
Medicine overview
নির্দেশনা
Clindacin একটি লিনকোসামাইড গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল অ্যানএরোবিক ব্যাকটেরিয়া এবং কিছু গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া (স্ট্রেপ্টোকক্কাস, নিউমোকক্কাস, স্ট্যাফাইলোকক্কাস) দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
প্রমাণিত/অনুমোদিত ব্যবহার
- মারাত্মক শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ (এমপায়েমা, ফুসফুসের ফোঁড়া, নিউমোনিয়া)
- ত্বক ও কোমল টিস্যুর সংক্রমণ (যেমন ফোঁড়া, সেলুলাইটিস)
- হাড় ও জয়েন্টের সংক্রমণ, দীর্ঘমেয়াদী অস্টিওমায়েলাইটিসসহ
- উদরগহ্বরের সংক্রমণ (গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর অন্য ঔষধের সাথে সংমিশ্রণে)
- মহিলাদের পেলভিক ও যৌনাঙ্গের সংক্রমণ (এন্ডোমেট্রাইটিস, পেলভিক ফোঁড়া), সাধারণত অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইডের সাথে সংমিশ্রণে
- সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত সেপ্টিসেমিয়া
- মাঝারি থেকে গুরুতর ব্রণ (একনি) চিকিৎসায় টপিক্যাল প্রয়োগ
- গর্ভবতী নন এমন মহিলাদের ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসে ভ্যাজাইনাল প্রয়োগ
গাইডলাইন-সমর্থিত/সহায়ক ব্যবহার
- পেনিসিলিনে অ্যালার্জি থাকা রোগীদের দাঁতের সংক্রমণে বিকল্প এবং নির্দিষ্ট দাঁতের প্রক্রিয়ার আগে ইনফেকটিভ এন্ডোকার্ডাইটিস প্রতিরোধে
- অ্যাসপিরেশন নিউমোনিয়া ও মিশ্র অ্যানএরোবিক সংক্রমণ
- সালফোনামাইড সহ্য করতে না পারা রোগীদের টক্সোপ্লাজমিক এনসেফালাইটিসে পাইরিমেথামিনের সাথে সহায়ক চিকিৎসা
- গর্ভবতী নারী ও শিশুদের গুরুতর ম্যালেরিয়ায় কুইনাইনের সাথে সহায়ক চিকিৎসা
অফ-লেবেল ব্যবহার
- স্থানীয় সংবেদনশীলতা অনুযায়ী কমিউনিটি-অর্জিত মেথিসিলিন-প্রতিরোধী স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস (CA-MRSA) সংক্রমণ
- নেক্রোটাইজিং ফ্যাসাইটিস ও টক্সিক শক সিনড্রোমে সংমিশ্রণ চিকিৎসা
Clindacin বেশিরভাগ গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্যভাবে কার্যকর নয় এবং স্নায়ুতন্ত্রের সংক্রমণে ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এটি সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডে ভালোভাবে প্রবেশ করে না।
থেরাপিউটিক ক্লাস
ফার্মাকোলজি
Clindamycin ব্যাকটেরিয়ার 50S রাইবোজোমাল সাবইউনিটের 23S rRNA-এর সাথে যুক্ত হয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ প্রতিরোধ করে, যা পেপটাইড চেইন বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। ব্যাকটেরিয়ার ধরন, ঔষধের ঘনত্ব এবং সংক্রমণের স্থান অনুযায়ী Clindamycin ব্যাকটেরিওস্ট্যাটিক বা ব্যাকটেরিসাইডাল হিসেবে কাজ করতে পারে।
Clindamycin মুখে খাওয়ার পর ভালোভাবে শোষিত হয় এবং শরীরের অধিকাংশ টিস্যু ও তরলে (হাড়, কোমল টিস্যু, প্লুরাল ফ্লুইড) বিতরিত হয়, কিন্তু মস্তিষ্কের প্রদাহেও সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডে নির্ভরযোগ্যভাবে প্রবেশ করে না। এটি মূলত যকৃতে CYP3A4 এনজাইম দ্বারা বিপাকিত হয় এবং প্রধানত পিত্তের মাধ্যমে নির্গত হয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | শিশুদের মাত্রা (১ মাসের বেশি) |
|---|---|---|
| মারাত্মক সংক্রমণ (মুখে) | প্রতি ৬ ঘণ্টায় ১৫০–৩০০ মি.গ্রা. | দৈনিক ৮–১৬ মি.গ্রা./কেজি, ৩–৪ ভাগে বিভক্ত |
| অতি মারাত্মক সংক্রমণ (মুখে) | প্রতি ৬ ঘণ্টায় ৩০০–৪৫০ মি.গ্রা. | দৈনিক ১৬–২০ মি.গ্রা./কেজি, ৩–৪ ভাগে বিভক্ত |
| মারাত্মক সংক্রমণ (শিরায়/মাংসপেশিতে) | দৈনিক ১,২০০–২,৭০০ মি.গ্রা., ২–৪ ভাগে বিভক্ত (জীবনসংশয়ী ক্ষেত্রে ৪,৮০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত) | দৈনিক ২০–৪০ মি.গ্রা./কেজি, ৩–৪ ভাগে বিভক্ত |
| ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস (ভ্যাজাইনাল ক্রিম) | রাতে একবার এক অ্যাপ্লিকেটর (১০০ মি.গ্রা.), ৩–৭ দিন | প্রযোজ্য নয় |
| ব্রণ (একনি) (টপিক্যাল জেল/লোশন) | দিনে ১–২ বার আক্রান্ত স্থানে পাতলা প্রলেপ | সাধারণত কৈশোর থেকে ব্যবহারযোগ্য |
Clindacin ক্যাপসুল পুরো এক গ্লাস পানি দিয়ে খাওয়া উচিত এবং খাবারের সাথে বা ছাড়া খাওয়া যায়; খাবারের সাথে খেলে পেটে অস্বস্তি কম হতে পারে। খাওয়ার পরপরই শুয়ে না পড়াই ভালো, যাতে খাদ্যনালীতে জ্বালাপোড়া না হয়।
অ্যান্টিবায়োটিক সঠিক ব্যবহার: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ কোর্স Clindacin সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, কোনো ডোজ বাদ দেবেন না, এবং অন্য কাউকে এই ঔষধ দেবেন না। চিকিৎসা চলাকালীন বা শেষ হওয়ার পরও পানির মতো পাতলা বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা হলে সাথে সাথে Clindacin বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
যকৃত/কিডনির সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়ের জন্য দেখুন শিশু_ও_বয়স্কদের_ক্ষেত্রে_ব্যবহার অংশ।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
- নিউরোমাসকুলার ব্লকিং এজেন্ট (যেমন ভেকুরোনিয়াম): Clindacin-এর নিজস্ব নিউরোমাসকুলার ব্লকিং প্রভাব রয়েছে, যা এসব ঔষধের প্রভাব বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
- এরিথ্রোমাইসিন ও অন্যান্য ম্যাক্রোলাইড: একই রাইবোজোমাল বাইন্ডিং সাইটের জন্য প্রতিযোগিতার কারণে Clindacin-এর কার্যকারিতা কমে যেতে পারে; একসাথে ব্যবহার এড়ানো উচিত।
- শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটর (যেমন কিছু অ্যান্টিফাঙ্গাল, প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর): Clindacin-এর রক্তে ঘনত্ব বাড়িয়ে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
- শক্তিশালী CYP3A4 ইনডিউসার (যেমন রিফাম্পিসিন): Clindacin-এর রক্তে ঘনত্ব কমিয়ে কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে।
- কাওলিনযুক্ত ডায়রিয়ারোধী ঔষধ: মুখে খাওয়া Clindacin-এর শোষণের হার কমাতে পারে; একসাথে খেলে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
- হরমোনাল গর্ভনিরোধক (ভ্যাজাইনাল ব্যবহার): ভ্যাজাইনাল Clindacin ল্যাটেক্স কনডম বা ডায়াফ্রাম দুর্বল করে দিতে পারে; চিকিৎসাকালে বিকল্প গর্ভনিরোধক ব্যবহার করুন।
প্রতিনির্দেশনা
যাদের Clindamycin বা লিনকোমাইসিনে অতি সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে Clindamycin ব্যবহার নিষিদ্ধ।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
Clindacin সেবনে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে:
| মাত্রা | পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া |
|---|---|
| সাধারণ | ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা/খিঁচুনি, ধাতব স্বাদ (শিরায়), ত্বকে র্যাশ, চুলকানি |
| স্থানীয় (টপিক্যাল/ভ্যাজাইনাল) | প্রয়োগস্থলে শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া, লালচেভাব, ভ্যাজাইনাল চুলকানি বা স্রাব |
| কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর | Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া/কোলাইটিস (দেখুন সতর্কতা), খাদ্যনালীর জ্বালাপোড়া/ক্ষত, যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি, জন্ডিস |
| বিরল কিন্তু গুরুতর | তীব্র অ্যালার্জি/অ্যানাফিল্যাক্সিস, গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম, TEN, DRESS), অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস, থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, কিডনির তীব্র সমস্যা |
মারাত্মক, ক্রমাগত বা বাড়তে থাকা ডায়রিয়া, র্যাশ, শ্বাসকষ্ট, বা যকৃতের সমস্যার লক্ষণ (ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, প্রস্রাব গাঢ় হওয়া) দেখা দিলে Clindacin সেবন বন্ধ করে সাথে সাথে চিকিৎসককে জানান।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থা: প্রাণীদের ওপর গবেষণায় Clindacin-এর কারণে ভ্রূণের ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গর্ভাবস্থায় (ম্যালেরিয়া চিকিৎসাসহ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে; তবে মানবদেহে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রিত গবেষণা সীমিত। শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Clindacin ব্যবহার করা উচিত।
স্তন্যদান: Clindacin বুকের দুধে নির্গত হয়। প্রয়োজন হলেই এবং উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে স্তন্যদানকালে ব্যবহার করা উচিত, এবং শিশুর মধ্যে ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যার লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সতর্কতা
বিশেষ সতর্কতা: Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া (CDAD)
প্রায় সকল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ঔষধের মতো Clindacin-ও কোলনের স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়া ফ্লোরা পরিবর্তন করে হালকা ডায়রিয়া থেকে শুরু করে প্রাণঘাতী কোলাইটিস পর্যন্ত ঘটাতে পারে। অন্যান্য কিছু অ্যান্টিবায়োটিক গোত্রের তুলনায় Clindacin-এ এই ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি বলে এটি শুধুমাত্র সেই মারাত্মক সংক্রমণে ব্যবহার করা উচিত যেখানে কম ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প উপযুক্ত নয়। চিকিৎসাকালীন বা পরে উল্লেখযোগ্য বা স্থায়ী ডায়রিয়া দেখা দিলে Clindacin বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
পরিপাকতন্ত্রের পূর্ব ইতিহাস
যাদের পূর্বে আলসারেটিভ কোলাইটিস, রিজিওনাল এন্টেরাইটিস (ক্রোনস ডিজিজ), বা অ্যান্টিবায়োটিক-জনিত কোলাইটিসের ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রে Clindacin সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ এটি কোলাইটিস আরও খারাপ করতে পারে; কোনো উপযুক্ত বিকল্প না থাকলে এবং চিকিৎসক উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলেই কেবল ব্যবহার করা উচিত।
অন্যান্য সতর্কতা
- তীব্র অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া: অ্যানাফিল্যাক্সিস ও গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া (SJS, TEN, DRESS) হতে পারে; এমন লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে Clindacin বন্ধ করুন।
- যকৃতের সমস্যা: Clindacin যকৃতে বিপাকিত হয়; উল্লেখযোগ্য যকৃতের সমস্যায় মাত্রা সমন্বয় বা পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে।
- কিডনির সমস্যা: তীব্র কিডনি সমস্যায়, বিশেষত বেশি মাত্রায় শিরায় প্রয়োগের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
- স্নায়ুতন্ত্রে প্রবেশ সীমিত: মেনিনজাইটিস বা অন্যান্য স্নায়ুতন্ত্রের সংক্রমণে উপযুক্ত নয়।
- স্থানীয় প্রয়োগ: টপিক্যাল ও ভ্যাজাইনাল Clindacin-এর সিস্টেমিক শোষণ কম হলেও শূন্য নয়; কদাচিৎ CDAD বা তীব্র অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
- দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার: অসংবেদনশীল জীবাণু (যেমন ছত্রাক) বৃদ্ধি পেতে পারে; সুপারইনফেকশনের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করুন।
মাত্রাধিক্যতা
Clindacin-এর অতিরিক্ত মাত্রার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। অতিরিক্ত মাত্রার লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে তীব্র বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া এবং কদাচিৎ যকৃতের এনজাইমের অস্বাভাবিকতা। হেমোডায়ালাইসিস বা পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস দিয়ে রক্ত থেকে Clindacin কার্যকরভাবে অপসারণ করা যায় না।
Clindacin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সহায়ক ও লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
সংরক্ষণ
৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মিশ্রিত (reconstituted) মুখে খাওয়ার সলিউশন ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই, তবে মেশানোর ২ সপ্তাহ পর অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন; হিমায়িত করবেন না।
শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার
- যকৃতের সমস্যা: গুরুতর যকৃত রোগে Clindacin-এর অর্ধায়ু দীর্ঘ হয়; সিস্টেমিক ব্যবহারে মাত্রা কমানো বা ব্যবধান বাড়ানো এবং পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে।
- কিডনির সমস্যা: হালকা থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় সাধারণত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না, তবে গুরুতর কিডনি সমস্যায়, বিশেষত বেশি মাত্রার শিরায় প্রয়োগে সতর্কতা ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
- বয়স্ক রোগী: শুধুমাত্র বয়সের কারণে নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নয়, তবে বয়স্ক রোগীরা, বিশেষত পরিপাকতন্ত্রের রোগে আক্রান্তরা, CDAD-এর প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন এবং ডায়রিয়ার জন্য ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
- শিশু (১ মাসের বেশি বয়সী): প্রাপ্তবয়স্কদের মতো একই ধরনের সংক্রমণে Clindacin ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় (দৈনিক ৮–৪০ মি.গ্রা./কেজি, প্রশাসন পথ ও তীব্রতা অনুযায়ী) ব্যবহৃত হয়।
- নবজাতক (১ মাসের কম): নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়; বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সতর্কতার সাথে পৃথকভাবে মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
Q: Clindacin 150 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Clindacin 150 mg Capsule একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা নির্দিষ্ট অ্যানএরোবিক ও গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়াজনিত মারাত্মক সংক্রমণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যেমন ত্বক ও কোমল টিস্যুর সংক্রমণ, হাড় ও জয়েন্টের সংক্রমণ, দাঁতের সংক্রমণ, উদরগহ্বর ও পেলভিক সংক্রমণ, এবং টপিক্যালভাবে ব্রণ বা ভ্যাজাইনালভাবে ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসে। আপনার চিকিৎসক সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী Clindacin 150 mg Capsule নির্ধারণ করেন।
Q: Clindacin 150 mg Capsule-এর পুরো কোর্স শেষ করা কেন জরুরি?
A: মাঝপথে Clindacin 150 mg Capsule বন্ধ করলে, ডোজ বাদ দিলে, বা অন্য কাউকে দিলে, বেঁচে থাকা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী হয়ে উঠতে পারে এবং সংক্রমণ ফিরে আসতে পারে বা খারাপ হতে পারে। ভালো বোধ করলেও চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Clindacin 150 mg Capsule-এর সম্পূর্ণ কোর্স সেবন করুন।
Q: Clindacin 150 mg Capsule কি ডায়রিয়া ঘটাতে পারে, কখন চিন্তিত হওয়া উচিত?
A: Clindacin 150 mg Capsule সেবনে হালকা ডায়রিয়া হতে পারে। তবে Clindacin 150 mg Capsule-এ Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া (CDAD) হওয়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি রয়েছে, যা হালকা থেকে গুরুতর বা প্রাণঘাতী কোলাইটিস পর্যন্ত হতে পারে। চিকিৎসাকালীন বা Clindacin 150 mg Capsule শেষ হওয়ার দুই মাস পর্যন্ত পানির মতো পাতলা বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা, তীব্র পেটে ব্যথা বা জ্বর হলে ঔষধ বন্ধ করে সাথে সাথে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
Q: গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে Clindacin 150 mg Capsule কি নিরাপদ?
A: চিকিৎসক যদি মনে করেন উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি, তবেই সাধারণত গর্ভাবস্থায় Clindacin 150 mg Capsule ব্যবহার করা হয়; এটি প্রধান জন্মগত ত্রুটির কারণ বলে জানা নেই, তবে মানবদেহে তথ্য সীমিত। Clindacin 150 mg Capsule বুকের দুধে যায়, তাই প্রয়োজন হলেই স্তন্যদানকালে ব্যবহার করা উচিত এবং শিশুর পেটের সমস্যা বা ডায়রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে হবে। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী হলে Clindacin 150 mg Capsule ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: কাদের Clindacin 150 mg Capsule ব্যবহার করা উচিত নয়?
A: যাদের Clindacin 150 mg Capsule বা লিনকোমাইসিনে অ্যালার্জি রয়েছে তাদের এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। যাদের আলসারেটিভ কোলাইটিস, ক্রোনস ডিজিজ, বা পূর্বে অ্যান্টিবায়োটিক-জনিত কোলাইটিসের ইতিহাস আছে, তাদের চিকিৎসকের সাথে ঝুঁকি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা উচিত, কারণ Clindacin 150 mg Capsule এই অবস্থাগুলো আরও খারাপ করতে পারে।
Q: Clindacin 150 mg Capsule কি অন্য ঔষধের সাথে নেওয়া যায়?
A: আপনার চিকিৎসককে আপনার সেবন করা সকল ঔষধ সম্পর্কে জানান, বিশেষত অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত নিউরোমাসকুলার ব্লকিং ঔষধ, এরিথ্রোমাইসিন বা অন্যান্য ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক, এবং শক্তিশালী CYP3A4-প্রভাবিত ঔষধ (যেমন কিছু অ্যান্টিফাঙ্গাল বা রিফাম্পিসিন), কারণ এগুলো Clindacin 150 mg Capsule-এর সাথে মিথষ্ক্রিয়া করতে পারে। কাওলিনযুক্ত ডায়রিয়ারোধী ঔষধের কথাও জানান, কারণ একসাথে খেলে মুখে খাওয়া Clindacin 150 mg Capsule-এর শোষণ কমে যেতে পারে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।