
Adrebloc100 mg/10
ZAS Corporation
Esmolol Hydrochloride একটি অতি-স্বল্পস্থায়ী (ultra-short-acting), কার্ডিওসিলেক্টিভ বিটা-১ ব্লকার, যা শিরাপথে (IV) প্রয়োগ করা হয়।
Esmolol Hydrochloride একটি অতি-স্বল্পস্থায়ী (ultra-short-acting), কার্ডিওসিলেক্টিভ বিটা-১ ব্লকার, যা শিরাপথে (IV) প্রয়োগ করা হয়। এর ব্যবহারসমূহ হলো:
Esmolol Hydrochloride শুধুমাত্র হাসপাতাল বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে, ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণের অধীনে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত।
Esmolol Hydrochloride শুধুমাত্র ধারাবাহিক, সতর্কভাবে পর্যবেক্ষিত শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয় (প্রয়োজনে প্রাথমিক লোডিং ডোজসহ), যেখানে ধারাবাহিক ইসিজি ও রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ থাকে। মাত্রা রোগীর প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী পৃথকভাবে নির্ধারণ ও সমন্বয় করা হয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| সুপ্রাভেন্ট্রিকুলার টাকিঅ্যারিদমিয়া (হার নিয়ন্ত্রণ) | প্রাথমিক লোডিং ডোজ ৫০০ মাইক্রোগ্রাম/কেজি IV ১ মিনিটে, এরপর ৫০ মাইক্রোগ্রাম/কেজি/মিনিট হারে ৪ মিনিট ধরে মেইনটেনেন্স ইনফিউশন শুরু করা হয়। পর্যাপ্ত প্রতিক্রিয়া না পেলে লোডিং ডোজ পুনরাবৃত্তি ও মেইনটেনেন্স হার ধাপে ধাপে বাড়ানো যায় (সর্বোচ্চ সাধারণত ২০০ মাইক্রোগ্রাম/কেজি/মিনিট পর্যন্ত)। |
| পেরিঅপারেটিভ টাকিকার্ডিয়া ও/অথবা উচ্চ রক্তচাপ | একটি প্রাথমিক বোলাস ডোজ (প্রায় ১ মিগ্রা/কেজি) ৩০ সেকেন্ডে দেওয়া যেতে পারে, এরপর ১৫০ মাইক্রোগ্রাম/কেজি/মিনিট হারে ইনফিউশন, প্রয়োজনে ৩০০ মাইক্রোগ্রাম/কেজি/মিনিট পর্যন্ত বাড়ানো যায়, প্রতিষ্ঠানের প্রোটোকল ও পণ্যের লেবেল অনুযায়ী। |
বিস্তারিত জানতে নিচের প্রয়োগ পদ্ধতি এবং বিশেষ জনগোষ্ঠীতে ব্যবহার অংশ দেখুন।
Esmolol Hydrochloride-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মাত্রা-নির্ভর এবং এর স্বল্প অর্ধায়ুর কারণে ইনফিউশন বন্ধ বা হার কমালে দ্রুত কেটে যায়।
Esmolol Hydrochloride ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণের অধীনে দেওয়া হয় বলে যেকোনো অস্বাভাবিক বা গুরুতর লক্ষণ সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা দলকে জানানো উচিত।
Esmolol Hydrochloride নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।