
Napa500 mg
Beximco Pharmaceuticals Ltd.

D-Cetamol একটি ব্যথানাশক ও জ্বরনাশক ঔষধ, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
D-Cetamol কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং সরাসরি সংক্রমণ নিরাময় করে না; এটি শুধুমাত্র সংক্রমণজনিত জ্বর ও অস্বস্তি কমায়।
D-Cetamol নন-অপিওয়েড ব্যথানাশক ও জ্বরনাশক (para-aminophenol গোত্রের) থেরাপিউটিক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত, যা NSAID ও opioid থেকে ভিন্ন।
Paracetamol-এর সঠিক ক্রিয়া-প্রণালী পুরোপুরি জানা যায়নি। ধারণা করা হয়, এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সংশ্লেষণ বাধা দিয়ে (কেন্দ্রীয় cyclooxygenase পথের মাধ্যমে) এবং descending serotonergic ও endocannabinoid ব্যথা-পথ প্রভাবিত করে ব্যথানাশক ও জ্বরনাশক প্রভাব তৈরি করে, তবে এর প্রদাহবিরোধী কার্যকারিতা খুবই সীমিত।
Paracetamol পরিপাকতন্ত্র থেকে দ্রুত শোষিত হয় এবং যকৃতে বিপাকিত হয়। এর সামান্য অংশ CYP2E1 এনজাইমের মাধ্যমে বিষাক্ত উপজাত NAPQI-তে রূপান্তরিত হয়, যা স্বাভাবিকভাবে গ্লুটাথায়োনের সাহায্যে নিষ্ক্রিয় হয়। অতিরিক্ত মাত্রায় গ্লুটাথায়োন কমে গেলে NAPQI জমা হয়ে যকৃতের ক্ষতি করতে পারে।
| রোগী/অবস্থা | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোর (>৫০ কেজি) | ৫০০-১০০০ মি.গ্রা. প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পরপর; দৈনিক সর্বোচ্চ ৪০০০ মি.গ্রা. (৪ গ্রাম) |
| এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট (প্রাপ্তবয়স্ক) | ১৩০০ মি.গ্রা. প্রতি ৬-৮ ঘণ্টা পরপর; দৈনিক সর্বোচ্চ ৩৯০০ মি.গ্রা. |
| শিশু (৬-১২ বছর) | ওজন অনুযায়ী প্রায় ১০-১৫ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পরপর, ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫ ডোজ |
| শিশু (৬ বছরের কম) ও শিশু | ১০-১৫ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পরপর সিরাপ/ড্রপ আকারে; ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫ ডোজ, সঠিক পরিমাপক যন্ত্র ব্যবহার করে |
| ইনজেকশন/ইনফিউশন (হাসপাতাল ব্যবহার) | ৫০ কেজির বেশি ওজনে: ১০০০ মি.গ্রা. প্রতি ৬ ঘণ্টা (দৈনিক সর্বোচ্চ ৪০০০ মি.গ্রা.); ৫০ কেজির কম: ১৫ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ৬ ঘণ্টা |
D-Cetamol খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়। একই সময়ে একাধিক D-Cetamol-যুক্ত পণ্য ব্যবহার করবেন না এবং দৈনিক সর্বোচ্চ মাত্রা অতিক্রম করবেন না, কারণ এতে যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় (সতর্কতা অংশ দেখুন)।
গুরুতর যকৃতের সমস্যা থাকলে D-Cetamol এড়িয়ে চলুন বা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে মাত্রা কমান (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)। গুরুতর বৃক্ক বৈকল্যে (creatinine clearance <১০ mL/min) ডোজের ব্যবধান কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা করতে হবে।
Paracetamol নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার নিষিদ্ধ:
নির্ধারিত মাত্রায় D-Cetamol সাধারণত সহনীয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
প্রয়োজনে গর্ভাবস্থায় D-Cetamol সাধারণত প্রথম পছন্দের ব্যথানাশক/জ্বরনাশক হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী নির্ধারিত মাত্রায় এটি জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বাড়ায় না। তবুও, D-Cetamol শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, স্বল্পতম সময়ের জন্য এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত। D-Cetamol স্তন্যদুগ্ধে সামান্য পরিমাণে নিঃসৃত হয় এবং নির্ধারিত মাত্রায় স্তন্যদানকালে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়; বিশেষ উদ্বেগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
D-Cetamol মাত্রা-নির্ভর যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকি বহন করে, যা গুরুতর ও অতিরিক্ত মাত্রায় প্রাণঘাতী হতে পারে। মূল সতর্কতাসমূহ:
D-Cetamol-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবন একটি চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা এবং এটি গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতী যকৃতের ক্ষতি ঘটাতে পারে, যদিও প্রথম ২৪ ঘণ্টায় লক্ষণ (বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, ঘাম) মৃদু বা অনুপস্থিত থাকতে পারে। D-Cetamol-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন, রোগী সুস্থ মনে হলেও, কারণ দ্রুত প্রতিষেধক চিকিৎসা ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে। লক্ষণ প্রকাশের অপেক্ষা করবেন না বা বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।
রুম তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
বয়স্ক রোগী: সাধারণত মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাস ও একাধিক ঔষধ সেবনের কারণে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় D-Cetamol ব্যবহার করা উচিত (ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া দেখুন)।
শিশু: D-Cetamol শিশুদের মধ্যে (নবজাতক সহ) ব্যথা ও জ্বরে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত, তবে ওজন অনুযায়ী সঠিক মাত্রা ও পরিমাপক যন্ত্র ব্যবহার করতে হবে। ৩ মাসের কম বয়সী শিশুতে বা কয়েক দিনের বেশি ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এই বয়সে দীর্ঘমেয়াদী স্ব-ব্যবহারের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: গর্ভাবস্থায়_ও_স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।
Q: D-Cetamol 500 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: D-Cetamol 500 mg Tablet মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যথা (যেমন মাথাব্যথা, দাঁতব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা) উপশমে এবং সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ বিভিন্ন অসুস্থতাজনিত জ্বর কমাতে ব্যবহৃত হয়।
Q: দৈনিক কতটুকু D-Cetamol 500 mg Tablet নিরাপদ?
A: সাধারণত সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টায় সব উৎস মিলিয়ে ৪০০০ মি.গ্রা. (৪ গ্রাম) D-Cetamol 500 mg Tablet-এর বেশি সেবন করা উচিত নয়। এর চেয়ে বেশি সেবন বা একাধিক D-Cetamol 500 mg Tablet-যুক্ত পণ্য একসাথে ব্যবহার করলে যকৃতের গুরুতর ক্ষতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
Q: গর্ভাবস্থায় কি D-Cetamol 500 mg Tablet সেবন করা যায়?
A: প্রয়োজনে গর্ভাবস্থায় D-Cetamol 500 mg Tablet সাধারণত প্রথম পছন্দের ব্যথানাশক/জ্বরনাশক হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে এটি শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত, কারণ গর্ভাবস্থায় কোনো ঔষধকেই সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত বলা যায় না।
Q: শিশুদের জন্য D-Cetamol 500 mg Tablet কি নিরাপদ?
A: হ্যাঁ, নবজাতক সহ শিশুদের মধ্যে D-Cetamol 500 mg Tablet সাধারণত ব্যবহৃত হয়, তবে মাত্রা অবশ্যই ওজন অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে এবং সঠিকভাবে পরিমাপ করতে হবে; ৩ মাসের কম বয়সী শিশুতে বা কয়েক দিনের বেশি ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: D-Cetamol 500 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবন করে ফেললে কী করব?
A: রোগী সুস্থ মনে হলেও অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন, কারণ D-Cetamol 500 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রার প্রাথমিক লক্ষণ মৃদু বা অনুপস্থিত থাকলেও ততক্ষণে গুরুতর যকৃতের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
Q: D-Cetamol 500 mg Tablet কি অন্য ব্যথানাশকের সাথে একসাথে খাওয়া যায়?
A: চিকিৎসকের পরামর্শে D-Cetamol 500 mg Tablet সাধারণত NSAID (যেমন ibuprofen)-এর সাথে একত্রে ব্যবহার করা যায়, তবে একই সময়ে একাধিক D-Cetamol 500 mg Tablet-যুক্ত পণ্য কখনোই ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ অনেক সংমিশ্রণ সর্দি-কাশি ও ব্যথানাশক পণ্যে ইতিমধ্যে D-Cetamol 500 mg Tablet থাকে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।