
Epiruba2 mg/ml
Drug International Ltd.
Epirubicin Hydrochloride একটি সাইটোটক্সিক অ্যানথ্রাসাইক্লিন ক্যান্সার-বিরোধী ওষুধ, যা প্রায় সবসময় অন্যান্য কেমোথেরাপি ওষুধের সাথে সমন্বয়ে ব্যবহৃত হয়।
Epirubicin Hydrochloride একটি সাইটোটক্সিক অ্যানথ্রাসাইক্লিন ক্যান্সার-বিরোধী ওষুধ, যা প্রায় সবসময় অন্যান্য কেমোথেরাপি ওষুধের সাথে সমন্বয়ে ব্যবহৃত হয়।
Epirubicin Hydrochloride শুধুমাত্র সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ব্যবহারে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রয়োগ করা উচিত।
Epirubicin Hydrochloride শুধুমাত্র একজন স্বাস্থ্যসেবা কর্মীর মাধ্যমে, সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপিতে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রয়োগ করা হয়। মাত্রা রোগীর নির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রোটোকল, নির্দেশনা, শরীরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল এবং রক্ত ও যকৃতের অবস্থার উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিগতভাবে নির্ধারণ করা হয়।
| নির্দেশনা | প্রচলিত প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা |
|---|---|
| সহায়ক/প্রাথমিক স্তন ক্যান্সার (সমন্বয় চিকিৎসা) | প্রতি চক্রের ১ম দিনে (বা ১ম ও ৮ম দিনে ভাগ করে) শিরাপথে প্রায় ১০০–১২০ মিগ্রা/মি², প্রতি ৩–৪ সপ্তাহ পরপর পুনরাবৃত্তি, অন্যান্য কেমোথেরাপি ওষুধের সাথে সমন্বয়ে, প্রোটোকল অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক চক্রের জন্য। |
| অগ্রসর/মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যান্সার, গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার (সমন্বয় চিকিৎসা) | সাধারণত প্রতি চক্রে ৬০–৯০ মিগ্রা/মি², নির্দিষ্ট প্রোটোকল, পূর্ববর্তী চিকিৎসা এবং রক্তের উপাদান পুনরুদ্ধারের উপর ভিত্তি করে সমন্বয় করা হয়। |
| মূত্রথলিতে সরাসরি প্রয়োগ (সুপারফিসিয়াল ব্লাডার ক্যান্সার), উপযুক্ত ফর্মুলেশন ব্যবহৃত হলে | চিকিৎসক/ইউরোলজিস্টের নির্ধারিত ঘনত্ব ও সময়সূচি অনুযায়ী সরাসরি মূত্রথলিতে প্রয়োগ করা হয়; এই পদ্ধতিতে শিরাপথে দেওয়া হয় না। |
Epirubicin Hydrochloride নিজে থেকে বাড়িতে প্রয়োগ করবেন না; এটি শুধুমাত্র হাসপাতাল বা ক্লিনিকে প্রয়োগ করা হয় যেখানে কেমোথেরাপি ও এর জটিলতা সামলানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
Epirubicin Hydrochloride একটি শক্তিশালী সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ওষুধ হওয়ায় এর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সাধারণ ও মাত্রা-নির্ভর। যেকোনো গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গ অবিলম্বে চিকিৎসা দলকে জানান।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Epirubicin Hydrochloride ব্যবহার করা উচিত নয়:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।