
Filmet DS800 mg
Beximco Pharmaceuticals Ltd.
Metronidazole একটি নাইট্রোইমিডাজল গ্রুপের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ, যা অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া ও কিছু প্রোটোজোয়া সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Metronidazole একটি নাইট্রোইমিডাজল গ্রুপের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ, যা অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া ও কিছু প্রোটোজোয়া সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নির্দেশনাগুলো নিম্নরূপ ভাগ করা যায়:
Metronidazole-এর মাত্রা রোগের ধরন, বয়স, ওজন এবং কিডনি/যকৃতের কার্যক্ষমতার উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ মাত্রায় Metronidazole সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ বা অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না।
| রোগ | সাধারণ মাত্রা | মেয়াদ |
|---|---|---|
| অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ | প্রতি ৬-৮ ঘণ্টায় ৭.৫ মি.গ্রা./কেজি (সাধারণত ৫০০ মি.গ্রা.), সর্বোচ্চ ৪ গ্রাম/২৪ ঘণ্টা | ৭-১০ দিন |
| ট্রাইকোমোনিয়াসিস | একবারে ২ গ্রাম, অথবা ২৫০ মি.গ্রা. দিনে তিনবার | একক মাত্রা বা ৭ দিন |
| অন্ত্রের অ্যামিবিয়াসিস | ৫০০-৭৫০ মি.গ্রা. দিনে তিনবার | ৫-১০ দিন |
| ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস | ৫০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার | ৭ দিন |
| জিয়ার্ডিয়াসিস | ২৫০ মি.গ্রা. দিনে তিনবার | ৫-৭ দিন |
| H. pylori নির্মূল (কম্বিনেশন) | ৪০০-৫০০ মি.গ্রা. দিনে দুই-তিনবার, অন্যান্য ওষুধের সাথে | ১০-১৪ দিন |
শিশুদের ক্ষেত্রে Metronidazole-এর মাত্রা ওজন ও রোগ অনুযায়ী নির্ধারিত হয় (যেমন অ্যামিবিয়াসিসে প্রায় ৩৫-৫০ মি.গ্রা./কেজি/দিন তিন ভাগে)। বিস্তারিত জানতে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশ দেখুন।
মৃদু-মাঝারি কিডনি সমস্যায় সাধারণত Metronidazole-এর মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না; গুরুতর কিডনি সমস্যা বা ডায়ালাইসিসে মাত্রা কমাতে হতে পারে। গুরুতর যকৃত সমস্যায় সতর্কতার সাথে কম মাত্রায় Metronidazole ব্যবহার করা উচিত।
Metronidazole সেবনে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:
কম সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া:
Metronidazole নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।