
Gluretor0.5 mg
Pacific Pharmaceuticals Ltd.
Repaglinide টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাসে ডায়েট ও ব্যায়ামের সহায়ক হিসেবে রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।
Repaglinide টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাসে ডায়েট ও ব্যায়ামের সহায়ক হিসেবে রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।
Repaglinide টাইপ ১ ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসের চিকিৎসায় নির্দেশিত নয়।
Repaglinide খাবারের অল্প আগে (সাধারণত খাবার শুরুর ১৫–৩০ মিনিট আগে) দিনে ২, ৩ বা ৪ বার সেবন করতে হয়, যতটি খাবার খাওয়া হয় তার উপর নির্ভর করে।
| অবস্থা | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাথমিক মাত্রা (পূর্বে অচিকিৎসিত রোগী, বা HbA1c < ৮%) | প্রতি খাবারের সাথে ০.৫ মিগ্রা |
| প্রাথমিক মাত্রা (পূর্বে অন্য ঔষধে চিকিৎসিত, বা HbA1c ≥ ৮%) | প্রতি খাবারের সাথে ১ বা ২ মিগ্রা |
| মাত্রা সমন্বয় | রক্তে গ্লুকোজের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী কমপক্ষে ১ সপ্তাহ পরপর প্রতি-খাবার মাত্রা দ্বিগুণ করা যায় (সর্বোচ্চ ৪ মিগ্রা) |
| সর্বোচ্চ মাত্রা | প্রতি খাবারে ৪ মিগ্রা; দৈনিক সর্বমোট ১৬ মিগ্রার বেশি নয় |
| মেটফরমিন বা থায়াজোলিডিনডাইওনের সাথে সংযুক্ত | একক থেরাপির মতোই মাত্রা ও সমন্বয় পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় |
Repaglinide অবশ্যই খাবারের অল্প আগে খেতে হবে। কোনো খাবার বাদ দিলে সংশ্লিষ্ট Repaglinide এর মাত্রাও বাদ দিতে হবে, যাতে হাইপোগ্লাইসেমিয়া না হয়; আবার অতিরিক্ত খাবার খেলে সেই খাবারের আগে অতিরিক্ত মাত্রা নেওয়া যেতে পারে। "খাবার নেই তো মাত্রা নেই" এই নিয়মটি Repaglinide সেবনবিধির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, যা একে দিনে একবার সেবনযোগ্য অন্যান্য ওরাল অ্যান্টিডায়াবেটিক ঔষধ থেকে আলাদা করে।
যকৃতের কার্যক্ষমতা কম থাকলে সতর্কতার সাথে ও ধীরে মাত্রা সমন্বয় করতে হবে। গুরুতর যকৃত সমস্যায় Repaglinide প্রতিনির্দেশিত (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।
হালকা থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় সাধারণত প্রাথমিক মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে সতর্কতার সাথে বাড়াতে হবে। কিডনি সমস্যা বা ডায়ালাইসিসের রোগীদের ক্ষেত্রে খাবারের সাথে ০.৫ মিগ্রা দিয়ে শুরু করে সতর্ক পর্যবেক্ষণে মাত্রা বাড়ানো উচিত।
হাইপোগ্লাইসেমিয়ার প্রতি সংবেদনশীলতা বেশি থাকায় বয়স্কদের ক্ষেত্রে রক্ষণশীল মাত্রায় শুরু করে সতর্কতার সাথে সমন্বয় করা উচিত।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।