
Pregniforte1100mg,D-C
Alien Pharma
Myo-inositol একটি প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় এমন সাইক্লিটল (সুগার অ্যালকোহল), যা মূলত একটি খাদ্য সম্পূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Myo-inositol একটি প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় এমন সাইক্লিটল (সুগার অ্যালকোহল), যা মূলত একটি খাদ্য সম্পূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী এর ব্যবহার নিম্নরূপে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়:
Myo-inositol PCOS, বন্ধ্যাত্ব বা ডায়াবেটিসের চিকিৎসকনির্দেশিত চিকিৎসার বিকল্প নয় এবং এটি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।
Myo-inositol-এর মাত্রা পণ্য ও নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে; নিচে সাধারণভাবে গবেষণায় ব্যবহৃত মাত্রা উল্লেখ করা হলো। নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেল বা চিকিৎসকের নির্দেশনা সবসময় অনুসরণ করুন।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| PCOS-সম্পর্কিত ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স/ডিম্বস্ফোটন সমস্যা | দৈনিক দুইবার ২ গ্রাম করে (মোট ৪ গ্রাম/দিন), প্রায়ই ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিডের সাথে | প্রতিক্রিয়া মূল্যায়নের জন্য সাধারণত অন্তত ৩-৬ মাস চালিয়ে যাওয়া হয় |
| উর্বরতা সহায়ক/সহায়ক প্রজনন প্রক্রিয়ার সাথে | বিভক্ত মাত্রায় দৈনিক ২-৪ গ্রাম | সাধারণত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রজনন চিকিৎসা চক্র শুরুর কয়েক সপ্তাহ-মাস আগে থেকে শুরু করা হয় |
| গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস (গর্ভাবস্থা) | দৈনিক দুইবার ২ গ্রাম করে, নির্বাচিত গবেষণায় ব্যবহৃত মাত্রা অনুযায়ী | শুধুমাত্র প্রসূতি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন; প্রমাণ এখনও বিকাশমান |
শিশুদের ক্ষেত্রে Myo-inositol-এর মাত্রা প্রতিষ্ঠিত নয় (শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার দেখুন)।
Myo-inositol সাধারণত ভালোভাবে সহ্য করা যায়। সাধারণত উচ্চ মাত্রায় (সাধারণত দৈনিক ১২ গ্রামের বেশি) নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা যেতে পারে:
এই প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মৃদু ও মাত্রা-নির্ভর, এবং মাত্রা কমালে বা বন্ধ করলে সেরে যায়।
Myo-inositol বা নির্দিষ্ট পণ্যের যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা (হাইপারসেনসিটিভিটি) থাকলে Myo-inositol ব্যবহার নিষিদ্ধ।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।