
Fexoral180 mg
Popular Pharmaceuticals Ltd.
Fexofenadine Hydrochloride একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (নন-সিডেটিং) অ্যান্টিহিস্টামিন, যা নিম্নলিখিত অবস্থার লক্ষণ উপশমে ব্যবহৃত হয়: সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি।
Fexofenadine Hydrochloride একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (নন-সিডেটিং) অ্যান্টিহিস্টামিন, যা নিম্নলিখিত অবস্থার লক্ষণ উপশমে ব্যবহৃত হয়:
Fexofenadine Hydrochloride শুধু উপসর্গ উপশম করে, অ্যালার্জির মূল প্রবণতা নিরাময় করে না এবং অ্যানাফাইল্যাক্সিস প্রতিরোধ করে না।
Fexofenadine Hydrochloride-এর মাত্রা বয়স, নির্দেশনা এবং কিডনির কার্যক্ষমতার উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
| নির্দেশনা | বয়স | প্রস্তাবিত মাত্রা |
|---|---|---|
| অ্যালার্জিক রাইনাইটিস | প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর | ৬০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার অথবা ১৮০ মি.গ্রা. দিনে একবার |
| অ্যালার্জিক রাইনাইটিস | ৬-১১ বছর | ৩০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার |
| অ্যালার্জিক রাইনাইটিস | ২-৫ বছর | ৩০ মি.গ্রা. (সাসপেনশন) দিনে দুইবার |
| দীর্ঘস্থায়ী আর্টিকেরিয়া | প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর | ৬০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার অথবা ১৮০ মি.গ্রা. দিনে একবার |
| দীর্ঘস্থায়ী আর্টিকেরিয়া | ৬ মাস-১১ বছর | ১৫-৩০ মি.গ্রা. (সাসপেনশন) দিনে দুইবার, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী |
কিডনি সমস্যায়: কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে Fexofenadine Hydrochloride-এর মাত্রা কমিয়ে দেওয়া হয় (যেমন প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দিনে একবার ৬০ মি.গ্রা.), কারণ এতে রক্তে ওষুধের ঘনত্ব ও অর্ধ-জীবন বৃদ্ধি পায়।
সেবনবিধি: ট্যাবলেট পানির সাথে পুরোটা গিলে খেতে হবে। সাসপেনশন ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে এবং সঠিক মাপার যন্ত্র দিয়ে মাপতে হবে। Fexofenadine Hydrochloride ফলের রসের সাথে না খেয়ে পানির সাথে খাওয়া উচিত।
Fexofenadine Hydrochloride সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। এর সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
Fexofenadine Hydrochloride সেবনে মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Fexofenadine Hydrochloride বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।