
Famvir250 mg
SANDOZ (A Novartis Division)
Famciclovir একটি অ্যান্টিভাইরাল ঔষধ যা নির্দিষ্ট কিছু হারপিসভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণে নির্দেশিত।
Famciclovir একটি অ্যান্টিভাইরাল ঔষধ যা নির্দিষ্ট কিছু হারপিসভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণে নির্দেশিত। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নির্দেশনাগুলো নিচে শ্রেণীবদ্ধ করা হলো।
কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সিদ্ধান্তে ভেরিসেলা (চিকেনপক্স) বা নির্দিষ্ট ইমিউনো-কম্প্রোমাইজড রোগীদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনায় Famciclovir অফ-লেবেল ব্যবহৃত হতে পারে; এটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত নির্দেশনা নয় এবং শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে করা উচিত।
Famciclovir-এর মাত্রা নির্দেশনার উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণ মাত্রা নিচের টেবিলে দেওয়া হলো।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | স্থায়িত্ব |
|---|---|---|
| হারপিস জোস্টার | ৫০০ মি.গ্রা. প্রতি ৮ ঘণ্টায় | ৭ দিন |
| জেনিটাল হারপিস (প্রাথমিক) | ২৫০ মি.গ্রা. দিনে তিনবার | ৭-১০ দিন |
| জেনিটাল হারপিস (পুনরাবৃত্ত) | ১০০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার | ১ দিন |
| জেনিটাল হারপিস (প্রতিরোধমূলক থেরাপি) | ২৫০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার | চিকিৎসকের পর্যালোচনা সাপেক্ষে ১ বছর পর্যন্ত |
| এইচআইভি রোগীদের পুনরাবৃত্ত হারপিস | ৫০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার | ৭ দিন |
| হারপিস লেবিয়ালিস | ১৫০০ মি.গ্রা. একক মাত্রা | একদিন |
কিডনি সমস্যায়: ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স অনুযায়ী মাত্রা ও/অথবা সেবনের বিরতি কমাতে হয়; বিস্তারিত জানতে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশ দেখুন। লক্ষণ শুরুর ৪৮-৭২ ঘণ্টার মধ্যে Famciclovir শুরু করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।
Famciclovir খাবারের সাথে অথবা ছাড়া সেবন করা যায়। ট্যাবলেট পানি দিয়ে পুরোপুরি গিলে খেতে হবে; চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ অথবা অন্য কাউকে দেওয়া যাবে না।
Famciclovir সেবনের সময় তীব্র অ্যালার্জি বা অস্বাভাবিক স্নায়বিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Famciclovir বা পেনসিক্লোভির অথবা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Famciclovir ব্যবহার নিষিদ্ধ।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।