
Eromycin DS500 mg
Square Pharmaceuticals PLC.

A-Mycin একটি ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক যা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে পাকস্থলীর গতিশীলতা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।
A-Mycin ম্যাক্রোলাইড শ্রেণীর অ্যান্টিবায়োটিক।
Erythromycin সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়ার 50S রাইবোজোমাল সাবইউনিটের সাথে বিপরীতমুখীভাবে যুক্ত হয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত করে, যার ফলে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ হয় বা মৃত্যু ঘটে। এটি স্ট্রেপ্টোকক্কাস, কিছু স্ট্যাফাইলোকক্কাস, লেজিওনেলা, মাইকোপ্লাজমা, ক্ল্যামাইডিয়া ও বোর্ডেটেলা পারটুসিসের বিরুদ্ধে কার্যকর। এছাড়াও, Erythromycin পাকস্থলী ও অন্ত্রের মোটিলিন রিসেপ্টরে অ্যাগোনিস্ট হিসেবে কাজ করে গতিশীলতা বৃদ্ধি করে, যা এর অফ-লেবেল প্রোকাইনেটিক ব্যবহারের ভিত্তি।
A-Mycin চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ বা অন্য কাউকে দেওয়া উচিত নয়, কারণ এতে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হতে পারে।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | শিশুদের মাত্রা |
|---|---|---|
| শ্বাসতন্ত্র/ত্বক সংক্রমণ | প্রতি ৬ ঘণ্টায় ২৫০-৫০০ মি.গ্রা., গুরুতর ক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ৪ গ্রাম পর্যন্ত | দৈনিক ৩০-৫০ মি.গ্রা./কেজি, বিভক্ত মাত্রায় |
| স্ট্রেপ্টোকক্কাল ফ্যারিঞ্জাইটিস | প্রতি ৬ ঘণ্টায় ২৫০ মি.গ্রা., ১০ দিন | দৈনিক ২০-৫০ মি.গ্রা./কেজি, ১০ দিন |
| হুপিং কাশি (পারটুসিস) | দৈনিক ৪০-৫০ মি.গ্রা./কেজি (সর্বোচ্চ ২ গ্রাম), ১৪ দিন | দৈনিক ৪০-৫০ মি.গ্রা./কেজি, ১৪ দিন |
| রিউম্যাটিক ফিভার প্রতিরোধ | দিনে দুইবার ২৫০ মি.গ্রা. | ওজন অনুসারে, চিকিৎসকের পরামর্শে |
বিলম্বিত-মুক্তির ট্যাবলেট চিবানো বা গুঁড়া না করে পুরোটা গিলে খেতে হবে। খাদ্যতালিকার সাথে সম্পর্ক ফর্মুলেশন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে, লেবেল অনুসরণ করুন।
A-Mycin CYP3A4 এনজাইমের একটি শক্তিশালী প্রতিরোধক এবং এই পথে বিপাকিত ওষুধের রক্তমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে।
A-Mycin শুরু করার আগে সেবনরত সকল ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসককে জানান।
Erythromycin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
A-Mycin-এর অধিকাংশ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত এবং মাত্রার সাথে সম্পর্কিত।
তীব্র ডায়রিয়া, ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, বা এলার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থায় A-Mycin শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। A-Mycin-এর এস্টোলেট লবণ ফর্ম গর্ভাবস্থায় মায়ের যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকির কারণে এড়িয়ে চলা উচিত।
A-Mycin অল্প পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে। এটি সাধারণত স্তন্যদানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং শিশুর মধ্যে পেটের সমস্যা বা র্যাশের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
A-Mycin চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে গ্রহণ করতে হবে; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ বা অন্য কাউকে দেওয়া উচিত নয়, যাতে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি কমানো যায়।
A-Mycin-এর অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণে তীব্র পরিপাকতন্ত্রের লক্ষণ (বমি বমি ভাব, বমি, পেটে খিঁচুনি, ডায়রিয়া), সাময়িক শ্রবণশক্তি হ্রাস, বা সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দন অনিয়ম (QT দীর্ঘায়নসহ) দেখা দিতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। A-Mycin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; চিকিৎসা সহায়ক ও লক্ষণভিত্তিক হবে। বাড়িতে নিজে থেকে কোনো চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।
ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মিশ্রিত মুখে খাওয়ার সাসপেনশন লেবেলে নির্দেশিত অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন এবং নির্ধারিত মেয়াদ শেষে ফেলে দিন।
A-Mycin শিশুদের ক্ষেত্রে সংবেদনশীল সংক্রমণে (যেমন হুপিং কাশি, স্ট্রেপ্টোকক্কাল ফ্যারিঞ্জাইটিস) ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত, সাধারণত দৈনিক ৩০-৫০ মি.গ্রা./কেজি বিভক্ত মাত্রায়। নবজাতকদের ক্ষেত্রে পাইলোরিক স্টেনোসিসের ঝুঁকির কারণে অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে এবং খাওয়ানোর সমস্যা বা তীব্র বমি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
যকৃতের কার্যকারিতা দুর্বল রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ A-Mycin প্রধানত যকৃতের মাধ্যমে নির্গত হয়। বয়স্ক রোগী, বিশেষত একাধিক ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে QT দীর্ঘায়নের ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে বিধায় সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। গুরুতর কিডনি সমস্যায় উচ্চ মাত্রায় সতর্কতা প্রয়োজন।
Q: A-Mycin 500 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: A-Mycin 500 mg Tablet একটি ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক যা শ্বাসতন্ত্র, ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমণ, নির্দিষ্ট যৌনবাহিত সংক্রমণ, হুপিং কাশি এবং ডিপথেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, এবং পেনিসিলিন-এলার্জিযুক্ত রোগীদের জন্য প্রায়ই বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কম মাত্রায় এটি পাকস্থলীর গতিশীলতাজনিত সমস্যায় অফ-লেবেল ব্যবহৃত হতে পারে।
Q: গর্ভাবস্থায় কি A-Mycin 500 mg Tablet গ্রহণ করা যাবে?
A: গর্ভাবস্থায় A-Mycin 500 mg Tablet শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত; আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। A-Mycin 500 mg Tablet-এর এস্টোলেট লবণ ফর্ম গর্ভাবস্থায় মায়ের যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকির কারণে এড়িয়ে চলা উচিত।
Q: A-Mycin 500 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: A-Mycin 500 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা - বমি বমি ভাব, বমি, পেটে খিঁচুনি ও ডায়রিয়া, যা এর অন্ত্র গতিশীলতার উপর প্রভাবের সাথে সম্পর্কিত। কম ক্ষেত্রে ত্বকের এলার্জিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
Q: A-Mycin 500 mg Tablet কি হৃদযন্ত্রে প্রভাব ফেলতে পারে?
A: হ্যাঁ। A-Mycin 500 mg Tablet QT ইন্টারভাল দীর্ঘায়িত করতে পারে এবং বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর হৃদস্পন্দন অনিয়ম ঘটাতে পারে, বিশেষত অন্যান্য নির্দিষ্ট ওষুধের সাথে একত্রে ব্যবহারে বা বিদ্যমান হৃদরোগ থাকলে। A-Mycin 500 mg Tablet শুরু করার আগে আপনার সকল ওষুধ ও হৃদরোগের ইতিহাস সম্পর্কে চিকিৎসককে জানান।
Q: A-Mycin 500 mg Tablet কি অন্য ওষুধের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করে?
A: হ্যাঁ, A-Mycin 500 mg Tablet-এর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে, যেমন কিছু স্ট্যাটিন, আরগট ওষুধ, রক্ত পাতলাকারী, ডিগক্সিন, থিওফাইলিন এবং QT দীর্ঘায়নকারী ওষুধের সাথে। A-Mycin 500 mg Tablet শুরু করার আগে সেবনরত সকল ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট সম্পর্কে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।
Q: A-Mycin 500 mg Tablet কীভাবে সেবন করতে হবে?
A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর A-Mycin 500 mg Tablet সেবন করুন এবং ভালো বোধ করলেও পুরো কোর্স সম্পন্ন করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ বা অন্য কাউকে দেওয়া উচিত নয়।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।