
Liquical0.25 mcg
Beacon Pharmaceuticals PLC
Calcitriol হলো ভিটামিন ডি৩-এর সক্রিয় হরমোনাল রূপ (১,২৫-ডাইহাইড্রক্সিকোলেক্যালসিফেরল)।
Calcitriol হলো ভিটামিন ডি৩-এর সক্রিয় হরমোনাল রূপ (১,২৫-ডাইহাইড্রক্সিকোলেক্যালসিফেরল)। এটি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Calcitriol-এর মাত্রা নিম্নলিখিত নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োগ করা হয়:
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | শিশুদের মাত্রা |
|---|---|---|
| ডায়ালাইসিস রোগীদের সেকেন্ডারি হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম/হাইপোক্যালসেমিয়া | শুরুতে: প্রতিদিন ০.২৫ মাইক্রোগ্রাম মুখে খাওয়ার জন্য; সিরাম ক্যালসিয়াম ও PTH অনুযায়ী প্রতি ৪-৮ সপ্তাহে ০.২৫ মাইক্রোগ্রাম/দিন বাড়ানো যেতে পারে (সাধারণ পরিসীমা ০.২৫-১ মাইক্রোগ্রাম/দিন)। | ৩ বছরের কম বয়সী ডায়ালাইসিস রোগীদের ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত নয়; বড় শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় ওজন-ভিত্তিক মাত্রা ব্যবহৃত হয়। |
| প্রি-ডায়ালাইসিস ক্রনিক কিডনি রোগ | প্রতিদিন ০.২৫ মাইক্রোগ্রাম মুখে খাওয়ার জন্য; প্রয়োজনে মনিটরিং সহ ০.৫ মাইক্রোগ্রাম/দিন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। | নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়; শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন। |
| হাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম (সার্জারি-পরবর্তী/ইডিওপ্যাথিক) | শুরুতে: সকালে প্রতিদিন ০.২৫ মাইক্রোগ্রাম মুখে খাওয়ার জন্য; সিরাম ক্যালসিয়াম অনুযায়ী প্রতি ২-৪ সপ্তাহে ০.২৫ মাইক্রোগ্রাম/দিন সমন্বয় করা হয় (সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা ০.৫-২ মাইক্রোগ্রাম/দিন)। | ১-৫ বছর বয়সী শিশু: ০.২৫-০.৭৫ মাইক্রোগ্রাম/দিন; ৬ বছরের বেশি বয়সী শিশু: প্রাপ্তবয়স্কদের মতো মাত্রায়, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে। |
মাত্রা সবসময় সিরাম ক্যালসিয়াম, ফসফেট ও PTH মাত্রার ওপর ভিত্তি করে পৃথকভাবে নির্ধারণ করতে হবে, নিয়মিত মনিটরিং সহ, বিশেষত মাত্রা সমন্বয়ের সময়।
Calcitriol-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো হাইপারক্যালসেমিয়া (ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া), যার জন্য দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন। লক্ষণসমূহ ও প্রভাবের মধ্যে রয়েছে:
হাইপারক্যালসেমিয়ার ইঙ্গিতবাহী যেকোনো লক্ষণ দ্রুত চিকিৎসকের নজরে আনুন, কারণ এটি Calcitriol চিকিৎসার সময় নিয়মিত ক্যালসিয়াম মনিটরিং প্রয়োজন করে এমন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ।
Calcitriol নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।