
Tolfort200 mg
Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
Tolfenamic acid একটি ফেনামেট শ্রেণীর NSAID (নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ), যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়: প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার মাইগ্রেন আক্রমণের তীব্র চিকিৎসা (অরাসহ বা অরাবিহীন) —…
Tolfenamic acid একটি ফেনামেট শ্রেণীর NSAID (নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ), যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Tolfenamic acid স্বল্পমেয়াদী উপসর্গ উপশমের জন্য নির্দেশিত; এটি মাইগ্রেন প্রতিরোধক ওষুধ নয় এবং প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন মাত্রায়, স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
মাইগ্রেন আক্রমণ শুরু হওয়ার সাথে সাথে সাধারণত Tolfenamic acid ২০০ মি.গ্রা. মুখে সেবন করতে হয়। পর্যাপ্ত উপশম না হলে ১-২ ঘণ্টা পর আরও একটি ২০০ মি.গ্রা. মাত্রা নেওয়া যেতে পারে। মোট মাত্রা ২৪ ঘণ্টায় ৪০০ মি.গ্রা. ছাড়ানো উচিত নয়, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাসে বারবার এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
সাধারণ ব্যথা উপশমে Tolfenamic acid ২০০ মি.গ্রা. দিনে ২-৩ বার, খাবারের পর, স্বল্পতম প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য সেবন করা যায়। মাসিকের ব্যথায় ব্যথা/মাসিক শুরু হওয়ার সাথে সাথে ২০০ মি.গ্রা. দিনে ২-৩ বার, প্রয়োজন অনুযায়ী ২-৩ দিন সেবন করা যেতে পারে।
১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে Tolfenamic acid-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; সাধারণত এই বয়সীদের জন্য এটি সুপারিশ করা হয় না।
মৃদু বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যায় Tolfenamic acid সতর্কতার সাথে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ব্যবহার করতে হবে; তীব্র বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যায় এটি প্রতিনির্দেশিত (নিষিদ্ধ)।
Tolfenamic acid ট্যাবলেট পুরো গিলে, পর্যাপ্ত পানির সাথে, সম্ভব হলে খাবারের সাথে বা পরে সেবন করতে হবে, যাতে পাকস্থলীর অস্বস্তি কমে।
Tolfenamic acid-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত অন্যান্য NSAID-এর মতোই; বেশিরভাগ মাত্রা-নির্ভর এবং ওষুধ বন্ধ করলে সেরে যায়।
কালো পায়খানা, রক্তবমি, গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Tolfenamic acid ব্যবহার নিষিদ্ধ (contraindicated):
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।