
Feverin100 mg
General Pharmaceuticals Ltd.
Nimesulide একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা মূলত COX-2 এনজাইমকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিরোধ করে।
Nimesulide একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা মূলত COX-2 এনজাইমকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিরোধ করে। বিভিন্ন দেশে এর ব্যবহার ভিন্ন, কারণ লিভারের ক্ষতির আশঙ্কায় বেশ কিছু নিয়ন্ত্রক সংস্থা এটি নিষিদ্ধ বা সীমিত করেছে।
উল্লেখ্য, Nimesulide যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কিছু প্রধান বাজারে অনুমোদিত নয়। যেখানে এটি পাওয়া যায়, সেখানেও শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| তীব্র পেশি-অস্থি সংক্রান্ত ব্যথা / মচকে যাওয়া | ১০০ মিগ্রা দিনে দুইবার, খাবারের পরে | চিকিৎসার মেয়াদ সাধারণত সর্বোচ্চ ১৫ দিন; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সংক্ষিপ্ততম সময় ব্যবহার করুন |
| প্রাথমিক ডিসমেনোরিয়া | উপসর্গ শুরু হলে ১০০ মিগ্রা দিনে দুইবার | মাসিক পর্বের প্রয়োজনীয় সময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখুন |
| অস্ত্রোপচার/আঘাত-পরবর্তী ব্যথা (সহায়ক) | ১০০ মিগ্রা দিনে দুইবার, খাবারের পরে | শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদী সহায়ক চিকিৎসা |
১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Nimesulide বেশিরভাগ দেশে প্রতিনির্দেশিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
লিভারের সমস্যা বা পূর্বে Nimesulide সেবনে লিভারের ক্ষতির ইতিহাস থাকলে এটি প্রতিনির্দেশিত। মৃদু কিডনি সমস্যায় সতর্কতার সাথে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করুন; উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় এড়িয়ে চলুন।
| মাত্রা | প্রভাব |
|---|---|
| সাধারণ | ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা, বুক জ্বালাপোড়া |
| মাঝারি | লিভার এনজাইম বৃদ্ধি, চুলকানি, র্যাশ, ঘাম বৃদ্ধি, গ্যাস্ট্রাইটিস, কোষ্ঠকাঠিন্য |
| বিরল কিন্তু গুরুতর | মারাত্মক লিভারের ক্ষতি (জন্ডিসসহ), পাকস্থলীর রক্তপাত/ছিদ্র, তীব্র চর্মরোগ (স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম), অ্যানাফাইল্যাক্সিস, রক্তে প্লেটলেট কমে যাওয়া, কিডনি বিকল হওয়া, হাইপারক্যালেমিয়া |
Nimesulide সেবনকালে চোখ/ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া, প্রস্রাব গাঢ় হওয়া, ক্রমাগত বমি বমি ভাব, তীব্র চর্মরোগ বা কালো পায়খানা/রক্তবমি হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।