
Goslim500 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
White Kidney Bean Extract হলো Phaseolus vulgaris (হোয়াইট কিডনি বিন) থেকে প্রাপ্ত একটি ভেষজ/ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট, যা প্রমাণিত চিকিৎসা হিসেবে নয় বরং একটি সহায়ক উপাদান হিসেবে বাজারজাত করা হয়।
White Kidney Bean Extract হলো Phaseolus vulgaris (হোয়াইট কিডনি বিন) থেকে প্রাপ্ত একটি ভেষজ/ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট, যা প্রমাণিত চিকিৎসা হিসেবে নয় বরং একটি সহায়ক উপাদান হিসেবে বাজারজাত করা হয়।
White Kidney Bean Extract ওজন বৃদ্ধি বা উচ্চ রক্তে গ্লুকোজের অন্তর্নিহিত কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসার বিকল্প নয়; এটি শুধুমাত্র ডায়েট, ব্যায়াম ও চিকিৎসকের পরামর্শের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।
White Kidney Bean Extract এর জন্য কোনো একক নিয়ন্ত্রক-অনুমোদিত মাত্রা নেই, কারণ এটি অনুমোদিত ওষুধ নয়, বরং ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট হিসেবে বাজারজাত করা হয়। নিচের তথ্য সাধারণ প্রোডাক্ট লেবেল ও গবেষণার ভিত্তিতে দেওয়া হলো।
| ব্যবহার | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা | সেবনের সময় |
|---|---|---|
| ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক | ৫০০ মিগ্রা থেকে ১৫০০ মিগ্রা স্ট্যান্ডার্ডাইজড এক্সট্র্যাক্ট | স্টার্চযুক্ত খাবারের সাথে বা ঠিক আগে, দিনে ১-৩ বার, প্রোডাক্ট লেবেল অনুযায়ী |
| রক্তে গ্লুকোজ ব্যবস্থাপনায় সহায়ক | ৫০০ মিগ্রা থেকে ১০০০ মিগ্রা স্ট্যান্ডার্ডাইজড এক্সট্র্যাক্ট | দিনের প্রধান স্টার্চযুক্ত খাবারের ঠিক আগে |
White Kidney Bean Extract সেবন শুরুর আগে অবশ্যই নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট লেবেল অনুসরণ করুন এবং চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন, বিশেষত যদি অন্য কোনো প্রেসক্রিপশন ওষুধ সেবন করা হয়।
White Kidney Bean Extract এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত, যা এর কার্যপ্রণালীর সাথে সংগতিপূর্ণ:
এই প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার হয় এবং বেশি স্টার্চযুক্ত খাবারের সাথে White Kidney Bean Extract সেবনে বেশি দেখা যেতে পারে। White Kidney Bean Extract অ্যান্টিডায়াবেটিক ওষুধের সাথে ব্যবহার করলে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণও দেখা দিতে পারে (দেখুন মিথষ্ক্রিয়া)।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।