Product gallery
MRP ০.৬৮১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ০.৬১/piece
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

D-Pam একটি দীর্ঘ-কার্যকরী বেনজোডায়াজেপিন, যা একাধিক নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেগুলোর প্রমাণের শক্তি ভিন্ন ভিন্ন।

প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • উদ্বেগজনিত রোগ — উদ্বেগের লক্ষণের স্বল্পমেয়াদী উপশমে D-Pam ব্যবহৃত হয়।
  • তীব্র অ্যালকোহল প্রত্যাহার — উত্তেজনা, কম্পন, এবং ডেলিরিয়াম ট্রিমেন্স-এর লক্ষণ উপশমে D-Pam ব্যবহার করা হয়।
  • কঙ্কালপেশির খিঁচুনি — স্থানীয় প্রদাহ/আঘাতজনিত খিঁচুনি বা সেরিব্রাল পালসির মতো স্নায়বিক কারণে সৃষ্ট স্পাস্টিসিটির সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে D-Pam ব্যবহৃত হয়।
  • খিঁচুনি রোগ — সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে (একমাত্র চিকিৎসা হিসেবে নয়); স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস-এ শিরাপথে D-Pam প্রয়োগ করা হয়।
  • অস্ত্রোপচার-পূর্ব প্রশমন (সিডেশন) — অস্ত্রোপচার বা এন্ডোস্কোপির আগে উদ্বেগ কমাতে D-Pam ব্যবহৃত হয়।

সহায়ক/সংযুক্ত চিকিৎসা

নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে, প্রশমনের প্রয়োজন হলে অন্যান্য চিকিৎসার সাথে সহায়ক হিসেবে D-Pam ব্যবহৃত হতে পারে, তবে তা কখনোই প্রধান চিকিৎসা হিসেবে নয়।

বিশেষ প্রস্তুতি-নির্দিষ্ট ব্যবহার

রেকটাল জেল আকারে D-Pam নির্দিষ্ট এপিলেপ্সি রোগীদের মাঝে মাঝে বেড়ে যাওয়া খিঁচুনি (acute repetitive seizures) নিয়ন্ত্রণে, স্থিতিশীল অ্যান্টিএপিলেপটিক চিকিৎসার সাথে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নির্ভরশীলতার ঝুঁকির কারণে দীর্ঘমেয়াদী প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে D-Pam সুপারিশ করা হয় না; এটি স্বল্পমেয়াদী বা সহায়ক ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

বেনজোডায়াজেপিন — অ্যাংজিওলাইটিক, সেডেটিভ-হিপনোটিক, কঙ্কালপেশি শিথিলকারী এবং অ্যান্টিকনভালসেন্ট। D-Pam এই শ্রেণির একটি প্রতিনিধি ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

কর্মপদ্ধতি

Diazepam কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের GABA-A রিসেপ্টর কমপ্লেক্সের একটি নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ হয়ে পজিটিভ অ্যালোস্টেরিক মডুলেটর হিসেবে কাজ করে, যা GABA-এর নিরোধক প্রভাব বৃদ্ধি করে এবং ক্লোরাইড চ্যানেল খোলার হার বাড়ায়, ফলে নিউরনের হাইপারপোলারাইজেশন ও সাধারণ CNS নিরোধ ঘটে।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

  • শোষণ: মুখে সেবনের পর ভালোভাবে শোষিত হয়, সর্বোচ্চ প্লাজমা মাত্রা প্রায় ১-১.৫ ঘণ্টায় পৌঁছায়।
  • বিতরণ: উচ্চমাত্রায় লাইপোফিলিক ও প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সংযুক্ত (~৯৮%); সহজেই রক্ত-মস্তিষ্ক বাধা ও প্লাসেন্টা অতিক্রম করে এবং বুকের দুধেও প্রবেশ করে।
  • বিপাক: যকৃতে CYP3A4 ও CYP2C19-এর মাধ্যমে বিপাকিত হয়ে সক্রিয় মেটাবোলাইট তৈরি করে।
  • অর্ধ-জীবন: মূল ওষুধের অর্ধ-জীবন প্রায় ২০-১০০ ঘণ্টা; সক্রিয় মেটাবোলাইটের অর্ধ-জীবন আরও দীর্ঘ (২০০ ঘণ্টা পর্যন্ত), যা বারবার সেবনে জমা হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।
  • নিঃসরণ: প্রধানত বৃক্কের মাধ্যমে গ্লুকুরোনাইড কনজুগেট আকারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

D-Pam এর মাত্রা রোগীভেদে পৃথক করতে হয়, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রাশিশুদের মাত্রা
উদ্বেগমুখে ২-১০ মি.গ্রা., দিনে ২-৪ বার৬ মাসের কম বয়সে সুপারিশ করা হয় না; বড় শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পৃথকভাবে নির্ধারিত মাত্রা
পেশির খিঁচুনিমুখে ২-১০ মি.গ্রা., দিনে ৩-৪ বারবিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে সতর্কতার সাথে
অ্যালকোহল প্রত্যাহারপ্রথম ২৪ ঘণ্টায় ১০ মি.গ্রা. দিনে ৩-৪ বার, পরে প্রয়োজনে ৫ মি.গ্রা. দিনে ৩-৪ বারপ্রযোজ্য নয়
খিঁচুনি/স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাসশিরাপথে ৫-১০ মি.গ্রা., প্রয়োজনে ১০-১৫ মিনিট পরপর পুনরাবৃত্তি (চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে)বয়স ও ওজন অনুযায়ী মাত্রা; রেকটাল জেল ২ বছর বয়স থেকে অনুমোদিত
অস্ত্রোপচার-পূর্ব প্রশমনঅস্ত্রোপচারের আগে পেশিতে/শিরাপথে ১০ মি.গ্রা.নিয়মিত ব্যবহৃত হয় না

বৃক্ক/যকৃতের সমন্বয়

বৃক্কের সমস্যায় সতর্কতার সাথে ও কম মাত্রায় ব্যবহার করতে হয়। মারাত্মক যকৃতের অপ্রতুলতায় D-Pam নিষিদ্ধ, এবং হালকা থেকে মাঝারি যকৃতের সমস্যায় মাত্রা কমিয়ে সতর্ক পর্যবেক্ষণে দিতে হয়।

সেবনবিধি

D-Pam ট্যাবলেট/সিরাপ খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়। ইনজেকশন আকারে D-Pam প্রশিক্ষিত ব্যক্তির মাধ্যমে ধীরে ধীরে প্রয়োগ করতে হয়, কারণ শ্বাসযন্ত্রের নিরোধের ঝুঁকি থাকে। দীর্ঘদিন নিয়মিত সেবনের পর D-Pam হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয় — চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ধীরে ধীরে মাত্রা কমিয়ে বন্ধ করতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • ওপিওয়েড: D-Pam এর সাথে ওপিওয়েড ব্যথানাশক একসাথে সেবন করলে গভীর প্রশমন, শ্বাসযন্ত্রের নিরোধ, কোমা ও মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। কেবল বিকল্প না থাকলে এবং সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় একসাথে ব্যবহার করা উচিত।
  • অন্যান্য CNS নিরোধক (অ্যালকোহল, বার্বিচুরেট, অন্যান্য সেডেটিভ, পেশি শিথিলকারী): সংযোজিত CNS ও শ্বাসযন্ত্রের নিরোধ ঘটাতে পারে। D-Pam সেবনকালে অ্যালকোহল সম্পূর্ণ পরিহার করা উচিত।
  • শক্তিশালী CYP3A4/CYP2C19 নিরোধক (যেমন কিটোকোনাজল, ফ্লুভক্সামিন, সিমেটিডিন, ওমিপ্রাজল): D-Pam এর রক্তমাত্রা বাড়িয়ে প্রশমক প্রভাব দীর্ঘায়িত করতে পারে।
  • CYP প্রবর্তক (যেমন রিফাম্পিন, কার্বামাজেপিন): D-Pam এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।
  • ডিগক্সিন: D-Pam ডিগক্সিনের রক্তমাত্রা বাড়িয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • অন্যান্য CNS-সক্রিয় ওষুধ (অ্যান্টিসাইকোটিক, অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, অন্যান্য অ্যান্টিকনভালসেন্ট): D-Pam এর প্রশমক প্রভাব বাড়িয়ে দিতে পারে, তাই মাত্রা সমন্বয় বা নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Diazepam ব্যবহার করা নিষিদ্ধ:

  • Diazepam বা যেকোনো বেনজোডায়াজেপিন বা প্রস্তুতির কোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা।
  • তীব্র সংকীর্ণ-কোণ গ্লুকোমা (acute narrow-angle glaucoma)।
  • মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস।
  • মারাত্মক শ্বাসযন্ত্রের অপ্রতুলতা (কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্রে থাকা রোগী ছাড়া)।
  • মারাত্মক যকৃতের অপ্রতুলতা।
  • স্লিপ অ্যাপনিয়া সিন্ড্রোম।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

D-Pam সেবনে নিচের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা দিতে পারে।

সাধারণ

  • ঝিমুনি, প্রশমন ও ক্লান্তি
  • ভারসাম্যহীনতা (অ্যাটাক্সিয়া) ও পেশি দুর্বলতা
  • মাথা ঘোরা
  • বিভ্রান্তি, বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে
  • মুখ শুকিয়ে যাওয়া, দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া

গুরুতর (বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন)

  • শ্বাসযন্ত্রের নিরোধ, বিশেষত ওপিওয়েড বা অন্যান্য CNS নিরোধকের সাথে একসাথে সেবনে
  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে শারীরিক নির্ভরশীলতা, অপব্যবহার ও প্রত্যাহার প্রতিক্রিয়া
  • প্যারাডক্সিক্যাল প্রতিক্রিয়া (উত্তেজনা, আগ্রাসন), শিশু ও বয়স্কদের মাঝে বেশি দেখা যায়
  • বয়স্কদের ক্ষেত্রে জ্ঞানীয় দুর্বলতা ও পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় D-Pam কেবলমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রসবের কাছাকাছি সময়ে ব্যবহার করলে নবজাতকের মধ্যে দুর্বলতা ("floppy infant syndrome"), শ্বাস-প্রশ্বাস ও খাওয়ানোর সমস্যা এবং প্রত্যাহার লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

D-Pam ও এর সক্রিয় মেটাবোলাইট বুকের দুধে প্রবেশ করে এবং শিশুর মধ্যে ঝিমুনি, খাওয়ানোয় সমস্যা ও ওজন কমার কারণ হতে পারে। নিয়মিত D-Pam সেবনকালে সাধারণত বুকের দুধ খাওয়ানো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়; উপকারিতা ও ঝুঁকি বিবেচনায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

সতর্কতা

বক্সড ওয়ার্নিং (গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা)

  • অপব্যবহার ও আসক্তির ঝুঁকি: D-Pam ব্যবহারে অপব্যবহার, অসদ্ব্যবহার ও আসক্তির ঝুঁকি রয়েছে, যা মাত্রাধিক্যতা বা মৃত্যু ঘটাতে পারে। চিকিৎসা শুরুর আগে ও চলাকালীন ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে হবে।
  • ওপিওয়েডের সাথে শ্বাসযন্ত্রের নিরোধের ঝুঁকি: D-Pam ও ওপিওয়েড একসাথে সেবনে গভীর প্রশমন, শ্বাসযন্ত্রের নিরোধ, কোমা ও মৃত্যু হতে পারে।
  • নির্ভরশীলতা ও প্রত্যাহার প্রতিক্রিয়া: দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের পর D-Pam হঠাৎ বন্ধ করলে বা দ্রুত মাত্রা কমালে জীবনঝুঁকিপূর্ণ খিঁচুনিসহ প্রত্যাহার প্রতিক্রিয়া হতে পারে। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ধীরে ধীরে মাত্রা কমিয়ে বন্ধ করতে হবে।

অন্যান্য সতর্কতা

  • বয়স্ক ও দুর্বল রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ তাদের প্রশমন, জ্ঞানীয় দুর্বলতা ও পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি।
  • শিশু ও বয়স্কদের মাঝে প্যারাডক্সিক্যাল প্রতিক্রিয়া (উত্তেজনা, আগ্রাসন) দেখা দিতে পারে; এমন হলে D-Pam বন্ধ করতে হবে।
  • যকৃত বা বৃক্কের সমস্যা এবং মাদকাসক্তির ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
  • গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনার সক্ষমতা ব্যাহত করতে পারে।
  • D-Pam সেবনকালে অ্যালকোহল পরিহার করা উচিত।

মাত্রাধিক্যতা

D-Pam এর মাত্রাধিক্যতায় ঝিমুনি, বিভ্রান্তি, কথা জড়িয়ে যাওয়া, সমন্বয়ের সমস্যা, শ্বাসযন্ত্রের নিরোধ, নিম্ন রক্তচাপ, কোমা এবং বিরল ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটতে পারে — বিশেষ করে অ্যালকোহল বা অন্যান্য CNS নিরোধকের সাথে একসাথে সেবন করলে।

D-Pam এর সন্দেহজনক মাত্রাধিক্যতা একটি জরুরি চিকিৎসা অবস্থা। অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না। হাসপাতালে সহায়ক চিকিৎসা এবং কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ফ্লুমাজেনিল প্রয়োগ করা হতে পারে।

সংরক্ষণ

কক্ষ তাপমাত্রায় (৩০°সে এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • বয়স্করা: প্রশমক প্রভাবের প্রতি সংবেদনশীলতা বেশি থাকে; কম মাত্রায় (যেমন দিনে ১-২ বার ২-২.৫ মি.গ্রা.) D-Pam শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়াতে হয়। পড়ে যাওয়া ও জ্ঞানীয় সমস্যার ঝুঁকি বেশি।
  • বৃক্কের সমস্যা: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; মেটাবোলাইট বৃক্কের মাধ্যমে নিঃসৃত হওয়ায় মাত্রা কমানোর প্রয়োজন হতে পারে।
  • যকৃতের সমস্যা: মারাত্মক যকৃতের অপ্রতুলতায় D-Pam নিষিদ্ধ; হালকা-মাঝারি সমস্যায় কম মাত্রায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
  • শিশু: বয়স ও নির্দেশনা-নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়; ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের উদ্বেগের চিকিৎসায় সুপারিশ করা হয় না। অনেক ক্ষেত্রে নবজাতকদের মধ্যে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
  • গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: বিস্তারিত জানতে গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: D-Pam 5 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: D-Pam 5 mg Tablet একটি দীর্ঘ-কার্যকরী বেনজোডায়াজেপিন, যা উদ্বেগের স্বল্পমেয়াদী উপশমে, তীব্র অ্যালকোহল প্রত্যাহারের লক্ষণ ব্যবস্থাপনায়, কঙ্কালপেশির খিঁচুনির সহায়ক চিকিৎসায়, খিঁচুনি রোগের (স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাসসহ) সহায়ক চিকিৎসায় এবং অস্ত্রোপচার-পূর্ব প্রশমনে ব্যবহৃত হয়।

Q: D-Pam 5 mg Tablet কি আসক্তিকর?

A: হ্যাঁ। D-Pam 5 mg Tablet নিয়মিত ব্যবহারে অপব্যবহার, অসদ্ব্যবহার ও আসক্তির ঝুঁকি বহন করে এবং শারীরিক নির্ভরশীলতা তৈরি করতে পারে। এটি সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, সর্বনিম্ন সময়ের জন্য এবং কেবল চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা উচিত।

Q: D-Pam 5 mg Tablet কি হঠাৎ বন্ধ করা যায়?

A: না। কয়েক সপ্তাহের বেশি নিয়মিত সেবনের পর D-Pam 5 mg Tablet হঠাৎ বন্ধ করলে জীবনঝুঁকিপূর্ণ খিঁচুনিসহ প্রত্যাহার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে মাত্রা কমিয়ে বন্ধ করতে হবে।

Q: D-Pam 5 mg Tablet কি ওপিওয়েড ব্যথানাশকের সাথে খাওয়া যায়?

A: চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা ছাড়া D-Pam 5 mg Tablet ওপিওয়েড ওষুধের সাথে একত্রে সেবন করা উচিত নয়, কারণ এতে গভীর প্রশমন, বিপজ্জনকভাবে শ্বাস ধীর হয়ে যাওয়া, কোমা এমনকি মৃত্যু হতে পারে। আপনি যে সকল ওষুধ সেবন করছেন তা সবসময় চিকিৎসককে জানান।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে D-Pam 5 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় D-Pam 5 mg Tablet কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত, কারণ এটি ভ্রূণকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষত প্রসবের কাছাকাছি সময়ে ব্যবহার করলে। এটি বুকের দুধেও প্রবেশ করে এবং শিশুকে ঝিমিয়ে দিতে পারে। গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে D-Pam 5 mg Tablet ব্যবহারের আগে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: মাত্রা মিস হলে বা মাত্রাধিক্যতা হলে কী করব?

A: মাত্রা মিস হলে মনে পড়ামাত্র তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে তা বাদ দিন — দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। D-Pam 5 mg Tablet এর মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor