Product gallery
MRP ৭৮০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৭২৫.৪০/6's Pack
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Azofend একটি ব্রড-স্পেকট্রাম ট্রায়াজোল অ্যান্টিফাঙ্গাল ঔষধ। এটি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • ইনভেসিভ অ্যাসপারজিলোসিস (Invasive aspergillosis) - প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে প্রথম সারির চিকিৎসা।
  • ক্যান্ডিডেমিয়া (নন-নিউট্রোপেনিক রোগীদের) এবং অন্যান্য গভীর টিস্যু ক্যান্ডিডা সংক্রমণ (ইন্ট্রা-অ্যাবডোমিনাল অ্যাবসেস, পেরিটোনাইটিস, কিডনি, মূত্রাশয় ও ক্ষত সংক্রমণ)।
  • ইসোফ্যাজিয়াল ক্যান্ডিডিয়াসিস।
  • Scedosporium apiospermum ও Fusarium প্রজাতি দ্বারা সৃষ্ট গুরুতর সংক্রমণ, যেসব রোগী অন্য চিকিৎসায় সাড়া দেয় না বা সহ্য করতে পারে না তাদের ক্ষেত্রে।

গাইডলাইন-সমর্থিত/প্রতিরোধমূলক ব্যবহার

  • উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অ্যালোজেনিক স্টেম সেল প্রতিস্থাপন রোগীদের ক্ষেত্রে ইনভেসিভ ফাঙ্গাল সংক্রমণ প্রতিরোধে

থেরাপিউটিক ক্লাস

ট্রায়াজোল অ্যান্টিফাঙ্গাল (সিস্টেমিক মাইকোসিস চিকিৎসা) - Azofend এই শ্রেণীর অন্তর্গত।

ফার্মাকোলজি

Voriconazole ফাঙ্গাল সাইটোক্রোম P450-নির্ভর এনজাইম ল্যানোস্টেরল ১৪-আলফা-ডিমিথাইলেজকে বাধা দেয়, যা ছত্রাকের কোষ ঝিল্লির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এরগোস্টেরল তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়। এরগোস্টেরল হ্রাস এবং বিষাক্ত স্টেরল মধ্যবর্তী পদার্থ জমা হওয়ার ফলে ছত্রাকের কোষ ঝিল্লির গঠন ও কার্যকারিতা ব্যাহত হয়, যা ছত্রাকের বৃদ্ধি রোধ করে (সাধারণত ফাঙ্গিস্ট্যাটিক, তবে অ্যাসপারজিলাসের ক্ষেত্রে ফাঙ্গিসাইডাল)।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: Voriconazole মুখে খেলে ভালোভাবে শোষিত হয় (উচ্চ বায়োঅ্যাভেইলেবিলিটি, প্রায় ৯৬%), তবে এর বিপাক প্রধানত যকৃতের CYP2C19, CYP2C9 এবং CYP3A4 এনজাইমের মাধ্যমে ঘটে, যা অ-রৈখিক (non-linear)। CYP2C19 জিনগত পার্থক্যের কারণে রক্তে ওষুধের মাত্রায় ব্যক্তিভেদে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার শোষণ কমিয়ে দেয়, তাই খালি পেটে সেবন করা উচিত।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Azofend-এর মাত্রা শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন-ভিত্তিক এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ওজনের ভিত্তিতে নির্ধারিত ফিক্সড ডোজে দেওয়া হয়, সাধারণত একটি লোডিং ডোজ দিয়ে শুরু করে তারপর মেইনটেন্যান্স ডোজ দেওয়া হয়। ট্যাবলেট/সাসপেনশন খাবারের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা ১ ঘণ্টা পরে সেবন করতে হয়।

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রাশিশুদের মাত্রা (২-১২ বছর, অথবা ১২-১৪ বছর <৫০ কেজি)
ইনভেসিভ অ্যাসপারজিলোসিস, ক্যান্ডিডেমিয়া, Scedosporium/Fusarium সংক্রমণIV লোডিং: ৬ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ১২ ঘণ্টায়, ২৪ ঘণ্টা; IV মেইনটেন্যান্স: ৩-৪ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ১২ ঘণ্টায়; মুখে মেইনটেন্যান্স: ২০০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টায় (≥৪০ কেজি) বা ১০০ মি.গ্রা. (<৪০ কেজি)IV লোডিং: ৯ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ১২ ঘণ্টায়, ২৪ ঘণ্টা; IV মেইনটেন্যান্স: ৮ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ১২ ঘণ্টায়; মুখে: ৯ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ১২ ঘণ্টায় (সর্বোচ্চ ৩৫০ মি.গ্রা./ডোজ)
ইসোফ্যাজিয়াল ক্যান্ডিডিয়াসিসমুখে: ২০০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টায় (≥৪০ কেজি) বা ১০০ মি.গ্রা. (<৪০ কেজি), অন্তত ১৪ দিন এবং লক্ষণ কমার পর অন্তত ৭ দিনIV: ৪ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ১২ ঘণ্টায়; মুখে: ৯ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ১২ ঘণ্টায় (সর্বোচ্চ ৩৫০ মি.গ্রা./ডোজ)

১২-১৪ বছর বয়সী যাদের ওজন ≥৫০ কেজি এবং ≥১৫ বছর বয়সী সবাইকে প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা অনুযায়ী দেওয়া উচিত।

বৃক্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস

মাঝারি থেকে গুরুতর বৃক্কের কার্যক্ষমতা হ্রাসে (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স <৫০ mL/min) IV ফর্মুলেশন যথাসম্ভব এড়িয়ে মুখে সেবনযোগ্য ফর্ম ব্যবহার করা উচিত; শুধুমাত্র বৃক্কের কারণে মুখে সেবনের মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।

যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাস

হালকা থেকে মাঝারি যকৃত সিরোসিসে (Child-Pugh A ও B) লোডিং ডোজ স্বাভাবিক রেখে মেইনটেন্যান্স ডোজ ৫০% কমাতে হবে। গুরুতর যকৃত সিরোসিসে (Child-Pugh C) সতর্কতার সাথে এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করতে হবে।

স্টুয়ার্ডশিপ পরামর্শ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Azofend সঠিকভাবে সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, অথবা অন্য কাউকে দেবেন না, কারণ অনুপযুক্ত ব্যবহার চিকিৎসা ব্যর্থতা বা প্রতিরোধী সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Azofend CYP2C19, CYP2C9 এবং CYP3A4 এনজাইমের সাবস্ট্রেট ও শক্তিশালী ইনহিবিটর উভয়ই, ফলে এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে।

নিষিদ্ধ সমন্বয় (গুরুতর মিথষ্ক্রিয়ার ঝুঁকি)

  • রিফাম্পিন, রিফাবুটিন, কার্বামাজেপিন এবং দীর্ঘ-কার্যকরী বার্বিচুরেট - এগুলো CYP450 এনজাইম উদ্দীপিত করে Azofend-এর রক্তের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়, ফলে চিকিৎসা ব্যর্থ হতে পারে।
  • উচ্চ-মাত্রার রিটোনাভির (≥৪০০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টায়) - Azofend-এর মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
  • সেন্ট জনস ওয়ার্ট (St. John's Wort) - CYP উদ্দীপনার মাধ্যমে Azofend-এর মাত্রা কমায়।
  • সিরোলিমাস - Azofend সিরোলিমাসের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়, বিষক্রিয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি করে।
  • টারফেনাডিন, অ্যাস্টেমিজোল, সিসাপ্রাইড, পিমোজাইড ও কুইনিডিন - Azofend এসব ওষুধের মাত্রা বাড়িয়ে QT প্রলম্বন ও গুরুতর হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিকতার (torsades de pointes) ঝুঁকি তৈরি করে।
  • আরগট অ্যালকালয়েড (এরগোটামিন, ডাইহাইড্রোএরগোটামিন) - আরগট বিষক্রিয়ার (ergotism) ঝুঁকি।

সতর্কতা প্রয়োজন এমন অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া

  • ইফাভিরেঞ্জ - উভয় ওষুধের রক্তের মাত্রা পরিবর্তন করে; একসাথে ব্যবহারে উভয়ের মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়।
  • সাইক্লোস্পোরিন ও ট্যাক্রোলিমাস - Azofend এদের মাত্রা যথেষ্ট বাড়িয়ে দেয়; মাত্রা কমানো ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • ওয়ারফারিন ও অন্যান্য ভিটামিন K প্রতিপক্ষ - Azofend রক্ত পাতলাকারী প্রভাব বাড়িয়ে দেয়; প্রোথ্রম্বিন টাইম/INR নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • ফেনিটোইন - Azofend-এর মাত্রা কমায় এবং ফেনিটোইনের মাত্রা বাড়ায়; একসাথে ব্যবহারে মাত্রা সমন্বয় ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • CYP3A4-এর মাধ্যমে বিপাকিত স্ট্যাটিন (যেমন সিমভাস্ট্যাটিন, লোভাস্ট্যাটিন) - স্ট্যাটিনের মাত্রা বেড়ে মায়োপ্যাথি/র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের ঝুঁকি; মাত্রা কমানোর প্রয়োজন হতে পারে।
  • QT প্রলম্বনকারী অন্যান্য ওষুধ - QT প্রলম্বনের সংযোজিত ঝুঁকি; একসাথে দেওয়া অনিবার্য হলে সতর্কতার সাথে ও ECG পর্যবেক্ষণ করে ব্যবহার করতে হবে।

প্রতিনির্দেশনা

Voriconazole নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ:

  • Voriconazole বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা।
  • CYP3A4 সাবস্ট্রেট টারফেনাডিন, অ্যাস্টেমিজোল, সিসাপ্রাইড, পিমোজাইড বা কুইনিডিনের সাথে একসাথে ব্যবহার, কারণ এসব ওষুধের রক্তের মাত্রা বেড়ে QT প্রলম্বন ও torsades de pointes ঘটাতে পারে।
  • রিফাম্পিন, রিফাবুটিন, কার্বামাজেপিন বা দীর্ঘ-কার্যকরী বার্বিচুরেটের সাথে একসাথে ব্যবহার, কারণ এগুলো Voriconazole-এর রক্তের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
  • উচ্চ-মাত্রার রিটোনাভিরের (≥৪০০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টায়) সাথে একসাথে ব্যবহার।
  • আরগট অ্যালকালয়েডের (এরগোটামিন, ডাইহাইড্রোএরগোটামিন) সাথে একসাথে ব্যবহার, কারণ Voriconazole এদের রক্তের মাত্রা বাড়িয়ে আরগট বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে।
  • সিরোলিমাসের সাথে একসাথে ব্যবহার, কারণ এতে সিরোলিমাসের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
  • সেন্ট জনস ওয়ার্টের সাথে একসাথে ব্যবহার।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Azofend-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (১০ জনে ১ জনের বেশি ক্ষেত্রে হতে পারে):

  • দৃষ্টি সংক্রান্ত সমস্যা (ঝাপসা দৃষ্টি, আলোর প্রতি অতিসংবেদনশীলতা, রঙের অনুভূতি পরিবর্তন) - সাধারণত হালকা ও সাময়িক, ডোজ নেওয়ার কিছুক্ষণ পরে দেখা দেয়।
  • জ্বর, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা।
  • যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি (হেপাটোটক্সিসিটির জন্য "সতর্কতা" অংশ দেখুন)।
  • র‍্যাশ ও আলোক-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া।
  • পেরিফেরাল শোথ (পা ফোলা), শীত অনুভূতি।

কম দেখা যায় তবে গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মারাত্মক যকৃত সমস্যা (হেপাটাইটিস, জন্ডিস, কোলেস্ট্যাসিস, যকৃত বিকল হওয়া), QT প্রলম্বন ও বিরল গুরুতর হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিকতা, গুরুতর ত্বক প্রতিক্রিয়া (Stevens-Johnson syndrome, toxic epidermal necrolysis), তীব্র বৃক্ক বিকলতা, এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকিসহ আলোক-বিষক্রিয়াজনিত ত্বক পরিবর্তন ("সতর্কতা" অংশ দেখুন)।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: প্রাণী গবেষণায় দেখা গেছে যে Azofend ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে (টেরাটোজেনিক ও ভ্রূণ-বিষাক্ত প্রভাব); মানুষের ওপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। মায়ের জন্য সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি হলেই কেবল চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে Azofend ব্যবহার করা উচিত। সন্তান ধারণক্ষম নারীদের চিকিৎসাকালে কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদান: Azofend মায়ের বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই। অনেক ওষুধ বুকের দুধে নির্গত হয় এবং শিশুর ওপর গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা অজানা থাকায়, মায়ের জন্য ওষুধের গুরুত্ব বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শে স্তন্যদান বন্ধ রাখা বা ওষুধ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

যকৃতের বিষক্রিয়া: চিকিৎসাকালে মারাত্মক (কিছু ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী) যকৃত প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। চিকিৎসা শুরুর আগে ও চলাকালীন নিয়মিত যকৃত কার্যক্ষমতা পরীক্ষা (AST, ALT, alkaline phosphatase, bilirubin) করা উচিত। অস্বাভাবিক ফলাফল দেখা দিলে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন এবং যকৃত রোগের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে।

দৃষ্টি সংক্রান্ত সমস্যা: সাময়িক দৃষ্টি পরিবর্তন (ঝাপসা দৃষ্টি, রঙের অনুভূতি পরিবর্তন, আলোর প্রতি অতিসংবেদনশীলতা) সাধারণ, ডোজ নেওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে শুরু হয় এবং সাধারণত চিকিৎসার প্রথম কয়েক সপ্তাহে কমে যায়। এসময় রাতে গাড়ি চালানো বা স্পষ্ট দৃষ্টি প্রয়োজন এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

QT প্রলম্বন: Azofend QT ব্যবধান বাড়িয়ে দেয়। ইলেকট্রোলাইট অসামঞ্জস্য (কম পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম), অন্যান্য QT প্রলম্বনকারী ওষুধের সাথে ব্যবহার, কার্ডিওমায়োপ্যাথি, ব্র্যাডিকার্ডিয়া বা পূর্ববর্তী QT প্রলম্বনের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে এবং চিকিৎসার আগে-পরে ইলেকট্রোলাইট সংশোধন করতে হবে।

আলোক-বিষক্রিয়া ও ত্বক ক্যান্সারের ঝুঁকি: বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় আলোক-সংবেদনশীলতা/আলোক-বিষক্রিয়া দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে (সাধারণত ১৮০ দিনের বেশি) ত্বকের স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা এবং বিরল ক্ষেত্রে অন্যান্য ত্বক ম্যালিগন্যান্সির ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসারত রোগীদের সরাসরি সূর্যালোক এড়ানো, প্রতিরক্ষামূলক পোশাক ও ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করা এবং নিয়মিত ত্বক পরীক্ষা করানো উচিত; ম্যালিগন্যান্সি সদৃশ ত্বক ক্ষত দেখা দিলে চিকিৎসা বন্ধ করার কথা বিবেচনা করা উচিত।

অ্যাড্রেনাল/এন্ডোক্রাইন প্রভাব: দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে অ্যাড্রেনাল ইনসাফিসিয়েন্সি ও কুশিং সিন্ড্রোমের ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে, যা স্টেরয়েড বিপাকের ওপর Azofend-এর প্রভাবের সাথে সম্পর্কিত।

ইনফিউশন প্রতিক্রিয়া: IV প্রদানের সময় অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড-ধরনের প্রতিক্রিয়া (মুখ লাল হওয়া, জ্বর, ঘাম, দ্রুত হৃদস্পন্দন, বুকে চাপ অনুভূতি) দেখা দিতে পারে; এসব লক্ষণ দেখা দিলে ইনফিউশনের গতি কমাতে হবে বা বন্ধ করতে হবে।

চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী পুরো কোর্স সম্পন্ন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Azofend বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না বা অন্য কাউকে দেবেন না।

মাত্রাধিক্যতা

Azofend-এর অতিরিক্ত মাত্রার কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। অতিরিক্ত মাত্রার অভিজ্ঞতা সীমিত; লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে দৃষ্টি সমস্যা ও আলোর প্রতি অতিসংবেদনশীলতার মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা বৃদ্ধি। সন্দেহজনক অতিরিক্ত মাত্রার ক্ষেত্রে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও উপসর্গভিত্তিক, নিবিড় পর্যবেক্ষণসহ; হেমোডায়ালাইসিস IV বাহক (SBECD) অপসারণে সাহায্য করতে পারে, তবে Azofend নিজেই অপসারণে এর উপকারিতা অনিশ্চিত। সন্দেহজনক অতিরিক্ত মাত্রার ক্ষেত্রে ঘরোয়া চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ট্যাবলেট ও অমিশ্রিত পাউডার ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। মিশ্রিত মুখে সেবনযোগ্য সাসপেনশন ঘরের তাপমাত্রায় রাখুন এবং ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবহার করুন (ফ্রিজে বা হিমায়িত করবেন না)। মিশ্রিত/পাতলা করা IV দ্রবণ পণ্যের নির্দেশিকা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবহার করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্করা: শুধুমাত্র বয়সের কারণে মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, তবে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার হার কিছুটা বেশি হতে পারে; নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত।

বৃক্ক সমস্যা: মুখে সেবনের মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই; মাঝারি থেকে গুরুতর বৃক্ক সমস্যায় যথাসম্ভব IV ফর্ম এড়িয়ে চলা উচিত (দেখুন "মাত্রা ও সেবনবিধি")।

যকৃত সমস্যা: হালকা থেকে মাঝারি সিরোসিসে মেইনটেন্যান্স মাত্রা ৫০% কমাতে হবে; গুরুতর যকৃত সমস্যায় সতর্কতার সাথে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করতে হবে।

শিশু রোগী: ২ বছর ও তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় ব্যবহারের অনুমোদন রয়েছে। ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Azofend-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

CYP2C19 "পুওর মেটাবোলাইজার": যেসব রোগীর CYP2C19 এনজাইম কার্যক্ষমতা কম (কিছু এশীয় জনগোষ্ঠীতে সাধারণ), তাদের ক্ষেত্রে Azofend-এর রক্তের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হতে পারে এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে; ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Azofend 200 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Azofend 200 mg Tablet একটি ট্রায়াজোল অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ, যা ইনভেসিভ অ্যাসপারজিলোসিস, ক্যান্ডিডেমিয়া ও অন্যান্য ক্যান্ডিডা সংক্রমণ, ইসোফ্যাজিয়াল ক্যান্ডিডিয়াসিস, এবং Scedosporium ও Fusarium প্রজাতির কারণে সৃষ্ট গুরুতর সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ কিছু রোগী যেমন স্টেম সেল প্রতিস্থাপন রোগীদের ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধেও এটি ব্যবহৃত হয়।

Q: Azofend 200 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?

A: Azofend 200 mg Tablet ট্যাবলেট বা মুখে সেবনযোগ্য সাসপেনশন খাবারের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা ১ ঘণ্টা পরে, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে সেবন করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না বা অন্য কাউকে দেবেন না, এবং ভালো বোধ করলেও পুরো নির্ধারিত কোর্স সম্পন্ন করুন।

Q: Azofend 200 mg Tablet দৃষ্টিতে সমস্যা করে কেন?

A: Azofend 200 mg Tablet সাধারণত সাময়িক দৃষ্টি সমস্যা যেমন ঝাপসা দৃষ্টি, আলোর প্রতি অতিসংবেদনশীলতা বা রঙের অনুভূতি পরিবর্তন ঘটাতে পারে, যা সাধারণত ডোজ নেওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে শুরু হয় এবং চিকিৎসার প্রথম কয়েক সপ্তাহে কমে যায়। এই লক্ষণ থাকাকালীন রাতে গাড়ি চালানো বা স্পষ্ট দৃষ্টি প্রয়োজন এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এড়িয়ে চলুন।

Q: Azofend 200 mg Tablet কি যকৃতের ক্ষতি করে?

A: হ্যাঁ, Azofend 200 mg Tablet যকৃতের সমস্যা ঘটাতে পারে, যার মধ্যে বিরল কিন্তু গুরুতর যকৃত ক্ষতিও অন্তর্ভুক্ত। চিকিৎসক সাধারণত Azofend 200 mg Tablet শুরুর আগে এবং চিকিৎসাকালে নিয়মিত যকৃত কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করবেন। ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা প্রস্রাব গাঢ় হয়ে যাওয়া দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসককে জানান।

Q: Azofend 200 mg Tablet সেবনকালে কি রোদে যাওয়া যাবে?

A: Azofend 200 mg Tablet সেবনকালে সরাসরি রোদে থাকা সীমিত করা উচিত, কারণ এটি ত্বককে সূর্যালোকের প্রতি সংবেদনশীল করে তুলতে পারে (আলোক-বিষক্রিয়া)। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে (বিশেষত ৬ মাসের বেশি) ত্বক পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়ে, যার মধ্যে বিরল ক্ষেত্রে ত্বক ক্যান্সারের ঝুঁকিও রয়েছে। প্রতিরক্ষামূলক পোশাক ও ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন এবং দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসারত হলে নিয়মিত ত্বক পরীক্ষা করান।

Q: গর্ভাবস্থায় Azofend 200 mg Tablet সেবন কি নিরাপদ?

A: Azofend 200 mg Tablet গর্ভস্থ শিশুর সম্ভাব্য ক্ষতি করতে পারে এবং সাধারণত গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলা হয়, যদি না চিকিৎসকের মতে মায়ের জন্য সম্ভাব্য উপকারিতা শিশুর ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি হয়। সন্তান ধারণক্ষম নারীদের Azofend 200 mg Tablet সেবনকালে কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত। গর্ভবতী, গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন বা স্তন্যদানকারী হলে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor