Product gallery

Abaclor500 mg


MRP ৪০.২৭১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৩৬.২৪/piece
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Abaclor একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট নিম্নলিখিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়:

  • ওটাইটিস মিডিয়া (মধ্যকর্ণের সংক্রমণ)
  • ফ্যারিঞ্জাইটিস ও টনসিলাইটিস
  • নিম্ন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, যেমন নিউমোনিয়া ও ব্রংকাইটিস
  • মূত্রনালীর সংক্রমণ (পাইলোনেফ্রাইটিস ও সিস্টাইটিসসহ)
  • ত্বক ও ত্বকের নিচের কোমল টিস্যুর সংক্রমণ

Abaclor শুধুমাত্র প্রমাণিত বা দৃঢ়ভাবে সন্দেহভাজন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত। এটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ যেমন সাধারণ সর্দি-কাশি বা ফ্লু-তে কার্যকর নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

দ্বিতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক (মুখে সেবনযোগ্য)

ফার্মাকোলজি

Cefaclor Monohydrate একটি ব্যাকটেরিয়া-বিনাশী (bactericidal), অর্ধ-সংশ্লেষিত সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক, যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর সংশ্লেষণে বাধা দিয়ে কাজ করে, ফলে সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যায়। এটি নির্দিষ্ট কিছু বিটা-ল্যাকটামেজ এনজাইমের বিরুদ্ধে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল, যার ফলে এর কার্যকারিতার পরিধি বিস্তৃত। Cefaclor Monohydrate গ্রাম-পজিটিভ জীবাণু যেমন Streptococcus pneumoniae, Streptococcus pyogenes এবং সংবেদনশীল Staphylococcus aureus-এর বিরুদ্ধে এবং গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণু যেমন Haemophilus influenzae, Escherichia coli, Proteus mirabilis ও Klebsiella প্রজাতির বিরুদ্ধে কার্যকর। মুখে সেবনের পর এটি পরিপাকতন্ত্র থেকে ভালোভাবে শোষিত হয় এবং কিডনির মাধ্যমে দেহ থেকে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Abaclor-এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন, তীব্রতা এবং রোগীর বয়স ও ওজনের উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।

  • প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণ মাত্রা প্রতি ৮ ঘণ্টায় ২৫০ মি.গ্রা.; তীব্র সংক্রমণে মাত্রা দ্বিগুণ পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে, তবে দৈনিক সর্বোচ্চ ৪ গ্রাম-এর বেশি নয়।
  • শিশু (১ মাস বা তার বেশি বয়সী): সাধারণ মাত্রা প্রতিদিন ২০ মি.গ্রা./কেজি, প্রতি ৮ ঘণ্টা অন্তর বিভক্ত মাত্রায়; ওটাইটিস মিডিয়া বা তীব্র সংক্রমণে প্রতিদিন ৪০ মি.গ্রা./কেজি পর্যন্ত (সর্বোচ্চ প্রতিদিন ১ গ্রাম) দেওয়া যেতে পারে।
  • স্ট্রেপ্টোকক্কাল ফ্যারিঞ্জাইটিস/টনসিলাইটিস: রিউম্যাটিক ফিভারের ঝুঁকি কমাতে কমপক্ষে ১০ দিন চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।
  • কিডনি সমস্যা থাকলে: সাধারণত মৃদু থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না; হেমোডায়ালাইসিসের রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করতে হতে পারে।

Abaclor খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়; সাসপেনশন প্রতিবার সেবনের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী যথাযথভাবে Abaclor সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ অথবা অন্য কাউকে এই ঔষধ দেবেন না। লক্ষণ ভালো হয়ে গেলেও পুরো কোর্স সম্পূর্ণ করা সংক্রমণ পুরোপুরি নির্মূল করতে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়া রোধ করতে অত্যন্ত জরুরি।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Abaclor-এর সাথে নিম্নলিখিত উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া দেখা যেতে পারে:

  • প্রোবেনিসিড (Probenecid): এটি Abaclor-এর কিডনির মাধ্যমে নিঃসরণ কমিয়ে দিতে পারে, ফলে রক্তে এর মাত্রা বেড়ে যেতে ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে; একসাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন।
  • মুখে সেবনযোগ্য অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (যেমন ওয়ারফারিন): Abaclor-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্টের প্রভাব বৃদ্ধি পেতে পারে; প্রোথ্রম্বিন টাইম/আইএনআর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • ল্যাবরেটরি পরীক্ষা: Abaclor কপার-রিডাকশন পদ্ধতির প্রস্রাব গ্লুকোজ পরীক্ষায় (যেমন বেনেডিক্ট বা ফেলিং দ্রবণ, ক্লিনিটেস্ট) মিথ্যা-পজিটিভ ফলাফল দেখাতে পারে; এনজাইম-ভিত্তিক গ্লুকোজ পরীক্ষা প্রভাবিত হয় না। মিথ্যা-পজিটিভ কুম্বস পরীক্ষারও রিপোর্ট রয়েছে।

Abaclor শুরু করার আগে আপনি যেসব ঔষধ, ওষুধবিহীন (over-the-counter) ঔষধ ও সাপ্লিমেন্ট সেবন করছেন তা চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

Cefaclor Monohydrate অথবা অন্য যেকোনো সেফালোস্পোরিন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি পরিচিত অ্যালার্জি বা অতি সংবেদনশীলতা থাকলে এই ঔষধ সেবন করা যাবে না।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

অধিকাংশ রোগী Abaclor ভালোভাবে সহ্য করতে পারেন। প্রতিবেদিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • সাধারণ: ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি, পেটে অস্বস্তি এবং ত্বকে র‍্যাশ।
  • অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া: ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি, আর্টিকেরিয়া; বিরল ক্ষেত্রে স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস বা অ্যানাফাইল্যাক্সিসের মতো গুরুতর প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যার জন্য জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
  • সিরাম সিকনেস-সদৃশ প্রতিক্রিয়া: র‍্যাশ, গাঁটে ব্যথা বা ফোলাভাব (আর্থ্রাইটিস/আর্থ্রালজিয়া) এবং জ্বর দেখা দিতে পারে, যা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, সাধারণত দ্বিতীয় বা পরবর্তী কোর্সের সময় বা পরে; ঔষধ বন্ধ করার কয়েক দিনের মধ্যে সাধারণত এটি সেরে যায়।
  • পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত: প্রায় যেকোনো অ্যান্টিবায়োটিকের মতো Abaclor সেবনেও Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া (CDAD) হতে পারে, যা মৃদু ডায়রিয়া থেকে শুরু করে গুরুতর, প্রাণঘাতী কোলাইটিস পর্যন্ত হতে পারে — এমনকি চিকিৎসা শেষ হওয়ার দুই মাস পর পর্যন্তও এটি দেখা দিতে পারে। তীব্র, দীর্ঘস্থায়ী বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • কম দেখা যায়: লিভার এনজাইম বৃদ্ধি, কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস, রক্তকণিকার সাময়িক পরিবর্তন (ইওসিনোফিলিয়া, লিউকোপেনিয়া, বিরল ক্ষেত্রে হেমোলাইটিক অ্যানিমিয়া), সাময়িক অতি সক্রিয়তা, অস্থিরতা, অনিদ্রা, বিভ্রান্তি বা মাথা ঘোরা (বিরল)।

Abaclor সেবনকালে তীব্র র‍্যাশ, শ্বাসকষ্ট, মুখ ফুলে যাওয়া, তীব্র ডায়রিয়া বা লিভার সমস্যার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে Abaclor নিয়ে পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। প্রাণী গবেষণায় ভ্রূণের ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে এটি মানুষের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয় না। চিকিৎসকের মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই কেবল গর্ভাবস্থায় Abaclor ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদান: সামান্য পরিমাণে Abaclor মায়ের বুকের দুধে যেতে পারে। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে এটি প্রয়োগ করা উচিত এবং শিশুর মধ্যে ডায়রিয়া বা মুখে ছত্রাক সংক্রমণের মতো লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা উচিত। স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

Abaclor সেবনের আগে চিকিৎসককে জানান যদি আপনার নিম্নলিখিত বিষয়গুলো থাকে:

  • পেনিসিলিনের প্রতি অ্যালার্জির ইতিহাস — পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন গোত্রের ঔষধের মধ্যে আংশিক ক্রস-রিঅ্যাকটিভিটির ঝুঁকি রয়েছে; পেনিসিলিন-অ্যালার্জিক রোগীদের ক্ষেত্রে Abaclor সতর্কতার সাথে ও চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হবে।
  • পরিপাকতন্ত্রের রোগের ইতিহাস, বিশেষ করে কোলাইটিস।
  • কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস।

অন্যান্য সতর্কতা:

  • দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে অ-সংবেদনশীল জীবাণুর অতিবৃদ্ধি (সুপারইনফেকশন) হতে পারে; দীর্ঘ চিকিৎসার সময় নতুন সংক্রমণের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করুন।
  • সিরাম সিকনেস-সদৃশ প্রতিক্রিয়া (র‍্যাশ, গাঁটে ব্যথা, জ্বর) হতে পারে, যা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়; এটি সাধারণত ঔষধ বন্ধ করার পর সেরে যায়, তবে দ্রুত চিকিৎসককে জানানো উচিত।
  • তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়ার লক্ষণ লক্ষ্য রাখুন, যা Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়ার ইঙ্গিত হতে পারে এবং চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
  • অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী যথাযথভাবে Abaclor সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ অথবা অন্য কাউকে এই ঔষধ দেবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অবশিষ্ট Abaclor অন্য কোনো অসুস্থতায় ব্যবহার করবেন না।

মাত্রাধিক্যতা

Abaclor অতিরিক্ত সেবনের ফলে বমি বমি ভাব, বমি, পেটের উপরিভাগে অস্বস্তি এবং ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সাধারণত সহায়ক (supportive) হয়ে থাকে; সেবনের পরপর সক্রিয় কাঠকয়লা (activated charcoal) শোষণ কমাতে সাহায্য করতে পারে। শরীর থেকে Abaclor অপসারণে হেমোডায়ালাইসিসের কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

সংরক্ষণ

ক্যাপসুল/ট্যাবলেট: Abaclor কক্ষ তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

মিশ্রিত (reconstituted) সাসপেনশন: মেশানোর পর Abaclor সাসপেনশন ফ্রিজে (২-৮°সে) সংরক্ষণ করুন; প্রতিবার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন এবং পাত্রের মুখ শক্তভাবে বন্ধ রাখুন। ফ্রিজে সংরক্ষিত অবস্থায় মিশ্রিত সাসপেনশন সাধারণত ১৪ দিন পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য থাকে — এই সময়ের পরে অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: Abaclor ১ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ওটাইটিস মিডিয়া, ফ্যারিঞ্জাইটিস/টনসিলাইটিস এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে। সাধারণ মাত্রা প্রতিদিন ২০ মি.গ্রা./কেজি (৮ ঘণ্টা অন্তর বিভক্ত মাত্রায়); ওটাইটিস মিডিয়া বা তীব্র সংক্রমণে প্রতিদিন ৪০ মি.গ্রা./কেজি পর্যন্ত (সর্বোচ্চ প্রতিদিন ১ গ্রাম)। ১ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শিশুদের ক্ষেত্রে সিরাম সিকনেস-সদৃশ প্রতিক্রিয়া (র‍্যাশ, গাঁটে ব্যথা, জ্বর) প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি দেখা যায়, বিশেষত বারবার কোর্স নেওয়ার ক্ষেত্রে।

বয়স্ক রোগী: সাধারণত আলাদা মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে বয়সজনিত কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস বিবেচনায় রাখা উচিত।

কিডনি ও লিভার সমস্যাযুক্ত রোগী: মৃদু থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় সাধারণত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না; হেমোডায়ালাইসিসের রোগীদের চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে। লিভারের সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Abaclor 500 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Abaclor 500 mg Capsule একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা কানের সংক্রমণ (ওটাইটিস মিডিয়া), গলার সংক্রমণ, সাইনাস ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, মূত্রনালীর সংক্রমণ এবং ত্বকের সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Q: ভালো বোধ করলে কি Abaclor 500 mg Capsule সেবন বন্ধ করে দেওয়া যাবে?

A: না। চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া লক্ষণ ভালো হয়ে গেলেও Abaclor 500 mg Capsule-এর পুরো কোর্স সম্পূর্ণ করা উচিত। আগে বন্ধ করলে সংক্রমণ ফিরে আসতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির ঝুঁকি বাড়ে।

Q: শিশুরা কি Abaclor 500 mg Capsule সেবন করতে পারে?

A: হ্যাঁ, ১ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Abaclor 500 mg Capsule প্রায়ই নির্ধারণ করা হয়, শিশুর শরীরের ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। ১ মাসের কম বয়সী শিশুদের জন্য এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

Q: পেনিসিলিনে অ্যালার্জি থাকলে কি Abaclor 500 mg Capsule সেবন নিরাপদ?

A: পেনিসিলিন ও Abaclor 500 mg Capsule-এর মতো সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিকের মধ্যে ক্রস-রিঅ্যাকটিভিটির ঝুঁকি রয়েছে। চিকিৎসা শুরুর আগে আপনার পেনিসিলিন অ্যালার্জির বিষয়ে চিকিৎসককে জানান, যাতে তিনি মূল্যায়ন করতে পারেন Abaclor 500 mg Capsule আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা।

Q: মেশানোর পর Abaclor 500 mg Capsule সাসপেনশন কীভাবে সংরক্ষণ করব?

A: মেশানোর পর Abaclor 500 mg Capsule সাসপেনশন ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন, প্রতিবার সেবনের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন এবং ১৪ দিনের মধ্যে অব্যবহৃত অংশ ব্যবহার না করলে ফেলে দিন।

Q: Abaclor 500 mg Capsule-এর কোনো মাত্রা মিস হলে কী করব?

A: মনে পড়ামাত্র মিস হওয়া মাত্রাটি সেবন করুন। যদি পরবর্তী মাত্রার সময় প্রায় হয়ে যায়, তাহলে মিস হওয়া মাত্রাটি বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণ করুন — দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না। প্রশ্ন থাকলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor
Cart
Account