Amezol 200 mg/5 ml

Amezol200 mg/5 ml

Oral Suspension

Metronidazole

MRP ৳ ২৮.৫০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৫.৬৫/60 ml bottle
স্টকে নেই
১

এক নজরে

Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension মেডইজিতে পাওয়া যাচ্ছে ৳২৫.৬৫ প্রতি 60 ml bottle দরে, বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় হোম ডেলিভারিসহ। এটি তৈরি করে Cosmic Pharma Ltd। এর জেনেরিক নাম Metronidazole।

Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Amezol একটি নাইট্রোইমিডাজল গ্রুপের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ, যা অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া ও কিছু প্রোটোজোয়া সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নির্দেশনাগুলো নিম্নরূপ ভাগ করা যায়:

প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • পেট, শ্রোণী, ত্বক/নরম টিস্যু, হাড়/জয়েন্ট, মস্তিষ্ক-স্নায়ু এবং রক্তে অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ।
  • ট্রাইকোমোনিয়াসিস (পুরুষ ও মহিলা উভয় ক্ষেত্রে, যৌনসঙ্গীকেও একইসাথে চিকিৎসা করতে হয়)।
  • অন্ত্রের অ্যামিবিয়াসিস ও অ্যামিবিক লিভার অ্যাবসেস।
  • কোলোরেক্টাল সার্জারিতে অস্ত্রোপচার-পরবর্তী সংক্রমণ প্রতিরোধে সার্জিক্যাল প্রফিল্যাক্সিস।

গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার

  • ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস।
  • জিয়ার্ডিয়াসিস।
  • মৃদু থেকে মাঝারি Clostridioides difficile সংক্রান্ত ডায়রিয়া (কিছু গাইডলাইন অনুযায়ী)।

সহায়ক/কম্বিনেশন থেরাপি হিসেবে ব্যবহার

  • Helicobacter pylori নির্মূলে অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিক ও প্রোটন পাম্প ইনহিবিটরের সাথে সংমিশ্রণে Amezol ব্যবহৃত হয়; এককভাবে ব্যবহার করা হয় না।

অফ-লেবেল ব্যবহার

  • রোজেসিয়াসহ (টপিক্যাল প্রস্তুতি) কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Amezol ব্যবহৃত হতে পারে।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Amezol নাইট্রোইমিডাজল (Nitroimidazole) শ্রেণীর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, যার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল (অ্যানেরোবিক) এবং অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল উভয় কার্যকারিতা রয়েছে।

ফার্মাকোলজি

Metronidazole একটি প্রোড্রাগ, যা অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ার কোষে প্রবেশ করে সেখানে থাকা ইলেকট্রন-ট্রান্সপোর্ট প্রোটিনের মাধ্যমে বিজারিত হয়ে বিষাক্ত মধ্যবর্তী উপাদান ও ফ্রি র‍্যাডিক্যাল তৈরি করে। এগুলো মাইক্রোবিয়াল ডিএনএ-এর সাথে যুক্ত হয়ে ডিএনএ ভেঙে দেয় এবং নিউক্লিয়িক অ্যাসিড সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত করে, ফলে জীবাণুর মৃত্যু ঘটে। এই প্রক্রিয়ার জন্য কম-রেডক্স পরিবেশ প্রয়োজন হওয়ায় Metronidazole শুধুমাত্র অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া ও নির্দিষ্ট প্রোটোজোয়ার (যেমন Entamoeba histolytica, Giardia duodenalis, Trichomonas vaginalis) বিরুদ্ধে কার্যকর, এরোবিক জীবাণুর বিরুদ্ধে Metronidazole-এর কার্যকারিতা সীমিত।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: মুখে সেবনের পর Metronidazole ভালোভাবে শোষিত হয় (৯০ শতাংশের বেশি বায়োঅ্যাভেইলেবিলিটি), শরীরের প্রায় সব টিস্যু ও তরলে (সিএসএফ, হাড়, অ্যাবসেস সহ) ছড়িয়ে পড়ে, যকৃতে বিপাকিত হয় এবং প্রধানত কিডনির মাধ্যমে নিঃসৃত হয়। Metronidazole-এর অর্ধায়ু প্রায় ৬-৮ ঘণ্টা।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Amezol-এর মাত্রা রোগের ধরন, বয়স, ওজন এবং কিডনি/যকৃতের কার্যক্ষমতার উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ মাত্রায় Amezol সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ বা অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না।

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা (রোগ অনুযায়ী)

রোগসাধারণ মাত্রামেয়াদ
অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণপ্রতি ৬-৮ ঘণ্টায় ৭.৫ মি.গ্রা./কেজি (সাধারণত ৫০০ মি.গ্রা.), সর্বোচ্চ ৪ গ্রাম/২৪ ঘণ্টা৭-১০ দিন
ট্রাইকোমোনিয়াসিসএকবারে ২ গ্রাম, অথবা ২৫০ মি.গ্রা. দিনে তিনবারএকক মাত্রা বা ৭ দিন
অন্ত্রের অ্যামিবিয়াসিস৫০০-৭৫০ মি.গ্রা. দিনে তিনবার৫-১০ দিন
ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস৫০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার৭ দিন
জিয়ার্ডিয়াসিস২৫০ মি.গ্রা. দিনে তিনবার৫-৭ দিন
H. pylori নির্মূল (কম্বিনেশন)৪০০-৫০০ মি.গ্রা. দিনে দুই-তিনবার, অন্যান্য ওষুধের সাথে১০-১৪ দিন

শিশুদের মাত্রা

শিশুদের ক্ষেত্রে Amezol-এর মাত্রা ওজন ও রোগ অনুযায়ী নির্ধারিত হয় (যেমন অ্যামিবিয়াসিসে প্রায় ৩৫-৫০ মি.গ্রা./কেজি/দিন তিন ভাগে)। বিস্তারিত জানতে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশ দেখুন।

কিডনি/যকৃতের সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়

মৃদু-মাঝারি কিডনি সমস্যায় সাধারণত Amezol-এর মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না; গুরুতর কিডনি সমস্যা বা ডায়ালাইসিসে মাত্রা কমাতে হতে পারে। গুরুতর যকৃত সমস্যায় সতর্কতার সাথে কম মাত্রায় Amezol ব্যবহার করা উচিত।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Amezol-এর সাথে উল্লেখযোগ্য কিছু ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • অ্যালকোহল: Amezol সেবনকালে ও শেষ মাত্রার পর অন্তত ২৪-৭২ ঘণ্টা অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন, নাহলে ডাইসালফিরামের মতো প্রতিক্রিয়া (মুখ লাল হওয়া, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি) হতে পারে।
  • ডাইসালফিরাম: Amezol-এর সাথে একসাথে বা গত দুই সপ্তাহের মধ্যে ব্যবহার করলে মানসিক বিভ্রান্তি বা সাইকোটিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে; একসাথে ব্যবহার করবেন না।
  • ওয়ারফারিন: Amezol রক্ত পাতলা করার প্রভাব বাড়িয়ে দেয়, রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়; INR নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • লিথিয়াম: Amezol রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • ফেনাইটোইন/ফেনোবারবিটাল: এসব ওষুধ Amezol-এর বিপাক দ্রুত করে এর কার্যকারিতা কমাতে পারে।
  • সিমেটিডিন: সিমেটিডিন Amezol-এর নিষ্কাশন কমিয়ে রক্তে এর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Metronidazole নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • Metronidazole বা অন্য নাইট্রোইমিডাজল গ্রুপের ওষুধে অতিসংবেদনশীলতার ইতিহাস থাকলে।
  • বিগত দুই সপ্তাহের মধ্যে ডাইসালফিরাম ব্যবহারকারী রোগীদের ক্ষেত্রে Metronidazole ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • ট্রাইকোমোনিয়াসিসের চিকিৎসায় গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে Metronidazole (নির্দিষ্ট নির্দেশিকা অনুযায়ী, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন); বিস্তারিত জানতে গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Amezol সেবনে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

  • মুখে ধাতব স্বাদ (সাধারণ, ক্ষতিকর নয়)
  • বমি বমি ভাব, বমি, ক্ষুধামন্দা, পেটে অস্বস্তি
  • ডায়রিয়া
  • মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা
  • মুখ শুকিয়ে যাওয়া, জিহ্বায় প্রদাহ
  • প্রস্রাবের রং গাঢ় বা লালচে-বাদামি হওয়া — ক্ষতিকর নয়

কম সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া:

  • পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (হাত-পায়ে ঝিনঝিন/অবশভাব), খিঁচুনি ও এনসেফালোপ্যাথি — বিরল, সাধারণত দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চ মাত্রায় Amezol ব্যবহারে দেখা যায়; এই লক্ষণ দেখা দিলে Amezol বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • Clostridioides difficile সংক্রান্ত ডায়রিয়া/কোলাইটিস, যা Amezol গ্রহণের সময় বা পরে হতে পারে।
  • র‍্যাশ, চুলকানি, বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া।
  • শ্বেত রক্তকণিকা কমে যাওয়া (সাধারণত পুনরুদ্ধারযোগ্য)।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: Amezol প্লাসেন্টা অতিক্রম করে। এটি পুরনো FDA শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী Category B-এর অন্তর্ভুক্ত। গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে Amezol ব্যবহার করা উচিত, বিশেষত প্রথম ত্রৈমাসিকে ট্রাইকোমোনিয়াসিসের চিকিৎসায় Amezol এড়িয়ে চলা উচিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।

স্তন্যদান: Amezol বুকের দুধে নিঃসৃত হয়। প্রাণী গবেষণায় ক্যান্সার-সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হয় সাময়িকভাবে স্তন্যদান বন্ধ রাখা অথবা Amezol এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সতর্কতা

চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ মাত্রায় Amezol সেবন করুন; নিজে থেকে মাত্রা বন্ধ, পরিবর্তন বা অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না।

  • অ্যালকোহল: Amezol চিকিৎসাকালীন ও পরে অন্তত ২৪-৭২ ঘণ্টা অ্যালকোহল বর্জন করুন (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।
  • স্নায়বিক প্রতিক্রিয়া: পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি, খিঁচুনি, এনসেফালোপ্যাথি বিরল ক্ষেত্রে Amezol ব্যবহারে হতে পারে, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চ মাত্রায়; লক্ষণ দেখা দিলে Amezol বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • ক্যান্ডিডা সংক্রমণ: Amezol ব্যবহারে ছত্রাক সংক্রমণ বাড়তে পারে।
  • যকৃতের সমস্যা: গুরুতর যকৃত রোগে সতর্কতার সাথে Amezol ব্যবহার করুন।
  • রক্তের সমস্যা: দীর্ঘমেয়াদী Amezol ব্যবহারে রক্তকণিকা পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে।

মাত্রাধিক্যতা

Amezol অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনে বমি বমি ভাব, বমি এবং ভারসাম্যহীনতা (অ্যাটাক্সিয়া) হতে পারে; অতি উচ্চ মাত্রায় বিরল ক্ষেত্রে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি ও খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। Amezol-এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (অ্যান্টিডোট) নেই। Amezol অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সংরক্ষণ

৩০°C-এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: Amezol অ্যামিবিয়াসিস, জিয়ার্ডিয়াসিস এবং অ্যানেরোবিক সংক্রমণে শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, মাত্রা শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ওজন অনুযায়ী নির্ধারণ করবেন। অ্যামিবিয়াসিসে সাধারণত ৩৫-৫০ মি.গ্রা./কেজি/দিন তিন ভাগে ১০ দিন Amezol দেওয়া হয়। যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট গবেষণা নেই, সেখানে Amezol-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।

বয়স্ক: সাধারণত আলাদা মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে স্নায়বিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে বলে সতর্কতার সাথে Amezol ব্যবহার করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, অ্যামিবিয়াসিস, জিয়ার্ডিয়াসিস, ট্রাইকোমোনিয়াসিসের মতো প্রোটোজোয়া সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস এবং H. pylori নির্মূল ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী সংক্রমণ প্রতিরোধে কম্বিনেশন থেরাপির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Q: Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension খাওয়ার সময় কি অ্যালকোহল পান করা যাবে?

A: না। Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension সেবনকালে এবং শেষ মাত্রার পর অন্তত ২৪-৭২ ঘণ্টা অ্যালকোহল এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ এতে মুখ লাল হওয়া, বমি বমি ভাব, বমি, মাথাব্যথা ও হৃদস্পন্দন বৃদ্ধির মতো ডাইসালফিরামের মতো প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension গ্রহণ করা কি নিরাপদ?

A: Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি। প্রথম ত্রৈমাসিকে ট্রাইকোমোনিয়াসিসের চিকিৎসায় Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। গর্ভাবস্থায় Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension সেবনের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension সেবনের পর প্রস্রাবের রং গাঢ় হয় কেন?

A: Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension প্রস্রাবের রং গাঢ় বা লালচে-বাদামি করে দিতে পারে। এটি একটি নিরীহ প্রতিক্রিয়া এবং Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension বন্ধ করার পর স্বাভাবিক হয়ে যায়, তবে উদ্বেগ থাকলে চিকিৎসককে জানান।

Q: Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension-এর একটি মাত্রা মিস হয়ে গেলে কী করব?

A: মনে পড়ামাত্র মিস হওয়া Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension মাত্রাটি সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিস হওয়া মাত্রাটি বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণ করুন। একসাথে দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension-এর সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করুন।

Q: Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension সেবনকালে কোন গুরুতর লক্ষণে সতর্ক থাকতে হবে?

A: হাত-পায়ে ঝিনঝিন/অবশভাব, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে Amezol 200 mg/5 ml Oral Suspension সেবনকালে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

DoctorBlogArticles