
Sonexa C0.1%+0.5%
Aristopharma Ltd.

A-Phenicol D হলো একটি চোখে ব্যবহারযোগ্য কম্বিনেশন ঔষধ যাতে একটি কর্টিকোস্টেরয়েড ও একটি ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিক থাকে। এটি স্টেরয়েড-রেসপন্সিভ চোখের প্রদাহজনিত অবস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ থাকে বা হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
A-Phenicol D চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত। ভাইরাস, ছত্রাক বা মাইকোব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট চোখের সংক্রমণে এটি ব্যবহার করা যাবে না (প্রতিনির্দেশনা দেখুন), এবং অজানা কারণে লাল বা জ্বালাপোড়া চোখের জন্য সাধারণ ড্রপ হিসেবে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
A-Phenicol D একটি চোখের কর্টিকোস্টেরয়েড + অ্যান্টিবায়োটিক কম্বিনেশন থেরাপিউটিক শ্রেণির ওষুধ, যা একটি প্রদাহনাশক কর্টিকোস্টেরয়েড এবং একটি ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানকে একত্রিত করে চোখে টপিক্যাল ব্যবহারের জন্য তৈরি।
ডেক্সামিথাসোন একটি সিনথেটিক গ্লুকোকর্টিকয়েড যা প্রদাহজনক মধ্যস্থতাকারী নিঃসরণ কমিয়ে, কৈশিক নালীর ভেদ্যতা হ্রাস করে এবং প্রদাহজনক কোষ (লিউকোসাইট, ম্যাক্রোফেজ) এর আক্রান্ত স্থানে স্থানান্তর দমন করে প্রদাহ প্রতিক্রিয়া দমন করে।
ক্লোরামফেনিকল একটি ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার 50S রাইবোজোমাল সাবইউনিটের সাথে যুক্ত হয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ বাধা দিয়ে ব্যাকটেরিওস্ট্যাটিক প্রভাব ফেলে, যা ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিসে সাধারণত দায়ী বিভিন্ন গ্রাম-পজিটিভ ও গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর।
চোখে টপিক্যালভাবে প্রয়োগ করা হলে Dexamethasone + Chloramphenicol-এর সিস্টেমিক শোষণ সাধারণত কম হয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার, কর্নিয়ার এপিথেলিয়াম ক্ষতিগ্রস্ত হলে, বা শিশুদের ক্ষেত্রে কিছুটা শোষণ হতে পারে।
A-Phenicol D শুধুমাত্র চোখে ব্যবহারের জন্য এবং চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।
| পর্যায় | মাত্রা |
|---|---|
| শুরুতে (প্রথম ২৪-৪৮ ঘণ্টা) | আক্রান্ত চোখে প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর ১-২ ফোঁটা |
| উন্নতি হলে (রক্ষণাবেক্ষণ পর্যায়) | দিনে ৪ বার ১-২ ফোঁটা, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে |
চিকিৎসক প্রথম দিকে আরও ঘনঘন ড্রপ (যেমন প্রতি ১৫-৩০ মিনিটে) দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন, পরে সংক্রমণ ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে এলে ধীরে ধীরে কমানো হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রার ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন করবেন না।
নিচের চোখের পাতার ভেতরে প্রায় ১ সেমি পরিমাণ মলম দিনে ২-৩ বার, অথবা দিনের বেলার ড্রপের পাশাপাশি রাতে একবার, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে।
চিকিৎসা সাধারণত স্বল্পমেয়াদী (সাধারণত ৭-১০ দিনের বেশি নয়), যদি না চিকিৎসক পর্যবেক্ষণসহ দীর্ঘ ব্যবহারের নির্দেশ দেন, কারণ দীর্ঘমেয়াদী কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহারে চোখের ঝুঁকি রয়েছে (সতর্কতা অংশ দেখুন)। চিকিৎসকের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ীই সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, মাত্রা বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।
A-Phenicol D টপিক্যাল চোখের ব্যবহারে সাধারণত সীমিত ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারঅ্যাকশন থাকে, তবে নিচের বিষয়গুলো লক্ষণীয়:
অন্যান্য চোখের ড্রপসহ সকল ওষুধের বিষয়ে সবসময় চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।
Dexamethasone + Chloramphenicol নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
A-Phenicol D-এর অধিকাংশ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া স্থানীয় এবং মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার, প্রয়োগস্থল সংশ্লিষ্ট।
অস্বাভাবিক ক্ষত, রক্তক্ষরণ, গলাব্যথা বা জ্বরের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসককে জানান।
গর্ভাবস্থায় A-Phenicol D শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকিকে ন্যায্যতা দেয়। টপিক্যাল চোখের ব্যবহারে সিস্টেমিক শোষণ সাধারণত কম হয়, তবে উচ্চ মাত্রায় সিস্টেমিকভাবে দেওয়া হলে কর্টিকোস্টেরয়েড প্রাণী গবেষণায় ভ্রূণের উপর প্রভাব ফেলেছে বলে দেখা গেছে, এবং ক্লোরামফেনিকলের সাথে তাত্ত্বিক উদ্বেগ (যেমন “গ্রে বেবি সিনড্রোম”) মূলত সিস্টেমিক ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত, টপিক্যাল চোখের ব্যবহারের সাথে নয়। শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এবং সর্বনিম্ন কার্যকর সময়ের জন্য ব্যবহার করুন।
টপিক্যালভাবে প্রয়োগকৃত ডেক্সামিথাসোন বা ক্লোরামফেনিকল মায়ের বুকের দুধে ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা নেই। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত; স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
A-Phenicol D-এর দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে চোখের চাপ বৃদ্ধি ও গ্লুকোমা এবং অপটিক নার্ভের ক্ষতি, এবং পোস্টেরিয়র সাবক্যাপসুলার ছানি সৃষ্টি হতে পারে। ১০ দিনের বেশি ব্যবহারে চোখের চাপ পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
অজানা সংক্রমণের উপস্থিতিতে কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহার সংক্রমণের লক্ষণ ঢেকে দিতে পারে বা বিদ্যমান সংক্রমণ বাড়িয়ে দিতে পারে। কর্নিয়া বা স্ক্লেরা পাতলা হওয়ার রোগে টপিক্যাল স্টেরয়েড ব্যবহারে ছিদ্র হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ব্যবহারের পরও কর্নিয়ার ক্ষত উন্নতি না হলে ছত্রাক সংক্রমণ সন্দেহ করা উচিত এবং যথাযথ পরীক্ষা করানো উচিত।
ক্লোরামফেনিকলের সাথে সম্পর্কিত গুরুতর, বিরল এবং কখনো কখনো প্রাণঘাতী রক্তরোগ (অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া, অস্থিমজ্জা দমন) খুবই বিরলভাবে রিপোর্ট করা হয়েছে, যার মধ্যে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনায় টপিক্যাল চোখের ব্যবহারের পরও দেখা গেছে, যদিও বর্তমান প্রমাণ ইঙ্গিত দেয় যে আই ড্রপের ক্ষেত্রে সামগ্রিক ঝুঁকি অত্যন্ত কম। সতর্কতা হিসেবে, A-Phenicol D শুধুমাত্র নির্ধারিত নিয়মে, সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত, এবং চিকিৎসাকালীন বা পরবর্তী সময়ে কোনো অস্বাভাবিক ক্ষত, রক্তক্ষরণ, ক্রমাগত গলাব্যথা, মুখের ঘা, বা জ্বর দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসককে জানানো উচিত। চিকিৎসকের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ীই সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, মাত্রা বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।
এই পণ্যটি শুধুমাত্র চোখে টপিক্যাল ব্যবহারের জন্য। এটি ইনজেকশন হিসেবে বা লেবেলে নির্দেশিত ছাড়া অন্য কোনো পথে ব্যবহার করা যাবে না।
অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুতির মতো, দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে অ-সংবেদনশীল জীবাণু (ছত্রাকসহ) অতিবৃদ্ধি ঘটতে পারে। সুপার-ইনফেকশন দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে যথাযথ বিকল্প চিকিৎসা শুরু করা উচিত।
চিকিৎসকের ভিন্ন নির্দেশ না থাকলে চিকিৎসাকালীন কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
চোখে টপিক্যালভাবে অতিরিক্ত A-Phenicol D ড্রপ প্রয়োগে গুরুতর সিস্টেমিক বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা কম, তবে স্থানীয় জ্বালাপোড়া বৃদ্ধি পেতে পারে। ভুলবশত অতিরিক্ত ড্রপ প্রয়োগ হলে হালকা গরম পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলা যেতে পারে।
যদি A-Phenicol D ভুলবশত গিলে ফেলা হয় বা কোনো শিশু উল্লেখযোগ্য পরিমাণে গিলে ফেলে, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। ভুলবশত গিলে ফেলার ক্ষেত্রে বাড়িতে নিজে চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না; সম্ভব হলে চিকিৎসাকেন্দ্রে পণ্যের কনটেইনার সাথে নিয়ে যান।
ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। হিমায়িত করবেন না। ব্যবহারের পর ঢাকনা শক্তভাবে বন্ধ রাখুন। বেশিরভাগ মাল্টি-ডোজ চোখের প্রস্তুতির মতো, খোলার ৪ সপ্তাহ (২৮-৩০ দিন) পর অবশিষ্ট ওষুধ ফেলে দিন, অথবা প্রস্তুতকারকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
নবজাতক ও শিশুদের ক্ষেত্রে A-Phenicol D-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, এবং এই বয়সে সিস্টেমিক শোষণ বেশি হওয়ার তাত্ত্বিক ঝুঁকির কারণে সতর্কতা প্রয়োজন। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার শুধুমাত্র নিবিড় চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে, সর্বনিম্ন কার্যকর সময়ের জন্য হওয়া উচিত।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না; চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করুন এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার প্রয়োজন হলে চোখের চাপ ও ছানির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।
টপিক্যাল চোখের ব্যবহারে সিস্টেমিক শোষণ কম হওয়ায় সাধারণত কিডনি বা লিভারের সমস্যার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না; তবে দীর্ঘমেয়াদী বা ঘনঘন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Q: A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution আই ড্রপ চোখের স্টেরয়েড-রেসপন্সিভ প্রদাহজনিত অবস্থা, যেমন অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস, কেরাটাইটিস, এবং আইরাইটিস চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যখন সেখানে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ থাকে বা তার ঝুঁকি থাকে, যেমন একিউট ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিসে।
Q: যেকোনো লাল বা চুলকানো চোখের জন্য কি A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution ব্যবহার করা যাবে?
A: না। A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution শুধুমাত্র চিকিৎসক কর্তৃক নির্ণীত অবস্থার জন্য নির্ধারিত হিসেবে ব্যবহার করা উচিত। এটি হারপিস সিমপ্লেক্স কেরাটাইটিসের মতো ভাইরাল চোখের সংক্রমণ, ছত্রাকজনিত সংক্রমণ, বা মাইকোব্যাকটেরিয়াল (যক্ষ্মাজনিত) চোখের সংক্রমণে ব্যবহার করা যাবে না, কারণ কর্টিকোস্টেরয়েড উপাদান এসব অবস্থা আরও খারাপ করতে পারে।
Q: A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution কতদিন ব্যবহার করা যায়?
A: চিকিৎসা সাধারণত স্বল্পমেয়াদী, সাধারণত ৭-১০ দিনের বেশি নয়, যদি না আপনার চিকিৎসক পর্যবেক্ষণসহ ভিন্নভাবে নির্দেশ দেন। A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution-এর দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে চোখের চাপ বৃদ্ধি (গ্লুকোমা), ছানি, ও সেকেন্ডারি সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। চিকিৎসকের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ীই সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, মাত্রা বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।
Q: A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution আই ড্রপে গুরুতর রক্তরোগের কোনো ঝুঁকি আছে কি?
A: A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution-এর একটি উপাদান ক্লোরামফেনিকল খুব বিরল ক্ষেত্রে অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার মতো গুরুতর রক্তরোগের সাথে সম্পর্কিত হয়েছে বলে জানা গেছে, যার মধ্যে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনায় টপিক্যাল চোখের ব্যবহারও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে বর্তমান প্রমাণ ইঙ্গিত দেয় যে মুখে খাওয়া বা ইনজেকশনযোগ্য ক্লোরামফেনিকলের তুলনায় আই ড্রপে এই ঝুঁকি অত্যন্ত কম। কোনো অস্বাভাবিক ক্ষত, রক্তক্ষরণ, ক্রমাগত গলাব্যথা, বা জ্বর দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসককে জানান।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution ব্যবহার করা যাবে কি?
A: গর্ভাবস্থায় A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকিকে ন্যায্যতা দেয়, এবং শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে। স্তন্যদানকালেও সতর্কতা প্রয়োজন। আপনি গর্ভবতী হলে, গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে, বা স্তন্যদান করালে ব্যবহারের আগে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: A-Phenicol D 0.1%+0.5% Ophthalmic Solution আই ড্রপ কীভাবে সঠিকভাবে প্রয়োগ করবেন?
A: হাত ধুয়ে নিন, মাথা পেছনে হেলিয়ে নিচের চোখের পাতা আলতোভাবে টেনে নামান, এবং ড্রপারের ডগা চোখে না লাগিয়ে নির্ধারিত সংখ্যক ফোঁটা প্রয়োগ করুন। ১-২ মিনিট চোখ আলতোভাবে বন্ধ রাখুন এবং শরীরে শোষণ কমাতে চোখের ভেতরের কোণে হালকা চাপ দিন। আপনার বোতল অন্য কারো সাথে শেয়ার করবেন না, এবং খোলার পর নির্দেশিত সময় অনুযায়ী ফেলে দিন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।