Product gallery
MRP ২৫০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৩০.০০/10's Strip
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Arsenor একটি ফসফোডাইএস্টারেজ-৪ (PDE4) ইনহিবিটর, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত:

  • প্রাপ্তবয়স্কদের সক্রিয় সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস চিকিৎসায় (প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার)।
  • প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের (৬ বছর ও তদূর্ধ্ব, ওজন কমপক্ষে ২০ কেজি) মাঝারি থেকে তীব্র প্লাক সোরিয়াসিস চিকিৎসায়, যাদের ফটোথেরাপি বা সিস্টেমিক থেরাপি প্রয়োজন (প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার)।
  • প্রাপ্তবয়স্কদের বেহসেট রোগ (Behçet's disease) সম্পর্কিত মুখের ঘা চিকিৎসায় (প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার)।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে Arsenor মাঝে মাঝে অন্যান্য প্রদাহজনিত রোগে (যেমন কিছু ধরনের ওরাল লাইকেন প্ল্যানাস) অফ-লেবেল ব্যবহৃত হতে পারে, তবে এ ধরনের ব্যবহারের প্রমাণ সীমিত এবং এটি অনুমোদিত নির্দেশনা নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Arsenor ফসফোডাইএস্টারেজ-৪ (PDE4) ইনহিবিটর শ্রেণির ওষুধ, যা মুখে খাওয়ার একটি স্মল-মলিকিউল প্রদাহনাশক এজেন্ট এবং বায়োলজিক ওষুধ থেকে ভিন্ন।

ফার্মাকোলজি

Apremilast কোষের ভেতরে ফসফোডাইএস্টারেজ-৪ (PDE4) এনজাইমকে বাধা দেয়, যা প্রদাহজনিত কোষে প্রধান PDE এনজাইম। PDE4-কে বাধা দেওয়ার ফলে কোষের ভেতরে সাইক্লিক এএমপি (cAMP)-এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর-আলফা (TNF-α), ইন্টারলিউকিন-২৩ (IL-23), ইন্টারলিউকিন-১৭ (IL-17) সহ প্রদাহবর্ধক মধ্যস্থতাকারী পদার্থের উৎপাদন হ্রাস করে এবং প্রদাহরোধী মধ্যস্থতাকারী ইন্টারলিউকিন-১০ (IL-10)-এর উৎপাদন বাড়ায়। সোরিয়াসিস, সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস এবং বেহসেট রোগের মুখের ঘায়ে এর সঠিক ক্লিনিক্যাল প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে জানা না গেলেও, সার্বিক প্রভাব হলো প্রদাহ হ্রাস।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: মুখে খাওয়ার পর Apremilast ভালোভাবে শোষিত হয় (আপেক্ষিক বায়োঅ্যাভেইলেবিলিটি প্রায় ৭৩%), যকৃতে ব্যাপকভাবে বিপাকিত হয় (প্রধানত CYP3A4 এনজাইমের মাধ্যমে) এবং প্রধানত প্রস্রাব ও মলের মাধ্যমে বিপাকীয় পদার্থ হিসেবে নির্গত হয়। এর অর্ধায়ু প্রায় ৬-৯ ঘণ্টা।

মাত্রা ও সেবনবিধি

নির্দেশনাসেবনবিধি
সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস / প্লাক সোরিয়াসিস / বেহসেট রোগের মুখের ঘা (প্রাপ্তবয়স্ক)৫ দিন ধরে ধীরে ধীরে মাত্রা বাড়াতে হয়, শুরুতে দিনে একবার ১০ মি.গ্রা. থেকে শুরু করে প্রতিদিন ১০ মি.গ্রা. করে বাড়িয়ে, ৬ষ্ঠ দিন থেকে রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা হিসেবে দিনে দুইবার ৩০ মি.গ্রা.-এ পৌঁছাতে হয়।
তীব্র বৃক্ক (কিডনি) অকার্যকারিতা (CrCl <৩০ mL/min)শুধু সকালের সময়সূচী অনুসারে মাত্রা বাড়িয়ে (সন্ধ্যার ডোজ বাদ দিয়ে) রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা দিনে একবার ৩০ মি.গ্রা.-এ পৌঁছাতে হয়।

Arsenor ট্যাবলেট খাবারের সাথে বা ছাড়া, পুরোটা গিলে খেতে হবে। ট্যাবলেট ভাঙা, চূর্ণ করা বা চিবানো যাবে না। কোনো ডোজ মিস হলে যত দ্রুত সম্ভব তা গ্রহণ করতে হবে, তবে পরবর্তী ডোজের সময় কাছাকাছি হলে তা বাদ দিতে হবে; একসাথে দ্বিগুণ ডোজ নেওয়া যাবে না। যেহেতু প্রাথমিক মাত্রা বৃদ্ধির সময়কালে পাকস্থলী-সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বেশি দেখা যায়, তাই ধাপে ধাপে মাত্রা বৃদ্ধির সময়সূচী নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে; মিস হওয়া ডোজের পর মাত্রা বৃদ্ধি পুনরায় শুরু করার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া ঘটে শক্তিশালী CYP3A4 এনজাইম-প্রবর্তক ওষুধের সাথে, যেমন রিফাম্পিন, ফেনিটোইন, কার্বামাজেপিন, ফেনোবারবিটাল এবং সেন্ট জনস ওয়ার্ট। এই ওষুধগুলোর সাথে একসাথে গ্রহণ করলে Arsenor-এর রক্তে ঘনত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, ফলে কার্যকারিতা হারায়; তাই শক্তিশালী CYP3A4 প্রবর্তক ওষুধের সাথে Arsenor একত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়।

মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, মেথোট্রেক্সেট, অথবা কিটোকোনাজলের (একটি শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটর) সাথে উল্লেখযোগ্য কোনো মিথষ্ক্রিয়া পাওয়া যায়নি, এবং CYP3A4 ইনহিবিটরের সাথে Arsenor-এর মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।

প্রতিনির্দেশনা

যাদের apremilast-এর প্রতি জ্ঞাত অতি সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) রয়েছে অথবা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে Apremilast ব্যবহার নিষিদ্ধ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Arsenor-এর সাথে সম্পর্কিত সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো, বিশেষত প্রাথমিক মাত্রা বৃদ্ধির সময়কালে, নিম্নরূপ:

  • ডায়রিয়া (প্রায়ই প্রথম দিকে হয় এবং নিজে থেকেই কমে যায়)
  • বমি বমি ভাব
  • মাথাব্যথা (টেনশন হেডেক সহ)
  • উপরের শ্বাসনালীর সংক্রমণ
  • বমি
  • ওজন হ্রাস

কম দেখা গেলেও চিকিৎসাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবের মধ্যে রয়েছে বিষণ্নতা ও মেজাজের পরিবর্তন, এবং বিরল ক্ষেত্রে অ্যাঞ্জিওএডিমার মতো অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া। বিষণ্নতা/আত্মহত্যার প্রবণতা ঝুঁকি এবং ওজন পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে Arsenor ব্যবহারের তথ্য সীমিত। প্রাণীদেহে করা গবেষণায় উচ্চ মাত্রায় প্রতিকূল প্রভাব দেখা গেছে। গর্ভাবস্থায় Arsenor শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: Arsenor বা এর বিপাকীয় পদার্থ মায়ের বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই। যেহেতু অনেক ওষুধ বুকের দুধে নির্গত হয় এবং স্তন্যপানকারী শিশুর উপর এর প্রভাব অজানা, তাই স্তন্যদান বন্ধ রাখা বা Arsenor ব্যবহার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত মায়ের চিকিৎসাগত প্রয়োজন ও স্তন্যদানের উপকারিতা বিবেচনা করে নিতে হবে; স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার প্রবণতা: Arsenor গ্রহণের সাথে বিষণ্নতার ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। চিকিৎসা শুরুর আগে, যাদের পূর্বে বিষণ্নতা বা আত্মহত্যার চিন্তার ইতিহাস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসককে ঝুঁকি ও উপকারিতা সতর্কভাবে বিবেচনা করতে হবে। রোগী, পরিচর্যাকারী এবং পরিবারকে নতুন বা বেড়ে যাওয়া বিষণ্নতা, উদ্বেগ, অথবা আত্মহত্যার চিন্তা/আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে এবং এসব দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলা উচিত। এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে Arsenor বন্ধ করার কথা বিবেচনা করা উচিত।

ওজন হ্রাস: Arsenor ব্যবহারে অব্যাখ্যাত ও কখনো কখনো উল্লেখযোগ্য ওজন হ্রাসের খবর পাওয়া গেছে। চিকিৎসাকালে নিয়মিত শরীরের ওজন পর্যবেক্ষণ করতে হবে; অব্যাখ্যাত বা উল্লেখযোগ্য ওজন হ্রাস হলে মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনে ওষুধ বন্ধ করার কথা বিবেচনা করা উচিত।

পাকস্থলী-সংক্রান্ত প্রভাব: তীব্র ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব এবং বমির খবর পাওয়া গেছে, যা কখনো কখনো হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন পড়ে, বিশেষত বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে। তরল হ্রাসের ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

মাত্রা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা: চিকিৎসা শুরুর সময় পাকস্থলী-সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার হার কমাতে নির্দেশ অনুযায়ী ধাপে ধাপে মাত্রা বৃদ্ধি করতে হবে; এই সময়সূচী এড়ানো উচিত নয়।

বৃক্ক অকার্যকারিতা: তীব্র বৃক্ক অকার্যকারিতাযুক্ত রোগীদের মাত্রা কমাতে হবে (মাত্রা ও সেবনবিধি অংশ দেখুন)।

অতি সংবেদনশীলতা: অ্যাঞ্জিওএডিমা বা অ্যানাফিল্যাক্সিসের লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করতে হবে।

মাত্রাধিক্যতা

Arsenor-এর অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণ সম্পর্কে ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা সীমিত। অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণের সন্দেহ হলে রোগীকে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিতে হবে অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। চিকিৎসা হবে উপসর্গভিত্তিক ও সহায়ক, যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ জীবনরক্ষাকারী লক্ষণ পর্যবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত; Arsenor-এর অতিরিক্ত মাত্রার জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: ৬ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের এবং কমপক্ষে ২০ কেজি ওজনের শিশুদের মাঝারি থেকে তীব্র প্লাক সোরিয়াসিস চিকিৎসায় Arsenor ওজন-ভিত্তিক মাত্রা বৃদ্ধি ও রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রায় (২০-৫০ কেজির জন্য দিনে দুইবার ২০ মি.গ্রা.; ৫০ কেজি বা তার বেশি ওজনের জন্য দিনে দুইবার ৩০ মি.গ্রা.) অনুমোদিত। সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস ও বেহসেট রোগের মুখের ঘায়ে শিশুদের ক্ষেত্রে Arsenor-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এবং ৬ বছরের কম বয়সী বা ২০ কেজির কম ওজনের শিশুদের ক্ষেত্রে কোনো নির্দেশনাতেই এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বয়স্ক: বয়স্ক ও অপেক্ষাকৃত কম বয়সী রোগীদের মধ্যে সার্বিক কার্যকারিতায় কোনো উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যায়নি, তবে বয়স্ক রোগী, বিশেষত ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীরা, তীব্র ডায়রিয়া ও বমির জটিলতার ঝুঁকিতে বেশি থাকতে পারেন; উপযুক্ত পর্যবেক্ষণসহ Arsenor ব্যবহার করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Arsenor 10 mg Tablet কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?

A: Arsenor 10 mg Tablet প্রাপ্তবয়স্কদের সক্রিয় সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস, ফটোথেরাপি বা সিস্টেমিক থেরাপির উপযুক্ত মাঝারি থেকে তীব্র প্লাক সোরিয়াসিস, এবং বেহসেট রোগ সম্পর্কিত মুখের ঘায়ের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়; এটি ৬ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের এবং কমপক্ষে ২০ কেজি ওজনের শিশুদের প্লাক সোরিয়াসিসের জন্যও অনুমোদিত।

Q: Arsenor 10 mg Tablet কম মাত্রায় শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়াতে হয় কেন?

A: Arsenor 10 mg Tablet-এর মাত্রা ৫ দিন ধরে ধাপে ধাপে বাড়ানো হয় যাতে বমি বমি ভাব ও ডায়রিয়ার মতো পাকস্থলী-সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা ও তীব্রতা কমে, যা সরাসরি পূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা দিয়ে চিকিৎসা শুরু করলে বেশি দেখা যায়। চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের দেওয়া মাত্রা বৃদ্ধির সময়সূচী সঠিকভাবে অনুসরণ করুন।

Q: Arsenor 10 mg Tablet কি বিষণ্নতা সৃষ্টি করতে পারে?

A: হ্যাঁ। Arsenor 10 mg Tablet ব্যবহারের সাথে বিষণ্নতার ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে, যার মধ্যে নতুন বা বেড়ে যাওয়া বিষণ্নতা এবং বিরল ক্ষেত্রে আত্মহত্যার চিন্তাও অন্তর্ভুক্ত। Arsenor 10 mg Tablet গ্রহণকালে মেজাজের পরিবর্তন, উদ্বেগ, বা আত্মক্ষতির চিন্তা লক্ষ্য করলে অবিলম্বে চিকিৎসককে জানান বা জরুরি সেবা নিন, বিশেষত যদি আপনার আগে বিষণ্নতার ইতিহাস থাকে।

Q: Arsenor 10 mg Tablet কি ওজন কমিয়ে দেয়?

A: Arsenor 10 mg Tablet ব্যবহারে অব্যাখ্যাত ওজন হ্রাসের খবর পাওয়া গেছে। চিকিৎসাকালে চিকিৎসক পর্যায়ক্রমে আপনার শরীরের ওজন পর্যবেক্ষণ করবেন, এবং কোনো উল্লেখযোগ্য বা অব্যাখ্যাত ওজন হ্রাস হলে তা দ্রুত জানানো উচিত, কারণ এর জন্য মূল্যায়ন বা ওষুধ বন্ধ করার প্রয়োজন হতে পারে।

Q: রিফাম্পিন বা কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইনের মতো মৃগীরোগের ওষুধের সাথে কি আমি Arsenor 10 mg Tablet খেতে পারি?

A: না। রিফাম্পিন, কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইন, ফেনোবারবিটাল এবং সেন্ট জনস ওয়ার্টের মতো শক্তিশালী CYP3A4 প্রবর্তক ওষুধ Arsenor 10 mg Tablet-এর রক্তে ঘনত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয় এবং এর কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে। এই ওষুধগুলোর সাথে Arsenor 10 mg Tablet একত্রে গ্রহণ করা উচিত নয়; আপনি যেসব ওষুধ খাচ্ছেন তা চিকিৎসককে জানান।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Arsenor 10 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় Arsenor 10 mg Tablet ব্যবহারের তথ্য সীমিত, তাই এটি শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত। Arsenor 10 mg Tablet বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই, তাই স্তন্যদানকালে এটি ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor