
A-Clox500 mg/via
ACME Laboratories Ltd.

Cloxin মূলত পেনিসিলিনেজ উৎপাদনকারী Staphylococcus aureus-এর সংবেদনশীল স্ট্রেইন দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা, এবং অন্যান্য সংবেদনশীল স্ট্যাফাইলোকক্কাস ও স্ট্রেপ্টোকক্কাস সংক্রমণেও ব্যবহৃত হয়। প্রধান ব্যবহারক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে:
কালচার রিপোর্ট আসার আগে সন্দেহভাজন পেনিসিলিনেজ-উৎপাদনকারী স্ট্যাফাইলোকক্কাস সংক্রমণে অভিজ্ঞতাভিত্তিক (empirical) চিকিৎসা হিসেবেও Cloxin শুরু করা যেতে পারে। Cloxin মেথিসিলিন-প্রতিরোধী স্ট্যাফাইলোকক্কাস (MRSA) বা অন্য প্রক্রিয়ায় প্রতিরোধী জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর নয়।
Cloxin একটি সংকীর্ণ-বর্ণালী, পেনিসিলিনেজ-প্রতিরোধী পেনিসিলিন শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিক (আইসোক্সাজলিল পেনিসিলিন), যা মূলত স্ট্যাফাইলোকক্কাল সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।
Cloxacillin ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর সংশ্লেষণ বাধাদানের মাধ্যমে জীবাণুনাশক (bactericidal) প্রভাব প্রদর্শন করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিনের (PBPs) সাথে যুক্ত হয়ে পেপটিডোগ্লাইক্যান সংশ্লেষণের ক্রস-লিংকিং ধাপকে বাধা দেয়, ফলে কোষপ্রাচীর দুর্বল হয়ে সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়ার মৃত্যু ঘটে। Cloxacillin-এর আইসোক্সাজলিল সাইড চেইন এটিকে স্ট্যাফাইলোকক্কাল পেনিসিলিনেজ দ্বারা ভাঙন থেকে রক্ষা করে, ফলে এটি পেনিসিলিনেজ-উৎপাদনকারী স্ট্যাফাইলোকক্কাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর থাকে। মুখে সেবনের পর Cloxacillin পরিপাকতন্ত্র থেকে শোষিত হয় (খাবারের উপস্থিতিতে শোষণ কমে যায়), প্রায় ১ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ রক্তমাত্রায় পৌঁছায়, উচ্চমাত্রায় প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ থাকে, এবং মূলত অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়; স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতার রোগীতে এর অর্ধায়ু প্রায় ৩০-৬০ মিনিট।
প্রাপ্তবয়স্ক (মৃদু থেকে মাঝারি সংক্রমণ): প্রতি ৬ ঘণ্টা অন্তর (দিনে ৪ বার) মুখে ২৫০-৫০০ মি.গ্রা, তীব্রতার উপর নির্ভর করে। গুরুতর সংক্রমণে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে দৈনিক সর্বোচ্চ ৪-৬ গ্রাম পর্যন্ত দেওয়া যেতে পারে।
ইনজেকশন (IM/IV), প্রাপ্তবয়স্ক: প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা অন্তর ২৫০-৫০০ মি.গ্রা; গুরুতর সংক্রমণে (যেমন এন্ডোকার্ডাইটিস, সেপ্টিসেমিয়া) চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী মাত্রা বাড়ানো যেতে পারে।
শিশু (ওজন-ভিত্তিক, মুখে সেবন):
সেবনবিধি: Cloxin খালি পেটে - খাবারের ১ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে - সেবন করা উচিত, কারণ খাবারের উপস্থিতিতে এর শোষণ কমে যায়। ক্যাপসুল পূর্ণ গ্লাস পানির সাথে গিলে খেতে হবে; সাসপেনশন প্রতিবার সেবনের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। মাত্রাগুলো দিনভর সমানভাবে ভাগ করে সেবন করা উচিত।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: শুধুমাত্র প্রমাণিত বা দৃঢ়ভাবে সন্দেহভাজন সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে Cloxin ব্যবহার করা উচিত; ভাইরাসজনিত অসুখে বা অপ্রয়োজনে ব্যবহার করলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ার ঝুঁকি থাকে। উপসর্গ কমে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোর্স মাঝপথে বন্ধ করা উচিত নয়।
প্রোবেনেসিড: প্রোবেনেসিডের সাথে একযোগে ব্যবহার করলে কিডনির মাধ্যমে Cloxin-এর নিঃসরণ কমে যায়, ফলে রক্তে এর মাত্রা বেশি ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি: অন্যান্য পেনিসিলিনের মতো, Cloxin ইস্ট্রোজেনযুক্ত জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির কার্যকারিতা তাত্ত্বিকভাবে কমাতে পারে; চিকিৎসার সময় বিকল্প জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বিবেচনা করা যেতে পারে।
ব্যাকটেরিওস্ট্যাটিক অ্যান্টিবায়োটিক: টেট্রাসাইক্লিন, ক্লোরামফেনিকল বা ম্যাক্রোলাইডের সাথে একসাথে ব্যবহার করলে Cloxin-এর জীবাণুনাশক কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট: উচ্চমাত্রার Cloxin ওয়ারফারিনের মতো ওষুধের প্রভাব বাড়াতে পারে; প্রয়োজনে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। চিকিৎসা শুরুর আগে সেবনরত সকল ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানানো উচিত।
Cloxacillin, অন্য পেনিসিলিন, অথবা বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Cloxacillin ব্যবহার নিষিদ্ধ। বিটা-ল্যাকটাম গঠনের মিল থাকায়, পেনিসিলিনে তীব্র অ্যালার্জির ইতিহাস থাকা রোগীদের সেফালোস্পোরিনের সাথেও ক্রস-রিঅ্যাকশনের ঝুঁকি থাকতে পারে; এক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন এবং চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা উচিত।
Cloxin-এর অধিকাংশ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মৃদু ও সাময়িক। সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
কম সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়াগুলো:
গুরুতর অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া (শ্বাসকষ্ট, মুখ/গলা ফুলে যাওয়া, তীব্র র্যাশ) বা লিভার সমস্যার লক্ষণ (ত্বক/চোখ হলুদ হওয়া, প্রস্রাব গাঢ় হওয়া, ক্রমাগত পেট ব্যথা) দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
গর্ভাবস্থা: দীর্ঘদিনের ক্লিনিকাল অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে Cloxin-সহ পেনিসিলিন শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিককে সাধারণত গর্ভাবস্থায় তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়, তবে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রিত মানব গবেষণার অভাব থাকায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রকৃত প্রয়োজনে সেবন করা উচিত।
স্তন্যদান: Cloxin স্বল্প পরিমাণে বুকের দুধে নির্গত হয়। সাধারণত চিকিৎসকের নির্দেশনায় স্তন্যদানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হলেও, শিশুর মধ্যে ডায়রিয়া, র্যাশ বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
Cloxin শুরু করার আগে পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন বা অন্য কোনো ওষুধে অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে চিকিৎসককে জানান।
মানুষের ক্ষেত্রে Cloxin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের নির্দিষ্ট তথ্য সীমিত। পেনিসিলিন শ্রেণির ওষুধের নিরাপত্তা সীমা সাধারণত প্রশস্ত হওয়ায় সামান্য অতিরিক্ত মাত্রায় গুরুতর বিষক্রিয়া অসম্ভাব্য; বমি বমি ভাব, বমি ও ডায়রিয়াই সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া। অত্যধিক উচ্চমাত্রায়, বিশেষত কিডনি সমস্যাগ্রস্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, বিরলভাবে খিঁচুনি বা স্নায়বিক উত্তেজনা হতে পারে। Cloxin-এর অতিরিক্ত মাত্রার নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই; চিকিৎসা মূলত উপসর্গ অনুযায়ী সহায়ক (যেমন গ্যাস্ট্রিক ডিকনটামিনেশন, কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ, প্রয়োজনে ডায়ালাইসিস)। নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি সেবন করলে বা উদ্বেগজনক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Cloxin ক্যাপসুল/ট্যাবলেট আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে) সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। রিকনস্টিটিউট করা Cloxin সাসপেনশন সাধারণত ফ্রিজে (২-৮°সে) সংরক্ষণ করতে হয় এবং লেবেলে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে (সাধারণত ফ্রিজে প্রায় ৭ দিন, অথবা ফ্রিজ না থাকলে ঘরের তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ ৫ দিন) ব্যবহার করতে হয় - এরপর অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন। ইনজেকশনযোগ্য Cloxin প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন।
শিশু: সংবেদনশীল স্ট্যাফাইলোকক্কাল ও স্ট্রেপ্টোকক্কাল সংক্রমণে Cloxin-এর সুপ্রতিষ্ঠিত ওজন-ভিত্তিক মাত্রা রয়েছে - ৫ কেজি পর্যন্ত ওজনে দৈনিক প্রায় ১২৫-২৫০ মি.গ্রা, এবং ৫ থেকে প্রায় ৪০ কেজি ওজনে দৈনিক প্রায় ২৫-৫০ মি.গ্রা/কেজি, ৪ ভাগে বিভক্ত করে প্রতি ৬ ঘণ্টা অন্তর। ৪০ কেজির বেশি ওজনের শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা প্রযোজ্য। শিশুদের ক্ষেত্রেও খালি পেটে সেবন করানো উচিত এবং সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।
বয়স্ক রোগী: শুধুমাত্র বয়সের কারণে সাধারণত বিশেষ মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না, তবে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সেবনে কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিসের ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করতে হতে পারে।
Q: Cloxin 500 mg/vial Injection কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
A: Cloxin 500 mg/vial Injection মূলত নির্দিষ্ট কিছু স্ট্যাফাইলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যেমন ফোঁড়া, অ্যাবসেস, সেলুলাইটিসের মতো ত্বক সংক্রমণ এবং কিছু শ্বাসতন্ত্র ও হাড়ের সংক্রমণ।
Q: Cloxin 500 mg/vial Injection কীভাবে সেবন করব?
A: Cloxin 500 mg/vial Injection ক্যাপসুল বা সাসপেনশন সাধারণত খালি পেটে, খাবারের প্রায় ১ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে, পূর্ণ গ্লাস পানির সাথে সেবন করা উচিত, এবং মাত্রাগুলো নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সমানভাবে ভাগ করে নিতে হবে।
Q: ভালো বোধ করলেই কি Cloxin 500 mg/vial Injection বন্ধ করা যাবে?
A: না। চিকিৎসক যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন সেভাবে Cloxin 500 mg/vial Injection-এর পুরো কোর্স সম্পন্ন করতে হবে, উপসর্গ কমে গেলেও নয়, যদি না চিকিৎসক বন্ধ করতে বলেন। মাঝপথে বন্ধ করলে সংক্রমণ ফিরে আসতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Cloxin 500 mg/vial Injection কি নিরাপদ?
A: Cloxin 500 mg/vial Injection-এর মতো পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হলেও, চিকিৎসক উপযুক্ত মনে করলেই কেবল Cloxin 500 mg/vial Injection সেবন করা উচিত।
Q: Cloxin 500 mg/vial Injection সেবনকালে কোন লক্ষণে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত?
A: অ্যালার্জির লক্ষণ (র্যাশ, মুখ/গলা ফোলা, শ্বাসকষ্ট), ত্বক/চোখ হলুদ হওয়া, প্রস্রাব গাঢ় হওয়া, বা তীব্র/ক্রমাগত ডায়রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: পেনিসিলিনে অ্যালার্জি থাকলে কি Cloxin 500 mg/vial Injection খাওয়া যাবে?
A: না। Cloxin 500 mg/vial Injection নিজেই একটি পেনিসিলিন শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিক, তাই Cloxin 500 mg/vial Injection, অন্য পেনিসিলিন বা বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকে জানা অ্যালার্জি থাকলে এটি সেবন করা যাবে না; চিকিৎসা শুরুর আগে ওষুধে অ্যালার্জির ইতিহাস চিকিৎসককে জানান।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।