
Lamitrin50 mg
ACI Limited
Lamotrigine একটি অ্যান্টিকনভালসেন্ট (মৃগীরোগ প্রতিরোধী) ও মুড স্টেবিলাইজার ওষুধ।
Lamotrigine একটি অ্যান্টিকনভালসেন্ট (মৃগীরোগ প্রতিরোধী) ও মুড স্টেবিলাইজার ওষুধ। এর প্রতিষ্ঠিত ও নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহারগুলো হলো:
Lamotrigine-এর মাত্রা রোগ-নির্দিষ্ট, বয়স-নির্দিষ্ট এবং সহ-ব্যবহৃত ওষুধের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল, কারণ নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্রুত টাইট্রেশনে গুরুতর র্যাশের ঝুঁকি তীব্রভাবে বৃদ্ধি পায়। চিকিৎসকের নির্ধারিত টাইট্রেশন সময়সূচি হুবহু অনুসরণ করুন; নির্দেশের চেয়ে দ্রুত মাত্রা বাড়াবেন না।
| সহ-ব্যবহৃত ওষুধ | শুরুর পদ্ধতি | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা |
|---|---|---|
| ভালপ্রোয়েটের সাথে (এনজাইম ইনহিবিটর) | ধীরতম টাইট্রেশন; খুব কম মাত্রায় শুরু করে কয়েক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি | প্রায় ১০০–২০০ মিগ্রা/দিন |
| এনজাইম-ইনডিউসার বা ভালপ্রোয়েট ছাড়া | কম মাত্রায় শুরু করে কয়েক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি | প্রায় ২২৫–৩৭৫ মিগ্রা/দিন |
| এনজাইম-ইনডিউসিং অ্যান্টিকনভালসেন্টের সাথে (যেমন কার্বামাজেপিন, ফেনিটয়েন, ফেনোবারবিটাল, প্রিমিডন), ভালপ্রোয়েট ছাড়া | তুলনামূলক বেশি মাত্রায় শুরু করে কয়েক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি | প্রায় ৩০০–৫০০ মিগ্রা/দিন |
পূর্ববর্তী অ্যান্টিএপিলেপটিক ওষুধ থেকে Lamotrigine মনোথেরাপিতে রূপান্তরের জন্য চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি নির্দিষ্ট, ধীরগতির সুইচ-ওভার সময়সূচি অনুসরণ করা হয়; সাধারণ লক্ষ্য রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা প্রায় ৩০০–৫০০ মিগ্রা/দিন।
প্রায় ৬ সপ্তাহ ধরে ধীর টাইট্রেশনের মাধ্যমে শুরু করা হয় (সহ-ব্যবহৃত ভালপ্রোয়েট বা এনজাইম-ইনডিউসার অনুযায়ী সমন্বয় করে), সাধারণ লক্ষ্য রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা প্রায় ২০০ মিগ্রা/দিন (ভালপ্রোয়েটের সাথে ১০০ মিগ্রা/দিন; ভালপ্রোয়েট ছাড়া এনজাইম-ইনডিউসারের সাথে সর্বোচ্চ ৪০০ মিগ্রা/দিন পর্যন্ত), চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী।
গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া — অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:
Lamotrigine বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা হাইপারসেনসিটিভিটি (অতি সংবেদনশীলতা) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Lamotrigine প্রতিনির্দেশিত (contraindicated)।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।