
SGN50 mg
Pacific Pharmaceuticals Ltd.
Sitagliptin প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাসে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ডায়েট ও ব্যায়ামের সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Sitagliptin প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাসে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ডায়েট ও ব্যায়ামের সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি একা (মনোথেরাপি) অথবা মেটফরমিন, সালফোনাইলইউরিয়া, পায়োগ্লিটাজোন বা ইনসুলিনের সাথে সংযুক্তভাবে ব্যবহার করা যায়। মেটফরমিন একা পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ দিতে না পারলে চিকিৎসক প্রায়ই Sitagliptin যোগ করেন। ইনসুলিন বা সালফোনাইলইউরিয়ার সাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি কমাতে ঐ ওষুধের মাত্রা কমানোর প্রয়োজন হতে পারে। Sitagliptin টাইপ ১ ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসের চিকিৎসায় নির্দেশিত নয়।
সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা: Sitagliptin ১০০ মি.গ্রা. দিনে একবার, খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়।
কিডনি কার্যক্ষমতা অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় (eGFR/ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স অনুযায়ী):
ইনসুলিন বা সালফোনাইলইউরিয়ার সাথে ব্যবহার করলে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি কমাতে ঐ ওষুধের মাত্রা কমানোর প্রয়োজন হতে পারে। ট্যাবলেট পুরোটা পানির সাথে গিলে খেতে হবে; ডোজ মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে খেয়ে নিন, তবে পরবর্তী ডোজের সময় কাছাকাছি হলে মিসড ডোজ বাদ দিন — দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা পরিবর্তন করবেন না।
Sitagliptin সেবনে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর সমস্যার মধ্যে রয়েছে তীব্র প্যানক্রিয়াটাইটিস, গুরুতর জয়েন্টে ব্যথা (আর্থ্রালজিয়া), ত্বকে ফোসকা পড়া (বুলাস পেমফিগয়েড), এবং অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া — এসব ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। বিস্তারিত জানতে “সতর্কতা” অংশ দেখুন।
Sitagliptin এর প্রতি পূর্বে গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার (যেমন অ্যানাফাইল্যাক্সিস, অ্যাঞ্জিওএডিমা বা স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোমের মতো গুরুতর ত্বকীয় প্রতিক্রিয়া) ইতিহাস থাকলে Sitagliptin ব্যবহার করা যাবে না।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।