
Zaltrap100 mg/4 m
Synovia Pharma PLC
Aflibercept একটি রিকম্বিন্যান্ট ফিউশন প্রোটিন (ভিইজিএফ-ট্র্যাপ), যা চোখের ভেতরে (intravitreal) ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয় এবং নিম্নলিখিত অবস্থাগুলোর জন্য অনুমোদিত: নিওভাস্কুলার (ওয়েট)…
Aflibercept একটি রিকম্বিন্যান্ট ফিউশন প্রোটিন (ভিইজিএফ-ট্র্যাপ), যা চোখের ভেতরে (intravitreal) ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয় এবং নিম্নলিখিত অবস্থাগুলোর জন্য অনুমোদিত:
Aflibercept রোগ নিরাময় করে না; এটি দৃষ্টিশক্তি হ্রাস প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয় এবং একজন যোগ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞের নির্ধারিত নিয়মিত ইনজেকশন সময়সূচি প্রয়োজন।
Aflibercept কেবলমাত্র একজন যোগ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ কর্তৃক জীবাণুমুক্ত পরিবেশে ইনট্রাভিট্রিয়াল ইনজেকশন (২ মিগ্রা/০.০৫ মিলি প্রতি চোখে) হিসেবে প্রয়োগ করা হয়। নির্দেশনাভেদে মাত্রার সময়সূচি ভিন্ন হয়:
| নির্দেশনা | শুরুর ধাপ | রক্ষণাবেক্ষণ ধাপ |
|---|---|---|
| ওয়েট AMD | প্রথম ৩টি ডোজ - প্রতি ৪ সপ্তাহে একবার | এরপর প্রতি ৮ সপ্তাহে একবার |
| DME | প্রথম ৫টি ডোজ - প্রতি ৪ সপ্তাহে একবার | এরপর প্রতি ৮ সপ্তাহে একবার |
| DR | প্রথম ৫টি ডোজ - প্রতি ৪ সপ্তাহে একবার | এরপর প্রতি ৮ সপ্তাহে একবার |
| RVO-পরবর্তী ম্যাকুলার ইডিমা | প্রতি ৪ সপ্তাহে একবার | রেসপন্স অনুযায়ী ইন্টারভাল বাড়ানো যেতে পারে |
| ROP (অপরিণত শিশু) | একবার - ০.৪ মিগ্রা (০.০১ মিলি) | পুনরাবৃত্তি শুধুমাত্র রোগ ফিরে এলে, বিশেষজ্ঞের মূল্যায়নে |
কিডনি বা লিভারের সমস্যায় Aflibercept-এর মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, কারণ সিস্টেমিক এক্সপোজার খুবই কম। প্রয়োগ পদ্ধতি ও পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন।
Aflibercept ইনজেকশনের সাথে সম্পর্কিত সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো মূলত চোখ ও প্রয়োগ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত:
বিরল কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এন্ডোফথ্যালমাইটিস, রেটিনাল ডিট্যাচমেন্ট, রেটিনাল টিয়ার এবং কদাচিৎ আর্টেরিয়াল থ্রম্বোএম্বোলিক ঘটনা (স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক), যা ইনট্রাভিট্রিয়াল anti-VEGF শ্রেণীর একটি সাধারণ ঝুঁকি (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)। Aflibercept ইনজেকশনের পর দৃষ্টিতে হঠাৎ পরিবর্তন হলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
Aflibercept নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।