
Bexipred10 mg
Beximco Pharmaceuticals Ltd.
Prednisolone একটি সিন্থেটিক করটিকোস্টেরয়েড যা বিভিন্ন প্রদাহজনিত, অ্যালার্জিক এবং অটোইমিউন রোগে ব্যবহৃত হয়।
Prednisolone একটি সিন্থেটিক করটিকোস্টেরয়েড যা বিভিন্ন প্রদাহজনিত, অ্যালার্জিক এবং অটোইমিউন রোগে ব্যবহৃত হয়।
নির্দিষ্ট কিছু লিউকেমিয়া ও লিম্ফোমায় অন্যান্য কেমোথেরাপি ওষুধের সাথে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে Prednisolone ব্যবহৃত হয়।
চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারকয়েডোসিস, অটোইমিউন হেপাটাইটিস, তীব্র ক্রুপ বা গাউটের স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসায়ও Prednisolone অফ-লেবেল ব্যবহৃত হতে পারে।
Prednisolone কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং সরাসরি সংক্রমণ নিরাময়ে এর কোনো ভূমিকা নেই।
Prednisolone-এর মাত্রা রোগের ধরন, তীব্রতা এবং রোগীর প্রতিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে পৃথকভাবে নির্ধারণ করা হয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা | শিশুদের সাধারণ মাত্রা |
|---|---|---|
| তীব্র অ্যাজমা প্রকোপ | ৪০-৬০ মি.গ্রা./দিন, ৫-৭ দিন | ১-২ মি.গ্রা./কেজি/দিন (সর্বোচ্চ ~৪০ মি.গ্রা./দিন), ৩-৫ দিন |
| সাধারণ প্রদাহ-বিরোধী/ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসা | ৫-৬০ মি.গ্রা./দিন, প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী সমন্বয় | ০.১-২ মি.গ্রা./কেজি/দিন, নির্দেশনা অনুযায়ী |
| নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম | বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে পৃথকভাবে নির্ধারিত | প্রাথমিকভাবে প্রায় ২ মি.গ্রা./কেজি/দিন (সর্বোচ্চ ৬০-৮০ মি.গ্রা./দিন) |
| রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস/লুপাস | ৫-২০ মি.গ্রা./দিন রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা | বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা অনুযায়ী |
নির্দিষ্ট কোনো মাত্রা সমন্বয়ের সুপ্রতিষ্ঠিত নিয়ম নেই, তবে যকৃত বা কিডনির সমস্যায় Prednisolone সতর্কতার সাথে এবং সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ব্যবহার করা উচিত।
কয়েক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সেবনের পর Prednisolone হঠাৎ বন্ধ করা যাবে না; চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ধীরে ধীরে মাত্রা কমাতে হবে (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।
Prednisolone-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত মাত্রা ও ব্যবহারের মেয়াদের উপর নির্ভরশীল।
Prednisolone নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
অন্যান্য অবস্থা (যেমন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার) পরম প্রতিনির্দেশনা নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা — বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।