
Cavinton10 mg/2 ml
City Overseas Ltd.
Vinpocetine মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন কমে যাওয়া (সেরিব্রোভাসকুলার ইনসাফিসিয়েন্সি) জনিত স্মৃতিশক্তি ও জ্ঞানীয় সমস্যার সহায়ক (adjunct) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Vinpocetine মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন কমে যাওয়া (সেরিব্রোভাসকুলার ইনসাফিসিয়েন্সি) জনিত স্মৃতিশক্তি ও জ্ঞানীয় সমস্যার সহায়ক (adjunct) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। বড় ধরনের প্রথম সারির ওষুধের তুলনায় এর কার্যকারিতার প্রমাণ মাঝারি/সীমিত, তাই এটি সাধারণত একক চিকিৎসা হিসেবে নয়, বরং সহায়ক থেরাপি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উল্লেখ্য: যুক্তরাষ্ট্রে Vinpocetine এফডিএ-অনুমোদিত ওষুধ নয় (সেখানে এটি একটি অননুমোদিত সাপ্লিমেন্ট উপাদান হিসেবে বিবেচিত এবং এ নিয়ে এফডিএ সতর্কতা জারি করেছে); উপরের নির্দেশনাগুলো বাংলাদেশের মতো বাজারে নিবন্ধিত প্রেসক্রিপশন ওষুধ হিসেবে এর অবস্থান প্রতিফলিত করে।
Vinpocetine-এর মাত্রা রোগীর নির্দেশনা, প্রতিক্রিয়া ও সহনশীলতা অনুযায়ী চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন। সাধারণ নিয়ম নিচে দেওয়া হলো।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| সেরিব্রোভাসকুলার ইনসাফিসিয়েন্সি জনিত জ্ঞানীয় সমস্যা (সহায়ক) | শুরুতে দিনে ৩ বার ৫ মি.গ্রা., প্রয়োজনে ও সহনশীলতা অনুযায়ী দিনে ৩ বার ১০ মি.গ্রা. পর্যন্ত (মোট ১৫-৩০ মি.গ্রা./দিন) | কয়েক সপ্তাহ পর চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে |
| স্ট্রোক-পরবর্তী জ্ঞানীয় জটিলতা (সহায়ক) | চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী দিনে ৩ বার ৫-১০ মি.গ্রা. | স্ট্রোক পুনর্বাসন ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার পাশাপাশি ব্যবহার্য, বিকল্প নয় |
Vinpocetine ট্যাবলেট এক গ্লাস পানিসহ আস্ত গিলে খেতে হবে, শোষণ বাড়াতে ও পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে সাধারণত খাবারের পর সেবন করা ভালো। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Vinpocetine শুরু, মাত্রা পরিবর্তন বা বন্ধ করা উচিত নয়।
প্রস্তাবিত মাত্রায় Vinpocetine সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মৃদু ও সাময়িক।
Vinpocetine সেবনে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।