Product gallery
MRP ১৪৪.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১২৯.৬০/12's Pack
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Calcium- C একটি সমন্বিত মিনারেল ও ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট, যা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এবং হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী এর ব্যবহারকে নিম্নরূপে ভাগ করা যায়:

প্রতিষ্ঠিত ও নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার

  • অপর্যাপ্ত খাদ্যতালিকাগত ক্যালসিয়াম গ্রহণ বা বর্ধিত চাহিদার ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
  • অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সহায়ক থেরাপি হিসেবে, যেখানে ভিটামিন ডি৩ উপাদানটি অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণ ও হাড়ের মিনারেলাইজেশনে সহায়তা করে; প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারিত অস্টিওপোরোসিস-বিরোধী চিকিৎসার (যেমন বিসফসফোনেট) পরিপূরক হিসেবে Calcium- C ব্যবহৃত হয়, বিকল্প হিসেবে নয়।
  • গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে, দ্রুত বৃদ্ধির সময় (শৈশব, কৈশোর), এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যান্য অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টেশন

সহায়ক ব্যবহার

  • হাইপোপ্যারাথাইরয়ডিজম বা কর্টিকোস্টেরয়েড-জনিত হাড়ক্ষয়ের মতো অবস্থায় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি ব্যবস্থাপনার সহায়ক হিসেবে।

Calcium- C সুষম খাদ্য, ওজন-বহনকারী ব্যায়াম, অথবা নির্ণীত হাড়ের রোগের নির্ধারিত চিকিৎসার বিকল্প নয় এবং একজন চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Calcium- C ভিটামিন ডি সহ ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট থেরাপিউটিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত (ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি ঘাটতি প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো হাড়ের সমস্যায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত মিনারেল ও ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট)।

ফার্মাকোলজি

Calcium Lactate Gluconate + Calcium Carbonate + Vitamin C + Vitamin D3-এর উপাদানগুলো পরস্পর-পরিপূরক প্রক্রিয়ায় কাজ করে:

  • ক্যালসিয়াম ল্যাকটেট গ্লুকোনেট ও ক্যালসিয়াম কার্বনেট: পরিপাকতন্ত্রে বিয়োজিত হয়ে আয়নিত ক্যালসিয়াম নির্গত করে, যা মূলত ক্ষুদ্রান্ত্রে শোষিত হয়ে হাড় ও দাঁতের মিনারেলাইজেশন, স্নায়ু-পেশি সঞ্চালন, হৃৎপেশি ও কঙ্কালপেশির সংকোচন, রক্ত জমাট বাঁধা, এবং এনজাইম ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
  • ভিটামিন ডি৩ (কোলেক্যালসিফেরল): যকৃত ও কিডনিতে হাইড্রক্সিলেটেড হয়ে সক্রিয় ক্যালসিট্রিওলে রূপান্তরিত হয়, যা অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফেট শোষণ বৃদ্ধি করে, কিডনির টিউবিউলে ক্যালসিয়াম পুনঃশোষণে সহায়তা করে, এবং প্যারাথাইরয়েড হরমোনের সাথে মিলিতভাবে হাড়ের মিনারেলাইজেশন ও রক্তে ক্যালসিয়ামের সমতা নিয়ন্ত্রণ করে।
  • ভিটামিন সি (অ্যাসকরবিক অ্যাসিড): একটি পানিতে দ্রবণীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং হাড়ের গঠনগত ম্যাট্রিক্সের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোলাজেন সংশ্লেষণে প্রয়োজনীয় এনজাইমের কোফ্যাক্টর হিসেবে ভূমিকা রাখে; এই সমন্বয়ে এটি ফর্মুলেশন স্থিতিশীল রাখতেও সহায়তা করে।

Calcium Lactate Gluconate + Calcium Carbonate + Vitamin C + Vitamin D3-এর উপাদানগুলো একত্রে শুধুমাত্র ক্যালসিয়ামের তুলনায় ক্যালসিয়ামের ঘাটতি অধিকতর কার্যকরভাবে সংশোধন করতে সহায়তা করে, কারণ ক্যালসিয়াম কার্যকরভাবে শোষিত হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি প্রয়োজন।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Calcium- C-এর মাত্রা নির্দেশনা, বয়স, খাদ্যতালিকাগত ক্যালসিয়াম গ্রহণ, এবং নির্দিষ্ট পণ্যের শক্তি অনুযায়ী চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শে নির্ধারিত হওয়া উচিত। নিচে সাধারণ নির্দেশনা দেওয়া হলো; সর্বদা পণ্যের লেবেল ও প্রেসক্রাইবারের নির্দেশ অনুসরণ করুন।

নির্দেশনা / জনগোষ্ঠীসাধারণ মাত্রা নির্দেশনা
প্রাপ্তবয়স্ক - ক্যালসিয়াম ঘাটতি / খাদ্যতালিকাগত সাপ্লিমেন্টেশনCalcium- C-এর একটি ট্যাবলেট/স্যাশে দিনে একবার বা দুইবার, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী, সাধারণত খাবারের সাথে বা পরে গ্রহণ করতে হয়।
প্রাপ্তবয়স্ক - অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ/ব্যবস্থাপনায় সহায়কনির্ধারিত অনুযায়ী, সাধারণত দিনে একবার বা দুইবার, যেকোনো নির্দিষ্ট অস্টিওপোরোসিস-বিরোধী চিকিৎসার পাশাপাশি; সকল উৎস থেকে মোট দৈনিক ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ যেন সুপারিশকৃত মাত্রা অতিক্রম না করে তা নিশ্চিত করতে হবে।
গর্ভাবস্থা / স্তন্যদান - বর্ধিত ক্যালসিয়াম চাহিদাখাদ্যতালিকাগত ক্যালসিয়াম গ্রহণ ও গর্ভাবস্থার ট্রাইমেস্টার/স্তন্যদানের পর্যায় অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ মতো।
শিশু (উপযুক্ত ফর্মুলেশন/মাত্রা থাকলে)শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, বয়স-উপযোগী শক্তি এবং ওজন/বয়স-ভিত্তিক মাত্রা ব্যবহার করে; ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফিক্সড-ডোজ শক্তির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা চিকিৎসকের সাথে নিশ্চিত করা উচিত।
কিডনি সমস্যাসতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম নির্গমনের সীমিত ক্ষমতার কারণে সিরাম ক্যালসিয়াম পর্যবেক্ষণসহ চিকিৎসকের দ্বারা পৃথক মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত (সতর্কতা অংশ দেখুন)।

চিকিৎসক বা পণ্যের লেবেলে সুপারিশকৃত মাত্রার বেশি গ্রহণ করবেন না, এবং হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট একসাথে গ্রহণ এড়িয়ে চলুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি উপাদানের কারণে Calcium- C বেশ কিছু ঔষধের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করতে পারে:

  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক: ক্যালসিয়াম এসব অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে অদ্রবণীয় কিলেট তৈরি করে, ফলে এগুলোর শোষণ ও কার্যকারিতা কমে যায়; কমপক্ষে ২ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করুন।
  • থায়াজাইড ডাইইউরেটিক: প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম নির্গমন কমিয়ে Calcium- C-এর সাথে একত্রে গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • ডিগোক্সিন: ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টেশন থেকে সৃষ্ট হাইপারক্যালসেমিয়া ডিজিটালিস বিষক্রিয়া ও হৃদস্পন্দনের ছন্দপতনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে; সতর্কতা ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • লিভোথাইরক্সিন: ক্যালসিয়াম কার্বনেট লিভোথাইরক্সিনের শোষণ কমাতে পারে; কমপক্ষে ২-৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করুন।
  • বিসফসফোনেট: ক্যালসিয়াম মুখে সেবনযোগ্য বিসফসফোনেটের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়; এগুলো Calcium- C থেকে যথেষ্ট ব্যবধানে সেবন করতে হবে (সাধারণত বিসফসফোনেটের নিজস্ব লেবেল অনুযায়ী কমপক্ষে ৩০-৬০ মিনিট আগে)।
  • অন্যান্য ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ পণ্য বা উচ্চমাত্রার ভিটামিন ডি থেরাপি: একসাথে ব্যবহারে সংযোজিত ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া ও হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • কর্টিকোস্টেরয়েড: দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে ক্যালসিয়াম শোষণ কমাতে ও ক্যালসিয়ামের চাহিদা বাড়াতে পারে।
  • অ্যালুমিনিয়াম- বা ম্যাগনেসিয়াম-যুক্ত অ্যান্টাসিড এবং সোডিয়াম পলিস্টাইরিন সালফোনেট: ক্যালসিয়ামযুক্ত পণ্যের সাথে একত্রে ব্যবহারে উভয়ের শোষণ পরিবর্তিত হতে পারে; সম্ভব হলে পৃথক সময়ে সেবন করুন।

Calcium- C-এর সাথে গ্রহণ করা অন্যান্য সকল ঔষধ, এমনকি অন্য ভিটামিন/মিনারেল সাপ্লিমেন্ট সম্পর্কেও চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Calcium Lactate Gluconate + Calcium Carbonate + Vitamin C + Vitamin D3 ব্যবহার নিষিদ্ধ:

  • ক্যালসিয়াম ল্যাকটেট গ্লুকোনেট, ক্যালসিয়াম কার্বনেট, ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি৩, বা ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি-সংবেদনশীলতা।
  • হাইপারক্যালসেমিয়া বা হাইপারক্যালসিউরিয়া।
  • হাইপারক্যালসেমিয়ার সাথে সম্পর্কিত অবস্থা, যেমন হাইপারপ্যারাথাইরয়ডিজম, সারকয়ডোসিস বা অন্যান্য গ্র্যানুলোমাটাস রোগ, এবং হাড়ে মেটাস্টেসিসসহ ম্যালিগন্যান্সি বা এক্টোপিক প্যারাথাইরয়েড-হরমোন-সম্পর্কিত প্রোটিন উৎপাদনকারী ম্যালিগন্যান্সি।
  • হাইপারভিটামিনোসিস ডি।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সুপারিশকৃত মাত্রায় গ্রহণ করলে Calcium- C সাধারণত ভালোভাবে সহনীয় হয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • সাধারণ: উচ্চ মাত্রায়, বিশেষত পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, গ্যাস, এবং হালকা পেটের অস্বস্তি বা বমি বমি ভাব।
  • অস্বাভাবিক/মাত্রা-নির্ভর: অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া ও হাইপারক্যালসিউরিয়া, যা ক্ষুধামান্দ্য, তৃষ্ণা, বর্ধিত প্রস্রাব, দুর্বলতা, বা বিভ্রান্তি হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে।
  • বিরল: অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া (র‍্যাশ, চুলকানি); অত্যন্ত উচ্চমাত্রায় দীর্ঘমেয়াদী ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও শোষণযোগ্য ক্ষার একত্রে গ্রহণে মিল্ক-অ্যালকালি সিন্ড্রোম; দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণে কিডনিতে পাথর, বিশেষত ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে।

দীর্ঘস্থায়ী পরিপাকতন্ত্রের লক্ষণ বা হাইপারক্যালসেমিয়ার ইঙ্গিতবাহী লক্ষণ দেখা দিলে রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ডি গ্রহণ সাধারণত উপকারী বলে বিবেচিত হয়, এবং খাদ্যতালিকাগত গ্রহণ অপর্যাপ্ত হলে Calcium- C-এর মতো পণ্য দিয়ে সাপ্লিমেন্টেশন সাধারণত সুপারিশ করা হয়। তবে, Calcium- C গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে কেবলমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, কারণ অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি গ্রহণ (এই পণ্য, খাদ্য, প্রি-নেটাল ভিটামিন, বা অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট একত্রে বিবেচনা করে) মা ও ভ্রূণ/শিশু উভয়ের জন্যই হাইপারক্যালসেমিয়াসহ ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সম্ভাব্য উপকারিতাকে সম্ভাব্য ঝুঁকির বিপরীতে বিবেচনা করতে হবে, এবং সকল উৎস থেকে মোট গ্রহণের ভিত্তিতে উপযুক্ত মাত্রা চিকিৎসকের দ্বারা নিশ্চিত করা উচিত।

সতর্কতা

Calcium- C ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সতর্কতাগুলো প্রযোজ্য:

  • কিডনি সমস্যা / কিডনিতে পাথরের ইতিহাস: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ ক্যালসিয়াম নির্গমনের সীমিত ক্ষমতা হাইপারক্যালসেমিয়া ও পাথর গঠনের ঝুঁকি বাড়ায়; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • সারকয়ডোসিস বা অন্যান্য গ্র্যানুলোমাটাস রোগ: ভিটামিন ডি-এর প্রতি বর্ধিত সংবেদনশীলতা সাধারণ মাত্রাতেও হাইপারক্যালসেমিয়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে।
  • দীর্ঘসময় শয্যাশায়ী রোগী: হাড় থেকে ক্যালসিয়াম নিঃসরণের কারণে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে; সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
  • দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চমাত্রার ব্যবহার: দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে, বিশেষত অন্যান্য ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি উৎসের সাথে একত্রে, সিরাম ও প্রস্রাবে ক্যালসিয়ামের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ পরামর্শযোগ্য।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট, ফোর্টিফায়েড খাবার, বা ঔষধ থেকে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ এড়িয়ে চলুন
  • ব্যবহারের আগে প্রতিনির্দেশনা (অতি-সংবেদনশীলতা, হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারক্যালসিউরিয়া, হাইপারভিটামিনোসিস ডি, এবং হাইপারক্যালসেমিয়ার প্রবণতাসৃষ্টিকারী অবস্থা) বাদ দেওয়া আবশ্যক - প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন।

মাত্রাধিক্যতা

Calcium- C-এর অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া ও ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া হতে পারে, যার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ব্যথা, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, বর্ধিত প্রস্রাব, পেশি দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দনের ছন্দপতন বা কিডনির ক্ষতি। মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতা সামলানোর চেষ্টা করবেন না। চিকিৎসা সহায়ক প্রকৃতির এবং যোগ্য চিকিৎসা কর্মীদের দ্বারা প্রদান করা উচিত, যার মধ্যে সাধারণত পণ্য গ্রহণ বন্ধ করা, তরল সরবরাহ, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সিরাম ক্যালসিয়াম পর্যবেক্ষণ/সংশোধন অন্তর্ভুক্ত থাকে।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

কিডনি সমস্যা: Calcium- C সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; কিডনি থেকে ক্যালসিয়াম নির্গমন কমে যাওয়ায় হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে, এবং পর্যবেক্ষণসহ পৃথক মাত্রা নির্ধারণ পরামর্শযোগ্য (সতর্কতা অংশ দেখুন)।

যকৃতের সমস্যা: ভিটামিন ডি৩ সক্রিয় হওয়ার জন্য যকৃতে হাইড্রক্সিলেশন প্রয়োজন; উল্লেখযোগ্য যকৃতের সমস্যায় ভিটামিন ডি সক্রিয়করণ পরিবর্তিত হতে পারে, তাই এসব রোগীর Calcium- C চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।

বয়স্ক রোগী: সাধারণত ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত, তবে বয়স্ক রোগীদের কিডনির কার্যকারিতা কম থাকতে পারে বা মিথষ্ক্রিয়াকারী ঔষধ (যেমন থায়াজাইড, ডিগোক্সিন) সেবন করতে পারেন, তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত।

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: শিশুদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি সহায়তা ও ঘাটতি প্রতিরোধ/চিকিৎসায় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টেশন সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়, তবে শিশু ও ছোট বাচ্চাদের জন্য Calcium- C-এর এই নির্দিষ্ট ফিক্সড-ডোজ সংমিশ্রণের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা পৃথকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার শুধুমাত্র বয়স-উপযোগী ফর্মুলেশন ও মাত্রায়, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত, এবং হাইপারক্যালসেমিয়া এড়াতে খাদ্য, ফোর্টিফায়েড খাবার ও অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট থেকে মোট ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শিশু বা ছোট বাচ্চাদের Calcium- C দেওয়া উচিত নয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Calcium- C Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Calcium- C Tablet ক্যালসিয়াম ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এবং হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে এবং গর্ভাবস্থা, স্তন্যদান ও বৃদ্ধির সময়ে ক্যালসিয়ামের বর্ধিত চাহিদা মেটাতে ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত। বিস্তারিত জানতে নির্দেশনা অংশ দেখুন।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Calcium- C Tablet গ্রহণ করা যাবে?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে গর্ভাবস্থায় Calcium- C Tablet ব্যবহার করা যেতে পারে, কারণ গর্ভাবস্থায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ সাধারণত উপকারী, তবে অতিরিক্ত গ্রহণ এড়িয়ে চলা উচিত। ব্যবহারের আগে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন - গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।

Q: অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে কি Calcium- C Tablet খাওয়া যাবে?

A: Calcium- C Tablet টেট্রাসাইক্লিন বা ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে একই সময়ে গ্রহণ করা উচিত নয়, কারণ ক্যালসিয়াম এদের শোষণ কমিয়ে দেয়। কমপক্ষে ২ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করুন। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া জানতে ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া অংশ দেখুন।

Q: Calcium- C Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Calcium- C Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো হালকা পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, এবং পেটের অস্বস্তি। অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম) হতে পারে, তাই সুপারিশকৃত মাত্রা অতিক্রম করা উচিত নয়। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অংশ দেখুন।

Q: কাদের Calcium- C Tablet গ্রহণ করা উচিত নয়?

A: যেসব রোগীর Calcium- C Tablet-এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি-সংবেদনশীলতা রয়েছে, অথবা যাদের হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারক্যালসিউরিয়া, হাইপারভিটামিনোসিস ডি, বা হাইপারপ্যারাথাইরয়ডিজম বা সারকয়ডোসিসের মতো হাইপারক্যালসেমিয়ার প্রবণতাসৃষ্টিকারী অবস্থা রয়েছে, তাদের এটি গ্রহণ করা উচিত নয়। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন।

Q: Calcium- C Tablet বেশি খেয়ে ফেললে কী করা উচিত?

A: Calcium- C Tablet-এর মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ মাত্রাধিক্যতায় হাইপারক্যালসেমিয়া ও ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া হতে পারে, যার জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতার চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না। মাত্রাধিক্যতা অংশ দেখুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor