
Zolibac500 mg/5 m
Square Pharmaceuticals PLC.
Cefazolin একটি প্রথম প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Cefazolin একটি প্রথম প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Cefazolin মেথিসিলিন প্রতিরোধী স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস বা সিউডোমোনাসের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়। সম্ভব হলে কালচার ও সংবেদনশীলতা পরীক্ষার ভিত্তিতে চিকিৎসা নির্ধারণ করা উচিত।
Cefazolin এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন, তীব্রতা এবং কিডনির কার্যক্ষমতার উপর নির্ভর করে ব্যক্তিভেদে নির্ধারিত হয়।
| ইঙ্গিত | স্বাভাবিক মাত্রা |
|---|---|
| মৃদু থেকে মাঝারি সংক্রমণ | প্রতি ৮ ঘণ্টায় ২৫০ মিগ্রা থেকে ১ গ্রাম |
| মাঝারি থেকে গুরুতর সংক্রমণ | প্রতি ৬ থেকে ৮ ঘণ্টায় ৫০০ মিগ্রা থেকে ১ গ্রাম |
| গুরুতর সংক্রমণ | প্রতি ৬ ঘণ্টায় ১ থেকে ১.৫ গ্রাম, দৈনিক সর্বোচ্চ ১২ গ্রাম পর্যন্ত |
| অস্ত্রোপচার পূর্ববর্তী প্রতিরোধ | ছেদনের ৬০ মিনিট পূর্বে ১ থেকে ২ গ্রাম |
দৈনিক ২৫ থেকে ১০০ মিগ্রা প্রতি কেজি, তিন থেকে চার ভাগে বিভক্ত করে প্রদান করা হয়।
Cefazolin কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয় বলে কিডনি সমস্যায় মাত্রা কমানো প্রয়োজন; ডায়ালাইসিসের রোগীদের প্রতিটি ডায়ালাইসিসের পর অতিরিক্ত মাত্রা প্রয়োজন হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে Cefazolin গ্রহণ করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ বা অন্য কাউকে দেবেন না।
Cefazolin এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে।
বিরল কিন্তু গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে গুরুতর ডায়রিয়া বা কোলাইটিস, যা Cefazolin বন্ধ করার পরেও হতে পারে, তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া, এবং কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে অতি উচ্চ মাত্রায় খিঁচুনি। গুরুতর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Cefazolin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।
পেনিসিলিনের প্রতি তীব্র অ্যালার্জির ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Cefazolin সতর্কতার সাথে ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা উচিত।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।