
Milk Of Magnesia114 ml
ACME Laboratories Ltd.
Magnesium Hydroxide নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়: অ্যান্টাসিড হিসেবে: মাঝে মাঝে হওয়া বুক জ্বালাপোড়া (heartburn), অম্লতাজনিত বদহজম এবং পেটের অস্বস্তি উপশমে, সাধারণত কম মাত্রায়।
Magnesium Hydroxide নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Magnesium Hydroxide দীর্ঘমেয়াদী নিয়মিত ব্যবহারের জন্য নয়, বরং স্বল্পমেয়াদী ও প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত।
| রোগীর ধরন | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু | সাধারণত ৫-১৫ মি.লি. মুখে সেবনযোগ্য সাসপেনশন, প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার, অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। |
| ১২ বছরের কম বয়সী শিশু | ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। |
| রোগীর ধরন | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু | ৩০-৬০ মি.লি. সাসপেনশন (৪০০ মি.গ্রা./৫ মি.লি.), সাধারণত দিনে একবার, বিশেষত ঘুমানোর আগে পর্যাপ্ত পানির সাথে। |
| ৬-১১ বছর বয়সী শিশু | ১৫-৩০ মি.লি. সাসপেনশন, প্রাপ্তবয়স্কদের তত্ত্বাবধানে। |
| ২-৫ বছর বয়সী শিশু | ৫-১৫ মি.লি. সাসপেনশন, শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে। |
| ২ বছরের কম বয়সী শিশু | শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করুন। |
Magnesium Hydroxide সাসপেনশন প্রতিবার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ল্যাক্সেটিভ হিসেবে ১ সপ্তাহের বেশি এবং অ্যান্টাসিড হিসেবে ২ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করবেন না।
Magnesium Hydroxide এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, বিশেষত ল্যাক্সেটিভ মাত্রায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে, অন্তর্ভুক্ত:
হাইপারম্যাগনেসেমিয়া: Magnesium Hydroxide এর অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার, অথবা কিডনি কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার, রক্তে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এর লক্ষণ হালকা (বমি বমি ভাব, দুর্বলতা, মুখ লাল হয়ে যাওয়া) থেকে শুরু করে গুরুতর (পেশি দুর্বলতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা, শ্বাসক্রিয়া দমন) পর্যন্ত হতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে। এটি একটি প্রকৃত ও সুপ্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ, যার জন্য সতর্কতা প্রয়োজন — দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও সতর্কতা অংশ।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Magnesium Hydroxide ব্যবহার করা উচিত নয়:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।