Product gallery

D-Floxin250 mg/5 ml

Powder for Suspension

Ciprofloxacin

MRP ৳ ৬৫.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৫৮.৫০/60 ml bottle
স্টকে নেই
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

D-Floxin একটি ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে D-Floxin সাধারণত তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন অন্য কোনো নিরাপদ চিকিৎসা বিকল্প উপযুক্ত নয়।

প্রমাণিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • জটিল ও অ-জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI), তীব্র পাইলোনেফ্রাইটিসসহ
  • মহিলাদের অ-জটিল সিস্টাইটিস
  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যাকটেরিয়াল প্রোস্টাটাইটিস
  • শ্বাসনালীর নিম্নাংশের সংক্রমণ, ব্রংকাইটিসের তীব্র বৃদ্ধি ও নিউমোনিয়াসহ
  • তীব্র সাইনোসাইটিস
  • ত্বক ও ত্বকের নিচের সংক্রমণ
  • হাড় ও জয়েন্টের সংক্রমণ
  • জটিল উদরগহ্বরের সংক্রমণ (মেট্রোনিডাজলের সাথে সংমিশ্রণে)
  • সংক্রামক ডায়রিয়া (ভ্রমণজনিত ডায়রিয়াসহ)
  • টাইফয়েড জ্বর (সংবেদনশীল জীবাণুর ক্ষেত্রে)
  • ইনহেলেশনাল অ্যানথ্রাক্স (এক্সপোজার-পরবর্তী প্রতিরোধ ও চিকিৎসা, সংমিশ্রণ থেরাপির অংশ হিসেবে)
  • প্লেগ (চিকিৎসা ও এক্সপোজার-পরবর্তী প্রতিরোধ)

D-Floxin শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, প্রমাণিত বা সন্দেহভাজন সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা উচিত, এবং সাধারণ ভাইরাসজনিত সংক্রমণে ব্যবহার করা উচিত নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

D-Floxin একটি ফ্লুরোকুইনোলোন শ্রেণীর অ্যান্টিবায়োটিক।

ফার্মাকোলজি

Ciprofloxacin ব্যাকটেরিয়ার DNA গাইরেজ (টপোইসোমারেজ II) এবং টপোইসোমারেজ IV এনজাইম বাধাগ্রস্ত করে কাজ করে, যা ব্যাকটেরিয়ার DNA প্রতিলিপন, প্রতিলিখন ও মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয়। এর ফলে ব্যাকটেরিয়ার DNA-তে ভাঙন সৃষ্টি হয় এবং দ্রুত ব্যাকটেরিয়া মারা যায় (ব্যাকটেরিসাইডাল)।

মুখে খাওয়ার পর Ciprofloxacin ভালোভাবে শোষিত হয় (জৈব-উপলভ্যতা প্রায় ৭০-৮০%) এবং হাড়, প্রোস্টেট ও ফুসফুসসহ শরীরের টিস্যুতে ব্যাপকভাবে বিতরণ হয়। এটি আংশিকভাবে যকৃতে বিপাকিত হয় এবং প্রধানত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়। স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এর অর্ধায়ু প্রায় ৪ ঘন্টা, যে কারণে দিনে দুইবার (বা দীর্ঘ-কার্যকরী প্রস্তুতির ক্ষেত্রে দিনে একবার) সেবন করতে হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

D-Floxin-এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন ও তীব্রতার উপর নির্ভরশীল। সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা মুখে খাওয়ার ক্ষেত্রে ২৫০-৭৫০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘন্টায়, এবং শিরাপথে ২০০-৪০০ মি.গ্রা. প্রতি ৮-১২ ঘন্টায় দেওয়া হয়। চিকিৎসার মেয়াদ সংক্রমণ ভেদে ভিন্ন হয় - সাধারণ মূত্রনালীর সংক্রমণে ৩ দিন থেকে হাড়/জয়েন্টের সংক্রমণে ৪-৬ সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে। কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স অনুযায়ী) মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন। খাওয়ার সময় দুধ, দই বা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ জুসের সাথে একা সেবন এড়িয়ে চলুন এবং অ্যান্টাসিড, আয়রন/জিংক সাপ্লিমেন্ট D-Floxin সেবনের ২ ঘন্টা আগে বা ৬ ঘন্টা পরে গ্রহণ করুন। D-Floxin-এর সঠিক মাত্রা ও মেয়াদ সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী D-Floxin সম্পূর্ণ কোর্স সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, কোর্স দীর্ঘায়িত করবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, এবং অন্য কাউকে এই ওষুধ শেয়ার করবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

D-Floxin-এর সাথে নিম্নলিখিত ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ:

  • টিজানিডিন (Tizanidine): সহাবস্থানে ব্যবহার নিষিদ্ধ - D-Floxin টিজানিডিনের রক্তের ঘনত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়, যা মারাত্মক নিম্ন রক্তচাপ ও অবসাদ সৃষ্টি করতে পারে।
  • অ্যান্টাসিড, সুক্রালফেট, ক্যালসিয়াম/আয়রন/জিংক/ম্যাগনেশিয়াম যুক্ত পণ্য ও দুগ্ধজাত পণ্য: D-Floxin-এর সাথে জোট বেঁধে এর শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়; কমপক্ষে ২ ঘন্টা আগে বা ৬ ঘন্টা পরে সেবন করুন।
  • থিওফাইলিন (Theophylline): D-Floxin থিওফাইলিনের রক্তের ঘনত্ব বাড়িয়ে দিতে পারে, যা খিঁচুনিসহ বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
  • ওয়ারফারিন: D-Floxin রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধী প্রভাব বাড়িয়ে দিতে পারে; INR নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • NSAID (ব্যথানাশক): D-Floxin-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • মুখে খাওয়ার ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিন: D-Floxin রক্তে শর্করার মাত্রায় তারতম্য (কম বা বেশি) ঘটাতে পারে; নিয়মিত রক্তে শর্করা পর্যবেক্ষণ করুন।
  • QT দীর্ঘায়িতকারী ওষুধ: হৃদস্পন্দনের ছন্দে সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • কর্টিকোস্টেরয়েড: D-Floxin-এর সাথে একত্রে সেবনে টেন্ডন ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।
  • প্রোবেনেসিড: D-Floxin-এর নিঃসরণ কমিয়ে এর রক্তের ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়।

D-Floxin শুরু করার আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে অন্য সকল ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট সম্পর্কে অবহিত করুন।

প্রতিনির্দেশনা

Ciprofloxacin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সেবন করা যাবে না:

  • যাদের Ciprofloxacin বা অন্য কোনো ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা রয়েছে।
  • যারা একই সাথে টিজানিডিন সেবন করছেন, কারণ এতে মারাত্মক নিম্ন রক্তচাপ ও অবসাদের ঝুঁকি থাকে।
  • যাদের মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস রয়েছে, কারণ ফ্লুরোকুইনোলোন এই রোগে পেশির দুর্বলতা বাড়িয়ে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করতে পারে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

D-Floxin সেবনে সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, তবে এই ওষুধের কিছু গুরুতর, কখনও স্থায়ী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা রয়েছে (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

  • বমি বমি ভাব
  • ডায়রিয়া
  • মাথাব্যথা
  • মাথা ঘোরা
  • পেটে ব্যথা/অস্বস্তি
  • ত্বকে র‍্যাশ
  • যকৃতের এনজাইম সাময়িকভাবে বৃদ্ধি

কম সাধারণ/গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)

  • টেন্ডনের প্রদাহ ও টেন্ডন ছিঁড়ে যাওয়া
  • পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (স্নায়ুর ক্ষতি)
  • কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রতিক্রিয়া (খিঁচুনি, বিভ্রান্তি, হ্যালুসিনেশন)
  • QT দীর্ঘায়ন ও হৃদস্পন্দনের সমস্যা
  • অ্যাওর্টিক অ্যানিউরিজম ও অ্যাওর্টিক ডিসেকশন
  • Clostridioides difficile-সম্পর্কিত ডায়রিয়া/কোলাইটিস
  • অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া, বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া
  • আলোক-সংবেদনশীলতাজনিত ত্বকের প্রতিক্রিয়া
  • G6PD ঘাটতিতে হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া
  • রক্তে শর্করার মাত্রায় তারতম্য

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: D-Floxin অমরার মধ্য দিয়ে যায়। প্রাণীদেহে গবেষণায় বর্ধনশীল তরুণাস্থিতে (cartilage) প্রভাবের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যদিও মানবদেহে এই ঝুঁকি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি। তারপরও D-Floxin গর্ভাবস্থায় সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত এবং শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন অন্য কোনো নিরাপদ অ্যান্টিবায়োটিক বিকল্প উপযুক্ত নয় এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: D-Floxin বুকের দুধে প্লাজমার কাছাকাছি ঘনত্বে নিঃসৃত হয়। শিশুর জয়েন্ট/তরুণাস্থিতে সম্ভাব্য প্রভাব ও পরিপাকতন্ত্রের সমস্যার আশঙ্কার কারণে, স্তন্যদানকালে D-Floxin শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং কোনো নিরাপদ বিকল্প না থাকলে ব্যবহার করা উচিত। স্তন্যদানকালে D-Floxin ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত সতর্কতা: D-Floxin-এর সাথে অক্ষমতাসৃষ্টিকারী ও সম্ভাব্য স্থায়ী গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক রয়েছে, যেমন টেন্ডনের প্রদাহ ও ছিঁড়ে যাওয়া, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি, এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রতিক্রিয়া, যা একসাথেও দেখা দিতে পারে। D-Floxin-এর মতো ফ্লুরোকুইনোলোন শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন নির্দিষ্ট সংক্রমণের জন্য অন্য কোনো চিকিৎসা বিকল্প নেই।

টেন্ডনের প্রদাহ ও ছিঁড়ে যাওয়া: ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের, কর্টিকোস্টেরয়েড সেবনকারীদের এবং অঙ্গ প্রতিস্থাপন রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি (বিশেষত অ্যাকিলিস টেন্ডনে) বেশি। টেন্ডনে ব্যথা, ফোলাভাব বা প্রদাহ দেখা দিলে D-Floxin তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করুন।

পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি: দ্রুত সূচনাসম্পন্ন স্নায়ুর ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে; ব্যথা, জ্বালাপোড়া, ঝিনঝিন বা দুর্বলতার লক্ষণ দেখা দিলে D-Floxin তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করুন।

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রতিক্রিয়া: D-Floxin খিঁচুনি, মস্তিষ্কে চাপ বৃদ্ধি, বিভ্রান্তি, হ্যালুসিনেশন, উদ্বেগ, বিষণ্নতা ঘটাতে পারে; স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

QT দীর্ঘায়ন: QT দীর্ঘায়ন, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য QT দীর্ঘায়িতকারী ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে D-Floxin সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।

অ্যাওর্টিক অ্যানিউরিজম ও ডিসেকশন: বয়স্ক রোগী ও অ্যাওর্টিক রোগের ঝুঁকিসম্পন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে D-Floxin এই ঝুঁকি বাড়াতে পারে; অন্য বিকল্প না থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

ক্লস্ট্রিডিওয়াইডিস ডিফিসিল সংক্রান্ত ডায়রিয়া: চিকিৎসা চলাকালীন বা পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত দেখা দিতে পারে।

মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস: এই রোগে D-Floxin নিষিদ্ধ (প্রতিনির্দেশনা অংশে দেখুন)।

আলোক-সংবেদনশীলতা: সূর্যালোক/UV এক্সপোজারে ত্বকের তীব্র প্রতিক্রিয়া হতে পারে; D-Floxin সেবনকালে অতিরিক্ত রোদ এড়িয়ে চলুন ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

রক্তে শর্করার তারতম্য: বিশেষত ডায়াবেটিসের ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে D-Floxin রক্তে শর্করার মাত্রায় তারতম্য ঘটাতে পারে।

বহুযোজী ক্যাটায়নের সাথে মিথষ্ক্রিয়া: অ্যান্টাসিড, দুগ্ধজাত পণ্য বা ক্যালসিয়াম/আয়রন/জিংকযুক্ত পণ্যের সাথে একসাথে সেবনে D-Floxin-এর শোষণ কমে যায় (ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া অংশে দেখুন); সেবনের সময় যথাযথভাবে ব্যবধান রাখতে হবে।

অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে D-Floxin সেবন করুন; নিজে থেকে বন্ধ, দীর্ঘায়িত, বাদ দেওয়া বা অন্যকে দেওয়া উচিত নয়।

মাত্রাধিক্যতা

D-Floxin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি, কম্পন এবং বিরল ক্ষেত্রে খিঁচুনি বা কিডনি বিকল দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও উপসর্গভিত্তিক, পর্যাপ্ত তরল গ্রহণসহ; কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই।

সংরক্ষণ

D-Floxin ট্যাবলেট ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মিশ্রিত D-Floxin সাসপেনশন ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন (ফ্রিজে রাখবেন না) এবং ব্যবহার না হলে ১৪ দিন পর ফেলে দিন। শিরাপথে ব্যবহারের জন্য D-Floxin ইনফিউশন ব্যাগ আলো ও তীব্র ঠান্ডা থেকে সুরক্ষিত রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে: প্রাণীদেহে গবেষণায় জয়েন্ট/তরুণাস্থি ক্ষতির ঝুঁকি পাওয়া যাওয়ায় ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে D-Floxin সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত, এবং শুধুমাত্র নির্দিষ্ট অনুমোদিত পরিস্থিতিতে (যেমন জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণ/পাইলোনেফ্রাইটিস, অথবা অ্যানথ্রাক্স/প্লেগ এক্সপোজার-পরবর্তী প্রতিরোধ) ওজন অনুযায়ী মাত্রায় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত। অন্যান্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে D-Floxin-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: ৬০ বছরের বেশি বয়সী রোগীরা টেন্ডন ছিঁড়ে যাওয়া, অ্যাওর্টিক অ্যানিউরিজম এবং QT দীর্ঘায়নজনিত সমস্যার প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন; D-Floxin সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত এবং কিডনির কার্যক্ষমতা বিবেচনায় মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension একটি ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক যা মূত্রনালী, শ্বাসতন্ত্র, ত্বক, হাড়-জয়েন্ট এবং পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমণসহ টাইফয়েড জ্বর, অ্যানথ্রাক্স ও প্লেগের মতো গুরুতর সংক্রমণের চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়।

Q: D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension কীভাবে সেবন করব?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে পর্যাপ্ত পানিসহ D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করুন। দুধ, দই, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ জুস, অ্যান্টাসিড বা আয়রন/জিংক সাপ্লিমেন্টের সাথে একসাথে সেবন এড়িয়ে চলুন - এগুলো D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension সেবনের ২ ঘন্টা আগে বা ৬ ঘন্টা পরে গ্রহণ করুন। লক্ষণ ভালো হয়ে গেলেও কোর্স মাঝপথে বন্ধ করবেন না।

Q: গর্ভাবস্থায় কি D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করা যাবে?

A: D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension গর্ভাবস্থায় সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত কারণ এটি ভ্রূণের তরুণাস্থি বিকাশে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হয়; শুধুমাত্র চিকিৎসক নির্ধারণ করলে যে অন্য কোনো নিরাপদ বিকল্প নেই এবং উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি, তখনই ব্যবহার করা উচিত।

Q: D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং পেটে অস্বস্তি। তবে বিরল ক্ষেত্রে টেন্ডন ছিঁড়ে যাওয়া, স্নায়ুর ক্ষতি (পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি) এবং মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়ার মতো গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে - টেন্ডনে ব্যথা, ঝিনঝিন/অসাড়তা বা বিভ্রান্তি দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

Q: কাদের D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension বা অন্য ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে, যারা টিজানিডিন সেবন করছেন, অথবা যাদের মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস রয়েছে, তাদের D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করা উচিত নয়, কারণ এটি এই রোগে পেশির দুর্বলতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

Q: শিশুরা কি D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করতে পারবে?

A: জয়েন্ট ও তরুণাস্থির উপর সম্ভাব্য প্রভাবের কারণে শিশুদের ক্ষেত্রে D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়, তবে জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণ বা অ্যানথ্রাক্স/প্লেগ এক্সপোজারের মতো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ওজন অনুযায়ী মাত্রায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

Q: D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension অতিরিক্ত সেবন করলে বা কোনো ডোজ মিস হলে কী করব?

A: কোনো ডোজ মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথেই তা গ্রহণ করুন, তবে পরবর্তী ডোজের সময় হয়ে গেলে মিসড ডোজ বাদ দিন - কখনো দ্বিগুণ ডোজ নেবেন না। অতিরিক্ত মাত্রায় D-Floxin 250 mg/5 ml Powder for Suspension সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor