
Amidol50 ml
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Iopamidol একটি রেডিওগ্রাফিক কনট্রাস্ট এজেন্ট (চিকিৎসামূলক ওষুধ নয়), যা এক্স-রে ভিত্তিক ইমেজিং পরীক্ষার সময় শরীরের অভ্যন্তরীণ গঠন, রক্তনালী ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে স্পষ্টভাবে দেখার জন্য প্রয়োগ করা হয়।
Iopamidol একটি রেডিওগ্রাফিক কনট্রাস্ট এজেন্ট (চিকিৎসামূলক ওষুধ নয়), যা এক্স-রে ভিত্তিক ইমেজিং পরীক্ষার সময় শরীরের অভ্যন্তরীণ গঠন, রক্তনালী ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে স্পষ্টভাবে দেখার জন্য প্রয়োগ করা হয়।
Iopamidol একজন রেডিওলজিস্ট বা যোগ্য চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে শুধুমাত্র ডায়াগনস্টিক ইমেজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়; এর কোনো স্বাধীন থেরাপিউটিক প্রভাব নেই।
Iopamidol-এর মাত্রা ও ঘনত্ব নির্দিষ্ট ইমেজিং পদ্ধতি, রোগীর বয়স, শরীরের ওজন, হৃদযন্ত্রের অবস্থা ও কিডনি কার্যক্ষমতার উপর ভিত্তি করে চিকিৎসক/রেডিওলজিস্ট নির্ধারণ করেন।
পদ্ধতিভেদে মাত্রা ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয় — সিলেক্টিভ আর্টেরিয়াল ইনজেকশনের জন্য অল্প পরিমাণ (কয়েক মিলি) থেকে শুরু করে বডি সিটি বা এক্সক্রেটরি ইউরোগ্রাফির জন্য ১০০-২০০ মিলি পর্যন্ত হতে পারে। ডায়াগনস্টিক মানের ছবি পেতে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু ন্যূনতম আয়োডিন মাত্রা ব্যবহার করা হয়।
শিশুদের ক্ষেত্রে Iopamidol-এর মাত্রা শরীরের ওজন অনুযায়ী (সাধারণত মিগ্রা আয়োডিন/কেজি হিসেবে) নির্ধারণ করা হয়, যা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কম আয়তনের হয়।
লিভারের সমস্যায় নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রতিষ্ঠিত নিয়ম নেই। কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Iopamidol-এর সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করা এবং পর্যাপ্ত পানিশূন্যতা প্রতিরোধ (হাইড্রেশন) নিশ্চিত করা জরুরি।
Iopamidol শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের দ্বারা বা তত্ত্বাবধানে, জরুরি ব্যবস্থাপনার সুবিধাসম্পন্ন কেন্দ্রে শিরা, ধমনি, ইন্ট্রাথিক্যাল বা ইন্ট্রা-আর্টিকুলার পথে প্রয়োগ করা হয়। প্রয়োগের পর রোগীকে অন্তত ২০-৩০ মিনিট পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
Iopamidol প্রয়োগের ফলে যে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা যেতে পারে, সেগুলো নিচে তীব্রতা অনুযায়ী উল্লেখ করা হলো।
Iopamidol নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ:
পূর্বে মৃদু কনট্রাস্ট প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে প্রি-মেডিকেশন প্রোটোকল বা বিকল্প ইমেজিং পদ্ধতি বিবেচনা করা যেতে পারে (সতর্কতা অংশ দেখুন)।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।