
এক নজরে
Compressor Nebulizer Machine 02 Nebulizer মেডইজিতে পাওয়া যাচ্ছে ৳২২১০.০০ প্রতি Piece দরে, বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় হোম ডেলিভারিসহ। এটি তৈরি করে Getwell। এর জেনেরিক নাম Nebulizer।
- প্যাক সাইজ
- Piece
- প্রেসক্রিপশন
- প্রয়োজন নেই (ওটিসি ওষুধ)।
- ডেলিভারি
- সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও বগুড়া সিটি এলাকায় একই দিনে (১২-২৪ ঘণ্টা); অন্যান্য জায়গায় কুরিয়ারে ১-৩ দিনে।
- পেমেন্ট
- ক্যাশ অন ডেলিভারি, বিকাশ, কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিং।
- ব্র্যান্ড
- Compressor Nebulizer Machine
- জেনেরিক নাম
- Nebulizer
- প্রস্তুতকারক
- Getwell
- ধরন ও মাত্রা
- Nebulizer 02
- স্টক
- স্টকে আছে
- আসল পণ্যের নিশ্চয়তা
- বাংলাদেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত সরবরাহকারী ও প্রস্তুতকারকের অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে সংগ্রহ করা।
Medicine overview
Description
কম্প্রেসর নেবুলাইজার মেশিন (মডেল ০২)
কম্প্রেসর নেবুলাইজার ডাক্তারের দেওয়া তরল ওষুধকে সূক্ষ্ম কুয়াশার মতো মিস্টে রূপান্তর করে, যা মাস্ক বা মাউথপিসের মাধ্যমে শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়। হাঁপানি (অ্যাজমা), সিওপিডি, ব্রংকাইটিস ও অ্যালার্জিজনিত কাশির মতো শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ঘরে ব্যবহারের জন্য এটি সাধারণত দেওয়া হয়। মডেল ০২ একটি টেবিলে রাখার মেশিন, যা বড় ও শিশু উভয়ের নিয়মিত ঘরোয়া ব্যবহারের উপযোগী।
কীভাবে কাজ করে
মেশিনের এয়ার কম্প্রেসর নেবুলাইজার কাপের ভেতর দিয়ে বাতাস পাঠায়, ফলে তরল ওষুধ ক্ষুদ্র কণায় ভেঙে যায়। স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিলে মাস্ক বা মাউথপিসের মাধ্যমে এই মিস্ট ফুসফুসে পৌঁছায়। ডোজ অনুযায়ী একবারে সাধারণত প্রায় [১০–১৫] মিনিট সময় লাগে।
মূল বৈশিষ্ট্য
- কম্প্রেসর-চালিত নেবুলাইজেশন; ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী বেশিরভাগ প্রচলিত নেবুলাইজার সলিউশনের সঙ্গে ব্যবহারযোগ্য
- নেবুলাইজার কাপ, টিউব এবং মাস্ক/মাউথপিস সহ [সঙ্গে থাকা অ্যাক্সেসরিজ নিশ্চিত করুন]
- এক বোতামে সহজ পরিচালনা
- ঘরে ব্যবহারের জন্য ছোট ও টেবিল-উপযোগী ডিজাইন
- বিদ্যুতে চলে [ভোল্টেজ/হার্জ নিশ্চিত করুন]
ব্যবহার ও সতর্কতা
- শুধু ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ, তাঁর নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহার করুন।
- প্রতিবার ব্যবহারের পর কাপ, মাস্ক ও টিউব ধুয়ে নিন। ম্যানুয়াল অনুযায়ী ফিল্টার ও অ্যাক্সেসরিজ বদলান।
- মেশিন ও তার পানি থেকে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। শিশুদের ব্যবহারের সময় বড়দের তত্ত্বাবধানে রাখুন।
- এই ডিভাইস চিকিৎসার বিকল্প নয়। শ্বাসকষ্ট বাড়লে বা না কমলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা নিন।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
Q: কম্প্রেসর নেবুলাইজার মেশিন কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
A: এটি ডাক্তারের দেওয়া তরল ওষুধকে সূক্ষ্ম মিস্টে রূপান্তর করে, যা মাস্ক বা মাউথপিসের মাধ্যমে শ্বাসের সঙ্গে নেওয়া যায়। হাঁপানি, সিওপিডি, ব্রংকাইটিস ও অ্যালার্জিজনিত কাশির মতো শ্বাসকষ্টে ঘরে সাধারণত এটি ব্যবহার করা হয়।
Q: কম্প্রেসর নেবুলাইজার মেশিন কীভাবে কাজ করে?
A: এয়ার কম্প্রেসর নেবুলাইজার কাপের ভেতর দিয়ে বাতাস পাঠিয়ে তরল ওষুধকে ক্ষুদ্র কণায় ভেঙে দেয়। মাস্ক বা মাউথপিসের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিলেই মিস্ট ফুসফুসে পৌঁছায়।
Q: শিশুরা কি কম্প্রেসর নেবুলাইজার মেশিন ব্যবহার করতে পারে?
A: শিশুর উপযোগী মাস্ক ও ডাক্তারের নির্ধারিত মাত্রায় এটি শিশুদের জন্য ব্যবহার করা যায়। পুরো সময় একজন বড় মানুষকে শিশুর পাশে থাকতে হবে।
Q: কম্প্রেসর নেবুলাইজার মেশিন এ কোন ওষুধ ব্যবহার করা যাবে?
A: শুধু ডাক্তারের দেওয়া নেবুলাইজার সলিউশন, তাঁর নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহার করুন। ডাক্তার না বললে অন্য কোনো তরল যোগ বা মেশাবেন না।
Q: ব্যবহারের পর কম্প্রেসর নেবুলাইজার মেশিন কীভাবে পরিষ্কার করব?
A: প্রতিবার ব্যবহারের পর নেবুলাইজার কাপ, মাস্ক ও মাউথপিস পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে বাতাসে শুকাতে দিন। মেশিনের বাইরের অংশ শুকনো কাপড়ে মুছুন এবং পানি থেকে দূরে রাখুন।
Q: কম্প্রেসর নেবুলাইজার মেশিন দিয়ে একবারের সেশনে কত সময় লাগে?
A: ওষুধের পরিমাণ অনুযায়ী একটি সেশনে সাধারণত প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগে। কাপ থেকে মিস্ট বের হওয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহার চালিয়ে যান।
Q: কম্প্রেসর নেবুলাইজার মেশিন কি নিয়মিত ঘরোয়া ব্যবহারের উপযোগী?
A: এটি ছোট আকারের টেবিল-মডেল মেশিন, যা ঘরে বারবার ব্যবহারের জন্য তৈরি। ইউজার ম্যানুয়াল অনুযায়ী ফিল্টার ও অ্যাক্সেসরিজ বদলে নিন।
Q: কম্প্রেসর নেবুলাইজার মেশিন ব্যবহারের পরও শ্বাসকষ্ট না কমলে কী করব?
A: দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন, শ্বাস নিতে বেশি কষ্ট হলে জরুরি চিকিৎসা নিন। নেবুলাইজার ডাক্তারের দেওয়া চিকিৎসাকে সহায়তা করে, এটি চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।