
N-MAX200 mg+500
Beximco Pharmaceuticals Ltd.

Ace Duo হলো একটি নির্দিষ্ট মাত্রার সংমিশ্রণ ব্যথানাশক ও জ্বরনাশক ঔষধ, যা স্বল্পমেয়াদে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যথা ও জ্বর উপশমে ব্যবহৃত হয়।
দ্রষ্টব্য: Ace Duo শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদী উপসর্গ উপশমের জন্য ব্যবহৃত হয়; এটি ব্যথা, প্রদাহ বা জ্বরের মূল কারণ নিরাময়ের জন্য নির্দেশিত নয়।
Ace Duo নন-অপিওয়েড অ্যানালজেসিক ও অ্যান্টিপাইরেটিক সংমিশ্রণ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত — এটি একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) এবং প্যারা-অ্যামাইনোফেনল গোত্রের অ-NSAID অ্যানালজেসিক/অ্যান্টিপাইরেটিকের সমন্বয়।
Ibuprofen + Paracetamol-এর দুটি উপাদান একসাথে কাজ করে:
মুখে খাওয়ার পর Ibuprofen + Paracetamol-এর উভয় উপাদানই দ্রুত শোষিত হয় এবং প্রায় ১-২ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ রক্ত-ঘনত্বে পৌঁছায়। আইবুপ্রোফেন উচ্চমাত্রায় প্রোটিন-আবদ্ধ (~৯৯%) এবং যকৃতে বিপাকিত হয়, এর অর্ধায়ু প্রায় ২ ঘণ্টা। প্যারাসিটামল মূলত যকৃতে গ্লুকুরোনিডেশন ও সালফেশন প্রক্রিয়ায় বিপাকিত হয়, এর একটি ক্ষুদ্র অংশ যকৃতের জন্য ক্ষতিকর NAPQI মেটাবোলাইট তৈরি করে যা সাধারণত গ্লুটাথায়ন দ্বারা নিষ্ক্রিয় হয়; এর অর্ধায়ু প্রায় ২-৩ ঘণ্টা। উভয় উপাদানই মূলত বৃক্কের মাধ্যমে মেটাবোলাইট আকারে নির্গত হয়।
Ace Duo-এর মাত্রা পণ্যের নির্দিষ্ট শক্তি ও রোগীর বয়সের উপর নির্ভর করে। উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের জন্য সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| মৃদু থেকে মাঝারি ব্যথা/জ্বর | প্রতি ৬-৮ ঘণ্টা অন্তর ১টি ট্যাবলেট (যেমন আইবুপ্রোফেন ৪০০ মিগ্রা + প্যারাসিটামল ৩২৫ মিগ্রা), ২৪ ঘণ্টায় ৩টির বেশি নয়, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী |
| কম শক্তির OTC পণ্য (যেমন আইবুপ্রোফেন ১২৫ মিগ্রা + প্যারাসিটামল ২৫০ মিগ্রা) | প্রতি ৬-৮ ঘণ্টা অন্তর ১-২টি ট্যাবলেট, লেবেলে উল্লিখিত সর্বোচ্চ দৈনিক মাত্রার বেশি নয় |
অন্যান্য উৎস (যেমন অন্য কোনো সর্দি-কাশি বা ব্যথানাশক পণ্য) থেকে গৃহীত মাত্রাসহ, কোনো উপাদানের সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত দৈনিক মাত্রা অতিক্রম করা যাবে না। Ace Duo সেবনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলা জরুরি।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Ibuprofen + Paracetamol ব্যবহার করা উচিত নয়:
Ace Duo সেবনের পর পাকস্থলী-রক্তক্ষরণ (কালো মল, রক্ত বমি), গুরুতর চর্মপ্রতিক্রিয়া বা যকৃতের ক্ষতির লক্ষণ (জন্ডিস, গাঢ় প্রস্রাব) দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে Ace Duo ব্যবহার নিষিদ্ধ, কারণ এর আইবুপ্রোফেন অংশ ভ্রূণের হৃদযন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ অন্যান্য জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে, বিশেষত গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পর, স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে Ace Duo এড়িয়ে চলা উচিত; প্রয়োজন হলে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, সর্বনিম্ন সময়ের জন্য এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত।
আইবুপ্রোফেন ও প্যারাসিটামল উভয়ই সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে এবং সাধারণত স্বল্পমেয়াদী প্রস্তাবিত মাত্রায় স্তন্যদানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়; তবে যেহেতু এটি একটি নির্দিষ্ট মাত্রার সংমিশ্রণ পণ্য, তাই স্তন্যদানকালে Ace Duo শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ব্যবহার করা উচিত।
Ace Duo-এর অতিরিক্ত মাত্রা একটি চিকিৎসা জরুরি অবস্থা। প্যারাসিটামলের অতিরিক্ত মাত্রায় গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতী যকৃতের ক্ষতি হতে পারে, যা ২৪-৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্পষ্ট নাও হতে পারে; প্রাথমিক লক্ষণগুলো অস্পষ্ট (বমি বমি ভাব, বমি, ঘাম, অস্বস্তি) বা অনুপস্থিত থাকতে পারে। আইবুপ্রোফেনের অতিরিক্ত মাত্রায় বমি বমি ভাব, বমি, পেটব্যথা, ঝিমুনি, পাকস্থলী-রক্তক্ষরণ এবং গুরুতর ক্ষেত্রে বৃক্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস বা স্নায়ুতন্ত্রের অবদমন হতে পারে। Ace Duo-এর অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে রোগী সুস্থ মনে হলেও অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
৩০°সে-এর নিচে স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Ace Duo-এর আইবুপ্রোফেন অংশজনিত পাকস্থলী, বৃক্ক ও হৃদরোগ-সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করুন।
১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মাত্রার Ace Duo সংমিশ্রণ পণ্য সাধারণত সুপারিশ করা হয় না, কারণ এই বয়সসীমায় এই সংমিশ্রণের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়। পরিবর্তে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের নির্দেশনায় বয়স ও ওজন-ভিত্তিক পৃথক মাত্রায় আইবুপ্রোফেন ও প্যারাসিটামল দেওয়া হয়। ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে পণ্যের লেবেল নির্দেশনা অনুসরণ করে এবং চিকিৎসক/ফার্মাসিস্টের তত্ত্বাবধানে Ace Duo ব্যবহার করা যেতে পারে।
Q: Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet একটি সংমিশ্রণ ঔষধ, যা মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যথা (যেমন মাথাব্যথা, দাঁতব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা বা মাসিকের ব্যথা) এবং জ্বর কমাতে স্বল্পমেয়াদে ব্যবহৃত হয়।
Q: আমি কি Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet-এর সাথে অন্য ব্যথানাশক ঔষধ খেতে পারি?
A: না। Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet-এর সাথে আইবুপ্রোফেন যুক্ত অন্য কোনো ঔষধ, অন্য NSAID (যেমন অ্যাসপিরিন বা ন্যাপ্রোক্সেন), বা অতিরিক্ত প্যারাসিটামল একসাথে খাওয়া উচিত নয়, কারণ এতে পাকস্থলী-রক্তক্ষরণ ও অতিরিক্ত মাত্রাজনিত যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যায়। অন্য কোনো ঔষধ খাওয়ার আগে এর উপাদান যাচাই করে নিন।
Q: গর্ভাবস্থায় Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet নিরাপদ কি?
A: গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet ব্যবহার নিষিদ্ধ, কারণ এর আইবুপ্রোফেন অংশ শিশুর গুরুতর ক্ষতি করতে পারে, যার মধ্যে হৃদযন্ত্রের একটি রক্তনালী অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্তর্ভুক্ত। গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে স্পষ্ট প্রয়োজন ও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়।
Q: শিশুরা কি Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet খেতে পারে?
A: ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য নির্দিষ্ট মাত্রার Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet ট্যাবলেট সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। এর চেয়ে কম বয়সী শিশুদের ব্যথা বা জ্বরের জন্য আইবুপ্রোফেন ও প্যারাসিটামল পৃথকভাবে, ওজন ও বয়স অনুযায়ী মাত্রায়, চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের নির্দেশনায় দেওয়া উচিত।
Q: Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet বেশি খেয়ে ফেললে কী হবে?
A: Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রা একটি চিকিৎসা জরুরি অবস্থা। প্যারাসিটামলের অতিরিক্ত মাত্রায় গুরুতর, কখনো কখনো প্রাণঘাতী যকৃতের ক্ষতি হতে পারে যা তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা নাও যেতে পারে, আর আইবুপ্রোফেনের অতিরিক্ত মাত্রায় পাকস্থলীর সমস্যা, ঝিমুনি ও বৃক্কের সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে উপসর্গ না থাকলেও অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
Q: আমি কতদিন Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet খেতে পারি?
A: চিকিৎসকের ভিন্ন নির্দেশনা না থাকলে সাধারণত Ace Duo 200 mg+500 mg Tablet সর্বোচ্চ ৩-৫ দিন ব্যবহার করা উচিত। এই সময়ের মধ্যে উপসর্গের উন্নতি না হলে বা খারাপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।