জেনেরিক ওষুধ

Ibuprofen: বাংলাদেশে ব্র্যান্ড, দাম ও ব্যবহার

ব্যথা উপশম Ibuprofen হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ব্যথা যেমন মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা, কোমর ব্যথা এবং ছোটখাটো আঘাতজনিত ব্যথায় প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।

ধরন:Topical GelTabletOral Suspension

Ibuprofen সম্পর্কে

Ibuprofen-এর নির্দেশনা

ব্যথা উপশম

Ibuprofen হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ব্যথা যেমন মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা, কোমর ব্যথা এবং ছোটখাটো আঘাতজনিত ব্যথায় প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।

জ্বর কমানো

Ibuprofen প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জ্বর কমাতে প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।

মাসিকের ব্যথা (Primary Dysmenorrhea)

Ibuprofen মাসিকের সময়কার ব্যথা (primary dysmenorrhea) উপশমে প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিস

চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রেসক্রিপশন মাত্রায় Ibuprofen রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিসের উপসর্গ উপশমে গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার হিসেবে প্রযোজ্য; এটি নিজে থেকে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য নয়। এটি শুধু উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করে, রোগের মূল প্রক্রিয়া পরিবর্তন করে না; রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে এটি সাধারণত ডিজিজ-মডিফাইং থেরাপির সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এককভাবে নয়।

মাইগ্রেন

তীব্র মাইগ্রেন আক্রমণে প্রাপ্তবয়স্কদের সহায়ক/সেলফ-কেয়ার চিকিৎসা হিসেবে Ibuprofen ব্যবহৃত হতে পারে (প্রয়োজনে ৪০০ মি.গ্রা. একক মাত্রা); এটি মাইগ্রেন প্রতিরোধের প্রথম সারির চিকিৎসা নয়।

শিশুদের জ্বর ও ব্যথা

বর্তমান AAP-সমর্থিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জ্বর ও ব্যথা উপশমে Ibuprofen গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার; ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে কেবল চিকিৎসকের নির্দেশে ব্যবহার করা উচিত। বিস্তারিত জানতে "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার" ও "মাত্রা ও সেবনবিধি" অংশ দেখুন।

Ibuprofen-এর মাত্রা ও সেবনবিধি

Ibuprofen-এর মাত্রা নির্ভর করে কোন সমস্যার জন্য এটি ব্যবহার করা হচ্ছে, রোগীর বয়স ও ওজন এবং এটি স্বল্পমেয়াদী সেলফ-কেয়ারে না দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হচ্ছে তার উপর। Ibuprofen-এর সঠিক মাত্রা সর্বদা একজন যোগ্য চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্ট দ্বারা নির্ধারিত হওয়া উচিত এবং এটি সব ইন্ডিকেশনের জন্য এক নয়; নিচের সারণি সাধারণ নির্দেশনা মাত্র।

নির্দেশনাসাধারণ মাত্রা
হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা, মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, কোমর ব্যথা, মাসিকের ব্যথা (প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর বয়সী শিশু, সেলফ-কেয়ার/OTC ব্যবহার)প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পরপর ২০০-৪০০ মি.গ্রা. মুখে খেতে হবে, প্রয়োজন অনুযায়ী; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১২০০ মি.গ্রা.-এর বেশি নয়
জ্বর (প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর বয়সী শিশু, সেলফ-কেয়ার/OTC ব্যবহার)প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পরপর ২০০-৪০০ মি.গ্রা.; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১২০০ মি.গ্রা.-এর বেশি নয়
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিস (প্রেসক্রিপশন মাত্রা, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে; নিয়মিত সেলফ-মেডিকেশন নয়)সাধারণত দৈনিক ১২০০-৩২০০ মি.গ্রা. বিভক্ত মাত্রায় (যেমন দিনে ৩-৪ বার ৪০০, ৬০০ বা ৮০০ মি.গ্রা.); সর্বোচ্চ দৈনিক ৩২০০ মি.গ্রা.
মাইগ্রেন, তীব্র আক্রমণ (প্রাপ্তবয়স্ক, সেলফ-কেয়ার, প্রতিরোধমূলক থেরাপি নয়)একক মাত্রা ৪০০ মি.গ্রা.; প্রয়োজনে প্রতি ৬ ঘণ্টায় পুনরায় নেওয়া যায়
৬ মাস থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জ্বর ও ব্যথাপ্রতি ৬-৮ ঘণ্টা পরপর শরীরের ওজন অনুযায়ী ৫-১০ মি.গ্রা./কেজি; সর্বোচ্চ দৈনিক ৪০ মি.গ্রা./কেজি অথবা ২৪ ঘণ্টায় ৪ মাত্রা, যেটি কম
৬ মাসের কম বয়সী শিশুসেলফ-কেয়ারের জন্য প্রযোজ্য নয়; শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশে ব্যবহার করা যাবে (দেখুন "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার")

সেবনবিধি:

  • পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে Ibuprofen খাবার, দুধ অথবা এক গ্লাস পানির সাথে খাওয়া উচিত।
  • ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল পানির সাথে গোটা গিলে খেতে হবে; সাসটেইনড-রিলিজ ক্যাপসুল গুঁড়ো করা যাবে না।
  • ওরাল সাসপেনশন প্রতিবার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে এবং সঠিক মাত্রা মাপার জন্য নির্ধারিত মেজারিং ডিভাইস ব্যবহার করতে হবে, বাসার সাধারণ চামচ নয়।
  • Ibuprofen খাওয়ার পর প্রায় ১০ মিনিট শুয়ে না পড়াই ভালো।
  • নির্দেশিত মাত্রার বেশি Ibuprofen খাওয়া উচিত নয়, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Ibuprofen বা অন্য কোনো NSAID-যুক্ত পণ্যের সাথে একসাথে খাওয়া উচিত নয়।
  • কোনো মাত্রা মিস হলে মনে পড়ামাত্র তা খেয়ে নিতে হবে, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিসড ডোজ বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণ করতে হবে; একসাথে দ্বিগুণ মাত্রা খাওয়া যাবে না।

Ibuprofen-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

  • পাকস্থলীর অস্বস্তি, বুক জ্বালাপোড়া বা বমি বমি ভাব
  • মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
  • ঝিমুনি বা ক্লান্তি
  • সামান্য পানি জমা বা ফোলাভাব
  • ত্বকে র‍্যাশ

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন)

  • পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের লক্ষণ: কালো বা রক্তমিশ্রিত মল, রক্ত বমি বা কফি-গ্রাউন্ডের মতো বমি, অথবা তীব্র পেটব্যথা যা কমছে না (বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" অংশে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ঝুঁকি দেখুন)
  • হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের লক্ষণ: বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, শরীরের একপাশে হঠাৎ দুর্বলতা, বা কথা জড়িয়ে যাওয়া (বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" অংশে কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকি দেখুন)
  • কিডনি সমস্যার লক্ষণ: প্রস্রাব কমে যাওয়া, পা/গোড়ালিতে ফোলাভাব, বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি (বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" অংশে রেনাল ঝুঁকি দেখুন)
  • তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ: চুলকানি সহ চাকা চাকা দাগ, মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা শাঁ শাঁ শব্দে শ্বাস নেওয়া
  • গুরুতর ত্বক প্রতিক্রিয়া: ফোসকা পড়া, ত্বক খোসা ছাড়ানো, বা ব্যাপক র‍্যাশ
  • ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, অথবা প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়ে যাওয়া, যা যকৃতের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে

Ibuprofen-এর প্রতিনির্দেশনা

  • Ibuprofen-এর প্রতি জ্ঞাত অতি সংবেদনশীলতা (hypersensitivity), অথবা অ্যাসপিরিন বা অন্য কোনো NSAID গ্রহণের পর হাঁপানি, আর্টিকেরিয়া বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস।
  • সক্রিয় গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ অথবা সক্রিয় পেপটিক আলসার ডিজিজ।
  • করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) সার্জারির পেরিঅপারেটিভ ব্যথায় ব্যবহার।
  • গর্ভাবস্থার প্রায় ৩০ সপ্তাহ থেকে শেষ পর্যন্ত (তৃতীয় ত্রৈমাসিক) ব্যবহার, কারণ এতে ভ্রূণের ডাক্টাস আর্টেরিওসাস অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে (আগের সময়ের গর্ভাবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন)।

Ibuprofen সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Ibuprofen কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

Ibuprofen হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা (যেমন মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা ও কোমর ব্যথা) উপশমে, জ্বর কমাতে, মাসিকের ব্যথা লাঘব করতে এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়।

আমি কতটা Ibuprofen খেতে পারি এবং কতবার?

সেলফ-কেয়ারের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণ মাত্রা হলো প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি ৪-৬ ঘণ্টায় ২০০-৪০০ মি.গ্রা., সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টায় ১২০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত, যদি না চিকিৎসক ভিন্ন নির্দেশ দেন। আর্থ্রাইটিসের মতো সমস্যায় বেশি, প্রেসক্রিপশন-মাত্রার Ibuprofen শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হয়। সম্পূর্ণ ইন্ডিকেশন-ভিত্তিক মাত্রার জন্য "মাত্রা ও সেবনবিধি" অংশ দেখুন।

শিশুরা কি Ibuprofen খেতে পারে?

হ্যাঁ, ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জ্বর ও ব্যথায় Ibuprofen দেওয়া যায়, যা শরীরের ওজন অনুযায়ী নির্ধারিত হয় (সাধারণত প্রতি ৬-৮ ঘণ্টায় ৫-১০ মি.গ্রা./কেজি, দৈনিক সর্বোচ্চ ৪০ মি.গ্রা./কেজি)। চিকিৎসকের নির্দিষ্ট পরামর্শ ছাড়া ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের জন্য Ibuprofen সুপারিশ করা হয় না।

গর্ভাবস্থায় Ibuprofen খাওয়া কি নিরাপদ?

চিকিৎসক স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় মনে না করলে গর্ভাবস্থায় Ibuprofen ব্যবহার করা উচিত নয়। অ্যামনিওটিক ফ্লুইড কমে যাওয়ার ঝুঁকির কারণে গর্ভাবস্থার প্রায় ২০ সপ্তাহ থেকে এটি এড়িয়ে চলা উচিত, এবং শিশুর হৃদযন্ত্রের সংবহনতন্ত্রের ঝুঁকির কারণে প্রায় ৩০ সপ্তাহ (তৃতীয় ত্রৈমাসিক) থেকে একেবারেই ব্যবহার করা যাবে না। বিস্তারিত জানতে "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন।

স্তন্যদানকালে কি আমি Ibuprofen খেতে পারি?

স্তন্যদানকালে Ibuprofen সাধারণত পছন্দসই ব্যথানাশক হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এটি খুব সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে, তবে বিশেষত অপরিণত বা অসুস্থ শিশুর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিস্তারিত জানতে "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন।

Ibuprofen কি দুধ বা খাবারের সাথে খাওয়া যায়?

হ্যাঁ, পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে দুধ, খাবার বা এক গ্লাস পানির সাথে Ibuprofen খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আমি কি অ্যাসপিরিন বা ব্লাড থিনারের সাথে Ibuprofen একসাথে খেতে পারি?

Ibuprofen লো-ডোজ অ্যাসপিরিনের সাথে (এর হৃদরোগ প্রতিরোধী কার্যকারিতা কমিয়ে) এবং ওয়ারফারিনের মতো ব্লাড থিনারের সাথে (রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়িয়ে) মিথষ্ক্রিয়া করতে পারে। হৃদরোগ প্রতিরোধে অ্যাসপিরিন খেয়ে থাকলে, অ্যাসপিরিনের অন্তত ৮ ঘণ্টা আগে বা অন্তত ৩০ মিনিট পরে Ibuprofen খান, এবং Ibuprofen খাওয়ার আগে কোনো অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট ব্যবহারের কথা চিকিৎসককে জানান। বিস্তারিত জানতে "ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া" অংশ দেখুন।

Ibuprofen-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

Ibuprofen-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো পাকস্থলীর অস্বস্তি, বুক জ্বালাপোড়া, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও ঝিমুনি। পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি সমস্যা বা তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার মতো গুরুতর প্রভাব বিরল হলেও দ্রুত চিকিৎসকের সহায়তা প্রয়োজন। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য "পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া" অংশ দেখুন।

Ibuprofen বেশি খেয়ে ফেললে কী করব?

Ibuprofen-এর ওভারডোজ সন্দেহ হলে, চিকিৎসক বা পয়জন কন্ট্রোল সেন্টার নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জোর করে বমি করানো উচিত নয়, এবং সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা পয়জন কন্ট্রোল সেন্টারে যোগাযোগ করুন। বিস্তারিত জানতে "মাত্রাধিক্যতা" অংশ দেখুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

DoctorBlogArticles