Product gallery
MRP ২৯০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৬১.০০/200 ml bottle
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Algisum DX বুক জ্বালাপোড়া (হার্টবার্ন), অ্যাসিড রিগার্জিটেশন এবং গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্সজনিত উপসর্গ উপশমে ব্যবহৃত হয়।

  • প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার: বুক জ্বালাপোড়া, অ্যাসিড ইনডাইজেশন এবং খাবার পরে বা শোয়ার সময় দেখা দেওয়া গ্যাস্ট্রিক রিফ্লাক্সের লক্ষণীয় উপশমে।
  • সহায়ক (adjunct) ব্যবহার: যাদের PPI বা H2-ব্লকার সেবনের পরেও রাতে বা খাবারের পরে রিফ্লাক্সের উপসর্গ থেকে যায়, তাদের চিকিৎসায় অতিরিক্ত সহায়ক হিসেবে Algisum DX ব্যবহৃত হয়।
  • বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার: গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়া উপশমে Algisum DX সাধারণত প্রথম সারির নিরাপদ বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এটি শুধুমাত্র উপসর্গের উপশম করে; রিফ্লাক্স রোগের মূল কারণ নিরাময় করে না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Algisum DX "অ্যান্টাসিড ও অ্যালজিনেট-ভিত্তিক অ্যান্টি-রিফ্লাক্স এজেন্ট" থেরাপিউটিক শ্রেণির অন্তর্গত।

ফার্মাকোলজি

পাকস্থলীর অ্যাসিডের সংস্পর্শে এলে Sodium Alginate + Sodium Bicarbonate + Calcium Carbonate দ্রুত বিক্রিয়া করে - সোডিয়াম বাইকার্বনেট ও ক্যালসিয়াম কার্বনেট অ্যাসিড প্রশমিত করে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে, এবং সোডিয়াম এলজিনেট একটি জেল তৈরি করে যা এই গ্যাসের কারণে পাকস্থলীর উপরিভাগে ভাসমান "রাফট" (raft) হিসেবে অবস্থান নেয়।

এই রাফট একটি প্রতিবন্ধক (barrier) হিসেবে কাজ করে, যা অ্যাসিড, পেপসিন ও বাইলকে ইসোফেগাসে (খাদ্যনালীতে) প্রবেশে বাধা দেয় এবং প্রায় ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সুরক্ষা প্রদান করে। PPI বা H2-ব্লকারের মতো সিস্টেমিক ওষুধের বিপরীতে, Sodium Alginate + Sodium Bicarbonate + Calcium Carbonate-এর কার্যকারিতা মূলত স্থানীয়/যান্ত্রিক প্রকৃতির।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ওরাল সাসপেনশন

বয়সসীমামাত্রাসেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছরের বেশি শিশু১০-২০ মি.লি.খাবারের পর ও রাতে ঘুমানোর আগে, দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার
৬-১২ বছর বয়সী শিশু৫-১০ মি.লি.খাবারের পর ও রাতে ঘুমানোর আগে, শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে
৬ বছরের কম বয়সী শিশুপ্রযোজ্য নয়-

চিবানো ট্যাবলেট

বয়সসীমামাত্রাসেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তদূর্ধ্ব২-৪টি ট্যাবলেট, ভালোভাবে চিবিয়েখাবারের পর ও রাতে ঘুমানোর আগে, দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার
১২ বছরের কম বয়সী শিশুশুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে-

Algisum DX খাবারের পর ও রাতে ঘুমানোর আগে সেবন করাই সর্বোত্তম। একটানা ৭ দিনের বেশি ব্যবহারের পরও উপসর্গ থেকে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Algisum DX কিছু ওষুধের সাথে যুক্ত হয়ে বা পাকস্থলীর pH বাড়িয়ে সেগুলোর শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়াসমূহ:

  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন সিপ্রোফ্লক্সাসিন, ডক্সিসাইক্লিন): শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে, যা চিকিৎসার কার্যকারিতা কমাতে পারে।
  • আয়রন সল্ট: আয়রনের শোষণ কমে যায়।
  • লেভোথাইরক্সিন: শোষণ কমে যেতে পারে, যা থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে।
  • ডিগক্সিন, কিটোকোনাজল ও বিসফসফোনেট: শোষণ/জৈব-উপলভ্যতা কমে যেতে পারে।

এই মিথষ্ক্রিয়া এড়াতে অন্যান্য মুখে খাওয়ার ওষুধ Algisum DX সেবনের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে বা পরে সেবন করা উচিত।

প্রতিনির্দেশনা

Sodium Alginate + Sodium Bicarbonate + Calcium Carbonate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):

  • সোডিয়াম এলজিনেট, সোডিয়াম বাইকার্বনেট, ক্যালসিয়াম কার্বনেট বা নির্দিষ্ট ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতি-সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) থাকলে।
  • হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে ক্যালসিয়ামের আধিক্য) সংশ্লিষ্ট অবস্থায় (যেমন প্রাইমারি হাইপারপ্যারাথাইরয়ডিজম), কারণ এতে ক্যালসিয়াম কার্বনেট থাকে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Algisum DX সাধারণত সহনীয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • সাধারণ: কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, পেট ফোলাভাব এবং ঢেকুর।
  • কম সাধারণ: পেটে খিঁচুনি।
  • বিরল: অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া যেমন র‍্যাশ, urticaria, অথবা খুব বিরলে শ্বাসকষ্ট।
  • অতিরিক্ত/দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে: হাইপারক্যালসেমিয়া ও মিল্ক-অ্যালকালি সিনড্রোম দেখা দিতে পারে (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়া উপশমে Algisum DX সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে ভ্রূণের কোনো ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবুও, প্রকৃত প্রয়োজন হলেই এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় এটি ব্যবহার করা উচিত, বিশেষত প্রথম ত্রৈমাসিকে।

স্তন্যদান: বুকের দুধ পানকারী শিশুর ওপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব রিপোর্ট করা হয়নি এবং Algisum DX সাধারণত স্তন্যদানকালে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়, তবে ব্যবহারের আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

  • সোডিয়াম উপাদান: Algisum DX-এ সোডিয়াম বাইকার্বনেট থাকায় লবণ-নিয়ন্ত্রিত ডায়েটে থাকা রোগী, উচ্চ রক্তচাপ, কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউর বা কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
  • ক্যালসিয়াম উপাদান ও কিডনি সমস্যা: কিডনি কার্যক্ষমতা হ্রাসপ্রাপ্ত, হাইপারক্যালসিউরিয়া বা ক্যালসিয়াম-জাতীয় কিডনি স্টোনের ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এতে ক্যালসিয়াম কার্বনেট রয়েছে।
  • মিল্ক-অ্যালকালি সিনড্রোম: Algisum DX-এর মতো ক্যালসিয়াম ও বাইকার্বনেটযুক্ত অ্যান্টাসিড দীর্ঘমেয়াদি বা অতিরিক্ত মাত্রায় সেবন করলে, বিশেষত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টের সাথে একসাথে সেবনে, বিরলে মিল্ক-অ্যালকালি সিনড্রোম (হাইপারক্যালসেমিয়া, মেটাবলিক অ্যালকালোসিস ও কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস) হতে পারে। নির্ধারিত মাত্রা ও মেয়াদের বেশি ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
  • গুরুতর রোগ আড়াল হওয়ার ঝুঁকি: ৭ দিনের বেশি স্থায়ী উপসর্গ, অথবা অনিচ্ছাকৃত ওজন হ্রাস, খাবার গিলতে সমস্যা, রক্তবমি বা কালো পায়খানার সাথে উপসর্গ থাকলে, তা আরও গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে - এক্ষেত্রে Algisum DX দিয়ে স্ব-চিকিৎসা চালিয়ে না গিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • অন্যান্য ওষুধের সাথে সময়ের ব্যবধান: অন্যান্য মুখে খাওয়ার ওষুধ থেকে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন (মিথষ্ক্রিয়া অংশ দেখুন)।

মাত্রাধিক্যতা

Algisum DX-এর অতিরিক্ত সেবনে পেট ফোলাভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং দীর্ঘমেয়াদি অতিরিক্ত সেবনে হাইপারক্যালসেমিয়া বা মেটাবলিক অ্যালকালোসিস দেখা দিতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই; চিকিৎসা লক্ষণ-নির্ভর ও সহায়ক।

মাত্রাধিক্য সন্দেহ হলে ঘরোয়া চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। ফ্রিজে রাখবেন না বা জমাবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • শিশু (১২ বছরের বেশি): প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা প্রযোজ্য।
  • শিশু (৬-১২ বছর): কম মাত্রায় সাসপেনশন ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে।
  • শিশু (৬ বছরের কম): সুপারিশ করা হয় না; এই বয়সসীমায় নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
  • বয়স্ক রোগী: নির্দিষ্ট মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, তবে কিডনি সমস্যা বা লবণ-নিয়ন্ত্রিত ডায়েটে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকায় সতর্কতা প্রয়োজন। Algisum DX ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উত্তম।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Algisum DX 200 ml Oral Suspension কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Algisum DX 200 ml Oral Suspension বুক জ্বালাপোড়া, অ্যাসিড ইনডাইজেশন এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের উপসর্গ উপশমে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে গর্ভাবস্থায় দেখা দেওয়া রিফ্লাক্সজনিত অস্বস্তিও অন্তর্ভুক্ত।

Q: Algisum DX 200 ml Oral Suspension কীভাবে কাজ করে?

A: সেবনের পর Algisum DX 200 ml Oral Suspension পাকস্থলীর অ্যাসিডের সাথে বিক্রিয়া করে একটি ভাসমান জেল “রাফট” তৈরি করে, যা পাকস্থলীর উপরিভাগে অবস্থান করে অ্যাসিড, পেপসিন ও বাইলকে খাদ্যনালীতে প্রবেশে যান্ত্রিকভাবে বাধা দেয়, পাশাপাশি অ্যাসিড রাসায়নিকভাবেও প্রশমিত করে।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Algisum DX 200 ml Oral Suspension সেবন করা যায়?

A: গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়ায় Algisum DX 200 ml Oral Suspension সাধারণত ব্যবহৃত হয় এবং প্রাপ্ত তথ্যে শিশুর কোনো ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে প্রকৃত প্রয়োজন হলেই এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, বিশেষত প্রথম ত্রৈমাসিকে, ব্যবহার করা উচিত।

Q: Algisum DX 200 ml Oral Suspension কি অন্য ওষুধের সাথে সেবন করা যায়?

A: Algisum DX 200 ml Oral Suspension কিছু ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে, যেমন টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, আয়রন সাপ্লিমেন্ট, লেভোথাইরক্সিন, ডিগক্সিন ও বিসফসফোনেট। এসব ওষুধ Algisum DX 200 ml Oral Suspension সেবনের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে বা পরে সেবন করা উচিত।

Q: Algisum DX 200 ml Oral Suspension-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Algisum DX 200 ml Oral Suspension সাধারণত সহনীয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, ফোলাভাব বা ঢেকুরের কারণ হতে পারে। এর ক্যালসিয়াম উপাদানের কারণে অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে হাইপারক্যালসেমিয়া (মিল্ক-অ্যালকালি সিনড্রোম) হতে পারে। অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বিরল।

Q: Algisum DX 200 ml Oral Suspension কতদিন সেবন করা যায়?

A: Algisum DX 200 ml Oral Suspension স্বল্পমেয়াদি, প্রয়োজন অনুযায়ী উপশমের জন্য নির্ধারিত। নিয়মিত ব্যবহারের পরও একটানা ৭ দিনের বেশি উপসর্গ থাকলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এটি আরও পরীক্ষার প্রয়োজন এমন কোনো সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor