
Soritar10%
Unimed Unihealth MFG. Ltd.
Coal Tar একটি টপিকাল কেরাটোপ্লাস্টিক ও প্রদাহনাশক (অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি) ওষুধ, যা দীর্ঘস্থায়ী স্কেলিং ত্বকের রোগে ব্যবহৃত হয়।
Coal Tar একটি টপিকাল কেরাটোপ্লাস্টিক ও প্রদাহনাশক (অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি) ওষুধ, যা দীর্ঘস্থায়ী স্কেলিং ত্বকের রোগে ব্যবহৃত হয়।
Coal Tar সাধারণত ওভার-দ্য-কাউন্টার শ্যাম্পু/কম মাত্রার লোশন হিসেবে এবং আরও ব্যাপক রোগের জন্য প্রেসক্রিপশন-শক্তির প্রস্তুতি হিসেবে পাওয়া যায়; স্কেলিং ডার্মাটোসিস ছাড়া অন্য ইন্ডিকেশনে এর ব্যবহার প্রতিষ্ঠিত নয়।
Coal Tar শুধুমাত্র বাহ্যিকভাবে (টপিকালি) ব্যবহারের জন্য, পণ্যের লেবেলে বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হয়। ফর্মুলেশন, মাত্রা, প্রয়োগের ঘনত্ব ও স্থায়ীত্বের সময় পণ্যভেদে ভিন্ন হয়, তাই সর্বদা নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।
ক্রিম, অয়েন্টমেন্ট, জেল বা সলিউশন আক্রান্ত স্থানে দিনে এক থেকে কয়েকবার প্রয়োগ করা হয়, বা নির্দেশ অনুযায়ী; তত্ত্বাবধানে ফটোথেরাপির সাথে ব্যবহার করলে প্রয়োগ ও UVB এক্সপোজারের সময়সূচি চিকিৎসক নির্ধারণ করেন।
শ্যাম্পু বা স্কাল্প সলিউশন ভেজা মাথার ত্বক ও চুলে ম্যাসাজ করে লেবেলে উল্লেখিত সময় (সাধারণত কয়েক মিনিট) রেখে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হয়; সাধারণত সপ্তাহে ২-৩ বার, বা নির্দেশ অনুযায়ী, লক্ষণ নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়, তারপর কম ঘনত্বে মেইনটেনেন্স ব্যবহার চলে।
| ফর্মুলেশন | সাধারণ প্রয়োগের ঘনত্ব |
|---|---|
| শ্যাম্পু | সপ্তাহে ২-৩ বার, বা নির্দেশ অনুযায়ী |
| ক্রিম/অয়েন্টমেন্ট/জেল/সলিউশন | দিনে ১-৩ বার, বা নির্দেশ অনুযায়ী |
| বাথ অ্যাডিটিভ | নির্দেশ অনুযায়ী, সাধারণত সপ্তাহে কয়েকবার |
চিকিৎসার স্থায়ীত্ব ও পুনর্মূল্যায়নের সময়সূচি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত; চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া Coal Tar শরীরের ব্যাপক অংশে দীর্ঘ সময় ধরে প্রয়োগ করা উচিত নয়।
Coal Tar ব্যবহারে সাধারণত স্থানীয় ত্বকের প্রতিক্রিয়াই বেশি দেখা যায়:
অন্যান্য সতর্কতা (ফটোসেনসিটিভিটি, ইরিটেশন, শরীরের ব্যাপক অংশে ব্যবহার) গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা সরাসরি প্রতিনির্দেশনা নয় — সতর্কতা অংশে বিস্তারিত দেখুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।