
Ovidrel250 mcg/0.
Janata Traders
Choriogonadotropin Alpha একটি রিকম্বিন্যান্ট হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন (hCG), যা বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি (ART) এবং ডিম্বস্ফোটন প্ররোচনা পদ্ধতির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Choriogonadotropin Alpha একটি রিকম্বিন্যান্ট হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন (hCG), যা বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি (ART) এবং ডিম্বস্ফোটন প্ররোচনা পদ্ধতির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর স্বীকৃত ব্যবহারসমূহ হলো:
Choriogonadotropin Alpha শুধুমাত্র বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, যথাযথ আল্ট্রাসাউন্ড ও হরমোন পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করা উচিত।
Choriogonadotropin Alpha-এর মাত্রা সবসময় আল্ট্রাসাউন্ড ও সিরাম ইস্ট্রাডিওল পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ দ্বারা পৃথকভাবে নির্ধারিত হতে হবে।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা | সময় |
|---|---|---|
| ART-তে চূড়ান্ত ফলিকল পরিপক্বতা (যেমন IVF) | একক ত্বকনিম্ন ইনজেকশন হিসেবে ২৫০ মাইক্রোগ্রাম (প্রায় ৬,৫০০ IU) | FSH-এর শেষ ডোজের এক দিন পর, পর্যাপ্ত ফলিকল বৃদ্ধি নিশ্চিত হওয়ার পর |
| অ্যানোভুলেটরি বন্ধ্যাত্বে ডিম্বস্ফোটন প্ররোচনা | গোনাডোট্রপিন থেরাপির সাথে একক ত্বকনিম্ন ইনজেকশন হিসেবে ২৫০ মাইক্রোগ্রাম (প্রায় ৬,৫০০ IU) | গোনাডোট্রপিনের শেষ ডোজের এক দিন পর |
Choriogonadotropin Alpha ত্বকনিম্ন ইনজেকশন হিসেবে, সাধারণত পেটে, প্রয়োগ করা হয় এবং যথাযথ প্রশিক্ষণের পর রোগী নিজেই প্রয়োগ করতে পারেন। অতিরিক্ত ডিম্বাশয় প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ থাকলে ডোজ স্থগিত রেখে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ডোজ মিস হলে বা সময় ভুল হলে নিজে থেকে সংশোধনের চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন, কারণ সময়ানুবর্তিতা চিকিৎসার সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Choriogonadotropin Alpha-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো:
কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ওভারিয়ান হাইপারস্টিমুলেশন সিনড্রোম (OHSS), বহুগর্ভধারণ, একটোপিক গর্ভাবস্থা, এবং (বিরল ক্ষেত্রে) থ্রম্বোএম্বোলিক ঘটনা বা অতিসংবেদনশীলতা/অ্যানাফাইল্যাক্সিস প্রতিক্রিয়া - বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Choriogonadotropin Alpha ব্যবহার নিষিদ্ধ:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।