Product gallery
MRP ৩৬০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৩৩১.২০/60's Pack
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Calcium-D একটি পুষ্টি সহায়ক ওষুধ যা ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি৩, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই এবং সংশ্লিষ্ট ট্রেস মিনারেলের ঘাটতি প্রতিরোধ ও সংশোধনে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সুপারিশ করা হয়ঃ

  • প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার: খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর অপর্যাপ্ততা থাকলে হাড়ের গঠন সহায়তার জন্য, বিশেষত মেনোপজ-পরবর্তী নারী ও হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকিতে থাকা বয়স্কদের ক্ষেত্রে।
  • সহায়ক (adjunct) ব্যবহার: অস্টিওপোরোসিস বা অস্টিওপেনিয়ার নির্দিষ্ট চিকিৎসার পাশাপাশি সহায়ক হিসেবে (এককভাবে এটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর হাড় গঠনকারী থেরাপির বিকল্প নয়)।
  • সাধারণ পুষ্টি সহায়তা: গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে বর্ধিত মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট চাহিদা মেটাতে, অসুস্থতা বা অস্ত্রোপচারের পর সুস্থতার সময়ে, এবং অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণের সময়ে (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ সাপেক্ষে)।
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট/রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সহায়ক: এতে থাকা ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহায়তা দেয় এবং স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, সংযোজক কলা ও ত্বকের স্বাস্থ্যে অবদান রাখে, তবে এই সংমিশ্রণ কোনো নির্দিষ্ট রোগের চিকিৎসা নয়।

Calcium-D কোনো নির্ণয়কৃত, তীব্র একক-পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি (যেমন লক্ষণযুক্ত ভিটামিন ডি ঘাটতি, স্কার্ভি) এর চিকিৎসার জন্য নয়, যার জন্য পৃথক উচ্চমাত্রার একক-উপাদান পণ্য দিয়ে সরাসরি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Calcium-D সংযুক্ত মিনারেল ও ভিটামিন প্রস্তুতি (মাল্টিভিটামিন-মাল্টিমিনারেল পুষ্টি সহায়ক) থেরাপিউটিক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত, যা সাধারণ পুষ্টি সহায়তা ও হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Calcium + Vitamin D3 + Vitamin C + Vitamin E + Multimineral-এর উপাদানগুলোর পরস্পর সম্পূরক শারীরবৃত্তীয় ভূমিকা রয়েছেঃ

  • ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের প্রধান খনিজ উপাদান এবং পেশি সংকোচন, স্নায়ু সঞ্চালন ও রক্ত জমাট বাঁধার জন্য অপরিহার্য।
  • ভিটামিন ডি৩ (কোলেক্যালসিফেরল) যকৃত ও কিডনিতে সক্রিয় রূপ ক্যালসিট্রিওলে রূপান্তরিত হয়, যা অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফেট শোষণ বাড়ায় এবং স্বাভাবিক হাড়ের গঠন ও রক্তে ক্যালসিয়ামের সমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
  • ভিটামিন সি (অ্যাসকরবিক অ্যাসিড) একটি পানিতে দ্রবণীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কোলাজেন সংশ্লেষণ, ক্ষত নিরাময় ও স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ কোষের কার্যকারিতার জন্য প্রয়োজনীয়, এবং এটি নন-হিম আয়রনের শোষণ বাড়ায়।
  • ভিটামিন ই (টোকোফেরল) একটি চর্বি-দ্রবণীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কোষ ঝিল্লিকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
  • ট্রেস মিনারেল (যেমন জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার) হাড়ের বিপাক, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রতিরক্ষা ও সাধারণ কোষীয় কার্যক্রমে জড়িত অসংখ্য এনজাইমেটিক বিক্রিয়ার সহায়ক উপাদান হিসেবে কাজ করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Calcium-D-এর সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা হলো দিনে একবার বা দুইবার একটি ট্যাবলেট, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী, খাবারের সাথে বা খাবারের পরে সেবন করলে শোষণ ভালো হয় এবং পাকস্থলীর অস্বস্তি কম হয়। বয়স্ক ও মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস ও হাড়ের স্বাস্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে মাত্রা নির্ধারিত হয়। গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে ট্রাইমেস্টার ও খাদ্যগ্রহণ অনুযায়ী পৃথকভাবে মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত। শিশুদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে বয়স/ওজন-উপযোগী প্রস্তুতি ও মাত্রা ব্যবহার করতে হবে। ট্যাবলেট সাধারণত পানির সাথে গিলে খেতে হয়, চিবানো নয়, যদি না এটি বিশেষভাবে চিবানোর জন্য তৈরি হয়। কিছু অন্যান্য ওষুধের সাথে Calcium-D একই সময়ে সেবন করা উচিত নয় (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া) — পরামর্শ অনুযায়ী কমপক্ষে ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Calcium-D-এর নিম্নলিখিত ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াগুলো রয়েছেঃ

  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক: ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য মিনারেল এসব অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে অদ্রবণীয় জটিল (কিলেট) তৈরি করে, যা তাদের শোষণ ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়; কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করতে হবে।
  • লিভোথাইরক্সিন: ক্যালসিয়াম লিভোথাইরক্সিনের শোষণ কমাতে পারে; কমপক্ষে ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করতে হবে।
  • বিসফসফোনেট (যেমন অ্যালেন্ড্রোনেট): ক্যালসিয়াম বিসফসফোনেটের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়; বিসফসফোনেট এর নিজস্ব নির্দেশনা অনুযায়ী এই সাপ্লিমেন্টের আগে যথেষ্ট সময় ব্যবধানে সেবন করতে হবে।
  • থায়াজাইড ডাই ইউরেটিক: ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি-এর সাথে একযোগে ব্যবহারে কিডনি থেকে ক্যালসিয়াম নিঃসরণ কমে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • ডিগক্সিন: অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে সৃষ্ট হাইপারক্যালসেমিয়া ডিগক্সিন বিষক্রিয়া ও হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • আয়রন সাপ্লিমেন্ট: ক্যালসিয়াম মুখে সেবনযোগ্য আয়রনের শোষণ কমাতে পারে; উভয়ই প্রয়োজন হলে পৃথক সময়ে সেবন করতে হবে।
  • অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট/অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ: উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই ওয়ারফারিন ও অন্যান্য অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট/অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধের প্রভাব বাড়িয়ে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে; সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

প্রতিনির্দেশনা

Calcium + Vitamin D3 + Vitamin C + Vitamin E + Multimineral নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিতঃ

  • ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি৩, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই বা প্রস্তুতির অন্য কোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা।
  • হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে অস্বাভাবিক উচ্চ ক্যালসিয়াম মাত্রা)।
  • হাইপারভিটামিনোসিস ডি।
  • অস্বাভাবিক ক্যালসিয়াম জমা বা হাইপারক্যালসিউরিয়া সম্পর্কিত অবস্থা, যেমন হাইপারক্যালসেমিক সারকয়েডোসিস বা হাইপারক্যালসেমিয়াসহ হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

প্রস্তাবিত মাত্রায় Calcium-D সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ

  • পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা: কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, গ্যাস, বমি বমি ভাব বা মৃদু পেটের অস্বস্তি।
  • দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত গ্রহণে বিরল ক্ষেত্রে: হাইপারক্যালসেমিয়ার লক্ষণ যেমন ক্ষুধামন্দা, তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব বা ক্লান্তি (দেখুন মাত্রাধিক্যতা)।
  • বিরল অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া যেমন ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানি।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি৩, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই-এর চাহিদা বৃদ্ধি পায়, এবং চিকিৎসকের পরামর্শে প্রস্তাবিত দৈনিক ভাতার মধ্যে মাত্রায় Calcium-D সাধারণত ব্যবহৃত হয়। তবে মাত্রা ব্যক্তিভেদে নির্ধারণ করতে হবে এবং প্রস্তাবিত ঊর্ধ্বসীমার বেশি গ্রহণ এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি মা ও ভ্রূণ/শিশু উভয়ের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের নির্দেশনায় ব্যবহার করুন, যিনি ট্রাইমেস্টার ও খাদ্যগ্রহণ অনুযায়ী উপযুক্ত মাত্রা নির্ধারণ করতে পারবেন।

সতর্কতা

Calcium-D ব্যবহারে নিম্নলিখিত সতর্কতা প্রযোজ্যঃ

  • কিডনি জটিলতা: কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ ক্যালসিয়াম ও মিনারেল নিঃসরণ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় জমা হওয়া ও হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; মাত্রা সমন্বয় বা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন।
  • কিডনিতে পাথরের ইতিহাস: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ ঝুঁকিপ্রবণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টেশন ক্যালসিয়ামযুক্ত কিডনি পাথরের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • সহগামী ওষুধ: এই পণ্যের মিনারেল দ্বারা যেসব ওষুধের শোষণ কমে যায় তাদের জন্য ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া অংশ দেখুন এবং সে অনুযায়ী মাত্রার সময় পৃথক রাখুন।
  • অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্টের সাথে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই: রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ার কারণে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।
  • নির্দিষ্ট ঘাটতির চিকিৎসার বিকল্প নয়: নির্ণয়কৃত, লক্ষণযুক্ত একক-পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি (যেমন উল্লেখযোগ্য ভিটামিন ডি ঘাটতি) থাকা ব্যক্তিদের এই সাধারণ সংমিশ্রণ পণ্যের পরিবর্তে ব্যক্তিগতকৃত, উচ্চমাত্রার, চিকিৎসক-নির্দেশিত থেরাপি দিয়ে ব্যবস্থাপনা করা উচিত।
  • প্রস্তাবিত মাত্রার বেশি গ্রহণ এড়িয়ে চলুন, কারণ দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম ও চর্বি-দ্রবণীয় ভিটামিন (ডি ও ই) গ্রহণে বিষক্রিয়া হতে পারে।

মাত্রাধিক্যতা

Calcium-D-এর মাত্রাধিক্যতা, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত গ্রহণে, হাইপারক্যালসেমিয়া (বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, বিভ্রান্তি, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব, পেশি দুর্বলতা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে কিডনিতে পাথর বা হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যা) এবং বিরল ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন; পেশাদার পরামর্শ ছাড়া বাড়িতে সন্দেহভাজন মাত্রাধিক্যতা নিজে থেকে সামলানোর চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে: Calcium-D শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, বয়স ও ওজন-উপযোগী প্রস্তুতি ও মাত্রা ব্যবহার করে, কারণ অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম ও চর্বি-দ্রবণীয় ভিটামিন বর্ধনশীল শিশুদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এই সংমিশ্রণ পণ্য সাধারণত বয়স্ক শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য উদ্দেশ্যকৃত যাদের খাদ্যগ্রহণ অপর্যাপ্ত বা চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে; শিশু ও অতি অল্পবয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট ফিক্সড-ডোজ সংমিশ্রণের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়; সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট শিশু-উপযোগী প্রস্তুতি ব্যবহার করা উচিত।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: হাড়ের স্বাস্থ্য সহায়তায় এই বয়সের গোষ্ঠীতে সাধারণত ব্যবহৃত হয়; সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা প্রযোজ্য, তবে খাদ্য ও অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট থেকে মোট ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে প্রস্তাবিত সীমা অতিক্রম না হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet হাড়ের স্বাস্থ্য সহায়তা এবং ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি৩, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ও ট্রেস মিনারেলের বর্ধিত চাহিদা মেটাতে ব্যবহৃত একটি পুষ্টি সহায়ক, বিশেষত খাদ্যগ্রহণ অপর্যাপ্ত হলে বা গর্ভাবস্থা, স্তন্যদান বা সুস্থতার সময়ে। এটি এককভাবে কোনো নির্দিষ্ট নির্ণয়কৃত রোগের চিকিৎসা নয়।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet গ্রহণ করা যায়?

A: গর্ভাবস্থায় ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি৩, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই-এর চাহিদা বৃদ্ধি পায়, এবং চিকিৎসকের নির্দেশনায় প্রস্তাবিত দৈনিক ভাতার মধ্যে মাত্রায় Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet সাধারণত ব্যবহৃত হয়। শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে ব্যবহার করুন, প্রস্তাবিত মাত্রার বেশি এড়িয়ে চলুন এবং আপনার ট্রাইমেস্টার ও খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী উপযুক্ত মাত্রার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: কাদের Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet গ্রহণ করা উচিত নয়?

A: যাদের এর কোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা রয়েছে, হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারভিটামিনোসিস ডি, বা হাইপারক্যালসেমিক সারকয়েডোসিস বা হাইপারক্যালসেমিয়াসহ হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজমের মতো অস্বাভাবিক ক্যালসিয়াম জমার অবস্থা রয়েছে, তাদের Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet গ্রহণ করা উচিত নয়।

Q: অ্যান্টিবায়োটিক বা থাইরয়েড ওষুধের সাথে কি Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet নেওয়া যায়?

A: Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, লিভোথাইরক্সিন (থাইরয়েড হরমোন) এবং বিসফসফোনেটের শোষণ কমাতে পারে। এসব ওষুধ সেবন করলে কমপক্ষে ২-৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করুন, অথবা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ অনুসরণ করুন।

Q: অতিরিক্ত Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet গ্রহণ করলে কী হতে পারে?

A: প্রস্তাবিত মাত্রার বেশি, বিশেষত দীর্ঘ সময় ধরে, Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet গ্রহণ করলে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব এবং গুরুতর ক্ষেত্রে কিডনিতে পাথর বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন। মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

Q: সর্বোত্তম শোষণের জন্য কীভাবে Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet সেবন করা উচিত?

A: শোষণ ভালো করতে ও পেটের অস্বস্তি কমাতে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী খাবারের সাথে বা খাবারের পরপরই এক গ্লাস পানির সাথে Calcium-D 500 mg+200 IU Tablet সেবন করা ভালো।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor