
Fiprox750 mg
Synovia Pharma PLC
Ciprofloxacin একটি ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Ciprofloxacin একটি ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে Ciprofloxacin সাধারণত তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন অন্য কোনো নিরাপদ চিকিৎসা বিকল্প উপযুক্ত নয়।
Ciprofloxacin শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, প্রমাণিত বা সন্দেহভাজন সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা উচিত, এবং সাধারণ ভাইরাসজনিত সংক্রমণে ব্যবহার করা উচিত নয়।
Ciprofloxacin-এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন ও তীব্রতার উপর নির্ভরশীল। সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা মুখে খাওয়ার ক্ষেত্রে ২৫০-৭৫০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘন্টায়, এবং শিরাপথে ২০০-৪০০ মি.গ্রা. প্রতি ৮-১২ ঘন্টায় দেওয়া হয়। চিকিৎসার মেয়াদ সংক্রমণ ভেদে ভিন্ন হয় - সাধারণ মূত্রনালীর সংক্রমণে ৩ দিন থেকে হাড়/জয়েন্টের সংক্রমণে ৪-৬ সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে। কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স অনুযায়ী) মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন। খাওয়ার সময় দুধ, দই বা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ জুসের সাথে একা সেবন এড়িয়ে চলুন এবং অ্যান্টাসিড, আয়রন/জিংক সাপ্লিমেন্ট Ciprofloxacin সেবনের ২ ঘন্টা আগে বা ৬ ঘন্টা পরে গ্রহণ করুন। Ciprofloxacin-এর সঠিক মাত্রা ও মেয়াদ সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Ciprofloxacin সম্পূর্ণ কোর্স সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, কোর্স দীর্ঘায়িত করবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, এবং অন্য কাউকে এই ওষুধ শেয়ার করবেন না।
Ciprofloxacin সেবনে সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, তবে এই ওষুধের কিছু গুরুতর, কখনও স্থায়ী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা রয়েছে (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।
Ciprofloxacin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সেবন করা যাবে না:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।