
Triovix150 mg+300
Beximco Pharmaceuticals Ltd.
Lamivudine + Zidovudine + Nevirapine হলো একটি নির্দিষ্ট মাত্রার সংমিশ্রণ (fixed-dose combination) অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ট্যাবলেট ইত্যাদি।
Lamivudine + Zidovudine + Nevirapine হলো একটি নির্দিষ্ট মাত্রার সংমিশ্রণ (fixed-dose combination) অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ট্যাবলেট, যাতে দুটি নিউক্লিওসাইড রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ ইনহিবিটর (NRTI) এবং একটি নন-নিউক্লিওসাইড রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ ইনহিবিটর (NNRTI) একসাথে থাকে।
প্রথম ১৪ দিন শুধুমাত্র নেভিরাপিন ২০০ মি.গ্রা. দিনে একবার (পৃথক ট্যাবলেট হিসেবে) সেবন করে চর্মরোগের ঝুঁকি কমানো হয়; এই সময় Lamivudine + Zidovudine + Nevirapine সংমিশ্রণ ট্যাবলেট ব্যবহার করা হয় না। ১৫তম দিন থেকে, কোনো চর্মরোগ বা লিভার সমস্যা না দেখা দিলে, একটি Lamivudine + Zidovudine + Nevirapine ট্যাবলেট (সাধারণত ল্যামিভুডিন ১৫০ মি.গ্রা. + জিডোভুডিন ৩০০ মি.গ্রা. + নেভিরাপিন ২০০ মি.গ্রা.) দিনে দুইবার, প্রায় প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর সেবন করতে হয়।
শিশুদের ক্ষেত্রে WHO/জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী ওজন-ভিত্তিক মাত্রায়, পৃথক শক্তির শিশু-উপযোগী ফর্মুলেশন ব্যবহার করতে হয়; প্রাপ্তবয়স্কদের ট্যাবলেট ভেঙে বা আন্দাজে শিশুকে দেওয়া যাবে না।
উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় Lamivudine + Zidovudine + Nevirapine সংমিশ্রণ ট্যাবলেটের পরিবর্তে উপাদানগুলো পৃথকভাবে মাত্রা সমন্বয় করে দিতে হয়। মাঝারি থেকে গুরুতর লিভার সমস্যায় Lamivudine + Zidovudine + Nevirapine প্রতিনির্দেশিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
মাত্রা মিস হলে মনে পড়ামাত্র তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় ঘনিয়ে এলে মিসড মাত্রা বাদ দিন — কখনো দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। Lamivudine + Zidovudine + Nevirapine নিয়মিত ও সময়মতো সেবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Lamivudine + Zidovudine + Nevirapine-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এর তিনটি উপাদানের সম্মিলিত প্রভাব প্রতিফলিত করে।
নতুন চর্মরোগ, ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, সহজে কালশিরা পড়া, বা গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Lamivudine + Zidovudine + Nevirapine নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।