
Epoetin5000 IU
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Erythropoietin একটি এরিথ্রোপয়েসিস-উদ্দীপক ওষুধ (ESA), যা লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে।
Erythropoietin একটি এরিথ্রোপয়েসিস-উদ্দীপক ওষুধ (ESA), যা লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে। এটি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Erythropoietin জীবনযাত্রার মান বা ক্লান্তি দূর করার জন্য নির্দেশিত নয়, এবং হৃদযন্ত্র বা ভাস্কুলার (vascular) অস্ত্রোপচারে ব্যবহারের জন্যও অনুমোদিত নয়। চিকিৎসক সর্বদা সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করবেন, হিমোগ্লোবিন স্বাভাবিক মাত্রায় আনার জন্য নয় (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।
Erythropoietin-এর মাত্রা রোগের কারণ, প্রাথমিক হিমোগ্লোবিন মাত্রা এবং রোগীর প্রতিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে চিকিৎসক দ্বারা পৃথকভাবে নির্ধারিত হতে হবে। লক্ষ্য হলো রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজনীয়তা কমাতে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করা, হিমোগ্লোবিন স্বাভাবিক করা নয়।
| নির্দেশনা | প্রাথমিক মাত্রা (সাধারণত) | মন্তব্য |
|---|---|---|
| CKD (ডায়ালাইসিস, প্রাপ্তবয়স্ক) | ৫০-১০০ ইউনিট/কেজি সপ্তাহে ৩ বার (IV/SC) | হিমোগ্লোবিন ১১ g/dL-এর কাছাকাছি বা বেশি হলে মাত্রা কমাতে হবে |
| CKD (ডায়ালাইসিস ছাড়া, প্রাপ্তবয়স্ক) | ৫০-১০০ ইউনিট/কেজি সপ্তাহে ৩ বার | হিমোগ্লোবিন ১০ g/dL-এর কম হলেই কেবল বিবেচনা করা হয় |
| CKD (শিশু, ১ মাস বা তদূর্ধ্ব) | ৫০ ইউনিট/কেজি সপ্তাহে ৩ বার | হিমোগ্লোবিন ১২ g/dL-এর কাছাকাছি বা বেশি হলে মাত্রা কমাতে হবে |
| HIV-তে জিডোভুডিনজনিত রক্তস্বল্পতা | ১০০ ইউনিট/কেজি সপ্তাহে ৩ বার | প্রয়োজনে ৪-৮ সপ্তাহ অন্তর মাত্রা বাড়ানো যেতে পারে (সর্বোচ্চ ৩০০ ইউনিট/কেজি) |
| কেমোথেরাপিজনিত রক্তস্বল্পতা (প্রাপ্তবয়স্ক) | ১৫০ ইউনিট/কেজি সপ্তাহে ৩ বার, অথবা ৪০,০০০ ইউনিট সপ্তাহে ১ বার | কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পর বন্ধ করতে হবে |
| অস্ত্রোপচার-পূর্ব ব্যবহার | ৩০০ ইউনিট/কেজি/দিন ১৫ দিন, অথবা ৬০০ ইউনিট/কেজি নির্দিষ্ট দিনে | হিমোগ্লোবিন ১০-১৩ g/dL এবং বেশি রক্তক্ষরণের ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য |
চিকিৎসাকালীন নিয়মিত হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা করা আবশ্যক এবং চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করবেন। শিশি ঝাঁকানো থেকে বিরত থাকুন।
Erythropoietin-এর সাথে সম্পর্কিত সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহ:
Erythropoietin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।