণ ও কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। Axofen 120 mg Tablet শুধু পানির সাথে সেবন করা ভালো।

Q: গর্ভাবস্থায় Axofen 120 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় Axofen 120 mg Tablet ব্যবহারের তথ্য সীমিত। তাই স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে এবং চিকিৎসক সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে না করলে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Axofen 120 mg Tablet-এর একটি মাত্রা ভুলে গেলে কী করব?

A: মনে পড়ামাত্র Axofen 120 mg Tablet-এর মিসড ডোজ সেবন করুন। পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিসড ডোজ বাদ দিয়ে নিয়মিত সময়সূচি অনুসরণ করুন; একসাথে দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না।

Q: Axofen 120 mg Tablet বেশি মাত্রায় সেবন করলে কী হতে পারে?

A: Axofen 120 mg Tablet অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনে মাথা ঘোরা, ঝিমুনি বা মুখ শুকিয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor