
Cavic-C Plus
Incepta Pharmaceuticals Ltd.

Calcium- C একটি সমন্বিত মিনারেল ও ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট, যা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এবং হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী এর ব্যবহারকে নিম্নরূপে ভাগ করা যায়:
Calcium- C সুষম খাদ্য, ওজন-বহনকারী ব্যায়াম, অথবা নির্ণীত হাড়ের রোগের নির্ধারিত চিকিৎসার বিকল্প নয় এবং একজন চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।
Calcium- C ভিটামিন ডি সহ ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট থেরাপিউটিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত (ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি ঘাটতি প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো হাড়ের সমস্যায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত মিনারেল ও ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট)।
Calcium Lactate Gluconate + Calcium Carbonate + Vitamin C + Vitamin D3-এর উপাদানগুলো পরস্পর-পরিপূরক প্রক্রিয়ায় কাজ করে:
Calcium Lactate Gluconate + Calcium Carbonate + Vitamin C + Vitamin D3-এর উপাদানগুলো একত্রে শুধুমাত্র ক্যালসিয়ামের তুলনায় ক্যালসিয়ামের ঘাটতি অধিকতর কার্যকরভাবে সংশোধন করতে সহায়তা করে, কারণ ক্যালসিয়াম কার্যকরভাবে শোষিত হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি প্রয়োজন।
Calcium- C-এর মাত্রা নির্দেশনা, বয়স, খাদ্যতালিকাগত ক্যালসিয়াম গ্রহণ, এবং নির্দিষ্ট পণ্যের শক্তি অনুযায়ী চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শে নির্ধারিত হওয়া উচিত। নিচে সাধারণ নির্দেশনা দেওয়া হলো; সর্বদা পণ্যের লেবেল ও প্রেসক্রাইবারের নির্দেশ অনুসরণ করুন।
| নির্দেশনা / জনগোষ্ঠী | সাধারণ মাত্রা নির্দেশনা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক - ক্যালসিয়াম ঘাটতি / খাদ্যতালিকাগত সাপ্লিমেন্টেশন | Calcium- C-এর একটি ট্যাবলেট/স্যাশে দিনে একবার বা দুইবার, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী, সাধারণত খাবারের সাথে বা পরে গ্রহণ করতে হয়। |
| প্রাপ্তবয়স্ক - অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ/ব্যবস্থাপনায় সহায়ক | নির্ধারিত অনুযায়ী, সাধারণত দিনে একবার বা দুইবার, যেকোনো নির্দিষ্ট অস্টিওপোরোসিস-বিরোধী চিকিৎসার পাশাপাশি; সকল উৎস থেকে মোট দৈনিক ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ যেন সুপারিশকৃত মাত্রা অতিক্রম না করে তা নিশ্চিত করতে হবে। |
| গর্ভাবস্থা / স্তন্যদান - বর্ধিত ক্যালসিয়াম চাহিদা | খাদ্যতালিকাগত ক্যালসিয়াম গ্রহণ ও গর্ভাবস্থার ট্রাইমেস্টার/স্তন্যদানের পর্যায় অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ মতো। |
| শিশু (উপযুক্ত ফর্মুলেশন/মাত্রা থাকলে) | শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, বয়স-উপযোগী শক্তি এবং ওজন/বয়স-ভিত্তিক মাত্রা ব্যবহার করে; ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফিক্সড-ডোজ শক্তির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা চিকিৎসকের সাথে নিশ্চিত করা উচিত। |
| কিডনি সমস্যা | সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম নির্গমনের সীমিত ক্ষমতার কারণে সিরাম ক্যালসিয়াম পর্যবেক্ষণসহ চিকিৎসকের দ্বারা পৃথক মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত (সতর্কতা অংশ দেখুন)। |
চিকিৎসক বা পণ্যের লেবেলে সুপারিশকৃত মাত্রার বেশি গ্রহণ করবেন না, এবং হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট একসাথে গ্রহণ এড়িয়ে চলুন।
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি উপাদানের কারণে Calcium- C বেশ কিছু ঔষধের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করতে পারে:
Calcium- C-এর সাথে গ্রহণ করা অন্যান্য সকল ঔষধ, এমনকি অন্য ভিটামিন/মিনারেল সাপ্লিমেন্ট সম্পর্কেও চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Calcium Lactate Gluconate + Calcium Carbonate + Vitamin C + Vitamin D3 ব্যবহার নিষিদ্ধ:
সুপারিশকৃত মাত্রায় গ্রহণ করলে Calcium- C সাধারণত ভালোভাবে সহনীয় হয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
দীর্ঘস্থায়ী পরিপাকতন্ত্রের লক্ষণ বা হাইপারক্যালসেমিয়ার ইঙ্গিতবাহী লক্ষণ দেখা দিলে রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ডি গ্রহণ সাধারণত উপকারী বলে বিবেচিত হয়, এবং খাদ্যতালিকাগত গ্রহণ অপর্যাপ্ত হলে Calcium- C-এর মতো পণ্য দিয়ে সাপ্লিমেন্টেশন সাধারণত সুপারিশ করা হয়। তবে, Calcium- C গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে কেবলমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, কারণ অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি গ্রহণ (এই পণ্য, খাদ্য, প্রি-নেটাল ভিটামিন, বা অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট একত্রে বিবেচনা করে) মা ও ভ্রূণ/শিশু উভয়ের জন্যই হাইপারক্যালসেমিয়াসহ ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সম্ভাব্য উপকারিতাকে সম্ভাব্য ঝুঁকির বিপরীতে বিবেচনা করতে হবে, এবং সকল উৎস থেকে মোট গ্রহণের ভিত্তিতে উপযুক্ত মাত্রা চিকিৎসকের দ্বারা নিশ্চিত করা উচিত।
Calcium- C ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সতর্কতাগুলো প্রযোজ্য:
Calcium- C-এর অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া ও ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া হতে পারে, যার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ব্যথা, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, বর্ধিত প্রস্রাব, পেশি দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দনের ছন্দপতন বা কিডনির ক্ষতি। মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতা সামলানোর চেষ্টা করবেন না। চিকিৎসা সহায়ক প্রকৃতির এবং যোগ্য চিকিৎসা কর্মীদের দ্বারা প্রদান করা উচিত, যার মধ্যে সাধারণত পণ্য গ্রহণ বন্ধ করা, তরল সরবরাহ, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সিরাম ক্যালসিয়াম পর্যবেক্ষণ/সংশোধন অন্তর্ভুক্ত থাকে।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
কিডনি সমস্যা: Calcium- C সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; কিডনি থেকে ক্যালসিয়াম নির্গমন কমে যাওয়ায় হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে, এবং পর্যবেক্ষণসহ পৃথক মাত্রা নির্ধারণ পরামর্শযোগ্য (সতর্কতা অংশ দেখুন)।
যকৃতের সমস্যা: ভিটামিন ডি৩ সক্রিয় হওয়ার জন্য যকৃতে হাইড্রক্সিলেশন প্রয়োজন; উল্লেখযোগ্য যকৃতের সমস্যায় ভিটামিন ডি সক্রিয়করণ পরিবর্তিত হতে পারে, তাই এসব রোগীর Calcium- C চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।
বয়স্ক রোগী: সাধারণত ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত, তবে বয়স্ক রোগীদের কিডনির কার্যকারিতা কম থাকতে পারে বা মিথষ্ক্রিয়াকারী ঔষধ (যেমন থায়াজাইড, ডিগোক্সিন) সেবন করতে পারেন, তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত।
শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: শিশুদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি সহায়তা ও ঘাটতি প্রতিরোধ/চিকিৎসায় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টেশন সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়, তবে শিশু ও ছোট বাচ্চাদের জন্য Calcium- C-এর এই নির্দিষ্ট ফিক্সড-ডোজ সংমিশ্রণের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা পৃথকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার শুধুমাত্র বয়স-উপযোগী ফর্মুলেশন ও মাত্রায়, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত, এবং হাইপারক্যালসেমিয়া এড়াতে খাদ্য, ফোর্টিফায়েড খাবার ও অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট থেকে মোট ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শিশু বা ছোট বাচ্চাদের Calcium- C দেওয়া উচিত নয়।
Q: Calcium- C Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Calcium- C Tablet ক্যালসিয়াম ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এবং হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে এবং গর্ভাবস্থা, স্তন্যদান ও বৃদ্ধির সময়ে ক্যালসিয়ামের বর্ধিত চাহিদা মেটাতে ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত। বিস্তারিত জানতে নির্দেশনা অংশ দেখুন।
Q: গর্ভাবস্থায় কি Calcium- C Tablet গ্রহণ করা যাবে?
A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে গর্ভাবস্থায় Calcium- C Tablet ব্যবহার করা যেতে পারে, কারণ গর্ভাবস্থায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ সাধারণত উপকারী, তবে অতিরিক্ত গ্রহণ এড়িয়ে চলা উচিত। ব্যবহারের আগে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন - গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।
Q: অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে কি Calcium- C Tablet খাওয়া যাবে?
A: Calcium- C Tablet টেট্রাসাইক্লিন বা ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে একই সময়ে গ্রহণ করা উচিত নয়, কারণ ক্যালসিয়াম এদের শোষণ কমিয়ে দেয়। কমপক্ষে ২ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করুন। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া জানতে ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া অংশ দেখুন।
Q: Calcium- C Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Calcium- C Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো হালকা পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, এবং পেটের অস্বস্তি। অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম) হতে পারে, তাই সুপারিশকৃত মাত্রা অতিক্রম করা উচিত নয়। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অংশ দেখুন।
Q: কাদের Calcium- C Tablet গ্রহণ করা উচিত নয়?
A: যেসব রোগীর Calcium- C Tablet-এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি-সংবেদনশীলতা রয়েছে, অথবা যাদের হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারক্যালসিউরিয়া, হাইপারভিটামিনোসিস ডি, বা হাইপারপ্যারাথাইরয়ডিজম বা সারকয়ডোসিসের মতো হাইপারক্যালসেমিয়ার প্রবণতাসৃষ্টিকারী অবস্থা রয়েছে, তাদের এটি গ্রহণ করা উচিত নয়। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন।
Q: Calcium- C Tablet বেশি খেয়ে ফেললে কী করা উচিত?
A: Calcium- C Tablet-এর মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ মাত্রাধিক্যতায় হাইপারক্যালসেমিয়া ও ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া হতে পারে, যার জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতার চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না। মাত্রাধিক্যতা অংশ দেখুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।