
Comprid XR30 mg
Square Pharmaceuticals PLC.

Consucon MR একটি প্রতিষ্ঠিত, নির্দেশিকা-সমর্থিত মুখে সেবনযোগ্য অ্যান্টিডায়াবেটিক ঔষধ, যা প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের সহায়ক হিসেবে, যখন শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম দ্বারা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে Consucon MR একক থেরাপি হিসেবে অথবা অন্যান্য অ্যান্টিডায়াবেটিক ঔষধ (যেমন মেটফরমিন, আলফা-গ্লুকোসিডেজ ইনহিবিটর, বা DPP-4 ইনহিবিটর) বা ইনসুলিনের সাথে সংযুক্ত থেরাপি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যখন একা মেটফরমিন বা অন্য কোনো একক ঔষধ দিয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিস পর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, তখন আন্তর্জাতিক চিকিৎসা নির্দেশিকা অনুযায়ী দ্বিতীয় সারির ঔষধ হিসেবে Consucon MR যুক্ত করা যেতে পারে; এক্ষেত্রে দ্বিতীয় ঔষধ যুক্ত করা প্রয়োজন হয়, কেবল Consucon MR দিয়ে এই সংযুক্ত থেরাপির উদ্দেশ্য পূরণ হয় না।
থেরাপিউটিক শ্রেণি: Consucon MR একটি অ্যান্টিডায়াবেটিক ঔষধ, যা দ্বিতীয় প্রজন্মের সালফোনিলইউরিয়া (Sulfonylurea) গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।
উপাদান: প্রতিটি ট্যাবলেটে সাধারণ (কনভেনশনাল) ফর্মে Consucon MR ৮০ মি.গ্রা., অথবা মডিফাইড-রিলিজ (MR) ফর্মে Consucon MR ৩০ মি.গ্রা. / ৬০ মি.গ্রা. থাকে, ব্র্যান্ড ও ফর্মুলেশন অনুযায়ী।
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: Consucon MR অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়িয়ে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি, একা অথবা অন্যান্য অ্যান্টিডায়াবেটিক ঔষধের সাথে Consucon MR ব্যবহৃত হয়। Consucon MR টাইপ ১ ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করে না এবং যাদের ইনসুলিন প্রয়োজন তাদের জন্য ইনসুলিনের বিকল্প নয়। একজন যোগ্য চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী নিয়মিত রক্তে গ্লুকোজ পর্যবেক্ষণসহ Consucon MR সেবন করতে হয়।
Gliclazide প্রধানত অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ উদ্দীপ্ত করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়। Gliclazide বিটা-কোষের ঝিল্লিতে নির্দিষ্ট রিসেপ্টরে যুক্ত হয়ে ATP-সংবেদনশীল পটাশিয়াম চ্যানেল বন্ধ করে দেয়; এর ফলে কোষ ঝিল্লি ডিপোলারাইজড হয়, ভোল্টেজ-নির্ভর ক্যালসিয়াম চ্যানেল খুলে যায়, এবং কোষে ক্যালসিয়াম প্রবেশের ফলে এক্সোসাইটোসিসের মাধ্যমে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। Gliclazide টাইপ ২ ডায়াবেটিসে সাধারণত হ্রাসপ্রাপ্ত ইনসুলিন নিঃসরণের প্রারম্ভিক পর্যায়ও পুনরুদ্ধার করে, এবং Gliclazide-এর অতিরিক্ত হেমোবায়োলজিক্যাল প্রভাব রয়েছে বলে জানা যায়, যেমন প্লেটলেট আসঞ্জন ও একত্রীকরণ হ্রাস এবং ফাইব্রিনোলাইটিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি, যা ক্ষুদ্র রক্তনালীর জটিলতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে, যদিও এই প্রভাবগুলো Gliclazide-এর মূল গ্লুকোজ-হ্রাসকারী কার্যকারিতার তুলনায় গৌণ। মুখে সেবনের পর Gliclazide ভালোভাবে শোষিত হয়; Gliclazide-এর মডিফাইড-রিলিজ ফর্মুলেশন ২৪ ঘণ্টা ধরে ধীরে ধীরে ঔষধ নিঃসরণ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা দৈনিক একবার সেবন নিশ্চিত করে। Gliclazide যকৃতে ব্যাপকভাবে বিপাকিত হয়ে নিষ্ক্রিয় মেটাবোলাইটে পরিণত হয় এবং প্রধানত মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়; প্রচলিত Gliclazide-এর প্লাজমা অর্ধায়ু প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা।
Consucon MR-এর মাত্রা রোগীর রক্তে গ্লুকোজের প্রতিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে পৃথকভাবে নির্ধারণ করতে হয়, এবং এটি একজন যোগ্য চিকিৎসকের দ্বারা নির্ধারিত হওয়া আবশ্যক। Consucon MR সাধারণ (তাৎক্ষণিক-রিলিজ) ট্যাবলেট হিসেবে দিনে একবার বা দুইবার, এবং মডিফাইড-রিলিজ (MR) ট্যাবলেট হিসেবে দিনে একবার সেবন করা হয়।
| ফর্মুলেশন | সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা | নোট |
|---|---|---|
| সাধারণ (তাৎক্ষণিক-রিলিজ) ট্যাবলেট, যেমন ৮০ মি.গ্রা. | প্রাথমিক: সকালের নাস্তার সাথে দৈনিক ৪০-৮০ মি.গ্রা.; সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা ৮০-১৬০ মি.গ্রা. দৈনিক; সর্বোচ্চ ৩২০ মি.গ্রা. দৈনিক | ১৬০ মি.গ্রা./দিনের বেশি মাত্রা সাধারণত খাবারের আগে দুই ভাগে বিভক্ত করে দেওয়া হয় |
| মডিফাইড-রিলিজ (MR) ট্যাবলেট, যেমন ৩০ মি.গ্রা. / ৬০ মি.গ্রা. | প্রাথমিক: সকালের নাস্তার সাথে দৈনিক একবার ৩০ মি.গ্রা.; কমপক্ষে ১ মাস অন্তর সর্বোচ্চ দৈনিক একবার ১২০ মি.গ্রা. পর্যন্ত মাত্রা বাড়ানো যেতে পারে | সম্পূর্ণ গিলে ফেলতে হবে; চিবানো বা ভাঙা যাবে না; খাবারের সাথে সেবন করতে হবে |
| বয়স্ক রোগী | সর্বনিম্ন উপলব্ধ মাত্রায় Consucon MR শুরু করতে হবে | হাইপোগ্লাইসেমিয়ার প্রতি সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়; সতর্কতার সাথে মাত্রা বাড়াতে হবে |
| কিডনি বা যকৃতের সমস্যা (মৃদু-মাঝারি) | সর্বনিম্ন উপলব্ধ মাত্রায় Consucon MR শুরু করে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন | গুরুতর কিডনি বা যকৃতের সমস্যায়: প্রতিনির্দেশনা দেখুন |
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Gliclazide প্রতিনির্দেশিত:
গর্ভাবস্থায় সাধারণত Consucon MR সুপারিশ করা হয় না। Consucon MR-এর মতো সালফোনিলইউরিয়া প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে, এবং মায়ের রক্তে গ্লুকোজ যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রিত না থাকলে তা নিজেই ভ্রূণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ; গর্ভাবস্থায় রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণের জন্য ইনসুলিন সাধারণত পছন্দনীয় ঔষধ, কারণ এক্ষেত্রে এর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা রেকর্ড রয়েছে। Consucon MR সেবনরত কোনো নারী গর্ভবতী হলে, বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাকে ইনসুলিনে পরিবর্তন করা উচিত। স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে এবং উপযুক্ত বিকল্প না থাকলেই কেবল, ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির বিপরীতে সম্ভাব্য উপকারিতা বিবেচনা করে এবং একজন চিকিৎসকের সরাসরি নির্দেশনায় গর্ভাবস্থায় Consucon MR ব্যবহার করা উচিত।
স্তন্যদানকারী শিশুর হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা তথ্যের অভাবের কারণে স্তন্যদানকালে Consucon MR সুপারিশ করা হয় না। স্তন্যদানকালে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের চিকিৎসা প্রয়োজন এমন নারীদের Consucon MR-এর পরিবর্তে ইনসুলিনের মতো বিকল্প বিষয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা উচিত।
Consucon MR-এর মাত্রাধিক্য হাইপোগ্লাইসেমিয়া সৃষ্টি করতে পারে, যা মৃদু লক্ষণ (ঘাম, কম্পন, ক্ষুধা, বুক ধড়ফড়, বিভ্রান্তি) থেকে শুরু করে খিঁচুনি, চেতনা হারানো, বা কোমাসহ গুরুতর হাইপোগ্লাইসেমিয়া পর্যন্ত হতে পারে। Consucon MR-এর মাত্রাধিক্য সন্দেহ হলে এবং রোগী সজ্ঞান থাকলে, অবিলম্বে চিনি বা গ্লুকোজযুক্ত পানীয় বা খাবার দিন। জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ Consucon MR-এর মাত্রাধিক্যজনিত হাইপোগ্লাইসেমিয়া, বিশেষত মডিফাইড-রিলিজ ফর্মুলেশনের ক্ষেত্রে, গুরুতর ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, যার জন্য হাসপাতালে ভর্তি, শিরায় গ্লুকোজ প্রদান, এবং আপাত সুস্থতার পরও দীর্ঘ সময় (প্রায়ই ২৪ ঘণ্টা বা তার বেশি) রক্তে গ্লুকোজ পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসকের নির্দেশনা ছাড়া বাড়িতে Consucon MR-এর সন্দেহজনক মাত্রাধিক্য নিজে সামলানোর চেষ্টা করবেন না।
Consucon MR কক্ষ তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। Consucon MR শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ Consucon MR ব্যবহার করবেন না।
১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে Consucon MR-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এই বয়সসীমার জন্য Consucon MR সুপারিশ করা হয় না।
বয়স্ক রোগীরা Consucon MR-এর হাইপোগ্লাইসেমিক প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। এই রোগীদের ক্ষেত্রে Consucon MR সর্বনিম্ন উপলব্ধ মাত্রায় শুরু করে, সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে মাত্রা বাড়িয়ে এবং ঘনিষ্ঠভাবে রক্তে গ্লুকোজ পর্যবেক্ষণ করে দেওয়া উচিত।
মৃদু-মাঝারি কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের কম মাত্রায় Consucon MR শুরু করে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, কারণ নির্গমন হ্রাস পেলে Consucon MR-এর কার্যকাল দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। গুরুতর কিডনি সমস্যায় Consucon MR প্রতিনির্দেশিত।
Consucon MR যকৃতে ব্যাপকভাবে বিপাকিত হওয়ায়, মৃদু-মাঝারি যকৃতের সমস্যাযুক্ত রোগীদের কম মাত্রায় Consucon MR শুরু করে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। গুরুতর যকৃতের সমস্যায় Consucon MR প্রতিনির্দেশিত।
এই জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে Consucon MR ব্যবহারের বিস্তারিত নির্দেশনার জন্য উপরের গর্ভাবস্থায়_ও_স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।
Q: Consucon MR 30 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Consucon MR 30 mg Tablet একটি সালফোনিলইউরিয়া গোত্রের ঔষধ, যা প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাসে রক্তে গ্লুকোজ (রক্তে শর্করা) নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের পাশাপাশি, একা অথবা অন্যান্য অ্যান্টিডায়াবেটিক ঔষধের সাথে সংযুক্ত করে Consucon MR 30 mg Tablet ব্যবহৃত হয়, যখন শুধু খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম যথেষ্ট নয়।
Q: Consucon MR 30 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?
A: Consucon MR 30 mg Tablet খাবারের সাথে বা খাবারের ঠিক আগে, সাধারণত সকালের নাস্তার সাথে, প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে সেবন করতে হবে। Consucon MR 30 mg Tablet-এর মডিফাইড-রিলিজ (MR) ট্যাবলেট সম্পূর্ণ গিলে ফেলতে হবে, চিবানো বা ভাঙা যাবে না। Consucon MR 30 mg Tablet সেবনের পর কখনো খাবার বাদ দেওয়া যাবে না, কারণ এতে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
Q: Consucon MR 30 mg Tablet-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী?
A: Consucon MR 30 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে গ্লুকোজ কমে যাওয়া), যা ঘাম, কাঁপুনি, ক্ষুধা, বিভ্রান্তি, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি বা চেতনা হারানোর কারণ হতে পারে। খাবার বাদ দেওয়া, অ্যালকোহল সেবন, ব্যায়াম, বা বয়স্ক/কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Consucon MR 30 mg Tablet-এ ঝুঁকি বেশি থাকে। Consucon MR 30 mg Tablet সেবনকালে সবসময় দ্রুত-কার্যকর চিনি সাথে রাখুন এবং গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী লক্ষণে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Consucon MR 30 mg Tablet ব্যবহার করা যায়?
A: গর্ভাবস্থায় সাধারণত Consucon MR 30 mg Tablet সুপারিশ করা হয় না; গর্ভবতী নারীদের রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সাধারণত ইনসুলিন পছন্দনীয়, এবং স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে ও উপযুক্ত বিকল্প না থাকলেই, ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে Consucon MR 30 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত। স্তন্যদানকারী শিশুর হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকির কারণে স্তন্যদানকালেও Consucon MR 30 mg Tablet সুপারিশ করা হয় না। Consucon MR 30 mg Tablet ব্যবহারের আগে গর্ভবতী, গর্ভধারণের পরিকল্পনাকারী, বা স্তন্যদানকারী নারীদের চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা উচিত।
Q: কোন ঔষধগুলো Consucon MR 30 mg Tablet-এর সাথে মিথষ্ক্রিয়া করে?
A: সিস্টেমিক মাইকোনাজোলের সাথে Consucon MR 30 mg Tablet একত্রে ব্যবহার করা যাবে না, কারণ এতে গুরুতর হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। অন্যান্য অ্যাজোল অ্যান্টিফাংগাল, অ্যালকোহল, বিটা-ব্লকার, NSAIDs, ACE ইনহিবিটর, এবং অন্যান্য অ্যান্টিডায়াবেটিক ঔষধ বা ইনসুলিন Consucon MR 30 mg Tablet-এর গ্লুকোজ-হ্রাসকারী প্রভাব বা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। কর্টিকোস্টেরয়েড, থায়াজাইড মূত্রবর্ধক, এবং ড্যানাজলের মতো কিছু ঔষধ রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে Consucon MR 30 mg Tablet-এর কার্যকারিতা কমাতে পারে। Consucon MR 30 mg Tablet শুরু করার আগে আপনার সেবন করা সকল ঔষধ সম্পর্কে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।
Q: Consucon MR 30 mg Tablet বেশি সেবন করে ফেললে কী করব?
A: Consucon MR 30 mg Tablet-এর মাত্রাধিক্য গুরুতর ও দীর্ঘস্থায়ী হাইপোগ্লাইসেমিয়া সৃষ্টি করতে পারে। কেউ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি Consucon MR 30 mg Tablet সেবন করে থাকলে এবং সজ্ঞান থাকলে, অবিলম্বে চিনি বা মিষ্টি পানীয় দিন এবং দ্রুত জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন, কারণ Consucon MR 30 mg Tablet-এর মাত্রাধিক্যের পর শিরায় গ্লুকোজসহ হাসপাতালে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে, কখনো কখনো ২৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।