
NVP25 mg+50 m
ACME Laboratories Ltd.
Meclizine + Pyridoxine হলো মেক্লিজিন (একটি অ্যান্টিহিস্টামিন/বমি-প্রতিরোধী ঔষধ) এবং পাইরিডক্সিন (ভিটামিন বি৬)-এর সংমিশ্রণ।
Meclizine + Pyridoxine হলো মেক্লিজিন (একটি অ্যান্টিহিস্টামিন/বমি-প্রতিরোধী ঔষধ) এবং পাইরিডক্সিন (ভিটামিন বি৬)-এর সংমিশ্রণ। এটি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Meclizine + Pyridoxine সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, বিশেষত গর্ভাবস্থায় বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা থাকলে।
Meclizine + Pyridoxine-এর মাত্রা ও সেবনবিধি ইঙ্গিত অনুযায়ী নিচে দেওয়া হলো:
| রোগীগোষ্ঠী | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু | ভ্রমণের ১ ঘণ্টা আগে একটি মাত্রা (সাধারণত মেক্লিজিন ২৫–৫০ মি.গ্রা. এর সমতুল্য); প্রয়োজনে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় পুনরাবৃত্তি করা যেতে পারে। |
| ১২ বছরের কম বয়সী শিশু | চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা ছাড়া সুপারিশ করা হয় না (দেখুন: শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)। |
| রোগীগোষ্ঠী | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক | দৈনিক মোট মাত্রা সাধারণত মেক্লিজিন ২৫–১০০ মি.গ্রা. এর সমতুল্য, বিভক্ত মাত্রায়, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়। |
| রোগীগোষ্ঠী | মাত্রা |
|---|---|
| গর্ভবতী নারী (চিকিৎসকের নির্দেশনায়) | কম মাত্রার নিয়ম (যেমন রাতে মেক্লিজিন ২৫ মি.গ্রা. এর সাথে দিনে কয়েকবার পাইরিডক্সিন ১০–২৫ মি.গ্রা.) ব্যবহৃত হতে পারে; সঠিক মাত্রা অবশ্যই চিকিৎসকের দ্বারা নির্ধারিত হতে হবে, নিজে থেকে শুরু করা উচিত নয়। |
Meclizine + Pyridoxine-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মূলত মেক্লিজিন উপাদানের সাথে সম্পর্কিত:
এই সংমিশ্রণে ব্যবহৃত মাত্রায় পাইরিডক্সিন সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়; স্নায়ু-সংবেদী ক্ষতি শুধুমাত্র দীর্ঘমেয়াদী অতি উচ্চমাত্রার পাইরিডক্সিন গ্রহণের সাথে সম্পর্কিত একটি বিরল ঝুঁকি (দেখুন সতর্কতা অংশ)।
Meclizine + Pyridoxine নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
গ্লুকোমা, প্রস্রাব ধরে রাখা/প্রোস্টেট বৃদ্ধি বা হাঁপানির মতো অবস্থাগুলো সম্পূর্ণ প্রতিনির্দেশনা নয়, বরং সতর্কতার বিষয়; বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।