
Urospin20 mg+50 m
Biopharma Laboratories Ltd.
কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউরজনিত শোথ (প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার) দীর্ঘমেয়াদী কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউরে শরীরে অতিরিক্ত পানি জমার (শোথ) চিকিৎসায় Furosemide + Spironolactone একটি প্রতিষ্ঠিত সমন্বিত চিকিৎসা।
দীর্ঘমেয়াদী কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউরে শরীরে অতিরিক্ত পানি জমার (শোথ) চিকিৎসায় Furosemide + Spironolactone একটি প্রতিষ্ঠিত সমন্বিত চিকিৎসা। এতে লুপ ডায়ুরেটিক উপাদানটি শক্তিশালী মূত্রবর্ধক প্রভাব দেয়, আর পটাশিয়াম-সংরক্ষণকারী উপাদানটি পটাশিয়ামের ঘাটতি পুষিয়ে দেয়।
লিভার সিরোসিসের কারণে সৃষ্ট শোথ ও অ্যাসাইটিসে Furosemide + Spironolactone প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়, কারণ এই অবস্থায় সেকেন্ডারি হাইপারঅ্যালডোস্টেরনিজম সাধারণ, যা স্পাইরোনোল্যাকটোন উপাদানটি সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে।
নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের কারণে সৃষ্ট শোথেও Furosemide + Spironolactone ব্যবহৃত হতে পারে, যা মূত্রবর্ধক কার্যকারিতার পাশাপাশি হাইপোক্যালেমিয়ার ঝুঁকি কমায়।
সেকেন্ডারি হাইপারঅ্যালডোস্টেরনিজমের সাথে সম্পর্কিত জটিল (resistant) শোথের ক্ষেত্রে Furosemide + Spironolactone নির্দেশিত, যেখানে স্পাইরোনোল্যাকটোন উপাদানের অ্যালডোস্টেরন-প্রতিরোধী কার্যকারিতা বিশেষভাবে কার্যকর।
Furosemide + Spironolactone-এর স্পাইরোনোল্যাকটোন উপাদানটি প্রাইমারি হাইপারঅ্যালডোস্টেরনিজম নিয়ন্ত্রণে অস্ত্রোপচারের আগে ও দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
প্রয়োজনে, বিশেষত যখন পটাশিয়াম সংরক্ষণসহ সমন্বিত মূত্রবর্ধক প্রভাব প্রয়োজন হয়, তখন Furosemide + Spironolactone এসেনশিয়াল হাইপারটেনশনের সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
Furosemide + Spironolactone-এর মাত্রা একজন চিকিৎসক রোগীর নির্দিষ্ট অসুস্থতা, প্রতিক্রিয়া, কিডনি কার্যকারিতা ও ইলেক্ট্রোলাইট অবস্থা বিবেচনা করে নির্ধারণ করেন। সাধারণত এটি দিনে একবার, সকালে সেবন করা হয়, এবং কম মাত্রা থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়। নিচের সারণিতে বাংলাদেশে বাজারজাত মাত্রাগুলোর প্রচলিত পরিসীমা দেখানো হয়েছে; এটি সব রোগী বা সব নির্দেশনার জন্য এক নয় এবং নিজে থেকে মাত্রা পরিবর্তনের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
| নির্দেশনা | মাত্রা | প্রচলিত প্রাপ্তবয়স্ক ডোজ |
|---|---|---|
| শোথ (হার্ট ফেইলিউর, লিভার সিরোসিসজনিত অ্যাসাইটিস, নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম), সেকেন্ডারি হাইপারঅ্যালডোস্টেরনিজমজনিত জটিল শোথ | ফিউরোসেমাইড ২০ মি.গ্রা. + স্পাইরোনোল্যাকটোন ৫০ মি.গ্রা. | দৈনিক ১ থেকে ৪টি ট্যাবলেট (ফিউরোসেমাইড ২০-৮০ মি.গ্রা. + স্পাইরোনোল্যাকটোন ৫০-২০০ মি.গ্রা.), প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী |
| স্থিতিশীল রোগী, যাদের বেশি ফিউরোসেমাইড মাত্রা প্রয়োজন | ফিউরোসেমাইড ৪০ মি.গ্রা. + স্পাইরোনোল্যাকটোন ৫০ মি.গ্রা. | দৈনিক ১ থেকে ২টি ট্যাবলেট, প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী |
| এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন (সহায়ক) | ফিউরোসেমাইড ২০ মি.গ্রা. + স্পাইরোনোল্যাকটোন ৫০ মি.গ্রা. | সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা, রক্তচাপের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী চিকিৎসক কর্তৃক সমন্বয়যোগ্য |
| হাইপারঅ্যালডোস্টেরনিজম (উপাদানভিত্তিক ব্যবহার) | চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী | অ্যালডোস্টেরন আধিক্যের মাত্রা ও প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী চিকিৎসক কর্তৃক নির্ধারিত |
সেবনবিধি:
মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ঝিমুনি, পেটের সমস্যা (বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, পেট কামড়ানো), মাংসপেশিতে টান, দাঁড়ানোর সময় মাথা হালকা লাগা, এবং স্পাইরোনোল্যাকটোন উপাদান সম্পর্কিত মাসিকের অনিয়ম বা স্তন কোমলতা/বৃদ্ধি (গাইনেকোমাস্টিয়া), যা সাধারণত ঔষধ বন্ধ করলে সেরে যায়।
হাইপারক্যালেমিয়ার লক্ষণ (মাংসপেশির দুর্বলতা, হৃদস্পন্দনের অনিয়ম, শিরশিরে অনুভূতি) — বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন। উল্লেখযোগ্য পানিশূন্যতা বা ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ (তীব্র তৃষ্ণা, বিভ্রান্তি, প্রস্রাব কমে যাওয়া, রক্তচাপ অত্যন্ত কমে যাওয়া) — বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন। এছাড়াও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন: শ্রবণশক্তি পরিবর্তন বা কানে ঝিঁঝিঁ শব্দ (ওটোটক্সিসিটি), হৃদস্পন্দনের অনিয়ম, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী মাথা ঘোরা/জ্ঞান হারানো, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ বা কালশিটে দাগ, গুরুতর চর্মপ্রতিক্রিয়ার লক্ষণ (ফোসকা, চামড়া ওঠা, ব্যাপক র্যাশ — বিরল ক্ষেত্রে স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম), ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস), এবং রক্তের সমস্যার লক্ষণ যেমন অস্বাভাবিক ক্লান্তি, জ্বর বা ঘন ঘন সংক্রমণ।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Furosemide + Spironolactone সেবন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।